ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একই পরিবারের চার প্রতিবন্ধীর মানবেতর জীবন ও দারিদ্র্যের চিত্র


একই পরিবারের চার প্রতিবন্ধীর মানবেতর জীবন ও দারিদ্র্যের চিত্র

যে বয়সে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা, বই-খাতা হাতে নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলার কথা, সেই বয়সেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি হয়ে আছে সিয়াম হোসেন (১০) ও রিয়া আক্তার (১২)। চার বছর আগে তারা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করে বিদ্যালয়ে যেত। কিন্তু সামান্য জ্বরের পর তাদের জীবন বদলে যায়। ধীরে ধীরে তারা হারায় স্বাভাবিকভাবে হাঁটা-চলার সক্ষমতা।

সিয়াম ও রিয়াই একমাত্র প্রতিবন্ধী নয়, একই পরিবারের আরও দুই সদস্যও প্রতিবন্ধী। সিয়ামের মা কোহিনূর বেগম জন্মগতভাবে বাকপ্রতিবন্ধী। অন্যদিকে, বাবা মহিন উদ্দিন (৩৮) নিজেও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কোনো রকমে অটোরিকশা চালিয়ে সংসারের হাল ধরে রেখেছেন। প্রতিদিন তাকে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

এভাবে প্রতিদিন মানবেতর জীবন কাটছে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মেঘদাইর গ্রামের এই চার প্রতিবন্ধীর।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

একদিকে নিজের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, অন্যদিকে স্ত্রী ও দুই সন্তানের প্রতিবন্ধকতা—সব মিলিয়ে পরিবারটির জীবন যেন প্রতিনিয়ত কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। কখনো খাবার জোটে, আবার কখনো অভাবের কারণে না খেয়েই সময় কাটাতে হয়। সন্তানদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পুষ্টিকর খাবার কিংবা পড়াশোনার খরচ বহন করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

প্রতিবন্ধী মা কোহিনূর বেগম কথা বলতে পারেন না। তবে মাতৃত্বের মমতায় কোনো ঘাটতি নেই তার। নিজের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সন্তানদের দেখাশোনা, তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং সংসারের নানা কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন নীরবে। সন্তানদের কষ্ট দেখেও তা মুখে প্রকাশ করতে পারেন না তিনি। তার নীরব চোখের ভাষায় যেন ফুটে ওঠে অসহায় এক মায়ের দীর্ঘশ্বাস।

অন্যদিকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়েও পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে অটোরিকশা চালান মহিন উদ্দিন। কিন্তু শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন নিয়মিত কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব হয় না। অটোরিকশা চালিয়ে যে সামান্য আয় করেন, তা দিয়ে কোনোরকমে পরিবারের খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খেতে হয়। ফলে সন্তানদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো কিংবা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন অনেকটাই অধরা থেকে গেছে।

স্থানীয় প্রতিবেশী রবিউল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, একই পরিবারের চারজন প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মহিন উদ্দিনও প্রতিবন্ধকতার কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারেন না। সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা পেলেও তা দিয়ে চার সদস্যের সংসারের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তাদের লেখাপড়া ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

স্থানীয়রা মনে করেন, পরিবারটির জন্য নিয়মিত চিকিৎসা, পুষ্টিকর খাবার, আর্থিক সহায়তা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি।

শারীরিক প্রতিবন্ধী মহিন উদ্দিন বলেন, চার বছর আগে তার ছেলে ও মেয়ের জ্বর হয়েছিল। তখন উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় তারা ধীরে ধীরে হাঁটা-চলার সক্ষমতা হারিয়ে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। তিনি নিজেও প্রতিবন্ধী। কোনোভাবে অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সব সময় গাড়ি চালাতে পারেন না। তার স্ত্রী কথা বলতে পারেন না, ছেলে-মেয়ে প্রতিবন্ধী। অনেক সময় খাবারের কষ্টে দিন কাটাতে হয়। সন্তানদের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই। মানুষের সহযোগিতা পেলে তাদের জীবন কিছুটা ভালোভাবে চালানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবু ইসহাক বলেন, একই পরিবারের চারজন প্রতিবন্ধী হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। তবে শুধু ভাতা দিয়ে তাদের জীবনমানের স্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কর্মমুখী ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সুদমুক্ত ঋণ বা ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আর্থিক সহযোগিতা করতে চাইলে শারীরিক প্রতিবন্ধী মহিন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। বিকাশ ও নগদ নম্বর: ০১৮২৭৩২৬৭৩৮।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলমাঠে জলাবদ্ধতায় হাঁসের সাঁতার, শিশুদের খেলার সুযোগ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


স্কুলমাঠে জলাবদ্ধতায় হাঁসের সাঁতার, শিশুদের খেলার সুযোগ নেই

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এই শিশুরা সকলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের বিদ্যালয়ের মাঠে সহপাঠীদের সঙ্গে ছুটোছুটি করার কথা ছিল। কিন্তু জমে থাকা পানির কারণে তারা খেলতে পারছে না, কেউ কেউ টয়লেটেও যেতে পারছে না। আবার ক্লাসে যেতে গিয়ে পানিতে ভিজে যাচ্ছে কারও পোশাক। বই ও খাতায় লেগে যাচ্ছে কাদা। কোমলমতি এই শিশুদের অভিযোগের শেষ নেই।

