ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু


বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় খেলাধুলা শেষে পুকুরে গোসল করতে নেমে ভাই-বোনসহ তিনটি শিশুর মৃত্যু ঘটে। নিহত তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ভালতা আদর্শ গুচ্ছগ্রামে ঘটনাটি ঘটে। মৃত তিন শিশু হলো ওই গ্রামের তানজিব (৮), তার বোন সুরাইয়া (৫) এবং প্রতিবেশী জাকিরুল (৬)। তারা সবাই স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরের সময় সুরাইয়া ও তার ভাই তানজিব বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রতিবেশী জাকিরুলের সাথে গ্রামের উঠানে খেলাধুলা করতে থাকে। এক সময় পরিবারের অগোচরে তারা পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নেমে যায়। গোসলের একপর্যায়ে তিনজনই পানির গভীর অংশে তলিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুকুরের পাশে যাওয়ার সময় স্থানীয় একজন ব্যক্তি সুরাইয়াকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে চিৎকার দেন। তখন আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সুরাইয়া ও জাকিরুলকে উদ্ধার করা হলেও তারা তখন মৃত অবস্থায় ছিল। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে তানজিবের মরদেহ উদ্ধার করেন।

কাহালু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ব্রজেন চন্দ্র মাহাতো বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুগ্ধসহ ১১ জন নিহতের ঘটনায় ২৬ জনের বিচার শুরুর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


মুগ্ধসহ ১১ জন নিহতের ঘটনায় ২৬ জনের বিচার শুরুর উদ্যোগ

জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানী উত্তরা এলাকায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু হয়েছে। মামলার ২৬ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর জন্য আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন, তারা তাদের শুনানি শেষ করেছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হলো। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আংশিক শুনানির পর ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৩ জুলাই অবশিষ্ট শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।

এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা দুটি নির্দিষ্ট অভিযোগ পড়েন এবং ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, এটি একটি পরিকল্পিত, ব্যাপক এবং পদ্ধতিগতভাবে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ। একই সাথে তিনি দাবি করেন যে আসামিদের কার কী ভূমিকা ছিল তা ব্যাখ্যা করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আবেদন জানান। শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন এবং এম হাসান ইমাম তাদের মক্কেলদের অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন জানান। আইনজীবীরা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাদের মক্কেলদের আসামি করা হয়েছে এবং জানান, এই মামলায় তাদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো দায় নেই।

মামলার মোট ২৬ জন আসামির মধ্যে বর্তমানে আটজন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন: ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ওসি মো. মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল মো. হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা মো. সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. শাহ আলম এবং আওয়ামী লীগ কর্মী মো. ইরফানুল হক গাজী।

অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১৮ জন আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশনের প্রথম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আশপাশের এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে পুলিশ ও সহযোগীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এই ঘটনায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ সাতজন নিহত হন। এই সময় উবারচালক মোখলেছুর রহমানকে পুলিশের সাঁজোয়া যানের (এপিসি) চাকায় পিষ্ট করে হত্যা করার ঘটনার অভিযোগে বলা হয় যে, লাশ গুমের উদ্দেশ্যে তুরাগ নদে ফেলে দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, পরদিন ১৯ জুলাই একই এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর একইভাবে গুলি চালিয়ে রিদোয়ান শরীফ রিয়াদসহ চারজনকে হত্যা করা হয়। এই দুটি ঘটনাতেই বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পাঁচটি কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পাঁচটি কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে পরিচালিত চারটি চুনা কারখানা ও একটি ঢালাই কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

একই সঙ্গে এক্সক্যাভেটর দিয়ে কারখানাগুলোর স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার সোনাখালী, মল্লিপাড়া, পিরোজপুর ও প্রতাবনগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে অবৈধ গ্যাস সংযোগে ব্যবহৃত প্রায় ৩৫০ ফুট পাইপ ও বার্নার জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনিম সোহানা।

