মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১০ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ জারু মিয়া, যিনি আকবর হোসেন নামেও পরিচিত (৩০) এবং আকাশ মালদার, যিনি হাসিব নামে পরিচিত (২৮) নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া বিভিন্ন সামগ্রী, যেমন স্বর্ণালংকার, রুপার চেইন, এবং পিতল ও তামার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া জারু মিয়া আখাউড়া বড় বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং আকাশ মালদার মালদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনার সাথে জড়িত তৃতীয় ব্যক্তি, তাজুল ইসলাম (৬২), চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা, পলাতক রয়েছেন। তিনি আখাউড়ার মসজিদপাড়ায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ জানায়, গত ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১২ অক্টোবর সকাল ৭টার মধ্যে আখাউড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাধানগর এলাকায় অবস্থিত মন্দিরটিতে চুরির ঘটনা ঘটে। পরে ১২ অক্টোবর, আখড়া কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ একাধিক দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে জারু মিয়াকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জারু মিয়া চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আকাশ মালদারের নাম উল্লেখ করেন। পরে অভিযান চালিয়ে আকাশকেও আটক করা হয়।
জারু মিয়ার দেখানো মতে, তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় দুই আনা ওজনের এক জোড়া সোনার কানের দুল, চারটি ইমিটেশনের মুকুট, দুটি বাঁশি, একটি চাঁদ এবং একটি রুপার চেইন। পরে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে পলাতক তাজুল ইসলামের আখাউড়া থানাধীন মসজিদপাড়ার ভাঙারির দোকান থেকে আরও মালামাল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে রাধারানির একটি বড় পিতলের মূর্তি, গৌর-নিতাইয়ের দুটি পিতলের মূর্তি, গোপালের একটি ছোট পিতলের মূর্তি, একটি পিতলের কাঁসি, একটি পিতলের গাছা, একটি পঞ্চপ্রদীপ, তিন জোড়া পিতলের করতাল, একটি তামার বাটি, ছোট-বড় দুটি তামার কোসাকুসি, একটি পিতলের প্রদীপদানি এবং শঙ্খ রাখার জন্য একটি পিতলের স্ট্যান্ড।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, মামলার পর আমাদের পুলিশের একাধিক দল তদন্ত শুরু করে। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদেরকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পলাতক আরেক আসামিকে ধরতে পুলিশের টিম কাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কোরআন কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, বরং সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে।
সন্তান জন্মের পর পরিবারে আনন্দের পরিবেশ থাকা উচিত। কিন্তু সমাজের অনেক পরিবারে এখনো কন্যাসন্তান জন্মালে হতাশা দেখা দেয়। ছেলে হলে আনন্দ প্রকাশ করা হলেও, মেয়ে হলে অনেক সময় স্বজনেরা মুখ ভার করেন। এমনকি সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া মাকেও এ কারণে দোষারোপ করা হয়।
অথচ সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ মানুষের ইচ্ছাধীন নয়। পবিত্র কোরআনে কন্যাসন্তানের জন্মকে সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কন্যাসন্তানের জন্মে অসন্তুষ্ট হওয়া এবং তাকে অপমানের চোখে দেখার মানসিকতার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।
পবিত্র কোরআনের সুরা শুরার ৪৯-৫০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান, যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। আবার কাউকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দেন এবং কাউকে নিঃসন্তান রাখেন।
ইসলামের এই শিক্ষা অনুযায়ী, কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার কারণে মাকে দোষারোপ করা বা তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। সন্তানের লিঙ্গের জন্য মাকে দায়ী করা অন্যায়।
ইসলামপূর্ব আরব সমাজে একশ্রেণির মানুষের মধ্যে কন্যাসন্তান জন্মকে লজ্জার বিষয় মনে করার প্রবণতা ছিল। পবিত্র কোরআনের সুরা নাহলের ৫৮-৫৯ নম্বর আয়াতে সেই মানসিকতার সমালোচনা করা হয়েছে।
আয়াতগুলোতে বলা হয়েছে, কন্যাসন্তানের সুসংবাদ পেয়ে কারও মুখ কালো হয়ে যেত এবং সে দুঃখে ভারাক্রান্ত হতো। এমনকি অপমানের ভয়ে সে সন্তানকে রাখবে, নাকি মাটিতে পুঁতে ফেলবে, তা নিয়েও চিন্তা করত।
এ ছাড়া সুরা তাকভিরের ৮-৯ নম্বর আয়াতে জীবন্ত সমাহিত কন্যাশিশুকে হত্যার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার কথা বলা হয়েছে।
কোরআনের এসব বক্তব্য কন্যাসন্তানকে অবহেলা ও অপমান করার মানসিকতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা দেয়। মেয়ে হয়ে জন্মানো কোনো অপরাধ নয়; বরং প্রতিটি শিশুর প্রতি ভালোবাসা, যত্ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি।
ইসলামে কন্যাসন্তানকে ভালোভাবে লালন-পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সহিহ মুসলিমের ২৬৩১ নম্বর হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুটি মেয়েকে সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করবে, কেয়ামতের দিন সে তার সঙ্গে থাকবে। এ কথা বলার সময় তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখান।
আরেকটি হাদিসে কন্যাসন্তানের প্রতি সদাচরণের প্রতিদানের কথা উল্লেখ রয়েছে। সহিহ মুসলিমের ২৬২৯ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, কন্যাসন্তানের দায়িত্ব নিয়ে তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা জাহান্নাম থেকে রক্ষার কারণ হতে পারে।
কন্যাসন্তানকে যথাযথভাবে বড় করার অর্থ শুধু খাবার ও পোশাকের ব্যবস্থা করা নয়। তার শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, মানসিক বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ নিশ্চিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত।
কন্যাসন্তানকে বঞ্চিত করার আরেকটি প্রচলিত প্রবণতা হলো উত্তরাধিকার না দেওয়া। অনেক ক্ষেত্রে মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়াকে সম্পত্তিতে তার অধিকার না দেওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
কিন্তু পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ৭ নম্বর আয়াতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরও উত্তরাধিকারের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনের রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে পুরুষ ও নারীর জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী উত্তরাধিকারের পরিমাণ নির্ধারিত হয় মৃত ব্যক্তির জীবিত উত্তরাধিকারী ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ভিত্তিতে। তবে মেয়ের বিয়ে দেওয়া বা বিয়েতে খরচ করার অজুহাতে তার প্রাপ্য উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না।
ইসলামে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে নারীর সম্মতির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। সুনান আবু দাউদের ২০৯৬ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এক নারী তার অনিচ্ছায় দেওয়া বিয়ের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি তাকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেন।
এই বর্ণনা বিয়ের ক্ষেত্রে নারীর মতামত ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে। অভিভাবকের দায়িত্ব উপযুক্ত জীবনসঙ্গী নির্বাচনে সহযোগিতা করা, মেয়ের ওপর জোর করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া নয়। বিয়ের বৈধতা ও অভিভাবকের ভূমিকা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন থাকলে যোগ্য আলেমের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
বিয়েতে স্ত্রীকে যে মোহরানা দেওয়া হয়, তা তার নিজস্ব অধিকার ও সম্পদ। পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ৪ নম্বর আয়াতে নারীদের মোহরানা সন্তুষ্টচিত্তে আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্ত্রী স্বেচ্ছায় মোহরানার কোনো অংশ ছেড়ে দিলে তা গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে চাপ সৃষ্টি করে কিংবা তাঁর সম্মতি ছাড়া মোহরানা নিয়ে নেওয়া ইসলামের নির্দেশনার পরিপন্থী।
কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা অনুযায়ী, কন্যাসন্তানের জন্ম কোনো অপমান বা হতাশার কারণ নয়। ছেলে ও মেয়ে উভয় সন্তানই পরিবারের জন্য আল্লাহর দান। তাই উভয়কেই সমান ভালোবাসা, যত্ন ও মর্যাদা দিয়ে গ্রহণ করা প্রয়োজন।
শুধু জন্মের সময় আনন্দ প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়ের শিক্ষা, নিরাপত্তা, মতামত ও আর্থিক অধিকার নিশ্চিত করাও পরিবারের দায়িত্ব।
