বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় শত শত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এমন একটি পরিস্থিতিতে আট মাস বয়সী একজন শিশুকে বড় একটি পাতিলে বসিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে, যা ২১ সেকেন্ডের, দেখা যায় একটি গলাসমান পানির মধ্যে টানানো একটি রশি ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের একজন সদস্য। তার এক হাতে রশি, অন্য হাতে শিশুকে বসানো একটি বড় পাতিল রয়েছে। পাশের আরো একজন সদস্য শিশুটির গায়ে বৃষ্টির পানি না লাগানোর জন্য পাতিলের ওপর ছাতা ধরে হাঁটছেন। এই ব্যতিক্রমী উদ্ধার অভিযানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার পেয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চেচুরিয়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালাতে যায়।
এই উদ্ধার অভিযানে আট মাস বয়সী শিশুসহ মোট পাঁচ শিশু ও আট নারীকে নিরাপদে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়। কারণ, পানির তীব্র স্রোত ও গভীরতার কারণে শিশুটিকে নিরাপদে বহনের জন্য বড় একটি পাতিল ব্যবহার করা হয়েছিল।
বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “পানিবন্দি থাকার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।” পানির গভীরতা ও স্রোতের কথা বিবেচনা করে শিশুটিকে বড় পাতিলে বসিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়। পরে অন্যদেরও উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে অভিযোগ উঠেছে এক কম্পিউটার শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সরকারি বেতন-ভাতা তোলার। বিদ্যালয়ে পাঠদান তো দূরের কথা, এক দিনের জন্যও তিনি সেখানে পা রাখেননি। তবুও নিয়মিতভাবে তার ব্যাংক হিসাবে সরকারি টাকা (এমপিও) ঢুকে যাচ্ছে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপট অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর, যা একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘটেছে।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম পীযুষ কান্তি ঘোষ। তার দাবি, তিনি ২০০৯ সালেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, কিন্তু কীভাবে তার ব্যাংক হিসাবে টাকা ঢুকছে তা তিনি জানেন না। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তাদের কারসাজিতে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে প্রধান শিক্ষকরা একে অপরের দিকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন। বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও এলাকাবাসী শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন ও শিক্ষা দফতর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দিয়েছে।
দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবটি বর্তমানে তালাবদ্ধ। সেই বিষয়ে পাঠদানে কোনো শিক্ষক নেই। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বিদ্যালয়টির শত শত শিক্ষার্থী কম্পিউটার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অথচ ওই শিক্ষক ১৭ বছর ধরে বিদ্যালয়ে না থেকেও বেতনসহ সরকারি সব সুবিধা পাচ্ছেন।
বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ সালে দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষকের শূন্য পদে পীযুষ কান্তি ঘোষ যোগদান করেন। তিনি তিন বছর চাকরি করলেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ২০০৯ সালে ঢাকায় গিয়ে অন্য পেশায় যুক্ত হন। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও অদৃশ্য কোনো এক ক্ষমতার কারণে এমপিওভুক্ত হন শিক্ষক পীযুষ। সেই থেকে তিনি একবারও বিদ্যালয়ে আসেননি; অথচ ১৭ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতার সুবিধা ভোগ করেছেন। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত আছেন।
শিক্ষক পীযুষ কান্তি ঘোষের ব্যাংক হিসাবের (স্টেটমেন্ট) সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে সময় সংবাদ। জানা যায়, বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক নীরঞ্জন কুমার বসু (১৯৮৪-২০১২), এরপর অনন্ত কুমার বিশ্বাস (২০১২-২০১৪), তুষার কান্তি ঘোষ (২০১৪-২০২২), গোলক চন্দ্র বিশ্বাস (২০২২-২০২৫) এবং সবশেষ তুষার কান্তি ঘোষ (২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে অদ্যাবধি) দায়িত্ব পালন করেছেন। পীযুষ কান্তির বেতন উত্তোলনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপন হয়েছে। চলতি বছরের জুনেও শিক্ষক পীযুষ কান্তির ব্যাংক হিসাবে টাকা লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বিদ্যালয়ে অবসরপ্রাপ্ত দুই প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং বর্তমান প্রধান শিক্ষক একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলক চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, 'আড়াই বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব পালন করেছি। তখন কম্পিউটার শিক্ষক পীযুষের বেতন বন্ধ রাখি। প্রধান শিক্ষক পুনর্বহাল হয়ে আবারও তার বেতন চালু করেন।' ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী তার দায়িত্বকালীন সময়ে পীযুষের অ্যাকাউন্টে বেতন ঢুকেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আমি কোনো আবেদন করিনি, তবে কীভাবে ঢুকছে আমার জানা নাই।'
বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা ও উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে পীযুষকে নোটিশ করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হাইকোর্টের এক রায় অনুযায়ী বরখাস্ত করলেও তার প্রাপ্য টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে চক্রান্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সেই আড়াই বছরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলক পীযুষের বেতন চালু রেখেছিল। আমি যোগদান করে তার দেখানো পথে পীযুষের বেতন তিন মাস চালু রাখি, পরে আবার বন্ধ করে দিই।'
