ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ৬ প্রার্থীর টেলিভিশন বিতর্ক আজ


জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ৬ প্রার্থীর টেলিভিশন বিতর্ক আজ

ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : জাতিসংঘের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে আর এক সপ্তাহ বাকি রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সংস্থাটির ছয় মহাসচিব প্রার্থী একটি প্রতীকী গুরুত্ব বহনকারী সাধারণ পরিষদের (জেনারেল অ্যাসেম্বলি) হলে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিতর্কে অংশ নেবেন।

এবারের প্রচারণায় এখনো কোনো স্পষ্ট শীর্ষ প্রার্থী সামনে আসেননি। নির্বাচন ঘিরে উল্লেখযোগ্য উৎসাহও দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রার্থীরা কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

৯০ মিনিটের এই বিতর্কটি ব্লুমবার্গ সম্প্রচার করবে।

জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

বিদায়ী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্পান, গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেজ-বিরকেট ও সেনেগালের ম্যাকি সাল।

সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক বলেন, ‘জাতিসংঘের এই টাউন হল বিশ্বে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদের প্রার্থীদের ভাবনা, অগ্রাধিকার ও নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি জানার বিরল সুযোগ করে দেবে।’

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রমেই বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে জাতিসংঘের এমন একজন অসাধারণ প্রধান প্রশাসক দরকার, যিনি সংস্থাটিকে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী করে তুলবেন। একই সঙ্গে এমন একজন নেতাও প্রয়োজন, যিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জাতিসংঘ সনদ ও এর তিনটি মূল ভিত্তি রক্ষায় কাজ করবেন।’

বর্তমানে জাতিসংঘ তীব্র আর্থিক ও আস্থার সংকটের মুখে রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অভিযোগ, সংস্থাটি বেপরোয়াভাবে অর্থ ব্যয় করছে, অত্যাধিক বিস্তৃত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে ও প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটিকে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশ মানবাধিকার ও উন্নয়ন— এই বাকি দুই ভিত্তির সমান গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছে।

এরই মধ্যে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিটি প্রার্থী তিন ঘণ্টা করে সময় দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

বেশির ভাগ প্রার্থী সংস্থাকে আরও কার্যকর করতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে মহাসচিবের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

৩০ জুলাই নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য প্রার্থীদের বিষয়ে নিজেদের পছন্দ যাচাই করতে প্রথম দফার গোপন এবং নামবিহীন ভোট দেবেন।

এরপর একই ধরনের আরও কয়েক দফা ভোট হবে। কোনো প্রার্থীকে নির্বাচিত হতে হলে অন্তত নয়টি ভোট পেতে হবে। একই সঙ্গে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো দেশের ভেটোর মুখে পড়া যাবে না।

নির্বাচিত প্রার্থীর নাম পরে আনুষ্ঠানিক নিয়োগের জন্য সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

তিনি ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও গণমাধ্যমে এখনো কয়েকটি নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর মধ্যে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নামও রয়েছে।

নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাকে জাতিসংঘের নেতৃত্বে দেখতে চান।

সব সময় অনুসরণ না হলেও ভৌগোলিক পালাক্রমের প্রচলিত রীতির ভিত্তিতে এবার ল্যাটিন আমেরিকা এ পদটির দাবি জানাচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

এ ছাড়া অনেক দেশ প্রথমবারের মতো একজন নারীকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে ৯ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবকের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


ফরিদপুরে ৯ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবকের যাবজ্জীবন

ফরিদপুর, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৩৮ বছর বয়সি শওকত মিয়া নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর সাথে সাথে আদালত তাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবুল বাসার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত শওকত মিয়া ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র।

মামলার বিবরণ ও এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ মে বিকেলে সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়ির পাশে তাদের শাক-সবজির (ডাটা) ক্ষেত দেখতে গিয়েছিল।

এ সময় প্রতিবেশী শওকত মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের একটি নির্জন পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।

রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে, স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের 'ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার' এ ভর্তি করায়। ঘটনার পরদিন নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় শওকত মিয়াকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ৬ বছর পর আদালত আজ এ রায় প্রদান করেছে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট অর্চনা দাস বলেন, ‘একটি অবুঝ শিশুকে নির্যাতন করে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে তার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো। এই শাস্তি সমাজে অপরাধীদের মনে ভীতি সঞ্চার করবে এবং শিশু সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা এ রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রকে রুশ সতর্কতা, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ না বাড়াতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রকে রুশ সতর্কতা, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ না বাড়াতে

ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে যে, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ ‘অগ্রহণযোগ্য’ভাবে বাড়ানো উচিত নয়। বৃহস্পতিবার, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতির মাধ্যমে এ বিষয়টি জানায়।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভকে উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ম্যানিলায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও’র সঙ্গে বৈঠকের সময় ল্যাভরভ বলেছেন, ‘কিয়েভ সরকারকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখা গ্রহণযোগ্য নয়।’

ম্যানিলা থেকে খবর সংস্থা এএফপি এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এশীয় একটি শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ল্যাভরভ ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘অস্থিতিশীলতামূলক নীতির’ নিন্দা করেন। তিনি বলেন, এশিয়ার দেশগুলো এখনো রাশিয়াকে ‘কৌশলগতভাবে পরাজিত’ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই বৈঠকে ল্যাভরভ উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া সংঘাতের ‘রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান’ খুঁজে বের করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

এ বৈঠক ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের পর ল্যাভরভ এবং রুবিওর মধ্যে প্রথম বৈঠক ছিল। এই বৈঠকটি একেবারে এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ওয়াশিংটনের মনোযোগ ইউক্রেনে মধ্যস্থতার পরিবর্তে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ মোকাবিলার দিকে সরে গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কূপ নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাদে ভয়াবহ সংঘাত, বাড়ছে প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


কূপ নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাদে ভয়াবহ সংঘাত, বাড়ছে প্রাণহানি

ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : চাদের পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় পানির তীব্র সংকটের ফলস্বরূপ কূপের পানি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে প্রাণঘাতী সংঘাত বাড়ছে। খরা ও দারিদ্র্যের শিকার মরু অঞ্চলের এই সংকট জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আবেচেতে প্রায়ই কলে পানি পাওয়া যায় না। দ্রুত নগরায়ন এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এ সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, শহরটির জনসংখ্যা ৫ লক্ষাধিকেরও বেশি। শহরের কিছু এলাকা পানি সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু তা নিয়মিত নয়।

প্রখর রোদে প্রায়ই নারীদের জেরিক্যানে করে কূপ থেকে পানি নিয়ে আসা দেখি, তারা লালচে মাটির পথে রঙিন ওড়না পরে বাড়ি ফেরেন।

আবেচে থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। ব্যবসায়ী ইসা মাহামাত বলেন, "দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কলে একেবারেই পানি আসে না। গভীর রাতে আবার পানি প্রবাহ শুরু হয়।" আবেচের অন্যান্য অনেক এলাকায় পাওয়ার পরিস্থিতি আরও খারাপ।

বাসিন্দা কাদিদজা এএফপিকে বলেন, "আমরা এখনো অর্থের বিনিময়ে পানি কিনি। কলের পানির সঙ্গে এখনো পরিচিত হতে পারিনি।"

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চাদের ১০ শতাংশেরও কম পরিবার নিরাপদ ও সার্বক্ষণিক প্রবাহমান পানির সুবিধা পাবে।

-অবকাঠামোর ঘাটতি-

আধা-মরু অঞ্চল নিয়ে গঠিত চাদ জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ধরণের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ২০০৩ সালে দেশটি তেল উৎপাদন শুরু করলেও এখনো চরম দারিদ্র্যের মধ্যে রয়েছে। দেশটির ৭০ শতাংশের বেশী মানুষ গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করে।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অবকাঠামো গড়ে উঠতে না পারায় সরকার ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৯ সালে আবেশে থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরের বিতিহা এলাকায় একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। সেখানে কয়েকটি গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে শহরের দুটি পানির টাওয়ারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক বাখিত ডিকি বারকাই জানান, "মানুষের পানির চাহিদা খুবই তীব্র। বিতেহা-২ প্রকল্প উৎপাদন বাড়াবে এবং পরিবারের চাহিদা পূরণ করবে।" তিনি বলেন, "সংকট পুরোপুরি দূর না হলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"

বারকাই আরও জানান, আগে তাপপ্রবাহের সময় পানির সংকট স্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেত। তবে গত তিন বছরের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তিনি বলেন, "বছরের শেষ নাগাদ আমরা প্রতিদিন ২৫ হাজার ঘনমিটার পানি উৎপাদনের লক্ষ্যে পৌঁছাব। তখন আবেচেতে আর পানির সংকটের কথা থাকবে না।"

চিতেয়ে এলাকার বাসিন্দা আহমেদ ইউসুফ বলেন, "সৌভাগ্যক্রমে আমাদের এলাকায় নতুন পানির টাওয়ার স্থাপন হওয়ায় এখন আমরা স্বস্তিতে আছি। পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছি।"

তবে নতুন অবকাঠামো এখনো সবার চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।

-দারিদ্র্য ও সংঘাত-

শহর ও গ্রামের মধ্যে পানির প্রাপ্যতার বৈষম্য এখনো বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে যাচ্ছে। পানির ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ অনেক সময় প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত হচ্ছে।

চাদের প্রেসিডেন্ট মাহামাত ইদ্রিস দেবি ইতনো সম্প্রতি পানি বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে এ সংকটের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ১৫ জুলাই রাজধানী এন'জামেনায় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "যখন পানির স্তর নেমে যায় বা পানির ঘাটতি দেখা দেয়, তখন দারিদ্র্য দ্রুত বাড়ে। মানুষ ও গবাদিপশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংঘাতও বেড়ে যায়।"

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর ও মধ্য আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের দেশ চাদ আফ্রিকায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সবচেয়ে অরক্ষিত দেশগুলোর একটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেভাবে সিআইএ’র গোপন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান, জানাল রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


যেভাবে সিআইএ’র গোপন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান, জানাল রিপোর্ট

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সিআইএ’র বিভিন্ন স্থাপনায় ইরান নিখুঁত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকরা এই ব্যাপারে খতিয়ে দেখছেন যে রাশিয়া কোনও ধরনের টার্গেটিং ইনফরমেশন কিংবা উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করেছে কি না।

এ তথ্যটি ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স চার জন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তির বরাতে জানিয়েছে, যাঁরা মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের বিষয়ে অবগত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তিরা বলেছেন, সিআইএ’র স্থাপনায় হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এখনও কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।

তবে হামলাগুলোর কার্যকারিতা, নিখুঁত নিশানা এবং ইরানের প্রতি রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তাকে সম্ভাব্য প্রমাণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন।

প্রথমত, রয়টার্সসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ক্ষেত্রে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়ে আসছে রাশিয়া।

অথচ সিআইএ’র স্থাপনায় হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়ার সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার এই তদন্তের বিষয়টি আগে প্রকাশ করা হয়নি।

রয়টার্স ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে ইরান সিআইএ’র অন্তত দু’টি গোপন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। সেগুলোর মধ্যে একটি সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে থাকা সিআইএ স্টেশন এবং অন্যটি পূর্ব ইরাকে অবস্থিত একটি আলাদা ঘাঁটি ছিল।

কিছু সূত্র জানাচ্ছে যে, সিআইএ’র আরও কিছু ঘাঁটিতে হামলা হয়েছিল, তবে তারা বিস্তারিত ভুল করেনি।

নথি দেখার সুযোগ রয়েছে এমন এক কর্মকর্তার বর্ণনায় পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি অভ্যন্তরীণ মেমোতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে যে, আঞ্চলিক সিআইএ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পেছনে রাশিয়ার ভূমিকা থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ওই কর্মকর্তা মেমোটির নির্দিষ্ট রচয়িতার নাম জানাননি।

উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়োজিত দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, গোয়েন্দা প্রতিবেদন সম্পর্কে তাদের যে ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে, তাতে বিশ্লেষকদের ধারনা যে সৌদি আরবে হামলায় শাহেদ ড্রোনের উন্নত দুটি রুশ সংস্করণ ব্যবহার হয়েছে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম ড্রোনটি দূতাবাসের বাইরের দেয়ালের একটি দুর্বল অংশে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গর্ত তৈরি করে।

আর দ্বিতীয় ড্রোনটি সেই পথ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে ও বিস্ফোরিত হয়। এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, গত সপ্তাহে জর্ডানে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মার্কিন সেনা ব্যারাক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় অন্তত দুই মার্কিন সেনা নিহত হন।

এই ঘটনার পর ইরানকে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণসংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার জন্য রাশিয়া সহায়তা করছে বলার আশঙ্কা অনেক বেড়ে গেছে।

অন্য একটি সূত্র জানাচ্ছে যে, রাশিয়া ইরানকে স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম ‘কোমেটা-এম’ সরবরাহ করার মাধ্যমে ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের নিখুঁত নিশানাভেদের ক্ষমতা উন্নত করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তির তুলনায় এই ব্যবস্থা অনেক বেশি নিখুঁত এবং জ্যাম করা (বাধাগ্রস্ত করা) কঠিন।

যদিও ইরানকে সমরাস্ত্র প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করার বিষয়টি রাশিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%