বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
শিশুসাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ছড়াকার আখতার হুসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দেশের শিশুসাহিত্যে তার মৃত্যুতে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও তার দুই ছেলে পান্থ ও প্রমিত এই দুঃখজনক খবর নিশ্চিত করেছেন।
নাটোরের লালপুর উপজেলার নুরুল্লাপুর গ্রামে ১৯৪৫ সালের ১ নভেম্বরে আখতার হুসেনের জন্ম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮১ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আখতার হুসেন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। সর্বশেষ তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটে। শরীরে রক্তচাপও কমে গিয়েছিল। শারীরিক জটিলতার কারণে প্রথমে তাকে ফার্মগেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বারডেম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরিশেষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। গত শুক্রবার থেকে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
মৃত্যুকালে আখতার হুসেন দুই ছেলে পান্থ ও প্রমিতসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার জানাজা নামাজ এবং দাফনের বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
তিনি সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে শিশুসাহিত্য, ছড়া, গল্প, নাটক ও সম্পাদনার জগতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেন। কর্মজীবনে তিনি ৩০টির বেশি গ্রন্থ সম্পাদনা এবং প্রায় ৮০টি বই রচনা করেন।
তার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে দুই বাংলার মুক্তিযুদ্ধের কবিতা, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী গল্প, বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমের গান এবং বাংলা সাহিত্যের সেরা কিশোর কবিতা। এছাড়া তিনি ও. হেনরি, মোপাসাঁ, ম্যাক্সিম গোর্কি ও মার্ক টোয়েনের নির্বাচিত গল্পের অনুবাদ সংকলনও সম্পাদনা করেছেন।
জীবনীধর্মী লেখাতেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। ভাষাশহীদ আবদুল জব্বার, শহীদ মতিউর রহমান, হাবীবুর রহমান ও কাজী আফসারউদ্দিন আহমেদের জীবনী রচনা করেছেন তিনি। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রকাশিত পাঁচ খণ্ডের শিশু-বিশ্বকোষ-এ সর্বাধিক লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন।
সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরস্কার এবং ভাষাশহীদ আবদুল জব্বার স্মৃতিপদকসহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মীম (২৪) কে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের সঙ্গে আসামিপক্ষের ৯ লাখ টাকায় আপস সম্পন্ন হয়েছে। আপসনামায় বাদীপক্ষ সই করে জানায়, আসামি জামিনে মুক্তি পেলে বা খালাস পেলে তাদের কোনো আপত্তি নেই।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে আসামিদের হাজির করা হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী আলমগীর হোসেন আদালতকে আপসের বিষয়টি অবহিত করেন।
আইনজীবী বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ৯ লাখ টাকায় আপস হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ওই টাকা নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রদান করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আপসনামায় সই করে নিহতের পরিবার আসামির জামিন বা খালাসের বিষয়ে কোনো আপত্তি না থাকার কথা জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহত মেহেদী বাক্প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং কানে শুনতেও পারতেন না। দুর্ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং পরিবারের সদস্যরা বয়স্ক হওয়ায় তাদের দেখাশোনার বিষয় বিবেচনায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
আইনজীবী জানান, শান্তা মরিয়ম নামে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা হয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের পাশাপাশি নিহতের মামা ও ভাইসহ অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবারকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপ দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে আইনজীবী বলেন, তাদের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগ করা হয়নি এবং তারা নিজেরাই আপসে সম্মত হয়েছেন। তিনি জানান, নিহতের পরিবার প্রথমে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছিল, পরে ৯ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বারিধারা ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদী হাসান মীমকে একটি প্রাইভেটকার চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নীল রঙের একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে মেহেদীকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পর গাড়ির ডান পাশের চালকের আসন থেকে কিশোর আজান আলী শরীফকে বের হতে দেখা যায়। গাড়ির বাম পাশ থেকে বের হন আকাশ মারক, যিনি আজানের বাবা আব্বাস আলী শরীফের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আজানকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে প্রথমে তাকে মামলায় আসামি করা হয়নি। নিহতের ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় চালক আকাশ মারককে আসামি করা হলেও আজানের নাম ছিল না।
পরবর্তীতে দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে গাড়ির চালকের আসন থেকে আজানকে বের হতে দেখা যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পরে বুধবার সন্ধ্যায় আজানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় নাম থাকা আকাশ মারক এখনও পলাতক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, আজান আলী শরীফ গুলশানের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তার বাবা বাংলাদেশ বিমানের পাইলট আব্বাস আলী শরীফ। দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত প্রোটন এস৭০ গাড়িটি আব্বাস আলী শরীফের স্ত্রী সিগমা আব্বাসের নামে নিবন্ধিত।
