ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অভিনেত্রী রিয়ার ভিডিও ফাঁস নিয়ে উন্মত্ত নেটদুনিয়া!


অভিনেত্রী রিয়ার ভিডিও ফাঁস নিয়ে উন্মত্ত নেটদুনিয়া!

বিতর্ক ও সামাজিক ট্রলিং যেন বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর পিছু ছাড়ছে না। বিশেষ করে ২০২০ সালে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। এবার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দ্য ট্রেইটরস’-এ অংশ নিয়ে নিজের অতীত অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক ট্রলিংয়ের প্রসঙ্গ তুলে আবারও আলোচনায় এসেছেন রিয়া。

শোয়ের পঞ্চম পর্বে, সহ-প্রতিযোগী শ্বেতা তিওয়ারি রিয়াকে বিশ্বাসঘাতক মনে না করার কারণ জানতে চাইলে, নিজের জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন অভিনেত্রী। রিয়া বলেন, বাস্তব জীবনে তাকে অনেক সময় বিশ্বাসঘাতক বা খুনি হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাই এমন চরিত্রে স্বেচ্ছায় অভিনয় করতে চান না তিনি।

রিয়ার অভিযোগ, তাকে নিয়ে অতীতে ব্যাপকভাবে ট্রল ও মিম তৈরি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, দেশের সবচেয়ে বেশি ট্রল হওয়া মানুষগুলোর একজন সম্ভবত তিনি। তবে এসব অভিজ্ঞতা তাকে ভেঙে না দিয়ে বরং নিজের সিদ্ধান্তে আরও দৃঢ় করেছে, এমন ইঙ্গিতও দেন তিনি।

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন।

এদিকে, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর মামলায় দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার পর, ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে রিয়ার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের বিষয়ে অব্যাহতির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

‘দ্য ট্রেইটরস’-এর ওই পর্বে ভোটাভুটিতে রিয়া শেষ পর্যন্ত টিকে যান। তবে পারুল গুলাটি বাদ পড়েন। পুরনো বিতর্ক পেছনে ফেলে রিয়া আবারও বিনোদন জগতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে তার সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, অতীতের বিতর্ক ও সামাজিক ট্রলিংয়ের অভিজ্ঞতা এখনও তার মনে গভীর ছাপ রেখে গেছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না মির্জা আব্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


যে কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না মির্জা আব্বাস

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য সুযোগ রয়েছে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের।

কিন্তু অসুস্থতার কারণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না। বর্তমানে তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে unable হচ্ছেন।

ভোট দিতে অক্ষমতার বিষয়টি জানিয়ে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকার কারণে এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হিসেবে সদস্যরা ৩৪৯ জন রয়েছেন। তবে মির্জা আব্বাস দেশের বাইরে অবস্থান করায় কার্যত ভোটার সংখ্যা একজন কমে যাচ্ছে।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের ১৮০ দিনে উন্নয়নমূলক বৃক্ষরোপণ, খাল খনন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


সরকারের ১৮০ দিনে উন্নয়নমূলক বৃক্ষরোপণ, খাল খনন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ

বর্তমান সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ অভিপ্রায়ে যে অভিযাত্রা শুরু করেছে, সেখানে স্থানীয় সরকারকে ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্র’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও জনকল্যাণমুখী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রথম ১৮০ দিনের জন্য একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনসাধারণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া, টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা।

এসব কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২২টি খাত নিয়ে কাজ করছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কাঁচা সড়ক পাকাকরণ, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, সুপেয় পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রভৃতি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মপরিধি সারা দেশজুড়ে বিস্তৃত। মাত্র ছয় মাসে সবকিছু একযোগে উন্নয়ন করে ফেলা সম্ভব নয়। কিন্তু কয়েকটি খাতে ছয় মাসে টার্গেট শতভাগ পূরণ হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক সারা দেশে ১ কোটি ৪০ লাখ বৃক্ষরোপণ, ৩ হাজার কি. মি. গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকা করা, ১৩ হাজার ২৬৫ মিটার ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, ১১টি বহুমুখী সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ, ২৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় নির্মাণ এবং নগর এলাকায় ৯০ শতাংশ বর্জ্য সংগ্রহ করা অন্তর্ভুক্ত। নতুন ওয়াসা গঠন করা হয়েছে।

সরকারের আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৮০ দিনের কাজের পরিকল্পনার আওতায় বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১ কোটি ৪০ লাখ বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ছয় মাসের টার্গেট পূরণ হয়েছে। আপনাদের জানাই, গ্রামীণ অবকাঠামো, রাস্তা, ব্রিজ-কালভার্ট সংস্কার, সিটি করপোরেশনে সবুজায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উদ্যোগে পরিকল্পনা অনুযায়ী আশানুরূপ ফল এসেছে। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে। কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, রাস্তা মেরামত, সুপেয় পানি, সার্ফেস ওয়াটার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ীই সব কাজ ধাপে ধাপে শেষ হবে।’

মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে ‘দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী স্থানীয় সরকার’ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার রয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য হলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে জনগণকে দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদান নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট-এর মাধ্যমে ১৮০ দিনে ৭ হাজার ৩৭৮ জন জনপ্রতিনিধি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ১৮০ দিনে নগর এলাকায় দৈনিক ৯০ শতাংশ বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নগরসমূহে সার্কুলার ফিউচার মডেল, থ্রি-আর পলিসি বাস্তবায়ন এবং পাইলট ভিত্তিতে পৃথকীকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পসমূহে বিদ্যমান আনুষঙ্গিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৩৭ টি জেলা শহরে এবং ৫০টি উপজেলা শহরে সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। চলমান প্রকল্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে থ্রি-আর (রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল) নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কক্সবাজারে চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করা হচ্ছে।

ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতোমধ্যে ১৩টি ইন্টারসেকশন সিগন্যাল লাইট স্থাপন করে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং দ্রুত আরো ৩৭টি ইন্টারসেকশন সিগন্যাল লাইট স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। ঢাকা শহরের নিরাপদ পানি সরবরাহে ঢাকা ওয়াসার দৈনিক পানির চাহিদা ৩২০-৩২৫ কোটি লিটারের বিপরীতে প্রতিদিন উৎপাদন ২৯৫-৩০০ কোটি লিটারে পৌঁছেছে।

এদিকে বিএনপি সরকারের ৬ মাস উপলক্ষ্যে ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি ই-বুক প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বইটিতে বলা হয়েছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেয় বিএনপি সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ১৮০ দিনে অর্থনীতি, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কার ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এতে রাজনৈতিক সংস্কার, জবাবদিহি ও অপচয় রোধে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চেয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। তিনি ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট পাকিস্তান থেকে বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার চেষ্টার সময় শহীদ হন। আজ, ২০ আগস্ট, তাঁর ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মতিউর রহমান দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ লাভ করেন। তাঁর শাহাদাতের ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালে পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় তাঁর দেহাবশেষ। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আগ্রহে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ২৪ জুন রাতে তাঁর দেহাবশেষ ঢাকা পৌঁছালে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয়ভাবে তা গ্রহণ করেন। পরদিন ২৫ জুন মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে পুনরায় দাফন করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের জন্য মতিউরের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্ম ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার পৈতৃক নিবাসে। তাঁর বাবা মৌলভী আব্দুস সামাদ সরকারি চাকরিজীবী এবং মা মোবারকুন্নেসা গৃহিণী ছিল। নয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মতিউর ছিলেন অষ্টম।

তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও প্রতিভাবান ছিলেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনী স্কুল, সারগোদায় ভর্তি হন। পরবর্তীতে, ১৯৬০ সালে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ফিরে আসলে তিনি ১৯৬১ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তান বিমানবাহিনী একাডেমি, রিসালপুরে ৩৬তম সাধারণ দায়িত্ব কোর্সে উড্ডয়ন প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৩ সালের ২৩ জুন তিনি বিমান শাখায় কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর চাকরির নম্বর ছিল পিএকে-৪৩৬৭।

পরবর্তী সময়ে মৌরিপুরের দ্বিতীয় প্রশিক্ষণ স্কোয়াড্রন ও করাচির যুদ্ধবিমান নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনে তিনি এফ-৮৬ যুদ্ধবিমানের পাইলট হিসেবে ১৯ ও ২৫ নম্বর স্কোয়াড্রনে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। প্রশিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কিছু সময় ইসলামাবাদের আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সদর দপ্তরেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৬৭ সালে এক পাঞ্জাবি পাইলটের সঙ্গে প্রশিক্ষণকালীন আকাশযুদ্ধে অংশগ্রহণের সময় তাঁর বিমান বিধ্বস্ত হয়। তবে, তিনি বিমান থেকে বেরিয়ে প্রাণে বেঁচে যান। এ ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধেই সামরিক আদালতে বিচার হয়, কিন্তু পরে পাঞ্জাবি পাইলট শাস্তি না পেলেও মতিউর রহমানকে এক বছরের জন্য উড্ডয়ন থেকে বিরত রাখা হয়। ১৯৬৮ সালের ১৯ এপ্রিল মিলি খানের সঙ্গে বিয়ে করার পর ১৯৬৯ সালের ২৩ এপ্রিল তাঁদের প্রথম মেয়ে মাহিন ও ১৯৭০ সালের ১৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় মেয়ে তুহিনের জন্ম হয়।

১৯৭১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বার্ষিক ছুটির সময়ে পরিবার নিয়ে ঢাকায় আসেন মতিউর। তখন স্বাধিকার আন্দোলন দেশব্যাপী তীব্র হয়ে উঠেছিল। ২৫ মার্চ তিনি নরসিংদীর গ্রামের বাড়িতে যান এবং সেখানে স্বাধীনতাকামী মানুষদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। ৪ এপ্রিল পাকিস্তানি বিমানবাহিনী নরসিংদীতে হামলা চালালে মতিউর ভৈরব হয়ে তাঁর নানার বাড়িতে চলে যান।

মতিউর রহমান পাকিস্তান থেকে বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। ৯ মে ১৯৭১ তারিখে তিনি সপরিবারে কর্মস্থলে ফিরে যান এবং দেরিতে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে উড্ডয়ন নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে নিয়মিত দায়িত্ব পালনের আড়ালে তিনি কয়েকজন দেশপ্রেমিক বাঙালি কর্মকর্তার সঙ্গে বিমান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা চালিয়ে যান।

