ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগার কোনো কাজে আসছে না


৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগার কোনো কাজে আসছে না

পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি কোনো কাজে আসছে না। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল ভূগর্ভস্থ অপরিশোধিত পানি থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও রোগজীবাণু দূর করে পৌরবাসীর কাছে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ২০২১ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রটি সাঁথিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। হস্তান্তরের পর কেন্দ্রটি মাত্র কয়েক দিন চালু থাকার পর বন্ধ হয়ে যায়। এই কারণে পৌর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভা ২৫ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি পৌরসভা। এখানে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের বসবাস। নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি শোধনাগার নির্মাণ এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

যদিও ২০২১ সালে প্রকল্পটি সাঁথিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, বর্তমানে কেন্দ্রটির অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং পৌরবাসী এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পানি শোধনাগার বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফজলে রাব্বী বলেন, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর সেটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের। তবে আমরা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

একাধিক পানি ব্যবহারকারী জানান, সরকার যে উদ্দেশ্যে গভীর নলকূপ ও পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিল, তা পূরণ হচ্ছে না। ফলে তাদের আর্সেনিক ও আয়রনযুক্ত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রকল্পটি শুধু সরকারি অর্থের অপচয়ের উদাহরণ নয়, বরং পৌরবাসীকে একটি মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত করারও উদাহরণ।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হান বলেন, পানি শোধনাগারটি চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। প্রকল্পে যে পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে, সেটি তুলনামূলক ছোট হওয়ার কারণে পৌরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রটি দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ নয়, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নেওয়া এবং জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তারা বলেছেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনও বিকল্প নেই। কেননা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনও ভ্যাকসিন নেই, সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর ওষুধও নেই। তবে আমাদের চারপাশে মশার প্রজননের জন্য অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এই কারণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি চারপাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।

দেশব্যাপী ডেঙ্গু ইস্যুতে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা। এজন্য সর্বপ্রথম জনসচেতনতা বৃদ্ধি খুবই প্রয়োজন। কারণ এডিস মশার উৎপত্তিস্থল আমাদের বাড়ির ভেতর, বাইরে, ছাদ এবং বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা পানি। তাই আমাদের উচিত বাড়ির আঙিনা সব সময় পরিষ্কার রাখা। বাড়ির আনাচে-কানাচে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পাত্রগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।

তারা উল্লেখ করেছেন, ব্যবহারযোগ্য পাত্র যেমন- ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেটরের নিচে পানি ভর্তি পাত্রে যেন কোনোভাবেই একনাগাড়ে পাঁচ দিন বা তার বেশি পানি জমে না থাকে। মূলত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সকল নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৪ হাজার ১৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৭ হাজার ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই কেবল হাসপাতালে নয়, শুরু হতে হবে মানুষের বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মস্থল এবং স্থানীয় জনসমাজ থেকে। রোগীকে দ্রুত শনাক্ত করা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া, দরিদ্র রোগীদের সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, বৃষ্টিকে যদি আমরা ডেঙ্গুর জন্য শুধু প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখি, তাহলে সংকট আরও গভীর হবে। কিন্তু বৃষ্টির পর যদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা যায়, তাহলে ডেঙ্গুর এই বার্ষিক দুর্ভোগ থেকে দেশকে ধীরে ধীরে মুক্ত করা সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশে রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সকল মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। এ সময় মাথায় পানি দেওয়া এবং শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমাতে হবে। এছাড়া ছয় থেকে আট ঘণ্টা পরপর জ্বরের তীব্রতা বুঝে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া উচিত। ডেঙ্গু জ্বরের মূল চিকিৎসা হলো শরীরে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাপনা। পানির পাশাপাশি ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত প্রভৃতি তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্র হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ করা এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করা। এডিস মশা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সেইসঙ্গে বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জাহিদ মিয়া নরসিংদী প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত

নরসিংদীর মনোহরদীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে রাস্তার নারিকেল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৪) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে শনিবার দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে।

নিহত মিজান মিয়া ছিলেন বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি। তাঁর পিতা ছিলেন সফুর উদ্দিন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড়চাপা পশ্চিমপাড়ায় মিজান ও তার চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশে রাস্তার একটি গাছ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে একাধিকবার সালিশ দরবার হলেও শহীদুল্লাহ, যিনি ‘পিংকির বাপ’ নামে পরিচিত, তা মেনে গ্রহণ করেননি। শনিবার দুপুরে রাস্তার উপর থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এরপর শহীদুল্লাহ ও তাঁর ছেলে জীবন মিয়ার লাঠির আঘাতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীর মনোহরদীতে দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৬ টাকা সাশ্রয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জাহিদ মিয়া নরসিংদী প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


নরসিংদীর মনোহরদীতে দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৬ টাকা সাশ্রয়

নরসিংদীর মনোহরদীতে দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম এ মুহাইমিন আল জিহান ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে। এই কার্যক্রমের অধীনে উদ্যোগটি স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে, কারণ এটি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ের পর অবশিষ্ট অর্থ ফেরত দেওয়ার একটি উদাহরণ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রের তথ্য মতে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মহিষাখালী ও গঙ্গাজলী খালের পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। এতে মহিষাখালী খালের ১ দশমিক ৬২০ কিলোমিটার ও গঙ্গাজলী খালের ২ দশমিক ১০০ কিলোমিটারসহ মোট ৩ দশমিক ৭২০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

এ প্রকল্পে মোট ৯৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। তবে, নির্ধারিত গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে কাজ সম্পন্ন করায় প্রাক্কলনের তুলনায় ব্যয় কম হওয়ায় ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৬ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি বিধি অনুসরণ করে পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, খাল পুনখনন কাজটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে ও পরামর্শে পরিচালিত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে নিবিড় তদারকি এবং ডিজিটাল সার্ভের মাধ্যমে কাজের পরিমাপ নিশ্চিত করায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয়, ভুয়া শ্রমিকের বিল ও আর্থিক অপচয় রোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

এছাড়া, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। খননকৃত মাটি স্থানীয় সড়ক সংস্কারে ব্যবহার করা হয়েছে এবং খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণও করা হয়েছে।

মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক হুমায়ুন কবীর জানান, “সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ অপচয় বা অনিয়মের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। সেখানে কাজ শেষ করে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা ব্যতিক্রমী। এটি সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, “মনোহরদীর ঐতিহ্যবাহী মহিষাখালী ও গঙ্গাজলী খাল দীর্ঘদিন ভরাট হয়ে প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছিল। সরকারের উদ্যোগে খাল দুটি পুনঃখনন করা হয়েছে। কাজ শুরুর আগে ও শেষে ডিজিটাল সার্ভের মাধ্যমে পরিমাপ নিশ্চিত করা হয় এবং পুরো প্রকল্পজুড়ে নিবিড় তদারকি করা হয়েছে। ফলে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ছাড়াই কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাশ্রয়ের পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপর রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের দায়িত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


বিএনপি চেয়ারম্যানের উপর রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের দায়িত্ব

দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপর রাষ্ট্রপতি মনোনায়নের দায়িত্ব ন্যস্ত করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

শনিবার (১ আগস্ট) দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এই তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এদিন বিকেলে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠক করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও যোগ দেন।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পরে যদি সিঙ্গেল প্রার্থী হয়, তবে সংসদের বিশেষ অধিবেশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।

স্থানীয় নির্বাচনের জন্য সরকার প্রস্তুত, চলতি বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%