কন্যাসন্তানের জন্মে মন খারাপ না করে তাকে সাদরে গ্রহণ করা, তার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করা এবং যথাযথভাবে লালন-পালন করাই হোক সবার অঙ্গীকার। মেয়ে হয়েছে বলে কোনো মা যেন দোষারোপের শিকার না হন, কোনো শিশু যেন অবহেলার মধ্যে বড় না হয় এবং কোনো নারী যেন তাঁর ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়ন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা, তিস্তা প্রকল্প, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী মন্তব্য করেন, "বিনিয়োগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার উপযুক্ত সময় এখন।" তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষ করে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, আন্তসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। এ সময় তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা এবং এ বিষয়ে জ্ঞান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস সরকারের আগ্রহকে বাংলাদেশ সরকার স্বাগত জানায়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই বদ্বীপ রাষ্ট্র।" তিনি উল্লেখ করেন, ফলে অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তিনি ভূমি পুনরুদ্ধারে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূমি পুনরুদ্ধার, চর উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার উপযোগী নদীব্যবস্থাপনায় দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা কামনা করে।
বাংলাদেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কেও জানতে চান নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক পরিকল্পনার প্রশংসা করেন।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ মনে করে, এ সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই নিহিত। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চায়। এ সংকট সমাধানে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কৃষি খাতেও বাংলাদেশকে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করে নেদারল্যান্ডস। দেশটির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে এ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি অতীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে।" তিনি জানান, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে তার সরকার দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৈঠকের শেষ পর্যায়ে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নেদারল্যান্ডস সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদি আমিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইওরিস ভ্যান বোমেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের নড়িয়া এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোসাইন আহম্মেদ (৫৫) নামের এক মাদরাসার প্রিন্সিপালকে। অভিযোগ রয়েছে, ঝাড়ফুঁক ও কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে এই ঘটনা ঘটানো হয়।
পুলিশ সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভা এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। জানা গেছে, গত ২১ সেপ্টেম্বর কিশোরী পেটব্যথায় অসুস্থ হলে তার মা তাকে কবিরাজি চিকিৎসার জন্য হোসাইন আহম্মেদের কাছে নিয়ে যান। এ সময়, মাকে তেল ও পানি আনতে বাড়িতে পাঠিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার চেষ্টা করেন তিনি। পরে কিশোরীর মা ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অচিরেই নারী ফুটবল একটি বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে যাচ্ছে। এর দৃশ্যমান প্রমাণও অনেকাংশে পাওয়া গেছে। তবে, অনেক পেশাদার খেলোয়াড় এখনও কম বেতন পাচ্ছেন, অনিশ্চিত চুক্তিতে কাজ করছেন এবং বাড়তি মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিশ্বজুড়ে খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রোর ৮০০ জনেরও বেশি ফুটবলারের ওপর পরিচালিত নতুন বৈশ্বিক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
খেলোয়াড়দের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন তারা আগেভাগে ফুটবল ছেড়ে দিতে পারেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগেভাগে খেলা ছাড়ার কথা বিবেচনা করা খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৯ শতাংশ আর্থিক সমস্যাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ৪৬ শতাংশ খেলোয়াড় মানসিক চাপকে একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ফিফপ্রোর নারী ফুটবল বিভাগের প্রধান অ্যালেক্স কালভিন বলেন, "এর পেছনে একক কোনো ব্যাখ্যা নেই।" তিনি জনসমক্ষে খেলোয়াড়দের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং পর্যাপ্ত সহায়তাব্যবস্থার অভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