১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে পাঞ্জাবি পাইলট কর্মকর্তা রাশেদ মিনহাজকে সঙ্গে নিয়ে মতিউর রহমান টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে ভারতের উদ্দেশে উড্ডয়ন করেন। বিমানের পরিচিতি ছিল ‘ব্লু বার্ড-১৬৬’। বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পাইলটের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সিন্ধুর বেদিন এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে দুজনই নিহত হন।

এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন মতিউর রহমান। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অসীম সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করা হয়।

শহীদ হওয়ার পর পাকিস্তান সরকার মতিউর রহমানের মরদেহ করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটির চতুর্থ শ্রেণির কবরস্থানে দাফন করে। বাংলাদেশের সাত বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে পাঁচজনের সমাধি দেশে থাকলেও দীর্ঘদিন মতিউর রহমানের কবর পাকিস্তানে থেকে যায়।

এই কবরটি পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ছিল, ফলে সাধারণ মানুষের সেখানে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘদিন কবর জিয়ারত করতে পারেননি। ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়া সরকারের প্রথম মেয়াদে পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার পর মতিউর রহমানের পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারতের সুযোগ তৈরি হয়। প্রথমবারের মত তাঁর মেয়ে মাহিন, জামাতা ফয়সাল খন্দকার ও নাতি রাশাদ সেখানে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এরপর পুনরায় কবরের কাছে যেতে বাধার মুখে পড়তে হয়। এরপর থেকেই মতিউর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি জোরালোভাবে আলোচনায় আসে।

মতিউর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত আগ্রহ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরের সময় তাঁর দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। ২৪ জুন ২০০৬ রাতে পাকিস্তান থেকে মতিউর রহমানের দেহাবশেষ ঢাকায় পৌঁছায়। দেশের মানুষের পক্ষ থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তা গ্রহণ করেন। পরদিন ২৫ জুন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়। শাহাদাতের ৩৫ বছর পর অবশেষে তাঁর মরদেহ দেশে ফিরে আসে।

মতিউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ছাড়ার যে বিমানবন্দর ব্যবহার করেছিলেন, ৩৫ বছর পর তাঁর কফিনও সেই বিমানবন্দরেই এসে পৌঁছায়। তখন স্থানটি জাতীয় প্যারেড স্কয়ার হিসেবে পরিচিত ছিল। কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সেই মুহূর্ত ছিল দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন। বিশেষ করে স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রজন্মের কাছে এটি ছিল বিরল অভিজ্ঞতা, যা জানান দেয় যে বীর দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন।

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো তাঁর দেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ। পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত থেকেও তিনি নিজ মাতৃভূমির স্বাধীনতার পক্ষে ছিলেন। শুধু মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেই থেমে থাকেননি; পাকিস্তান থেকে একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার সাহসী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ছিলেন দক্ষ যুদ্ধবিমান পাইলট, প্রশিক্ষক এবং সামরিক কর্মকর্তা।

মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য সাহসিকতার স্বীকৃতিই হলো দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ। ২৯ বছর বয়সে শহীদ হওয়া মতিউর রহমান রেখে গেছেন দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, স্বাধীনতার জন্য তিনি কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। পাকিস্তানের মাটিতে ৩৫ বছর পড়ে থাকার পরও তাঁর স্মৃতি মুছে যায়নি, বরং দেশে ফিরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পুনঃসমাহিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি ফিরে এসেছেন তাঁর নিজের মানুষের কাছে। আজ ২০ আগস্ট, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতি স্মরণ করছে সেই বীরকে, যিনি নিজের জীবন দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে গেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সংসদ সদস্যদের জন্য ইসির ৯টি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সংসদ সদস্যদের জন্য ইসির ৯টি নির্দেশনা

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এভাবে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

আজকের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ, বীর বিক্রম। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের জন্য ভোট প্রদানের ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬’ শীর্ষক নির্দেশনায় এসব নির্দেশনার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো—

১. সংসদ কক্ষে প্রবেশ

২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট সংগ্রহ করে ভোট দিতে হবে। এ সময় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।

২. আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে

সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে।

৩. ব্যালট সংগ্রহ

নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে।

৪. পছন্দের প্রার্থীকে ভোট

ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে।

৫. ব্যালট বাক্সে জমা

ভোট দেওয়ার পর ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

৬. ব্যালট নষ্ট হলে

কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে তা ব্যালট বাক্সে রাখার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। নির্বাচনকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

৭. নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ

ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না।

৮. সমস্যায় চিফ হুইপের শরণাপন্ন

ভোট দেওয়ার সময় কোনো সমস্যা হলে চিফ হুইপ এবং বিরোধীদলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে।

৯. পূর্ণ নাম লিখতে হবে

ব্যালট পেপারের যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হবে। কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করতে হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

এর আগে, গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেন ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে ইসি। পরে ১৩ আগস্ট বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্য মনোনীত অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাইয়ে দুই প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%