ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শরীয়তপুরে শিশুকে বলৎকার: জামায়াত নেতার নেতৃত্বে এক লাখ টাকায় রফা-দফা


শরীয়তপুরে শিশুকে বলৎকার: জামায়াত নেতার নেতৃত্বে এক লাখ টাকায় রফা-দফা

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নে, ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে ইলিয়াস খান (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় এক জামায়াত নেতাসহ মাতব্বরদের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠক আয়োজন করা হয় এবং এর মাধ্যমে এক লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি রফা-দফা বা আপস-মীমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায় যে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জয়নগর আয়তুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন করা হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর, স্থানীয় জামায়াত নেতা মাওলানা মো. সেলিম ও মান্নান শিকদারের নেতৃত্বে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর বাবার সঙ্গে একাধিকবার আপসের চেষ্টা চালানো হয়। প্রাথমিকভাবে ভুক্তভোগীর বাবা সুবিচারের দাবিতে কিছু কঠোর শর্ত দেওয়ায় মীমাংসা পিছিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সবশেষ বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় জয়নগর মোসলেম উদ্দিন খান ডিগ্রি কলেজ মাঠে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মাতব্বরদের উপস্থিতিতে এক লাখ টাকার বিনিময়ে মামলা না করার শর্তে ভুক্তভোগীর বাবার কাছ থেকে লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা গণমাধ্যমকে জানান, "আমি প্রথমে কোনো আর্থিক আপসে রাজি ছিলাম না, সঠিক বিচার চেয়েছিলাম। তবে স্থানীয় মাতব্বর ও আমার আত্মীয়দের চাপে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত কাগজে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হই।"

শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মীমাংসার প্রক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের জন্য দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা মাওলানা মো. সেলিম বলেন, "আমি একা ছিলাম না। এলাকায় ইলিয়াস খান একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, তাই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছেন।" তবে সালিশের আরেক আয়োজক মান্নান শিকদারের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ জানান, "থানায় এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ খাদ্য সুনিশ্চিত করতে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধ করতে হবে: আব্দুল বারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


নিরাপদ খাদ্য সুনিশ্চিত করতে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধ করতে হবে: আব্দুল বারী

জনপ্রশাসন এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ খাদ্য সুনিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির জন্য মানবদেহে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই বাজারগুলোর মধ্যে ভেজালমুক্ত ও গুণগত মানসম্পন্ন প্যাকেটজাত ভোজ্যতেল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি স্টেকহোল্ডারের নিজস্ব অবস্থান থেকে দায়িত্বশীর ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল বেলা জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা নিয়ে জেলা এডভোকেসি সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং এর পৃষ্ঠপোষকতা দেয় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। উক্ত সভায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন।

সভায় বক্তব্য রাখেন অন্যান্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান, পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কনসালটেন্ট, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহঃ ইফতিখার, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ সোহেল রেজা চৌধুরী, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমাইয়া আফরিন জিনিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহাব, জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকসহ আরও অনেক ব্যক্তিত্ব।

সভায় অন্যান্য বক্তারা খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির বিভিন্ন অপকারিতা ও শারীরিক ঝুঁকি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তারা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজারে শতভাগ প্যাকেটজাত ভোজ্যতেল সুনিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দৃঢ় আহ্বান জানান।

উক্ত জেলা এডভোকেসি সভায় জেলার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নবনির্মিত সেপটিক ট্যাংকে গ্যাসে আক্রান্ত রাজমিস্ত্রি শ্রমিকের মৃ/ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নবনির্মিত সেপটিক ট্যাংকে গ্যাসে আক্রান্ত রাজমিস্ত্রি শ্রমিকের মৃ/ত্যু