তিনি আরও দাবি করেন, শিক্ষকদের বেতন চালুর বিষয়ে কমিটির সিদ্ধান্তের বাইরে প্রধান শিক্ষকের সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকে না। তৎকালীন কমিটির সিদ্ধান্তে তিনি বেতন চালু রাখতে বাধ্য হন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে পীযুষ কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, '২০০৯ সালে স্কুলের চাকরি ছেড়ে এসেছি। বিদ্যালয়ে আর কখনো যাইনি। তবে এসব বেতন উত্তোলন ও এমপিওর বিষয়টি সম্প্রতি বিভিন্ন মারফতে জানতে পেরেছি। তবে এসব টাকার বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই।'
তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, 'দীর্ঘ এত বছরে ব্যাংকে আমি কখনো যাইনি। কীভাবে আমার অ্যাকাউন্টে লেনদেন হচ্ছে, কখনো ব্যাংক থেকেও আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়নি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।'
কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেছেন, 'একটি অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।'
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, 'দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত থেকেও শিক্ষক পীযুষ সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন, যেটি গর্হিত অপরাধ। আর একজন শিক্ষকের একার পক্ষে এ কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়। আমি সম্প্রতি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছি। তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন সব দফতরে বিষয়টি জানাব। আশা করছি, এই চক্রের সকলের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।'
এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরের বছর এমপিওভুক্ত হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৪০১ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারী বর্ষণের কারণে ও উজানের পাহাড়ি ঢলের ফলে মৌলভীবাজারের মনু, ধলাই, জুড়ী এবং কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টায় মনু নদী কুলাউড়া মনু রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপরে এবং জেলা শহরের চাঁদনীঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অপরদিকে, কমলগঞ্জের ধলাই নদী ধলাই রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ জানান, উজানে বৃষ্টিপাত কমে আসায় সন্ধ্যার দিকে জেলার সকল নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করবে।
আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে হাওড়ের নিম্নাঞ্চলে পানি জমে কিছুটা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) অভ্যন্তরীণ সড়কের একটি অংশ প্রায় দেড় ফুট দেবে গেছে। এই অবস্থার কারণে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোগান্তি বেড়ে গেছে।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের সামনের সড়কের একটি অংশে বড় ধরনের ধস নেমে গেছে। এই ধসে সড়কটি প্রায় দেড় ফুট নিচে বসে গেছে এবং সড়কের ওই অংশে ফাটলও সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের নিচ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি কালভার্টও রয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে ধসে পড়া অংশটি বাঁশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে এবং রাতে চলাচলকারীদের সতর্কতার জন্য সেখানে বৈদ্যুতিক বাতি লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।
পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম জানান, ‘সড়কটি আমাদের হলসংলগ্ন হওয়ায় বের হতে বা ক্যাম্পাসের অন্যান্য স্থানে যেতে এটিই মূলপথ। বিকল্প সড়ক ব্যবহার করলে আমাদের অনেকটা ঘুরে যেতে হবে। আমরা আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটি সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদফতরের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, এখানে আসলে বড় ধরনের কাজ করতে হবে। কিন্তু বর্তমানে বৃষ্টির কারণে এটা করা সম্ভব হবে না।’
অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, ‘বৃষ্টি থামলে দেখতে হবে এটি কোন পর্যায়ে আছে। আগে নিশ্চিত হতে হবে ভিতরের পোলটি ঠিক আছে কিনা, যদি পোলটি ভেঙে না গিয়ে থাকে তবে কাজটি খুব দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে। তবে যদি পোলটি ভেঙে যায়, তবে নতুন করে চিন্তা করতে হতে পারে। তবে প্রশাসন এই বিষয়টিতে চিন্তা করছে কীভাবে দ্রুত সংস্কার করা যায় যেহেতু এখান দিয়ে প্রায় ৩/৪টি ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করেন।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগে এবং মানুষের কল্যাণে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় মানুষের পাশে ছিলেন, আছেন এবং তিনি ভবিষ্যতেও থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা বিএনপি’র পক্ষ থেকে পাহাড়ের দুর্গম ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি, যাতে কেউ অসহায় না থাকে।
গতকাল বুধবার, মধ্যরাতে, জেলায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং শহরের লোকনাথ মন্দিরের আশ্রয় কেন্দ্রে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে এ বক্তব্য রাখেন দীপেন দেওয়ান এমপি।
পরিদর্শনকালে তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় তরুণ সমাজকে সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