হাঁসগুলোকে সাঁতার কাটতে দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি পুকুর বা জলাশয়, অথচ এটি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মানিকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়ার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও তাদের পাঠদান চলছে এর মধ্যেই।

স্কুলের মাঠে জমে থাকা নোংরা পানিতে মশার বংশবিস্তার ও সাপের উপদ্রবের আশঙ্কা রয়েছে, যা স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে। এছাড়া, পানিতে ডুবে থাকার কারণে শিশুদের খেলাধুলার সুযোগও নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও পারিপার্শ্বিক জটিলতার কারণে পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন করেছে এবং উপজেলা প্রশাসন শিশুদের এই দুর্ভোগ নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

তবে আশ্বাসের অপেক্ষায় নেই শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। তারা দ্রুত পানি সরিয়ে স্কুলের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য অপেক্ষা করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে এক পা বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে এক পা বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে পরাজিত করে শুভ সূচনা করেছিল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা লঙ্কানদের কাছে পরাজিত হয়। তৃতীয় ম্যাচে আবারও স্বাগতিকদের হারিয়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা জয়লাভ করেছে। এই ১৩ রানের জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তান নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৬ রানে থেমে যায়।

শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। তারা মাত্র ৪ রানের মাথায় ২ উইকেট হারায়। তবে অচেনা ১৭, নিশি ২০, অধিনায়ক সাদিয়া ২৪, সাদিয়া আক্তার অপরাজিত ৩৩ এবং ফারজানা অপরাজিত ২৮ রানের সাহায্যে বাংলাদেশ ১৩৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ গড়ে।

পাকিস্তানের পক্ষে রোজিনা ও মাহাম দুটি এবং সাহার বানু একটি উইকেট নেন। রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরুটা ভালোই করে। তারা প্রথম ছয় ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫০ রান তুলে।

উদ্বোধনী জুটি একসময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। রাভাইল ফারহান ২৯ বলে ৩২ এবং কোমল খান ২৯ বলে ৩৬ রান করেন।

তবে ৬৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর পাকিস্তান দ্রুত ছন্দ হারায়। ৭০ ও ৭১ রানের মধ্যে তারা আরও দুটি উইকেট হারায়। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরে আসে। ২০ ওভার শেষে পাকিস্তান ৭ উইকেটে ১২৬ রানে থেমে যায়।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন ফারজানা ইয়াসমিন। তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। নিশিতা আক্তার নিশি ২৮ রানে ২ উইকেট এবং তিথি দাস অপর্ণা ৮ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে মতিহার হল প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় হল প্রাঙ্গণে এই মশক নিধন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতিহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ছামিউল ইসলাম সরকার।

হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফগার মেশিন ব্যবহার করে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একইসঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সকল আবাসিক শিক্ষার্থীকে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

মতিহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ছামিউল ইসলাম সরকার বলেন, "সারাদেশের এই সময়টাতে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে নয়। এখানে যেমন শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে, একইসঙ্গে স্বাস্থ্য ও জীবনে নিরাপত্তা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের হলে নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পালন করি। তারপরও ডেঙ্গু নিরোধের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি, যাতে করে মশার উপদ্রব কমে। এ লক্ষ্যে আমরা ডেঙ্গুর ক্যাম্পেইন করেছি।"

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে সভার সচেতনতা জরুরি। রুমের ভেতর যেন কোনো পানি জমে না থাকে। ডেঙ্গু মূলত জমে থাকা পানি থেকে ছড়ায়। তাছাড়া ডাবের খোসা, চিপস জাতীয় অন্যান্য প্যাকেটগুলো যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট বিনে ফেলা উচিত।"

তিনি আরও জানান, "কারো যদি তীব্র জ্বর বা মাথা ব্যথা হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হল প্রশাসনকে জানালে আমরা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"

এ সময় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফের অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফের অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে চারজনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) একটি বড় অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে সোনাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এই অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙ্গা বিওপি এলাকার বিপরীতে অবস্থিত ভারতের আটিলা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তিনজন পুরুষ ও একজন নারীসহ মোট চারজনকে শূন্যরেখা পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন। সোনাডাঙ্গা বিজিবির টহল দলের নজরে আসার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা সফলভাবে রুখে দেন।

বর্তমানে ওই চার নাগরিক ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সীমান্তজুড়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নওগাঁ ১৪ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ এহসান হাবীব পিএসসি জানান, বর্তমানে ওই চারজনকে নিরাপদে ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম ও প্রচেষ্টা চলছে। সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "দেশের সুরক্ষায় অবৈধভাবে কাউকে একচুলও বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%