কালভিন বলেন, "খেলোয়াড়েরা এখন অনেক বেশি দৃশ্যমান।" তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়দের শুধু জনসমক্ষে দৃশ্যমান থাকলেই চলে না, বরং তা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। কারণ, তাদের আয় কম হওয়ায় এভাবেই তারা পর্যাপ্ত ও স্থিতিশীল আয়ের ঘাটতি পূরণ করতে হচ্ছে।
কালভিন বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও অনেক খেলোয়াড় মনে করেন, তাদের একাই পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, খেলোয়াড়েরা বেশি মানসিক চাপের কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা তারা পাচ্ছেন না। এটি ক্লাবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া নারী খেলোয়াড়দের ৫৭ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেছেন। তাঁদের অর্ধেকই ক্লাবের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ফুটবলের বৈশ্বিক আয় ২০২৪ সালের প্রায় ৫৮ কোটি ১০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৭ সালে ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেশাদার নারী ফুটবলারদের সামনে তৈরি হওয়া নতুন মানসিক চাপের বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলোয়াড়েরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সহজলভ্য। এতে সমর্থকদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বাড়ছে, তবে একই সঙ্গে অনলাইনে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।
ফিফপ্রোর জরিপে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ২০১৭ সালের পর থেকে বেতন, পরিচিতি ও বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পেশাদার নারী ফুটবলের বড় একটি অংশ এখনো অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে পরিচালিত হচ্ছে। কালভিনের মতে, খেলাটির বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সেই প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি খেলোয়াড়দের সুরক্ষাব্যবস্থার উন্নতি তাল মেলাতে পারছে না। তিনি বলেন, "নারী ফুটবলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পক্ষে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" আমার মনে হয়, নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং তাদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের সুযোগ করে দিতে প্রাতিষ্ঠানিক, নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত ব্যবস্থাগুলোকে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে।
প্রতিবেদনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফলাফলগুলোর একটি হলো, খেলোয়াড়েরা নিজেদের পেশাদার পরিচয়কে কীভাবে দেখেন। ফিফার সংজ্ঞা অনুযায়ী, একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের লিখিত চুক্তি থাকতে হবে এবং ফুটবল খেলার জন্য তার যে খরচ হয়, তার চেয়ে বেশি অর্থ তাকে পারিশ্রমিক হিসেবে পেতে হবে।
জরিপে ৬২ শতাংশ খেলোয়াড় নিজেদের পেশাদার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ২৭ শতাংশ নিজেদের আধা-পেশাদার এবং ১২ শতাংশ অপেশাদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়ই নিজ নিজ দেশের শীর্ষ বিভাগের ক্লাবে খেলছেন। তা সত্ত্বেও, মাত্র ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন যে তাদের লিখিত চুক্তি রয়েছে এবং ৮২ শতাংশ বলেছেন, তারা ক্লাব থেকে পারিশ্রমিক পান। ৫৭ শতাংশ খেলোয়াড় জানিয়েছেন, তাদের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ফুটবল খেলার খরচ মেটানো সম্ভব।
কালভিন বলেন, যেসব খেলোয়াড় পেশাদার হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের পেশাদার বলেমনে করেন না বা সেই অনুভূতি পান না, তারা একজন কর্মী হিসেবে তাদের প্রাপ্য সব সুবিধা পাচ্ছেন না।
প্রতিবেদনে বেতন বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৭ সালের তুলনায় গড় মাসিক আয় তিন গুণ বেড়ে ২ হাজার ৬০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে মধ্যম বেতন মাত্র ১ হাজার ৬৬৯ ডলার।
অঞ্চলভেদে গড় মাসিক বেতনে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। উত্তর আমেরিকায় গড় মাসিক বেতন ৬ হাজার ৪৫০ ডলার এবং মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপে ৩ হাজার ৯৮২ ডলার। অন্যদিকে, পূর্ব ইউরোপে তা ৮৭৮ ডলার এবং আফ্রিকায় মাত্র ৪৮০ ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মতো দেশের লিগগুলোতে বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পূর্ব ইউরোপের ১০টি দেশে গড় বেতন এখনো জাতীয় ন্যূনতম মজুরির নিচে।
