ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো সরকার


পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো সরকার

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৩৩ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ ০৫ জুলাই রোববার রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ এর একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ডিআইজিদের মধ্যে দুজন গ্রেপ্তার রয়েছেন।

গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের ২২ জন ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এর পরপরই তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের ৬৪ জেলার এসপিদেরও অবসরে পাঠানো হবে। এই ধারাবাহিকতায় প্রথমে তাদের ওএসডি এবং পরে স্থায়ী অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।.

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

 

 

  • যাদের অবসরে পাঠানো হলো-

 

ছবির গ্যালারি

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রশক্তি নেতার মামলা বাণিজ্যে তোলপাড়: কবরস্থান ও কারাগার থেকে বোমা নিক্ষেপ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


ছাত্রশক্তি নেতার মামলা বাণিজ্যে তোলপাড়: কবরস্থান ও কারাগার থেকে বোমা নিক্ষেপ!

জুলাই বিপ্লবকে কেন্দ্র করে ‘মামলা ব্যবসায়ী’ হিসাবে পরিচিত সাবেক বৈছাআ (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) ও বর্তমানে জাতীয় ছাত্র শক্তি নেতা মারজুক আব্দুল্লাহর করা আরেকটি মামলার আবেদন নিয়ে বরিশালে এখন তোলপাড় চলছে। বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার ওই আবেদন করেন তিনি।

আবেদনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৪৮ জনকে আসামি করা হলেও এদের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন বহু আগেই। এ ছাড়া কারাগারে আছেন ২নং অভিযুক্ত বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ। জুন মাসে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কথিত মিছিলে বাধা দিতে গেলে হামলা, বোমা-ককটেল বিস্ফোরণ আর অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা এই মামলা নিয়ে হতবাক পুলিশ কর্মকর্তারাও। মামলার আবেদনে যে ৩টি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার কিছুই ঘটেনি বলে জানিয়েছেন তারা। আদালতের বিচারক এসএম শরীয়তউল্লাহ অবশ্য মামলাটি সরাসরি আমলে না নিয়ে তদন্ত শেষে রিপোর্টদিতে বলেছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে।

এদিকে মারজুক কী করে আদালতে গিয়ে মামলাটি করলেন, তা নিয়েও চলছে জল্পনা-কল্পনা। ৫ আগস্টের পর পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় পুলিশের দায়ের করা একটি ডাকাতি চেষ্টা মামলার আসামি এই মারজুক। সেই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার পরও তিনি কিভাবে আদালতে গেলেন সেটাই প্রশ্ন। জুলাই বিপ্লবের পর বৈছাআ’র সমন্বয়ক হিসাবে বরিশালে প্রভাব বিস্তার করেন মারজুক। সেসময় ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলা করে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ২০২৫ সালের ১৪ মে দায়ের করা ওই মামলায় ২৪৭ জনকে আসামি করেছিলেন তিনি। বৈছাআ বিলুপ্ত হওয়ার পর জাতীয় ছাত্র শক্তিতে যোগ দেন। পরে তাকে সদ্য বিলুপ্ত মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

মাঝে কিছুদিন চুপ থাকার পর বৃহস্পতিবার আরেকটি মামলার আবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন মারজুক। মামলার আবেদনে বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহসহ আসামি করা হয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৪৮ নেতাকর্মীকে। এই তালিকায় একদিকে যেমন আছেন বেশ কয়েকজন মৃত ব্যক্তি, তেমনি রয়েছেন বর্তমানে কারাগারে থাকা সাবেক এমপি জেবুন্নেসা আফরোজ। মামলার আবেদনে তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১০, ১৬ ও ২২ জুন বরিশাল নগরীর এয়ারপোর্টথানা এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মিছিল, টায়ার-যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এইসব নেতাকর্মী সশস্ত্র মিছিল নিয়ে বের হলে বাধা দেন মারজুকসহ অন্যরা। এ সময় আসামিরা তাদের লক্ষ্য করে বোমা ককটেল ছুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এর মধ্যে একটি মিছিল টানা ২২ মিনিট ধরে চলে দাবি করে মারজুক বলেন, ‘আসামিদের সশস্ত্র হামলা ও বোমা ককটেল বিস্ফোরণে পুরো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি ও বেশ কয়েকজন আহত হয়।’

আদালতে জমা দেওয়া এই আবেদন যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে, ঘটনার যেসব তারিখ বলা হয়েছে তখন কারাগারে ছিলেন সাবেক এমপি জেবুন্নেসা। এখনো কারাগারেই আছেন তিনি। আসামির তালিকার যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে ৪ জন অনেক আগে মারা গেছেন। ২১২ নম্বরে থাকা খন্দকার রেজাউর মারা গেছেন ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি। ১৯৫ এবং ২২৫ নম্বরে থাকা আলী হাওলাদার এবং হাফিজুর রশিদ মারা গেছেন ২০২১ সালের ২৬ জুলাই ও ১৯ অক্টোবর। ১৯৮ নম্বরে নাম থাকা আবুল ফারুকের মৃত্যু হয়েছে ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ। মৃত এইসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে মিছিল করা, অস্ত্র বহন ও বোমা-ককটেল বিম্ফোরণের অভিযোগ। এছাড়া তালিকায় এমন বহু মানুষের নাম রয়েছে যারা কখনোই আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। নগরীর পরিচিত পরিবারের সদস্য কাজী আফরোজার নাম রয়েছে এই তালিকার ৫১ নম্বরে। যুগান্তরকে কাজী আফরোজা বলেন, ‘মামলার কাগজ সাজিয়ে আমার কাছে লোক পাঠানো হয়েছিল। মোটা অংকের টাকা দিলে মামলায় নাম থাকবে না বলা হয় আমাকে। যেহেতু আমি আওয়ামী লীগ করি না এবং আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকাণ্ডেও থাকিনি তাই স্বাভাবিকভাবেই টাকা দেইনি তাদের। এখন তো দেখি আমার নাম আসামির তালিকায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ আসামির তালিকায় নাম থাকা আরও কয়েকজন একই ধরনের তথ্য জানান এই প্রতিবেদককে। এয়ারপোর্টথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুমন কুমার বলেন, ‘২২ মিনিট তো দূরের কথা ২ মিনিটের একটি মিছিলও হয়নি আমার এলাকায়। সেখানকার বোমা ককটেল বিস্ফোরণ তো পুরোপুরি মিথ্যা।’ বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘বোমা-ককটেল ফাটিয়ে মিছিল হলে আমি যেমন জানতাম তেমনি আপনারাও জানতেন। তাছাড়া অগ্নিসংযোগের কোনো ঘটনাও ঘটেনি। আদালত যেহেতু তদন্তে দিয়েছেন, আমরা সঠিক রিপোর্টই দাখিল করব।’

এদিকে মারজুক আব্দুল্লাহ নিজেও ডাকাতি চেষ্টা মামলার একজন পলাতক আসামি। ২০২৫ সালের ৬ জুন ওই মামলাটি দায়ের হয় পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানায়। মামলার অপর দুই আসামি জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের নাম রয়েছে পলাতকের তালিকায়। এসব বিষয় নিয়ে আলাপকালে মারজুক বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নগরীতে মিছিল সন্ত্রাস করেছে। তারা বোমা ফাটিয়েছে, ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। আমি ও আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। এসব কারণেই মামলা করেছি।’ আসামির তালিকায় মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সাক্ষীদের বক্তব্য অনুযায়ী আসামির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনো ভুল থাকলে পরবর্তিতে সংশোধন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে আ.লীগের ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা: কবর থেকে ‘ককটেল ছোড়ার’ অভিযোগ ৪ নেতার বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০০ এম


বরিশালে আ.লীগের ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা: কবর থেকে ‘ককটেল ছোড়ার’ অভিযোগ ৪ নেতার বিরুদ্ধে

আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা। যখনই তাদের ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তখন তারা ছুড়েছেন ককটেল ও পেট্রল বোমা। এইসব কারণে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ নামে এক যুবক। মামলার আসামির তালিকায় চারজন মৃত নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, মারজুক বরিশালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা। গতকাল বৃহস্পতিবার বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে বিচারক এস এম শরীয়ত উল্লাহ অভিযোগ গ্রহণ করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার জানিয়েছেন, এই নালিশী মামলায় অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে, আসামির তালিকায় মৃত নেতাদের নাম যুক্ত করায় অভিযোগের সত্যতা ও মামলার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মামলাটির আসামির তালিকায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, সাবেক সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র জিয়াউর রহমান বিপ্লব এবং রফিকুল ইসলাম খোকনের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল ফারুক হুমায়ুন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের নাম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, ২১২ নম্বর আসামি খন্দকার রেজাউর ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেছেন। মারজুকের অভিযোগে বলা হয়েছে, রেজাউর ১০ জুন নগরীর গড়িয়ারপার এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিল করেছেন ও সড়কে হাতবোমা নিক্ষেপ করেছেন।

