রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১১ এম
সরকারকে ঠেকানোর উদ্দেশ্যে বিরোধীদল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানী ঢাকার গুলশানে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ উল্লেখ করেন, গুলশান একটি ভিআইপি এলাকা; যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বসবাস করেন। এই এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়; সেখানে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কীভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করতে পারে?
তিনি আরও বলেন, শুধু ঢাকাতেই নয়; সারাদেশে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করছে। তাছাড়া প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থায় থাকা আওয়ামী লীগের সমর্থকরা এই মিছিলের সুযোগ তৈরি করছে। সরকার যদি একটি পদক্ষেপ নেয়, তাহলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ হয়ে যাবে। উদাহরণস্বরূপ, যেখানেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করবে, সেখানকার ডিসি, এসপি, ওসি, ইউএনওকে বান্দরবান পাঠালে সারাদেশের প্রশাসন সতর্ক হয়ে যাবে।
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র বলেন, সরকারকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। কারণ এই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। তাছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়, বিভিন্ন স্থানে খুন, ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটছে।
আবু হানিফ আরও বলেন, বর্তমানে বিরোধীদল বিশেষ করে জামায়াত-এনসিপি সারাদেশে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে। সরকারকে ঠেকানোর জন্য জামায়াত-এনসিপি নিষিদ্ধ লীগকে পুনর্বাসন করছে। তারা পুনর্বাসনের মাধ্যমে মূলত নিষিদ্ধ লীগকে মিছিল করার সুযোগ দিচ্ছে। বিরোধীদলের প্রতি আহ্বান— আপনারা অর্থের বিনিময়ে লীগকে পুনর্বাসন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এই লীগ ফিরে এলে কাউকেই ছাড়বে না।
গণঅধিকার পরিষদ, মহানগর উত্তরের সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা নিরাপদে বিদেশে আরাম আয়েশ করছেন। অথচ, দেশে থাকা নিরীহ কর্মীদের উসকানি দিয়ে মিছিলে অংশ নিতে বাধ্য করছেন। আপনাদের পলাতক নেতাদের কথায় আর রাস্তায় নেমে বিপদে পড়বেন না।
গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক আবির ইসলাম সবুজের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব আলমগীর, সহ সভাপতি ফারজানা কিবরিয়া, রেজওয়নুল শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক রুবেল, ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক নুরুজ্জামান ইমন প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কর্নাটকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সাবেক সংসদ সদস্য প্রজ্বল রেভান্নার মোবাইল ফোনে পাওয়া গেছে কয়েক ডজন পর্ন ভিডিও। কারাগারে তার কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোন ও পেনড্রাইভের ফরেনসিক বিশ্লেষণে এই তথ্য প্রকাশ পায়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এর প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১১ আগস্ট বেঙ্গালুরুর পরাপ্পানা আগ্রাহারা কেন্দ্রীয় কারাগারে আকস্মিক তল্লাশি পরিচালনা করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই সময় উচ্চনিরাপত্তার ব্যারাকে মোবাইল ফোন ব্যবহাররত অবস্থায় প্রজ্বল রেভান্নাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি চার্জার, একটি পেনড্রাইভ ও একটি নোটবুকও জব্দ করা হয়।
পরে জব্দ করা মোবাইল ফোন ও পেনড্রাইভ ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে মোবাইল ফোনে বহু পর্ন ভিডিও এবং পেনড্রাইভে বিভিন্ন ওয়েব সিরিজের ভিডিও থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
কারাগারে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ঘটনায় এক কারা কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারাগারের ভেতরে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন, সিম কার্ড ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক যোগাযোগের ডিভাইস ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্দিদের যোগাযোগের জন্য কেবল নজরদারির আওতায় থাকা ল্যান্ডলাইন, পাবলিক কল অফিস (পিসিও) ও নির্দিষ্ট ভিডিও-কলিং ব্যবস্থার অনুমতি রয়েছে।