পশ্চিম ইউরোপ এবং এশিয়া-ওশেনিয়ার মতো বড় ফুটবল বাজারসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতেও গড় বেতন জাতীয় ন্যূনতম মজুরির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নয়।
প্রতিবেদনটি নির্দিষ্ট দেশের পরিবর্তে বিভিন্ন অঞ্চলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়ায় ফিফপ্রো লিগভিত্তিক গড় বেতনের তথ্য দিতে পারেনি।
গড় চুক্তির মেয়াদও ২০১৭ সালের প্রায় এক বছর থেকে বেড়ে ১৯ মাস হয়েছে। তবে অনেক খেলোয়াড় এখনো নির্দিষ্ট আয়ের নিশ্চয়তা ছাড়াই বছরের কিছু সময় কাটান।
কালভিন বলেন, মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড় পুরো ১২ মাসের জন্য পারিশ্রমিক পান। অনেক খেলোয়াড়ের চুক্তির মেয়াদ সাত বা নয় মাস। ফলে ক্যালেন্ডার বছরের বাকি সময়ের খরচ মেটাতে তাদের অন্যভাবে কাজ করতে হয়।
তার বিশ্বাস, নারী ফুটবলের দ্রুত বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি এসব বাস্তবতাকে কিছুটা আড়াল করে রেখেছে।
ইংল্যান্ডের নারী সুপার লিগ দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ফিফপ্রোর মতে, ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় বহু খেলোয়াড়ের বাস্তব চিত্র আড়াল করতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, গত দুই মৌসুমে ২৪ শতাংশ খেলোয়াড় বেতন পেতে বিলম্বের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪২ শতাংশ খেলোয়াড়কে কোনো পেনশন সুবিধা দেওয়া হয়নি।
খেলোয়াড়দের জন্য ‘সতর্কবার্তা’ প্রয়োজন, কালভিনের মতে, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে।
তিনি বলেন, "এই ফুটবলব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা প্রয়োজন। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভুগছেন, অথচ তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বিত সহায়তা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা নেই।"
তবে সব প্রবণতাই নেতিবাচক নয়। খেলাটিতে যে একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাচ্ছে, তা হলো সন্তান নেওয়া ও পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের পরিস্থিতি।
২০১৭ সালে জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড়, যারা আগেভাগে ফুটবল ছাড়ার কথা ভাবছিলেন, জানিয়েছিলেন যে পরিবার গঠনের ইচ্ছা তাদের খেলা ছেড়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।
বর্তমানে সেই হার কমে ১৯ শতাংশে নেমেছে। ফিফপ্রোর মতে, ২০২১ সালে ফিফার প্রবর্তিত মাতৃত্বকালীন বিধিমালা এবং দুই বছর আগে এর হালনাগাদ সংস্করণ এই উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছে।
কালভিন বলেন, "আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। ২০২১ সালে মাতৃত্বকালীন বিধিমালা চালু করা হয়েছিল।"
প্রতিবেদনে নারী ফুটবলে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের চিত্রও উঠে এসেছে। শীর্ষ পর্যায়ের ক্লাব ও খেলোয়াড়েরা বিনিয়োগ এবং পরিচিতির সুফল পেলেও বিশ্বজুড়ে এই পেশার বড় একটি অংশ এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
কালভিন বলেন, "এই শিল্পের মনোযোগ মূলত শীর্ষ পাঁচ শতাংশ খেলোয়াড়ের দিকে। কিন্তু বাকি ৯৫ শতাংশ খেলোয়াড়ের অবস্থা কী? তাদের অনেকেই সময়মতো বেতন পান না, তাদের চুক্তির মেয়াদ স্বল্প। তারা ১২ মাসের পারিশ্রমিকও পান না। তারা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত পরিবেশে কাজ করছেন।"
ফিফপ্রো বলছে সমাধান প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দেওয়া নয় বরং বাণিজ্যিক সাফল্য ও খেলোয়াড়দের কল্যাণ যেন একসঙ্গে এগিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করা।
কালভিন বলেন, "বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই দুটি বিষয়কে হাতে হাত রেখে, পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে।"
"আমরা বলছি, আর নয়, এবার যথেষ্ট হয়েছে। খেলোয়াড়দের প্রয়োজন অনুযায়ী এই শিল্পকে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং খেলোয়াড়দের কণ্ঠস্বরকে কেন্দ্রে রাখতে হবে। তাদের প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খেলোয়াড়দের যেন আলোচনার টেবিলে জায়গা থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