নিহতের পরিবারকে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি আদালতে জানানোর পর এখন মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কী হবে, সেদিকেই নজর রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এছাড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক স্থানে এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ-দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করে সকাল ৬টায় স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে উপকূলীয় অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে যে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন।
এই কার্যক্রমটি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে মোট ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়, যার মধ্যে রুই (১৬০ কেজি), কাতলা (১২০ কেজি), মৃগেল (৮০ কেজি) এবং কালিবাউস (৪০ কেজি) অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কর্মসূচিতে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, জন বিভাগের সচিব, প্রেস সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বঙ্গভবন ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মাছের পোনা অবমুক্তকরণ শেষে বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম দেশ ও জাতির উন্নতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য মোনাজাত পরিচালনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলছে। এই বিশাল মঞ্চে, যেখানে ১৯৩টি দেশ অংশগ্রহণ করছে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ মার্কিন টেক জায়ান্ট ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আলবানিজের অভিযোগ অনুসারে, ওপেনএআই-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এজেন্ট জুন মাসে অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেয়ার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিল। ওপেনএআই এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা সরকারকে অবহিত করেছে চলতি মাসের শুরুতে।
তবে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে যে এই এআই লঙ্ঘনের ঘটনায় কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হয়নি। অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেটের সহায়তায় তদন্ত চলছে, যাতে জানা যায় এই এজেন্ট কীভাবে সরকারের সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য তিনটি প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করেছে। প্রভাবিত হওয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার, ভিক্টোরিয়ান ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ, এবং নিউ সাউথ ওয়েলস ব্যুরো অফ ক্রাইম স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড রিসার্চ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই পরিস্থিতিকে ‘স্পষ্টতই অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। আলবানিজ বলেন, তিনি ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টমানের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এই ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার চরম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, কোম্পানির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ঘটনাটি জানাতে অতিরিক্ত সময় নেওয়ার ঘটনায় তিনি তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বরের আগে কোনো ধরনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায়নি। এই নোটিফিকেশনটি একটি পাবলিক ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল, যা দিনে মাত্র একবার চেক করা হয়। ফলে ১১ সেপ্টেম্বরের আগে ইমেইলটি দেখা হয়নি। পরবর্তীতে ১৫ সেপ্টেম্বর সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়া বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ান সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারে রিপোর্ট করে। এই নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ‘আইনি দিক’ খতিয়ে দেখতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
যেভাবে ঘটেছিল হ্যাকিং
নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস এবং ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার বেন ক্যারল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ তাদের জানিয়েছেন যে ওপেনএআই-এর এই লঙ্ঘনের ঘটনাটি রাজ্যের ওয়েবসাইটগুলোকে প্রভাবিত করেছে।
উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মারলেস জানান, এআই এজেন্টটিকে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পরিসংখ্যান নিয়ে গবেষণার জন্য একটি ‘সাধারণ কাজ’ দেওয়া হয়েছিল। কাজ করতে গিয়ে এটি মেডিকেয়ার পোর্টালসহ অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করে।
মারলেস বলেন, অন্যান্য সাইটগুলোর সঙ্গে এটি সাধারণ মানুষের মতো স্বাভাবিকভাবে কাজ করলেও সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেয়ার পোর্টালের ক্ষেত্রে তথ্য চেয়ে না পেয়ে এটি কার্যকরভাবে পোর্টালটি হ্যাক করে তথ্য হাতিয়ে নেয়। ওপেনএআই-এর মুখপাত্র ড্রু পুসারি জানিয়েছেন, কোম্পানিটি মডেলের অফলাইন কার্যকলাপ নিয়ে একটি বিস্তৃত পর্যালোচনা চালাচ্ছে এবং তদন্তে সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে প্রাথমিক পর্যালোচনায় কোনো রোগীর রেকর্ড বা ব্যক্তিগত তথ্য অ্যাক্সেস করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তবে, ডিজিটাল রাইটস ওয়াচ এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে এআই সুরক্ষার ক্ষেত্রে আরও কঠোর আইন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