ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তারেক রহমান ১৮০ দিনে দেশকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়েছেন: প্রিন্স


তারেক রহমান ১৮০ দিনে দেশকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়েছেন: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে, তারেক রহমান ১৮০ দিনে দেশকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিবাচক পথে যাত্রা শুরু করেছেন। দেশবাসীর সহযোগিতায় ইনশাআল্লাহ, তারেক রহমান আত্মমর্যাদাশীল, কল্যাণমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন।’

সোমবার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো সভার আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

অনুষ্ঠানে প্রিন্স বলেন, আব্দুল আজিজ খান ছিলেন বিএনপির একজন ত্যাগী, পরোপকারী, মানবিক ও কর্মীবান্ধব নেতা। দলের প্রতিটি কর্মসূচি তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি পর্যায়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দুঃসময়ে তিনি দলের পাশে ছিলেন এবং নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আজিজ খান শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী বা নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানুষের আপনজন। নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে তিনি কাছে দাঁড়াতেন। তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর ত্যাগ, আদর্শ ও মানবিক কর্মকাণ্ড আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ত্যাগ করেছেন, তাঁদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল। এতে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু হাসনাত বদরুল কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আমজাদ আলী ও কাজী ফরিদ আহমেদ পলাশসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিকা দেয়ার পরও কেন হামের সংক্রমণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


টিকা দেয়ার পরও কেন হামের সংক্রমণ?

হাম বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক রোগ। যদিও হাম প্রতিরোধে টিকা অত্যন্ত কার্যকর, তবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক সময়ে এর সংক্রমণ আবারও বাড়ছে। বাস্তবতা হলো, হামের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শুধুমাত্র টিকা আবিষ্কার করাই যথেষ্ট নয়; প্রত্যেক শিশুকে সময়মতো টিকার আওতায় আনা, দুই ডোজ সম্পন্ন করা এবং জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করাই মূল চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার সংক্রমণ এবং প্রায় ৮৯০ শিশুর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হামের টিকার কার্যকারিতা অত্যন্ত বেশি। একটি ডোজ টিকা হাম প্রতিরোধে প্রায় ৯৩ শতাংশ এবং দুই ডোজ প্রায় ৯৭ শতাংশ কার্যকর। অর্থাৎ, টিকা নেওয়ার পরও অল্পসংখ্যক মানুষের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ এবং গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

সমস্যার মূল জায়গা হলো—যারা টিকার আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে, অসম্পূর্ণ টিকা নিচ্ছে এবং যেসব জনগোষ্ঠীতে সামগ্রিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

১. টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুরাই বড় ঝুঁকি

হাম এতটাই সংক্রামক যে এর বিস্তার ঠেকাতে একটি জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। কোনো এলাকায় সামগ্রিক টিকাদানের হার ৯০ শতাংশ হলেও তা হামের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। কারণ বাকি ১০ শতাংশ টিকাবঞ্চিত শিশু যদি একই মহল্লা, বস্তি, শরণার্থীশিবির বা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কেন্দ্রীভূত থাকে, তাহলে সেখানে সংক্রমণের ‘ঝুঁকিপূর্ণ পকেট’ তৈরি হতে পারে। বর্তমান প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তদের বড় অংশ টিকা নেয়নি অথবা টিকার পূর্ণ ডোজ সম্পন্ন করেনি। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি এবং সন্দেহভাজন মৃত্যুর বড় অংশ দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। এমনকি টিকা নেওয়ার বয়সে পৌঁছানোর আগেই কিছু শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে।

২. এক ডোজ আর দুই ডোজ এক নয়

এক ডোজ টিকা অত্যন্ত কার্যকর হলেও শতভাগ শিশুকে সুরক্ষা দিতে পারে না। প্রথম ডোজের পর কিছু শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি নাও হতে পারে। দ্বিতীয় ডোজের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো এসব শিশুকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া। তাই ‘টিকা দেওয়া হয়েছে’ এবং ‘দুই ডোজ টিকা সম্পন্ন হয়েছে’—এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা উচিত নয়। একটি ডোজে প্রায় ৯৩ শতাংশ এবং দুই ডোজে প্রায় ৯৭ শতাংশ শিশুকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব।

৩. টিকাদান কর্মসূচিতে সাময়িক ঘাটতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব

টিকাদান কর্মসূচিতে কয়েক মাসের ঘাটতিও কয়েক বছর পর বড় জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি করতে পারে। নির্ধারিত সময়ে টিকা না পাওয়া শিশুরা পরবর্তী সময়ে হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগের জন্য একটি বড় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়। ফলে টিকাদানের ঘাটতি শুধু বর্তমান প্রজন্মের সমস্যা নয়; এর প্রভাব ভবিষ্যতেও বহন করতে হয়। ২০২৬ সালের বাংলাদেশ-সংক্রান্ত WHO সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৪–২০২৫ সালে টিকাদানের ঘাটতি এবং ২০২০ সালের পর নিয়মিত জাতীয় ক্যাম্পেইনের অনুপস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

৪. হার্ড ইমিউনিটি দুর্বল হলে হাম দ্রুত ছড়ায়

হাম অত্যন্ত সংক্রামক। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারেন। বদ্ধ পরিবেশেও ভাইরাস কিছু সময় সংক্রমণক্ষম থাকতে পারে। এ কারণে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বস্তি, শরণার্থীশিবির, স্কুল, হাসপাতাল কিংবা একই পরিবারের মধ্যে একজন আক্রান্ত ব্যক্তিই অনেক ঝুঁকিপূর্ণ শিশুকে সংক্রমিত করতে পারেন। তাই হামের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ কভারেজ যথেষ্ট নয়; ৯৫ শতাংশের বেশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫. টিকা নেওয়ার পরও কেউ কেউ আক্রান্ত হতে পারেন

কোনো টিকাই শতভাগ কার্যকর নয়। দুই ডোজ হামের টিকার কার্যকারিতা প্রায় ৯৭ শতাংশ হওয়ায় অল্পসংখ্যক টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিও সংক্রমিত হতে পারেন। বিশেষ করে ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের সময় টিকাপ্রাপ্ত শিশুরাও ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে সংক্রমিত হতে পারে। তবে এটি টিকার ব্যর্থতা নয়। বরং টিকা ব্যাপকভাবে সংক্রমণ এবং গুরুতর রোগের ঝুঁকি কমায়।

৬. অপুষ্টি হামের ঝুঁকি বাড়ায়

হামের প্রভাব শুধু ভাইরাসের ওপর নির্ভর করে না; শিশুর সামগ্রিক পুষ্টিগত অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। অপুষ্ট শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। ফলে টিকা নেওয়ার পরও কিছু ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে। অপুষ্টির কারণে হামের জটিলতার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি হামের জটিলতা আরও বাড়াতে পারে।

৭. সহসংক্রমণ রোগের তীব্রতা বাড়াতে পারে

হামের সঙ্গে অন্য ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সহসংক্রমণ হলে রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। লেখায় অ্যাডিনোভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণুর সহসংক্রমণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা হামের রোগীদের জটিলতা ও প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

৮. ‘ইমিউন অ্যামনেশিয়া’: হাম শুধু হামই নয়

হামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত প্রভাবগুলোর একটি হলো ‘ইমিউন অ্যামনেশিয়া’ বা রোগপ্রতিরোধ স্মৃতির দুর্বলতা। হামের ভাইরাস শরীরের এমন কিছু মেমোরি কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যেগুলো পূর্বে পরিচিত জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ফলে হাম থেকে সুস্থ হওয়ার পরও কিছু সময় শিশুর অন্যান্য সংক্রমণের প্রতি ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। অর্থাৎ হাম শুধু একটি শিশুকে সাময়িকভাবে অসুস্থ করে না; এর প্রভাব শিশুর পরবর্তী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—হাম নিয়ন্ত্রণে শুধু টিকার কার্যকারিতা নয়, টিকার ব্যাপকতা ও সমতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুকে টিকা দেওয়া মানে শুধু তাকে সুরক্ষিত করা নয়; একই সঙ্গে তার পরিবার, সহপাঠী এবং পুরো সমাজকে সুরক্ষিত করা। বিপরীতে, কিছু শিশু যদি টিকার বাইরে থেকে যায় এবং সেই ঘাটতি বছরের পর বছর জমতে থাকে, তাহলে জনগোষ্ঠীর মধ্যে আবার সংক্রমণের সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে হামের অভিজ্ঞতা এজন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে, প্রতিটি শিশুর জন্য দুই ডোজ নিশ্চিত করতে হবে এবং জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশের বেশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে হবে। হাম প্রতিরোধের লড়াইয়ে শুধু টিকা থাকা যথেষ্ট নয়—প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়া এবং নির্ধারিত দুই ডোজ সম্পন্ন করাই হলো প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি।

কর্নেল (অব.) নাজমুল হুদা খান, এমফিল, এমপিএইচ, ডিএমও, ডিএই (যুক্তরাষ্ট্র)

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও পরিচালক, মেডিক্যাল সার্ভিসেস, বিআরবি হাসপাতাল

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে নবীন হাফেজ ও আলেমদের সম্মাননা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


নাসিরনগরে নবীন হাফেজ ও আলেমদের সম্মাননা প্রদান

 

