০৬:২২ পি.এম
মালির উত্তরাঞ্চলের কৌশলগত শহর আনেফিস ত্যাগ করার সময়, তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জিহাদিদের হামলায় অন্তত ৫০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।
রোববার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
আনেফিস থেকে সেনাবাহিনীর বহরটি শনিবার রওনা হওয়ার সময় এ হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এর পূর্বে, কয়েক সপ্তাহ ধরে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছিল।
বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে বামাকো থেকে।
জুলাইয়ের শুরুতে, তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এফএলএ ও আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট গ্রুপ ফর দ্য সাপোর্ট অব ইসলাম অ্যান্ড মুসলিমস (জেএনআইএম)-এর যোদ্ধারা অল্প সময়ের জন্য শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। একই সঙ্গে, তারা মালি সেনাবাহিনী ও রাশিয়ার আফ্রিকা কোরের ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটি ঘিরে ফেলে।
জেএনআইএম ও এফএলএ হামলার দায় স্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
এক স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, যিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেছেন, ‘এ হামলায় প্রাথমিকভাবে অত্যন্ত ভারী ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় অর্ধশতাধিক সেনা নিহত ও অন্তত ২৪ জন বন্দি হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালির সেনাবাহিনীর ওপর এটি সবচেয়ে মারাত্মক প্রাণঘাতী হামলা।
মালির সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, ‘আমাদের কয়েকজন সদস্যকে সরাসরি হত্যা করা হয়েছে। আমাদের কৌশলগত কোনো ব্যর্থতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা খতিয়ে দেখছি, কী কারণে আমাদের সদস্যরা এতটা অরক্ষিত হয়ে পড়েছিলেন।’
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
একাধিক সূত্র এএফপিকে জানায়, সেনাবাহিনীকে সহায়তাকারী রুশ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলার আগেই তাদের গন্তব্য গাও শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ফলে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
গাও অঞ্চলের এক কমিউনিটি নেতা বলেন, ‘কোনো রুশ সদস্য মারা যাননি। নিহতরা সবাই সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্র-সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য।’
শনিবার মালি সেনাবাহিনী স্বীকার করে যে, তাদের বহরটি ‘সন্ত্রাসী সশস্ত্র গোষ্ঠীর পাতা অতর্কিত হামলার’ শিকার হয়েছে। তবে তারা হতাহতের কোনো সংখ্যা জানায়নি।
২০২০ ও ২০২১ সালে টানা দুই সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালিতে সামরিক সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন
বছরের পর বছর ধরে চলা জিহাদি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী অস্থিরতার পর নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও, তা বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির সামরিক জান্তা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন