প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইকালে বাধা দেওয়ার কারণে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিকুল আলম নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত দু’জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন মো. সোহেল রানা ওরফে কালু এবং মো. নাজিম উদ্দিন, যিনি নাজিম এবং নজু নামেও পরিচিত।
আজ ঢাকা অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণায় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. খলিলুর রহমান (খলিল) বিষয়টি বাসস-কে জানান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে মামলার বাদী আকবর আলীর ছেলে শফিক বগুড়া থেকে এসআর পরিবহনে ঢাকা কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে আসেন এবং তার বন্ধুর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। এশিয়া সিনেমা হলের সামনে পৌঁছালে তিনজন আসামি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তার পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দ্বারা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ও মোবাইল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে শফিককে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভিকটিম শফিক মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আকবর আলী বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
২০০৬ সালের ৫ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীকালে একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন