বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১৬ পি.এম
ঝিনাইদহ, ২৩ জুলাই, ২০২৬: জেলার হরিণাকুণ্ডুতে সাহেব আলী নামে একজন মাংস ব্যবসায়ীকে (কসাই) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পশু জবাই এবং মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের কারণেই তাকে এ জরিমানা প্রদান করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কুলবাড়িয়া বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া বাজারে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট কিংবা ভেটেরিনারি ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন ওই ব্যবসায়ী।
খবর পেয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রদীপ্ত রায় দীপন ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এ সময় ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’-এর সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের কারণে সাহেব আলীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার কুণ্ডু উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন বাসসকে জানিয়েছেন, ভোক্তাদের নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত মাংস ও খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : জাতিসংঘের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে আর এক সপ্তাহ বাকি রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সংস্থাটির ছয় মহাসচিব প্রার্থী একটি প্রতীকী গুরুত্ব বহনকারী সাধারণ পরিষদের (জেনারেল অ্যাসেম্বলি) হলে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিতর্কে অংশ নেবেন।
এবারের প্রচারণায় এখনো কোনো স্পষ্ট শীর্ষ প্রার্থী সামনে আসেননি। নির্বাচন ঘিরে উল্লেখযোগ্য উৎসাহও দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রার্থীরা কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন।
৯০ মিনিটের এই বিতর্কটি ব্লুমবার্গ সম্প্রচার করবে।
জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বিদায়ী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্পান, গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেজ-বিরকেট ও সেনেগালের ম্যাকি সাল।
সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক বলেন, ‘জাতিসংঘের এই টাউন হল বিশ্বে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদের প্রার্থীদের ভাবনা, অগ্রাধিকার ও নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি জানার বিরল সুযোগ করে দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্রমেই বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে জাতিসংঘের এমন একজন অসাধারণ প্রধান প্রশাসক দরকার, যিনি সংস্থাটিকে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী করে তুলবেন। একই সঙ্গে এমন একজন নেতাও প্রয়োজন, যিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জাতিসংঘ সনদ ও এর তিনটি মূল ভিত্তি রক্ষায় কাজ করবেন।’
বর্তমানে জাতিসংঘ তীব্র আর্থিক ও আস্থার সংকটের মুখে রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অভিযোগ, সংস্থাটি বেপরোয়াভাবে অর্থ ব্যয় করছে, অত্যাধিক বিস্তৃত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে ও প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটিকে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশ মানবাধিকার ও উন্নয়ন— এই বাকি দুই ভিত্তির সমান গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছে।
এরই মধ্যে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিটি প্রার্থী তিন ঘণ্টা করে সময় দিয়েছেন।
বেশির ভাগ প্রার্থী সংস্থাকে আরও কার্যকর করতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে মহাসচিবের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
৩০ জুলাই নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য প্রার্থীদের বিষয়ে নিজেদের পছন্দ যাচাই করতে প্রথম দফার গোপন এবং নামবিহীন ভোট দেবেন।
এরপর একই ধরনের আরও কয়েক দফা ভোট হবে। কোনো প্রার্থীকে নির্বাচিত হতে হলে অন্তত নয়টি ভোট পেতে হবে। একই সঙ্গে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো দেশের ভেটোর মুখে পড়া যাবে না।
নির্বাচিত প্রার্থীর নাম পরে আনুষ্ঠানিক নিয়োগের জন্য সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে।
তিনি ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও গণমাধ্যমে এখনো কয়েকটি নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর মধ্যে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নামও রয়েছে।
নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাকে জাতিসংঘের নেতৃত্বে দেখতে চান।
সব সময় অনুসরণ না হলেও ভৌগোলিক পালাক্রমের প্রচলিত রীতির ভিত্তিতে এবার ল্যাটিন আমেরিকা এ পদটির দাবি জানাচ্ছে।
এ ছাড়া অনেক দেশ প্রথমবারের মতো একজন নারীকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৩৮ বছর বয়সি শওকত মিয়া নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর সাথে সাথে আদালত তাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবুল বাসার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত শওকত মিয়া ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র।
মামলার বিবরণ ও এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ মে বিকেলে সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়ির পাশে তাদের শাক-সবজির (ডাটা) ক্ষেত দেখতে গিয়েছিল।
এ সময় প্রতিবেশী শওকত মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের একটি নির্জন পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।
রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে, স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের 'ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার' এ ভর্তি করায়। ঘটনার পরদিন নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় শওকত মিয়াকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ৬ বছর পর আদালত আজ এ রায় প্রদান করেছে।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট অর্চনা দাস বলেন, ‘একটি অবুঝ শিশুকে নির্যাতন করে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে তার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো। এই শাস্তি সমাজে অপরাধীদের মনে ভীতি সঞ্চার করবে এবং শিশু সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা এ রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে যে, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ ‘অগ্রহণযোগ্য’ভাবে বাড়ানো উচিত নয়। বৃহস্পতিবার, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতির মাধ্যমে এ বিষয়টি জানায়।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভকে উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ম্যানিলায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও’র সঙ্গে বৈঠকের সময় ল্যাভরভ বলেছেন, ‘কিয়েভ সরকারকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখা গ্রহণযোগ্য নয়।’
ম্যানিলা থেকে খবর সংস্থা এএফপি এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এশীয় একটি শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ল্যাভরভ ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘অস্থিতিশীলতামূলক নীতির’ নিন্দা করেন। তিনি বলেন, এশিয়ার দেশগুলো এখনো রাশিয়াকে ‘কৌশলগতভাবে পরাজিত’ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই বৈঠকে ল্যাভরভ উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া সংঘাতের ‘রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান’ খুঁজে বের করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
এ বৈঠক ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের পর ল্যাভরভ এবং রুবিওর মধ্যে প্রথম বৈঠক ছিল। এই বৈঠকটি একেবারে এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ওয়াশিংটনের মনোযোগ ইউক্রেনে মধ্যস্থতার পরিবর্তে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ মোকাবিলার দিকে সরে গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : চাদের পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় পানির তীব্র সংকটের ফলস্বরূপ কূপের পানি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে প্রাণঘাতী সংঘাত বাড়ছে। খরা ও দারিদ্র্যের শিকার মরু অঞ্চলের এই সংকট জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আবেচেতে প্রায়ই কলে পানি পাওয়া যায় না। দ্রুত নগরায়ন এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এ সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, শহরটির জনসংখ্যা ৫ লক্ষাধিকেরও বেশি। শহরের কিছু এলাকা পানি সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু তা নিয়মিত নয়।
প্রখর রোদে প্রায়ই নারীদের জেরিক্যানে করে কূপ থেকে পানি নিয়ে আসা দেখি, তারা লালচে মাটির পথে রঙিন ওড়না পরে বাড়ি ফেরেন।
আবেচে থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। ব্যবসায়ী ইসা মাহামাত বলেন, "দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কলে একেবারেই পানি আসে না। গভীর রাতে আবার পানি প্রবাহ শুরু হয়।" আবেচের অন্যান্য অনেক এলাকায় পাওয়ার পরিস্থিতি আরও খারাপ।
বাসিন্দা কাদিদজা এএফপিকে বলেন, "আমরা এখনো অর্থের বিনিময়ে পানি কিনি। কলের পানির সঙ্গে এখনো পরিচিত হতে পারিনি।"
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চাদের ১০ শতাংশেরও কম পরিবার নিরাপদ ও সার্বক্ষণিক প্রবাহমান পানির সুবিধা পাবে।
-অবকাঠামোর ঘাটতি-
আধা-মরু অঞ্চল নিয়ে গঠিত চাদ জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ধরণের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ২০০৩ সালে দেশটি তেল উৎপাদন শুরু করলেও এখনো চরম দারিদ্র্যের মধ্যে রয়েছে। দেশটির ৭০ শতাংশের বেশী মানুষ গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করে।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অবকাঠামো গড়ে উঠতে না পারায় সরকার ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৯ সালে আবেশে থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরের বিতিহা এলাকায় একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। সেখানে কয়েকটি গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে শহরের দুটি পানির টাওয়ারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক বাখিত ডিকি বারকাই জানান, "মানুষের পানির চাহিদা খুবই তীব্র। বিতেহা-২ প্রকল্প উৎপাদন বাড়াবে এবং পরিবারের চাহিদা পূরণ করবে।" তিনি বলেন, "সংকট পুরোপুরি দূর না হলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"
বারকাই আরও জানান, আগে তাপপ্রবাহের সময় পানির সংকট স্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেত। তবে গত তিন বছরের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তিনি বলেন, "বছরের শেষ নাগাদ আমরা প্রতিদিন ২৫ হাজার ঘনমিটার পানি উৎপাদনের লক্ষ্যে পৌঁছাব। তখন আবেচেতে আর পানির সংকটের কথা থাকবে না।"
চিতেয়ে এলাকার বাসিন্দা আহমেদ ইউসুফ বলেন, "সৌভাগ্যক্রমে আমাদের এলাকায় নতুন পানির টাওয়ার স্থাপন হওয়ায় এখন আমরা স্বস্তিতে আছি। পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছি।"
তবে নতুন অবকাঠামো এখনো সবার চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।
-দারিদ্র্য ও সংঘাত-
শহর ও গ্রামের মধ্যে পানির প্রাপ্যতার বৈষম্য এখনো বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে যাচ্ছে। পানির ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ অনেক সময় প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত হচ্ছে।
চাদের প্রেসিডেন্ট মাহামাত ইদ্রিস দেবি ইতনো সম্প্রতি পানি বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে এ সংকটের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ১৫ জুলাই রাজধানী এন'জামেনায় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "যখন পানির স্তর নেমে যায় বা পানির ঘাটতি দেখা দেয়, তখন দারিদ্র্য দ্রুত বাড়ে। মানুষ ও গবাদিপশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংঘাতও বেড়ে যায়।"
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর ও মধ্য আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের দেশ চাদ আফ্রিকায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সবচেয়ে অরক্ষিত দেশগুলোর একটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