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নবনির্মিত সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে আক্রান্ত হয়ে বাবুরাম দেবসিংহ (৩১) নামে একজন রাজমিস্ত্রি শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। বাবুরামের মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ৮ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের চাচা বুদ্ধ চরণ দেবসিংহ। এ মামলা তদন্তের পাশাপাশি মরদেহের ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে আগের ঘটনা এবং মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া। এই ঘটনাটি ঘটেছিল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের অমরখানা জামুড়ীতলী গ্রামে। বাবুরাম দেবসিংহ, চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর নিজধাম গ্রামের মৃত আর্যমোহন দেবসিংহের ছেলে ছিলেন এবং তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী শ্রমিক ছিলেন। ঘটনায়, গৌতম চন্দ্র রায় নামে আরেক শ্রমিক দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যেখানে অপর শ্রমিক ভাগ্য রায় সুস্থ বোধ করায় বাড়িতে ফিরে গেছেন। মামলার এজাহারে অভিযুক্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, অমরখানা জামুড়ীতলী এলাকার বাসিন্দা ও শালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রাব্বি হোসেন (৩৮), বাবুল হোসেন (৪৪), জুয়েল ইসলাম (৩৩), বলরামপুর প্রগতিপাড়া এলাকার উত্তম রায় (২৮), লাভলী বেগম (৪২), রানা সরকার (২৬), সাইফুল ইসলাম (২৭), মজিবুল ইসলাম (৫৪)। মামলার এজাহারের অনুসারে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্ত রাব্বি ও উত্তম রায় বাবুরাম দেবসিংহকে তাদের নবনির্মিত সেপটিক ট্যাংক সংস্কারের জন্য ডেকে নিয়ে আসেন। উল্লেখ্য, সেপটিক ট্যাংকটি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকনা দিয়ে বন্ধ থাকার কারণে ভেতরে বিষাক্ত গ্যাস জমে গিয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে এবং কোনো সতর্কতা না মেনে বাবুরামকে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ট্যাংকে প্রবেশের পর বাবুরাম বিষাক্ত গ্যাসের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় উপস্থিত অভিযুক্তরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করার কোনো উদ্যোগ না নেয়া, যার ফলে বাবুরাম সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবের কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। পরবর্তীতে আসামিরা বাবুরামের মৃতদেহ সেপটিক ট্যাংক থেকে বের করে একটি অটোভ্যানের মাধ্যমে নিহতের গ্রামের বাড়ি বলরামপুর নিজধামে বাড়ির উঠানে রেখে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই দেবীগঞ্জ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য দেবীগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাতেই নিহতের চাচা বুদ্ধ চরণ দেবসিংহের পক্ষে অভিযুক্ত ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অবহেলার অভিযোগ নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের চাচা বলেন, বাড়ির মালিক ও সংশ্লিষ্টদের চরম অবহেলা এবং সময়মতো উদ্ধার না করার কারণেই রাজমিস্ত্রি বাবুরামের অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। তারা এ ঘটনায় জড়িত আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। মামলার প্রধান আসামি ও শালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রাব্বি হোসেন দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। অপরদিকে বাড়ির মালিক নবির হোসেন বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। ঘটনার দিন শ্রমিকরা মূলত জানালার কাজ করতে এসেছিলেন এবং সেফটি ট্যাংকটি প্রায় দেড় মাস আগে ওই মিস্ত্রিরাই নির্মাণ করেছিলেন। জানালার কাজ শেষ হলে হেড মিস্ত্রি উত্তম রায়ের নির্দেশে শ্রমিকরা সেন্টারিং খুলতে ট্যাংকের ভেতরে ঢোকেন। আমাদের পরিবারের কেউ শ্রমিকদের ট্যাংকের ভেতরে ঢুকতে বাধ্য করেনি। আমার মা তখন বাড়িতে একা ছিলেন এবং শ্রমিকদের ডাকাডাকি শুনে চিকিৎসার জন্য এগিয়ে গিয়ে তাদের অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেছে। এদিকে অন্য এক শ্রমিক ভাগ্য রায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলেন, হেড মিস্ত্রি বাবুরাম ও গৌতমকে সেফটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে বলেন। প্রথমে বাবুরাম, পরে গৌতম ভেতরে ঢোকে। তাদের বের করতে আমি নিজেও ভেতরে ঢুকে নিঃশ্বাস নিতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে পড়ি। পরে যখন জ্ঞান ফিরলে দেখি, আমাকে অটোতে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাবুরাম বা আমরা এ ধরনের কাজ আগে কখনো করিনি। দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সময় সংবাদকে জানিয়েছেন যে, মূলত অবহেলার অভিযোগ তুলে গভীর রাতে নিহতের চাচা মামলাটি দায়ের করেছেন। এজাহারটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ বাবু/লকে হ/ত্যা, দেশে ফিরলো ৩টি মর/দেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ বাবু/লকে হ/ত্যা, দেশে ফিরলো ৩টি মর/দেহ

