বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৬ পি.এম
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জরুরি বিভাগে রোগীর ড্রেসিং ও চিকিৎসা চলাকালীন হঠাৎ করে ছাদের পলেস্তারা প্লাস্টিকের সিলিং ভেদ করে নিচে মেঝেতে আছড়ে পড়ে।
এ সময় সুজাপুর প্রফেসরপাড়ার ফেরদৌস (২০) নামে এক যুবকের ক্ষতস্থানে ড্রেসিং করা হচ্ছিল এবং পাশের বেডে শিবনগর ইউনিয়নের রহিমা বেগম (৪০) পা ভাঙা অবস্থায় শুয়ে ছিলেন। আকস্মিক এই ঘটনায় বিকট শব্দ হলে রোগী, স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতরা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
জরুরি বিভাগে কর্মরত ব্রাদার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সে সময় ঘরে অনেক রোগী ও স্বজন উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়লে সবাই আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শামীমা আক্তার সুইটি জানান, জরুরি বিভাগে পর্যাপ্ত ভিড় থাকায় পলেস্তারা পড়ে অনিক (২৪), মিরপুরের আব্বাস আলী (২৬) ও পাকাপানের নরেন চন্দ্রসহ (৩৮) পাঁচজন আহত হন।
জুনিয়র মেকানিক আবুজার গিফারী বলেন, ‘ভাগ্যিস ছাদের নিচে প্লাস্টিকের সিলিং দেওয়া ছিল, তা না হলে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারত।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও জরুরি বিভাগের ছাদের পলেস্তারা তিনবার ধসে পড়েছিল। প্রায় তিন বছর পরপর এটি সংস্কার করা হলেও এবারসহ মোট চারবার ধসের ঘটনা ঘটল। বারবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে ভবনটির স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সেবা নিতে আসা রোগী, স্বজন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই বিপজ্জনক পুরোনো ভবনটিকে দ্রুত পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার পর পরই স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী এ জেড এম মোস্তাহিদুল ইসলামসহ দুই কর্মকর্তা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা স্বীকার করেন যে, ভবনটি জরুরি ভিত্তিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা প্রয়োজন এবং এ বিষয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. সাজেদুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বারবার পলেস্তারা খসে পড়ার বিষয়টি স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো সত্ত্বেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। রোগীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত পাশের কক্ষে জরুরি বিভাগের সেবা কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রায় প্রতিটি বাসাবাড়িতে এলইডি বাল্ব ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে, এলইডি বাল্বের আলোতে বিদ্যমান নীল আলোর পরিমাণ এবং লাল ও অবলোহিত আলোর অভাব চোখের স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে কিনা, এ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
লন্ডনের একদল গবেষক জানিয়েছেন, এলইডি বাল্বের আলোতে সাধারণত নীল আলোর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। অন্যদিকে, প্রাকৃতিক সূর্যের আলো এবং পুরোনো ফিলামেন্ট বাল্বের আলোতে লাল ও অবলোহিত আলোর পরিমাণ বেশি থাকে।
গবেষকদের মতে, লাল আলো শরীরের কোষের শক্তিকেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়াকে সক্রিয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এলইডি আলোতে এই ধরনের লাল আলোর পরিমাণ কম থাকায়, তারা আশঙ্কা করছেন যে, দীর্ঘমেয়াদে চোখের রেটিনার কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।
গবেষণার অংশ হিসেবে ২২ জন অংশগ্রহণকারীকে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে লাল ও অবলোহিত আলোর সংস্পর্শে রাখা হয়েছিল। গবেষকরা জানিয়েছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের সূক্ষ্ম রঙ শনাক্ত করার ক্ষমতায় প্রায় ২৫ শতাংশ উন্নতি দেখা গেছে।
তবে, গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন যে, এই পরীক্ষা খুব অল্পসংখ্যক মানুষের ওপর পরিচালিত হয়েছে। ফলে এলইডি বাল্বের আলো চোখের জন্য আসলে কতটা ক্ষতিকর এবং দীর্ঘমেয়াদে এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিশ্চিতভাবে জানার জন্য আরও বড় পরিসরে গবেষণার প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গবেষণার ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। তবে, দৈনন্দিন জীবনে আলোর ব্যবহারে সচেতন থাকা এবং পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলোর সংস্পর্শে থাকার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫শ’ থেকে ৭শ’তে উন্নীত করার জন্য সরকার প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করেছে। এই উন্নতির ফলে হাসপাতালটিতে নতুন করে ২শ’ শয্যা যুক্ত হবে, যা ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসাসেবায় সম্প্রসারণ করবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি আদেশ জারি করা হয়।
উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত আদেশে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে এবং সংশ্লিষ্ট সব বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫শ’ থেকে ৭শ’তে উন্নীতকরণ এবং নতুন শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দেশে ক্যানসার রোগীর চিকিৎসায় জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়েছে, নতুন শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিধি-বিধান ও আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এ প্রশাসনিক অনুমোদন অর্থ বিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে দিয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে পাঁচ বছরের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী সিরাজুল মুনিরা।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ডাক্তাররা তাকে আইসিইউতে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে শিশুটি মারা যায়।
মৃত মুনিরা সীতাকুণ্ড উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের মো. নুরুন্নবীর কন্যা। নুরুন্নবী একজন ইন্টারনেট সংযোগ লাইনের কর্মী।
নুরুন্নবী জানান, মুনিরার রক্তচাপ একদম কমে গিয়েছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে সীতাকুণ্ডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে স্যালাইন দেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল মুনিরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে আজ সকাল ৯টার দিকে মারা যায় সে।
তিনি কান্না করতে করতে বলেন, "আমার দুটি মেয়ে ছিল, আমার দুটি মেয়েই আমার ছেলে, আমার খুব আদরের সন্তান ছিল। এখন আমার সবকিছু শেষ, আমি কোনো কিছুই মেনে নিতে পারছি না, কীভাবে এটা হল, কেমনে হল, কোনো কিছুই মাথায় কাজ করছে না।"
মুনিরার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। প্রিয় শিশুটিকে হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাস্তার ওপর পলিথিন দিয়ে তৈরি একটি ছোট্ট টং ঘর দেখা যাচ্ছে। ঘরের একপাশে বাঁধা গরু ও ছাগল এবং অন্যপাশে একটি চৌকি রাখা রয়েছে। পরিবারের সকল সদস্য দিনরাত কাটাচ্ছেন ওই একটিমাত্র চৌকিতে।
খোলা আকাশের নিচে মাটির চুলায় রান্নার প্রস্তুতি চলছে, আর ঘরবাড়ির চারপাশে পানি থইথই করছে। প্রায় তিন মাস ধরে মারাত্মক জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার মানুষ।
সরেজমিনে ভবদহ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে জানা গেছে, ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণে অভয়নগর উপজেলার ডুমুরতলা গ্রামের কয়েকটি পরিবার বাধ্য হয়ে রাস্তা এবং উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিয়ে তারা সেখানেই দিন কাটাচ্ছেন। পানির কারণে অনেক পরিবারের রান্নাবান্না ও খাবারের ব্যবস্থা অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় নৌকাই এখন এই অঞ্চলের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, এই তিন উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছেন।
দীর্ঘস্থায়ী এই দুর্ভোগ নিয়ে ডুমুরতলা গ্রামের শিব পদ বিশ্বাস ক্ষোভ প্রকাশ করেন, "আমরা হচ্ছি জলজ প্রাণী, সাপ-ব্যাঙের সঙ্গে আমাদের বসবাস। সরকার ও আমলারা মিলে আমাদের জলজ প্রাণী বানিয়ে রাখছে। আমরা এ জলজ প্রাণীর মতো হয়ে বাঁচতে চাই না।"
ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতারা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রণজীত বাওয়ালীও দীর্ঘ আন্দোলনের পর মারা গেছেন, কিন্তু ভবদহের স্থায়ী সমাধান দেখে যেতে পারেননি। নেতারা হুশিয়ারি দিয়েছেন, দ্রুত কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না হলে কৃষক ও শ্রমিকদের নিয়ে আবারও রাজপথে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পাকিস্তান আমলে ভবদহের ভবানীপুর এলাকায় শ্রী নদীর ওপর ২১ ভেন্ট, ৯ ভেন্ট ও ৬ ভেন্টের স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সেই নিষ্কাশন ব্যবস্থা আজ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ চলছে, তবুও ভুক্তভোগীদের দাবি—তারা কাঙ্ক্ষিত মুক্তি পাচ্ছেন না।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, প্রকল্পের ৭৩ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, সেখানেই কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। নদী খননের কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে আগামী ৫ থেকে ৭ বছর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, ভবদহের পানি নিষ্কাশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ আমডাঙ্গা খাল সংস্কারের জন্য প্রায় ৪৯ কোটি ৯ লাখ টাকার পৃথক একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসন জমি অধিগ্রহণ করে বুঝিয়ে না দেওয়ায় ঠিকাদার কাজ শুরু করতে পারছেন না।
প্রকল্প ও অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও কেন পানি কমছে না —এই প্রশ্ন এখন ভবদহবাসীর মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। আমডাঙ্গা খাল সংস্কারসহ পানি নিষ্কাশনের অবকাঠামোগত কাজ দ্রুত শুরু না হলে এই অঞ্চলের মানুষের স্থায়ী মুক্তি কবে মিলবে, তা নিয়ে গভীর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