তিতাস গ্যাসের মেঘনাঘাট অঞ্চলের ব্যবস্থাপক সুরজিত কুমার সাহা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন এলাকায় চুনা ও ঢালাই কারখানা পরিচালনা করছিল। এর ফলে সরকার প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।

তিনি আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে চারটি চুনা কারখানার আটটি ভাট্টি এবং একটি ঢালাই কারখানার দুটি ভাট্টির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে এক্সক্যাভেটরের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়।

সুরজিত কুমার সাহা আরো বলেন, অবৈধ গ্যাস ব্যবহার রোধ এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে তিতাস গ্যাসের প্রকৌশলী তৌফিকুর রহমান ও জহুরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল। প্রশাসনের অভিযানে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ডব্লিউএফপি প্রতিনিধির সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ডব্লিউএফপি প্রতিনিধির সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি'র কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎটি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং এনডিসি উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং এ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সংক্রান্ত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডব্লিউএফপি’র দীর্ঘদিনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা, যা সরকার গঠনের প্রথম মাস থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এবং এই অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা শুধু দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তাই প্রদান করছি না, বরং তাদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করছি এবং প্রশিক্ষণ শেষে সিড মানি প্রদান করে উদ্যোক্তা হতেও সহায়তা করছি। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমসিবিপি সম্পর্কে ডব্লিউএফপি'র কান্ট্রি ডিরেক্টরকে বিস্তারিত জানালে তিনি প্রশংসা করেন।

বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মিড ডে মিল কর্মসূচি সকল উপজেলায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও মন্ত্রী জানান। উল্লেখযোগ্য যে, খাদ্যের পুষ্টিমান বিবেচনায় রেখে সুষম খাদ্য নির্বাচনের বিষয়টিও সরকারের নিয়মিত তদারকি করছে।

ডব্লিউএফপি'র কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বাংলাদেশে সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত 'ফ্যামিলি কার্ড' উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ডে পরিবারের নারীদের নামে কার্ড ইস্যু করার ঐতিহাসিক পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত।" ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের কারিগরি ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হলে, ডব্লিউএফপি'র পক্ষ হতে সহযোগিতা করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডব্লিউএফপি পরিচালিত কল্যাণমুখী কার্যক্রমের বিষয়েও মন্ত্রীকে অবহিত করেন। সেইসাথে সম্প্রতি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতিতে ডব্লিউএফপি যেভাবে সরাসরি মাঠপর্যায়ে সহায়তামূলক জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিএনজি স্টেশন মালিকদের ধর্মঘটের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


সিএনজি স্টেশন মালিকদের ধর্মঘটের সতর্কবার্তা

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আলটিমেটাম ঘোষণা করেছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি দাবি পূরণ না হয়, তাহলে আগামী ৩০ জুলাই পুরো দেশে প্রতীকী ধর্মঘট সংঘটিত হবে এবং পরে ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখা হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে একটি সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী লিখিতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এসময় সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্ত, মহাসচিব ফারহান নূরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনের সময় বলা হয়, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সিএনজির প্রতি ঘনমিটার বিক্রিতে কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ টাকা। গত ১১ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম এক একাধিক বার বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে শ্রমিকের মজুরি, ব্যাংক গ্যারান্টি কমিশন, ঋণের সুদ, ডলারের বিনিময় হার, এবং স্টেশন পরিচালনার অন্যান্য ব্যয়ও অনেক বেড়েছে। কিন্তু কমিশন অপরিবর্তিত থাকায় অধিকাংশ স্টেশন লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।

সংগঠনের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রির কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ, ভবিষ্যতে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির জন্য পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেয়ার প্রথা বাতিল করা, এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমি ইজারা এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার লাইসেন্স ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে, আগামী ৩০ জুলাই সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দেশের সকল সিএনজি ফিলিং স্টেশনে প্রতীকী ধর্মঘট পালিত হবে। এসময় সরকারের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ রাখা হবে। তবে দাবি বাস্তবায়নে কোন অগ্রগতি না হলে ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশে সকল সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%