উলেমা-ত্বলাবা একত্রিত হয়ে, সুন্দর সমাজ গড়ার শ্লোগান সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গোকর্ণ উলামা-ত্বলাবা ঐক্য পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নবীন হাফেজ ও আলেমদের সম্মাননা প্রদান এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় গোকর্ণ নতুন বাজার চত্বরে উলামা-ত্বলাবা ঐক্য পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবদুল আওয়ালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি খালেদ সাইফুল্লাহ্ সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন গোকর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ শাহীন, উলামা-ত্বলাবা ঐক্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হাফেজ আবু সাঈদ, হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান, গোকর্ণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কে এম খালেদ, গোর্কণ ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা নাছির উদ্দিন জাফরী, মাওলানা রায়হান আহমদ শরীফী, ইউপি সদস্য আবদুল আলীম, ইউপি সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুক, গোকর্ণ ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি কামরুল হাসান খান, উপজেলা জাসাসের আহবায়ক সৈয়দ আবেদুল্লাহ নিউটন, উপদেষ্টা মাওলানা হাবিবুল্লাহ, উপদেষ্টা হাফেজ আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা গাজী মাসদুর রহমান, মাওলানা শেখ মোশাররফ হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি হেলালুদ্দীন, হাফেজ মোহাম্মদ এমদাদুল্লাহ, হাফেজ আবদুল হাকিম, হাফেজ কবির আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে গোকর্ণ গ্রামের ১৬ জন নবীন হাফেজ ও আলেমসহ জনপ্রতিনিধি এবং উলামা-ত্বলাবা ঐক্য পরিষদের ৪২ জন নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা মঞ্চে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় জনপ্রতিনিধি, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-উলেমাসহ গোকর্ণ উলামা-ত্বলাবা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


নাসিরনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জনের কারাদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী এক কবিরাজসহ মোট ৯ জন মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনা নাছরীন। অভিযানে নাসিরনগর থানা পুলিশ তাদের সহযোগিতা প্রদান করে।

জানা গেছে, রোববার এবং সোমবার এই দুইদিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলাকালে মাদক সেবন এবং বহনের অভিযোগে ৯ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এরপর তাঁদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

যাদেরকে মাদকবিরোধী অভিযানে অভিযুক্ত করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন ভলাকুট ইউনিয়নের বাবুল মিয়া, পায়েল মিয়া, জালাল মিয়া, নাসিরপুরের লালু মিয়া এবং হরিপুর ইউনিয়নের কবিরাজ জাহের মিয়াসহ প্রত্যেককে ১৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া চাতলপাড় ইউনিয়নের ফকিরদিয়া গ্রামের ইমরান মিয়াকে ৮ মাসের বিনাশ্রম, চাপরতলা ইউনিয়নের শফিক মিয়াকে এক বছরের বিনাশ্রম এবং আঙ্গুর মিয়াকে ১৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি প্রতিজনকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরীন বলেছেন, জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজীব হত্যায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজীব হত্যায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানার টোল রোড এলাকায় গাড়িচালক মো. সজীব হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবীদ্বারের শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার নুরুল আলম টুটুল। রায় ঘোষণার সময় টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন কিন্তু অপর দুই আসামি পলাতক ছিলেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলায় ২১ জনের সাক্ষ্য এবং উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই কারণে আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর নুরুল আলম টুটুলকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পলাতক নুরুল আমিন ও শাহজাহানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছে আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সজীব নিখোঁজ হন। তখন তার বয়স ছিল ২৭ বছর। সজীব নোয়াখালীর চাটখিল থানার আব্দুল হক স্বপনের ছেলে এবং পণ্যবাহী গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহন করতেন।

নিখোঁজের ১০ দিন পর, ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর পাহাড়তলী থানার টোল রোডের পূর্ব পাশে একটি কৃষিজমি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের মাধ্যমে মরদেহটি সজীবের বলে শনাক্ত করা হয়।

পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে, সজীবের মাথার পেছনে থেতলানো আঘাত, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় সজীবের ছোট ভাই ইকবাল হোসেন রবিউল বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নুরুল আমিনের সঙ্গে ২০১৪ সালে এক পোশাক শ্রমিক নারীর বিবাহ হয়। পরে ২০২১ সালে ওই নারীর সঙ্গে সজীবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে নুরুল আমিন একাধিকবার সজীবকে আটকে মারধর করেন। একপর্যায়ে ওই নারীর সঙ্গে নুরুল আমিনের বিচ্ছেদ ঘটে, এতে সজীবের ওপর নুরুল আমিন আরও ক্ষুব্ধ হন।

২০২১ সালের অক্টোবরে ওই নারীকে আবার বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামে আসেন নুরুল আমিন। বিয়ের আগে সজীবকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি এবং এ ব্যাপারে শাহজাহানের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে সজীবকে ডেকে আনেন নুরুল আমিন, শাহজাহান ও নুরুল আলম টুটুল। পরে তাঁকে ঘটনাস্থলের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মাথা ও পেটে আঘাত করা হয়। এরপর অণ্ডকোষ চেপে এবং গলায় গেঞ্জি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে সজীবকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে।

তদন্তে বলা হয়েছে, পরে তিন আসামি সেখানেই মরদেহটি ফেলে পালিয়ে যান। তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিদর্শক মাসুদ পারভেজ ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তারপর ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার রায় ঘোষণা করা হলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%