প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ জারু মিয়া, যিনি আকবর হোসেন নামেও পরিচিত (৩০) এবং আকাশ মালদার, যিনি হাসিব নামে পরিচিত (২৮) নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া বিভিন্ন সামগ্রী, যেমন স্বর্ণালংকার, রুপার চেইন, এবং পিতল ও তামার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া জারু মিয়া আখাউড়া বড় বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং আকাশ মালদার মালদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনার সাথে জড়িত তৃতীয় ব্যক্তি, তাজুল ইসলাম (৬২), চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা, পলাতক রয়েছেন। তিনি আখাউড়ার মসজিদপাড়ায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ জানায়, গত ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১২ অক্টোবর সকাল ৭টার মধ্যে আখাউড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাধানগর এলাকায় অবস্থিত মন্দিরটিতে চুরির ঘটনা ঘটে। পরে ১২ অক্টোবর, আখড়া কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ একাধিক দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে জারু মিয়াকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জারু মিয়া চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আকাশ মালদারের নাম উল্লেখ করেন। পরে অভিযান চালিয়ে আকাশকেও আটক করা হয়।
জারু মিয়ার দেখানো মতে, তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় দুই আনা ওজনের এক জোড়া সোনার কানের দুল, চারটি ইমিটেশনের মুকুট, দুটি বাঁশি, একটি চাঁদ এবং একটি রুপার চেইন। পরে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে পলাতক তাজুল ইসলামের আখাউড়া থানাধীন মসজিদপাড়ার ভাঙারির দোকান থেকে আরও মালামাল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে রাধারানির একটি বড় পিতলের মূর্তি, গৌর-নিতাইয়ের দুটি পিতলের মূর্তি, গোপালের একটি ছোট পিতলের মূর্তি, একটি পিতলের কাঁসি, একটি পিতলের গাছা, একটি পঞ্চপ্রদীপ, তিন জোড়া পিতলের করতাল, একটি তামার বাটি, ছোট-বড় দুটি তামার কোসাকুসি, একটি পিতলের প্রদীপদানি এবং শঙ্খ রাখার জন্য একটি পিতলের স্ট্যান্ড।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, মামলার পর আমাদের পুলিশের একাধিক দল তদন্ত শুরু করে। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদেরকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পলাতক আরেক আসামিকে ধরতে পুলিশের টিম কাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন