ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গুতে ৭ বছরে মৃত্যু ১২ গুণ, আক্রান্ত ১৫ গুণের বেশি


ডেঙ্গুতে ৭ বছরে মৃত্যু ১২ গুণ, আক্রান্ত ১৫ গুণের বেশি

বাংলাদেশে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মশাবাহিত এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা এবং আক্রান্তের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ২০৮ জন। পরবর্তী ৭ বছর ৯ মাসে ডেঙ্গুতে ৩ হাজার ৪৬৬ জনের মৃত্যু এবং ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯১ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

অর্থাৎ, মৃত্যুর হার ১১ দশমিক ৭১ গুণ এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ দশমিক ৬৬ গুণ বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৬৮ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০১ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩৬৭ জনে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, আক্রান্তের সংখ্যা কম নথিভুক্ত হওয়া, হাসপাতালে ভর্তিতে দেরি করা এবং একই ব্যক্তি বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুস্তাক হুসাইন মন্তব্য করেন, "ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও জনকেন্দ্রিক জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রয়োজন।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও বলেন, এডিস মশা বিভিন্ন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিতেও এই মশা বংশবিস্তার করতে পারে। এমনকি ফেলে দেওয়া ছোট পাত্রের ভেতরেও এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। বর্তমানে ডেঙ্গুর বিস্তার শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি ক্রমেই গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বারবার সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। যেসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কম বা শূন্যের কোটায় ছিল, তারাও এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের কার্যকারিতা কীভাবে পরিমাপ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুস্তাক।

স্বল্পমেয়াদি অভিযানের পরিবর্তে কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান তিনি। যেখানে আবর্জনা, পানি জমে থাকে এবং মশার প্রজনন বেশি হয়, সেসব এলাকাকে সেই কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন। মুস্তাক বলেন, "ডেঙ্গুকে আর শুধুমাত্র মৌসুমি রোগ হিসেবে দেখা উচিত না।"

ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় তিন স্তরের ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দিয়ে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, কমিউনিটি পর্যায়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বিনা মূল্যে বা কম খরচে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও প্রাথমিক পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। যেসব রোগীর নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতালের মতো মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। গুরুতর বা জটিল রোগীদের চিকিৎসা দিতে হবে মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ঢাকার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন, রেলওয়ে, ব্যাংক ও অন্যান্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান পরিচালিত বিদ্যমান হাসপাতালগুলোকে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। মুস্তাক আরও মনে করেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অতিরিক্ত শয্যা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। এতে তৃতীয় স্তরের হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীরা বিশেষায়িত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আক্রান্তের সংখ্যা কম রিপোর্ট হওয়া এবং বারবার সংক্রমণের ঘটনা ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি হওয়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। ২০১৯ সালের পরে অধিকাংশ বছরেই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি ছিল। আগের মতো নির্দিষ্ট সময় পরপর ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়া বা কমার প্রবণতা এখন আর দেখা যাচ্ছে না।

এর একটি সম্ভাব্য কারণ, ডেঙ্গু আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। অনেক আক্রান্ত ব্যক্তির তথ্যই সরকারি হিসাবে আসে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক হাসপাতাল ও ক্লিনিক থাকলেও এর অল্প একটি অংশ নিয়মিত ডেঙ্গু রোগীর তথ্য জানায়। বাশার বলেন, ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার বা কেস ফ্যাটালিটি রেট হিসাবের ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা কম রিপোর্ট করার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অনেকেই গুরুতর অবস্থায় থাকেন। আবার মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘটে।

বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়াও আরেকটি কারণ। পরবর্তী সংক্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে দুই দশকের বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ায় ক্রমেই বেশি মানুষ একবার বা একাধিকবার এতে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শনাক্তের বাইরে থেকে যায়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বছরে কোটি টাকার শাপলা বিক্রি, তিন হাজার মানুষ পাচ্ছে জীবিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


গোপালগঞ্জে বছরে কোটি টাকার শাপলা বিক্রি, তিন হাজার মানুষ পাচ্ছে জীবিকা

কাশিয়ানী উপজেলা, গোপালগঞ্জ, একটি বিল অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমে, এই অঞ্চলের বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে তলিয়ে যায়। এই পানিতে প্রাকৃতিকভাবে শাপলা ফুল জন্ম নেয়। বর্ষাকালে, উপজেলার প্রায় তিন হাজার মানুষ শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের তেমন কোনো কাজ না থাকায়, অনেক কৃষক, বেকার এবং অন্যান্য পেশার লোকজন বর্তমানে শাপলা সংগ্রহের পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই শাপলা একদিকে সবজির চাহিদা পূরণ করছে, অন্যদিকে বর্ষাকালে কাজ না থাকা বেকারদের জন্য আয়ের সুযোগ তৈরি করছে।

উপজেলার সিংগা, রাহুথড়, হাতিয়াড়া, শিল্টাসহ বিভিন্ন বিলে, খুব ভোরে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষরা নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে শাপলা সংগ্রহ করেন। কোনো পুঁজির প্রয়োজন না হওয়ায়, এই পেশা বেশ লাভজনক বলে মনে হচ্ছে।

শাপলা ফুল সাধারণত বর্ষায় ডুবে যাওয়া বোরো ধানক্ষেত, পাটক্ষেত ও আমন ধানক্ষেতে বেশি জন্মায়। শাপলা শুধু জাতীয় ফুলই নয়, বরং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে সবজি হিসেবেও জনপ্রিয়।

শাপলা বিক্রির জন্য উপজেলার রাহুথড়ে একটি পাইকারি বাজার গড়ে উঠেছে। ভোরের আলো ফুটতেই, আশপাশের গ্রামসহ প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শাপলা সংগ্রহকারীরা এখানে জড়ো হন। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে বাজার মুখরিত হয়ে ওঠে। শাপলা ফুলের সাদা আভায় পুরো বাজার আচ্ছাদিত হয়ে যায়। পাইকাররা এসব শাপলা কিনে জেলা সদরসহ পার্শ্ববর্তী যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও লোহাগড়ায় বিক্রি করেন।

রাহুথড় শাপলার পাইকারি আড়তের ইজারাদার শংকর কুমার বসু জানান, "প্রতিদিন সকালে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষরা শাপলা সংগ্রহ করে নৌকায় করে পাইকারি দামে বিক্রির জন্য এখানে নিয়ে আসে।" পাইকাররা এসব শাপলা কিনে ভ্যান, ইজিবাইক ও নছিমন করে কাশিয়ানী সদরসহ যশোর, খুলনা, আলফাডাঙ্গা ও ভাটিয়াপাড়া নিয়ে বিক্রি করেন। প্রতিদিন প্রায় ২০-৩০ গাড়ী শাপলা এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় যায়।

শাপলা সংগ্রহকারী গোবিন্দ বিশ্বাস বলেন, "আমি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বর্ষাকালে শাপলা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছি। প্রতিদিন প্রায় ৫-৭শ’ টাকার শাপলা সংগ্রহ করতে পারি। ভোরে রাহুথড় বাজারে পাইকারি দামে বিক্রি করে দেই।"

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এজাজুল করীম বলেন, "শাপলা একদিকে যেমন মানুষের পুষ্টির দাহিদা মেটাচ্ছে, অন্যদিকে মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে। কাশিয়ানীর বিলাঞ্চলে বর্ষাকালে কোনো ফসল হয় না। তখন কৃষকদের কোনো কাজ থাকে না। তারা তখন বিল থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে সংসারের খরচ যোগান। প্রায় তিন হাজার পরিবার শাপলা সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।" সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি নজরুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি নজরুল ইসলাম

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে আদালত আবারও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।

পুলিশ ইতিমধ্যে এই মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বৃহস্পতিবার আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামির জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, মৃত নারী খুবই আবেগী ছিলেন। তিনি অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন এবং পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে আসামি দাবি করেছেন। মামলাটি চাঞ্চল্যকর এবং এর মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য আসামিকে পুনরায় সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া অপরিহার্য।

এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ শেরে বাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমান—এই তিনজনকে আসামি করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর, ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের এক দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর ২৩ সেপ্টেম্বর মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিগঞ্জ মাদরাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


কালিগঞ্জ মাদরাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ সম্পন্ন

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যানিকেতন দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সংবর্ধনা, আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও সবক প্রদান। এই অনুষ্ঠানে এ-প্লাস প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্টও প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মাদরাসার হলরুমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক মো. জুবাইর ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন। মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহা. আনওয়ারুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।

অনুষ্ঠানে তিনি আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি সবকও প্রদান করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, আশাশুনি জামায়াতের আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, মাদরাসার সভাপতি ও রোকেয়া মুনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক চৌধুরী মোশাররফ হোসাইন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের হোসেন, আবু রাসেল আসকারী, অভিভাবক মাওলানা নাজমুল আমান, মো হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়া মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. আছাদুল্লাহকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এ অনুষ্ঠানে সকল পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, অভিভাবকসহ মাদরাসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার একদিনে ৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিলো ডেঙ্গু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


এবার একদিনে ৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিলো ডেঙ্গু

চলমান পরিস্থিতিতে, সেপ্টেম্বর মাসটি এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর জন্য ভয়াবহতম মাসে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, এবার একদিনে ৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। এর আগে গত ২৪ ঘণ্টায়ও ১১ জনের মৃত্যু ঘটেছে এই ডেঙ্গুর কারণে।

এখন পর্যন্ত চলতি বছরে মোট ২০৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এর মধ্যে, সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ দিনে ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ২৩ দিনে ১১২ জনের মৃত্যুর আগে আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে দুজন করে মারা গেছেন ডেঙ্গুর কারণে।

এই হিসেবে, চলতি বছরে এডিস মশাবাহিত রোগটি মোট ২০৯ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

বুলেটিনে আরও জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭৮২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ১৪৯ জনে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৮৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, সংখ্যা ৭১৬ জন। এছাড়া, খুলনা বিভাগে ২৮৬ জন, বরিশালে ১৬৪, চট্টগ্রামে ২৮৮ জন, ময়মনসিংহে ১০৮, রংপুরে ৭৩ জন, রাজশাহী ১৩০ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%