প্রজ্বল রেভান্না ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার নাতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর ভাতিজা। ধর্ষণ ও এক নারীর যৌন নির্যাতনের ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গত বছর তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগকারী ৪৮ বছর বয়সী ওই নারী হাসান জেলার হোলেনারাসিপুরায় রেভান্না পরিবারের একটি খামারবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তার অভিযোগ, ২০২১ সাল থেকে প্রজ্বল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং এসব ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন। বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কারাগারে প্রজ্বল রেভান্নার কাছে মোবাইল ফোন পাওয়ার ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠেছে কারাগারের ভেতরে প্রভাবশালী বা ‘ভিআইপি’ বন্দিদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকির পরের ঘটনা। এমবিএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মো. মাহিন অর রশিদ প্লাবনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। বিজ্ঞ জেলা নির্বাহী আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মামলার বাদী সাংবাদিক কালাম মুহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। হামলার ঘটনার পর বাড্ডা থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রধান আসামি হিসেবে এমবিএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মো. মাহিন অর রশিদ প্লাবনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন—একই হলের বাধন, মুরাদ পাটোয়ারী, জোবায়ের পাটোয়ারী, প্রত্যয় ও মিনহাজ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও বাড্ডা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী লিখিত ও ভিডিও জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, হামলার পরিকল্পনা মুরাদ ও জোবায়ের পাটোয়ারীর ইন্ধনে করা হয়েছে।
অন্যদিকে, তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকির অভিযোগে মো. মাহিন অর রশিদ প্লাবনকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে, যার সদস্যসচিব হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ দায়িত্ব পালন করবেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, প্লাবন এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর আত্মীয় পরিচয়ে একাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়েছেন। তবে, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এই আত্মীয়তার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
প্লাবন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘গ্যাং থার্টি সিক্স’ নামে একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনা করেন, এবং ওই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর র্যাগিংয়ের অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী কালাম মুহাম্মদ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দেওয়া এবং নিরাপত্তার আবেদন করার পরেও প্রক্টর আবুল কালাম আজাদ সাহেব আমার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার অদক্ষতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণেই ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে হলে এই বিবাদীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানা সময়ে অত্যাচার করে আসছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইনসাফ চাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তথা প্রক্টরের এই অদক্ষতার কারণেই আজকের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুরো বিষয়টি আমি আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঈদে মিলাদুন্নবি উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘মহব্বতে মোস্তফা’ সন্ধ্যা আয়োজন করা হয়েছে, যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও ভক্তিকে হৃদয়ে ধারণ করে অনুষ্ঠিত হয়।
এই অনুষ্ঠানটি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’-এর উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘হামদ-নাত পরিবেশনা, কাওয়ালি, রাসুলপ্রেমের কবিতা আবৃত্তি ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায়’ অংশগ্রহণ করেন। ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ’, ‘তালা‘আল বাদরু আলাইনা’, ‘কামলিওয়ালা’, ‘নবী মোর পরশমণি’, ‘জাহানের সর্দার তুমি’, ‘মাওলা ইয়া সাল্লি ওয়া সাল্লিম’, ‘ইয়া সাইয়্যিদিনা’সহ বিভিন্ন নাত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি মুখর হয়ে ওঠে।
নাত পরিবেশনায় ছিলেন ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটের পরিচালক আবু সুফিয়ান, সহকারী পরিচালক ইয়াছিন আরাফাত, ওয়ায়েস কুরুনী, হাদিউল ইসলাম, সাইফ উদ্দিন, আল মামুন, মাসুদসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা।
ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটের পরিচালক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘মহব্বতে মোস্তফা’ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও তার আদর্শের প্রতি সম্মান প্রকাশ করা। তিনি উল্লেখ করেন, নবীজি (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য শান্তি, সাম্য, মানবিকতা ও ন্যায়বিচারের অনন্য আদর্শ রেখে গেছেন। তার পবিত্র জীবন ও শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিজীবন ও সমাজজীবনে অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মের মাঝে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও চরিত্রের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন। সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নবীপ্রেমের চেতনা শিক্ষার্থীদের মাঝে আরও গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়ুক, এটি আমাদের প্রত্যাশা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রান্নাঘরে এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার বেড়েছে, কারণ এটি কম তেলে কিংবা তেল ছাড়াই বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরিতে সহায়তা করে। তবে কাবাব, তন্দুরি, কিংবা তেল-মসলা যুক্ত খাবার রান্নার পর এটির পরিষ্কার করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে, বাস্কেট ও ট্রেতে তেল-ময়লা জমে গেলে ঘষে পরিষ্কার করার সময় এর ওপরের আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কিন্তু কিছু কৌশল জানলে এয়ার ফ্রায়ারকে সহজেই পরিষ্কার রাখা সম্ভব, এবং এতে বেশি ঘষাঘষির প্রয়োজন পড়ে না।
১. গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন
এয়ার ফ্রায়ারের বাস্কেট ও ট্রে সাধারণত সবচেয়ে বেশি নোংরা হয়। তাই পরিষ্কার করার পূর্বে এগুলোকে গরম পানিতে অল্প সাবান মিশিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখা উচিত।
এভাবে জমে থাকা তেল ও খাবারের ময়লা নরম হয়ে যাবে। এরপর নরম স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করলে ময়লা উঠে যাবে। প্রয়োজনে নরম পুরোনো টুথব্রাশও ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. ভেতরের অংশ মুছে পরিষ্কার করুন
এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরে, বিশেষ করে উপরের দিকে থাকা তাপ দেওয়ার কয়েলের আশপাশে তেলের স্তর জমতে পারে। এই অংশে সরাসরি পানি দেওয়া উচিত নয়।
যন্ত্রটি ঠান্ডা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রেখে নরম ভেজা কাপড় বা স্পঞ্জ দিয়ে ভেতরের অংশ মুছে ফেলতে হবে। তেলচিটে ময়লা বেশি থাকলে অল্প ভিনেগার ও বেকিং সোডার মিশ্রণ দিয়ে হালকা করে পরিষ্কার করা যেতে পারে।
তবে তাপ দেওয়ার কয়েল পরিষ্কারের সময় ভেজা কাপড়ের বদলে শুকনো নরম ব্রাশ ব্যবহার করাই উত্তম।
৩. প্রতিবার ব্যবহারের পর পরিষ্কার করুন
এয়ার ফ্রায়ারকে দীর্ঘদিন পরিষ্কার রাখতে প্রতিবার ব্যবহারের পর বাস্কেট ও ট্রে অন্তত একবার মুছে রাখা ভালো। এতে তেল ও খাবারের অংশ জমে শক্ত হয়ে যাওয়ার সুযোগ কমে যাবে।
বাস্কেট পরিষ্কারের সময় বাসন মাজার তরল সাবান ও বেকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। রান্নার সময় বাস্কেটে পার্চমেন্ট পেপার বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করলে ময়লা কম জমতে পারে। তবে কোন মডেলে এগুলো ব্যবহার করা যাবে, তা প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা দেখে নেওয়া জরুরি। ফয়েল বা পেপার যেন তাপ দেওয়ার অংশ স্পর্শ না করে এবং বাতাস চলাচলে বাধা না দেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
৪. শক্ত কিছু দিয়ে ঘষবেন না
এয়ার ফ্রায়ারের বাস্কেট পরিষ্কার করতে স্টিলের স্ক্রাবার বা শক্ত কোনো ঘষার উপকরণ ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে বাস্কেটের ওপরের নন-স্টিক বা অন্য কোনো আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সুতরাং, নরম স্পঞ্জ কিংবা নরম টুথব্রাশ দিয়ে ধীরে ধীরে পরিষ্কার করাই নিরাপদ।
হিটিং কয়েলে পানি নয়
এয়ার ফ্রায়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো তাপ দেওয়ার অংশে পানি না দেওয়া। বাস্কেট ও ট্রে পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার করা গেলেও তাপ দেওয়ার কয়েল বা ভেতরের বৈদ্যুতিক অংশে সরাসরি পানি দেওয়া উচিত নয়।
পরিষ্কারের পূর্বে অবশ্যই যন্ত্রটি ঠান্ডা করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিতে হবে। এরপর শুকনো নরম ব্রাশ বা কাপড় দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।
অল্প কিছু যত্ন ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এয়ার ফ্রায়ারকে পরিষ্কার রাখা সম্ভব, এবং এর ওপরের আবরণ ও ভেতরের অংশের অযথা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমানো যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