ইতালির রাজধানী রোমে এক নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের তিন বাংলাদেশির মরদেহ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, সকাল ৮টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহবাহী বিমানটি অবতরণ করে। মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে স্বজনরা গ্রহণ করে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।

যারা নিহত হয়েছেন তারা হচ্ছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী শিশু কন্যা আরোয়া ইসলাম আরিশা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ বাদ মাগরিব কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শিশু নিকেতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিনজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

হত্যাকাণ্ডে গুরুতর আহত হয়ে ইতালিতে চিকিৎসাধীন থাকা পরিবারের একমাত্র ছেলে অয়নও আজ শুক্রবার বিকেলে গ্রামে পৌঁছাবেন। তিনি তার মা, বাবা ও ছোট বোনের জানাজা ও দাফনে অংশ নেবেন।

পারিবারিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২৬ জুন রাতে ইতালির রোমের পার্শ্ববর্তী ক্যাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিওর একটি অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাতে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী এবং শিশুকন্যাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় অয়নকে উদ্ধার করে স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করে।

ইতালিতে আইনি প্রক্রিয়া এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে গত ১১ আগস্ট স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রোমের ক্যাসালোত্তি এলাকার পিয়াজ্জা ওর্মেয়ায় নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর স্বজন ও প্রবাসীদের উপস্থিতিতে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

কামাল উদ্দিন বাবুল দেশে এলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতেন এবং সকলের সঙ্গে আন্তরিক ব্যবহার করতেন বলে জানান তার চাচাতো ভাই অ্যাডভোকেট ইউনুস। তিনি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাহাদাতকে এখনও আইনের আওতায় আনা হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

ছেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নিহত বাবুলের বাবা সিরাজুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার ছেলে কিছুদিন আগেই দেশে ছুটিতে এসে পারিবারিক কবরস্থান মাটি ফেলেছিল। আজ সেখানেই তাকে স্ত্রী ও সন্তানসহ দাফন করতে হচ্ছে। আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছে, আমি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে বসতঘর থেকে মা ও তাঁর মেয়ের মর/দেহ উ/দ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


টাঙ্গাইলে বসতঘর থেকে মা ও তাঁর মেয়ের মর/দেহ উ/দ্ধার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বসতঘর থেকে পুলিশ মা ও তাঁর চার বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এই ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার সময়, উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) এবং তাঁদের চার বছরের মেয়ে রাজিয়া।

স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজীব ও কনিকার মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে প্রায় ছয় বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজীব হোসেন সিলেটে বেড়াতে যান। পরবর্তী শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে কনিকা তাঁর মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে, তাঁর শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাঁকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁর বাড়িতে ফেরত আনা হয়।

কনিকা ফিরে এসে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছু একটা সময় পর ঘর ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার স্থানীয়রা শুনতে পান। পরে তাঁরা দরজা ভেঙে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর স্থানীয়রা নিশ্চিত করেন যে শিশুটি মৃত। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে যে, পারিবারিক কলহের জেরে কনিকা তাঁর মেয়েকে হত্যা করে তারপর আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনা কীভাবে ঘটেছে তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনার আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%