০৬:৩৭ পি.এম
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বসতঘর থেকে পুলিশ মা ও তাঁর চার বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
এই ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার সময়, উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) এবং তাঁদের চার বছরের মেয়ে রাজিয়া।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজীব ও কনিকার মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে প্রায় ছয় বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজীব হোসেন সিলেটে বেড়াতে যান। পরবর্তী শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে কনিকা তাঁর মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে, তাঁর শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাঁকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁর বাড়িতে ফেরত আনা হয়।
কনিকা ফিরে এসে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছু একটা সময় পর ঘর ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার স্থানীয়রা শুনতে পান। পরে তাঁরা দরজা ভেঙে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর স্থানীয়রা নিশ্চিত করেন যে শিশুটি মৃত। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে যে, পারিবারিক কলহের জেরে কনিকা তাঁর মেয়েকে হত্যা করে তারপর আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনা কীভাবে ঘটেছে তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনার আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন