ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অ্যাকট্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে গেল বড় বিনিয়োগের সুফল পেতে শুরু করেছে অ্যামাজন


অ্যাকট্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে গেল বড় বিনিয়োগের সুফল পেতে শুরু করেছে অ্যামাজন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের সুফল পেতে শুরু করেছে বিশ্বের প্রভাবশালী ই-কমার্স ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন।

বর্তমান বছরে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির ক্লাউড কম্পিউটিং ইউনিটের আয় ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ওয়াল স্ট্রিটের পূর্বাভাসকেও অতিক্রম করেছে। এটির ইতিবাচক প্রভাব মার্কিন পুঁজিবাজারেও পড়েছে।

প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশাল প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আর এই সুযোগকে ব্যবহার করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে অ্যামাজন, যা বিশ্বের অন্যতম প্রধান ক্লাউড সেবা প্রদানকারী।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হয়ে যাওয়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে, অ্যামাজনের ক্লাউড কম্পিউটিং ইউনিট অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডাব্লিউএস)-এর রাজস্ব আয় ৩৭ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ২২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এভাবে বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসও অতিক্রম করে গেছে জেফ বেজোসের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি।

এই শক্তিশালী আর্থিক ফলাফলের প্রকাশের পর মার্কিন পুঁজিবাজারে অ্যামাজনের শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্কের শেয়ারবাজারে নিয়মিত লেনদেন শেষে, কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরে ওপেনএআই, অ্যানথ্রোপিক, মেটা এবং পিন্টারেস্টের মতো শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে বড় গুরুত্বপূর্ণ ক্লাউড অবকাঠামো ও চিপ সরবরাহের চুক্তি করেছে অ্যামাজন। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, তাদের বার্ষিক এআই রাজস্বের রান রেট দেড় হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করেছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলা চালানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলা চালানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার আবারও ইরানে ‘খুব কঠোরভাবে’ হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন।

এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তিনি চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানের বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের হামলার কথা বিবেচনা করছেন। এই হামলা হতে পারে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধ পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে এই সংঘাতের শেষের কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

শুক্রবার মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিড প্রেসিডেন্সিয়াল রিট্রিটে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানে খুব কঠোরভাবে আঘাত করব। এক পর্যায়ে তারা বলবে, ‘আমরা আর এটা সহ্য করতে পারছি না।’

পরে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানায়, তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার লক্ষ্যে ট্রাম্প নতুন করে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন, যা চলতি সপ্তাহান্তেই শুরু হতে পারে।

অন্যদিকে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে জ্বালানি খাতের স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করছে, যা সপ্তাহজুড়েও চলতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে তেল শোধনাগার ও বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকতে পারে।

যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্প বারবার ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। গত সপ্তাহে তিনি হুমকি দেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে কোনো জাহাজ আক্রান্ত হলে প্রতিবার একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে।

সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এখনো এই অভিযানে চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। তবে, প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নাম সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ বিষয়ে সমন্বয় করছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফর করে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে বৈঠক করার কয়েক দিন পরই এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হলো।

সিবিএস জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা এই পরিকল্পনার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগার কোনো কাজে আসছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগার কোনো কাজে আসছে না

পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি কোনো কাজে আসছে না। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল ভূগর্ভস্থ অপরিশোধিত পানি থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও রোগজীবাণু দূর করে পৌরবাসীর কাছে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ২০২১ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রটি সাঁথিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। হস্তান্তরের পর কেন্দ্রটি মাত্র কয়েক দিন চালু থাকার পর বন্ধ হয়ে যায়। এই কারণে পৌর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভা ২৫ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি পৌরসভা। এখানে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের বসবাস। নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি শোধনাগার নির্মাণ এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

যদিও ২০২১ সালে প্রকল্পটি সাঁথিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, বর্তমানে কেন্দ্রটির অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং পৌরবাসী এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পানি শোধনাগার বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফজলে রাব্বী বলেন, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর সেটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের। তবে আমরা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

একাধিক পানি ব্যবহারকারী জানান, সরকার যে উদ্দেশ্যে গভীর নলকূপ ও পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিল, তা পূরণ হচ্ছে না। ফলে তাদের আর্সেনিক ও আয়রনযুক্ত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রকল্পটি শুধু সরকারি অর্থের অপচয়ের উদাহরণ নয়, বরং পৌরবাসীকে একটি মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত করারও উদাহরণ।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হান বলেন, পানি শোধনাগারটি চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। প্রকল্পে যে পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে, সেটি তুলনামূলক ছোট হওয়ার কারণে পৌরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রটি দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নেওয়া এবং জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তারা বলেছেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনও বিকল্প নেই। কেননা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনও ভ্যাকসিন নেই, সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর ওষুধও নেই। তবে আমাদের চারপাশে মশার প্রজননের জন্য অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এই কারণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি চারপাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।

দেশব্যাপী ডেঙ্গু ইস্যুতে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা। এজন্য সর্বপ্রথম জনসচেতনতা বৃদ্ধি খুবই প্রয়োজন। কারণ এডিস মশার উৎপত্তিস্থল আমাদের বাড়ির ভেতর, বাইরে, ছাদ এবং বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা পানি। তাই আমাদের উচিত বাড়ির আঙিনা সব সময় পরিষ্কার রাখা। বাড়ির আনাচে-কানাচে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পাত্রগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।

তারা উল্লেখ করেছেন, ব্যবহারযোগ্য পাত্র যেমন- ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেটরের নিচে পানি ভর্তি পাত্রে যেন কোনোভাবেই একনাগাড়ে পাঁচ দিন বা তার বেশি পানি জমে না থাকে। মূলত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সকল নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৪ হাজার ১৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৭ হাজার ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই কেবল হাসপাতালে নয়, শুরু হতে হবে মানুষের বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মস্থল এবং স্থানীয় জনসমাজ থেকে। রোগীকে দ্রুত শনাক্ত করা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া, দরিদ্র রোগীদের সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, বৃষ্টিকে যদি আমরা ডেঙ্গুর জন্য শুধু প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখি, তাহলে সংকট আরও গভীর হবে। কিন্তু বৃষ্টির পর যদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা যায়, তাহলে ডেঙ্গুর এই বার্ষিক দুর্ভোগ থেকে দেশকে ধীরে ধীরে মুক্ত করা সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সকল মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। এ সময় মাথায় পানি দেওয়া এবং শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমাতে হবে। এছাড়া ছয় থেকে আট ঘণ্টা পরপর জ্বরের তীব্রতা বুঝে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া উচিত। ডেঙ্গু জ্বরের মূল চিকিৎসা হলো শরীরে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাপনা। পানির পাশাপাশি ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত প্রভৃতি তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্র হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ করা এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করা। এডিস মশা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সেইসঙ্গে বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জাহিদ মিয়া নরসিংদী প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত

নরসিংদীর মনোহরদীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে রাস্তার নারিকেল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৪) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে শনিবার দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে।

নিহত মিজান মিয়া ছিলেন বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি। তাঁর পিতা ছিলেন সফুর উদ্দিন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড়চাপা পশ্চিমপাড়ায় মিজান ও তার চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশে রাস্তার একটি গাছ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে একাধিকবার সালিশ দরবার হলেও শহীদুল্লাহ, যিনি ‘পিংকির বাপ’ নামে পরিচিত, তা মেনে গ্রহণ করেননি। শনিবার দুপুরে রাস্তার উপর থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এরপর শহীদুল্লাহ ও তাঁর ছেলে জীবন মিয়ার লাঠির আঘাতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%