মামলার ১৯৮ নম্বর আসামি আবুল ফারুকের মৃত্যু হয়েছে ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ। তার বিরুদ্ধেও ১০ জুনের মিছিলের অভিযোগ ওঠে। ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর মারা যান ২২৫ নম্বর আসামি হাফিজুর রশিদ এবং একই বছরের ২৬ জুলাই মারা যান ১৯৫ নম্বর আসামি আলী হাওলাদার। তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে ওই মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের সম্পর্কে। বরিশাল সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজীব হোসেন খান বলেন, ‘মারজুক নামের যে ব্যক্তি এই মামলাটি করেছেন, তাকে বরিশালের সবাই মামলা ব্যবসায়ী বলে চেনেন। এর আগেও তিনি একটি মামলা করেছিলেন। এই মামলা যে ভুয়া সেটার বড় প্রমাণ হল আসামি চারজন মৃত। তারা কি কবর থেকে উঠে এসে বাদীর ওপর ককটেল নিক্ষেপ করেছেন? যারা মারা গেছেন, তাদের জানাজায় আমি উপস্থিত ছিলাম।’ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশে অনাগ্রহী এক নেতা বলেছেন, ‘এই চারজন বহু আগে মারা গেছেন। তারা বরিশাল সিটিতে বেশ পরিচিত ছিলেন। এই মামলা যিনি করেছেন, তিনি অশুভ উদ্দেশ্যে অনেকের থেকে চাঁদা তুলেছেন।’ এসব বিষয়ে জানতে মারজুক আব্দুল্লাহকে কল করা হয়। প্রশ্ন শুনার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার কল করার পরও তার কাছ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। পরে শুক্রবার বিকালে কলব্যাক করে মামলার সাক্ষীদের ওপর দায় চাপালেন মারজুক। তার ভাষ্য, ‘রেজা নামে যে ব্যক্তির নাম দেয়া হয়েছে মামলার আসামি হিসেবে, সেটি সাক্ষীদের ভুলের কারণে এসেছে। অন্য তিনজনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। সাক্ষীদের ভুল ইনফরমেশনের কারণে এমনটি হয়েছে।’ বরিশালের গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন মন্তব্য করেছেন, মামলায় মৃতদের আসামি করা হলে তা আদালত অবমাননা ও আদালতকে বিভ্রান্ত করার ঘটনা।

এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের স্বপ্রণোদিত হয়ে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। বরিশাল আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেছেন, তদন্তে মামলার অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে বাদী ও সাক্ষীদের বিরুদ্ধে আদালত ব্যবস্থা নিতে পারে। মারজুক আব্দুল্লাহ ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল জেলার সাবেক সমন্বয়ক। বর্তমানে তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচনের ঘোষণাও তিনি দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ১৪ মে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমুসহ ২৪৭ জনের নামে জুলাই মাসে মামলা করেছিলেন মারজুক। সেসময় তার বিরুদ্ধে আসামি তালিকায় নাম রাখা ও বাদ দেওয়া নিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। বৈষম্যবিরোধী নেতারাই সংবাদ সম্মেলন করে তখন মারজুকের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার পদ স্থগিত করে সংগঠনটির জেলা কমিটি।

সূত্র: আমাদের বরিশাল

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মামলা: ২৪৮ জনের আসামির তালিকায় বিএনপি নেত্রী সেলিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ এম


বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মামলা: ২৪৮ জনের আসামির তালিকায় বিএনপি নেত্রী সেলিনা

বরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতা মোঃ মারজুক আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে আদালতে এই নালিশী দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মামলার প্রধান আসামী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেবুন্নেছা আফরোজকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাবেক এমপি জাহিদ ফারুক শামীমের অনুসারীসহ বহু নেতাকর্মীকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় একাধিক তারিখে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে মামলাটির মধ্যে।

বিএনপি নেত্রী সেলিনা আক্তারকে আসামী করা হয়েছে, তিনি মামলা নম্বর ২৪৮ এর ১৭৪ নম্বরে রয়েছেন। তিনি বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী হিসেবে এবং তিনি বর্তমানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৪, ২৫ ও ২৬ নং ওয়ার্ডের চারবারের সাবেক কাউন্সিলর। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে তার নাম জড়ানোয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রাজপথের এই ত্যাগী বিএনপি নেত্রীকে মামলায় জড়ানোয় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

মামলার পূর্ণাঙ্গ আসামী তালিকা (১ থেকে ২৪৮ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যা): ১. সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, ২. জেবুন্নেছা আফরোজ, ৩. সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত, ৪. রাজিব হোসেন, ৫. লিয়ন মাঝি, ৬. মোঃ নিলয় আহম্মেদ রাব্বি, ৭. মোঃ জয়নাল আবদীন, ৮. শাহরিয়ার আলম সাদ, ৯. রাশেদুল ইসলাম আকাশ, ১০. মশিউর রহমান মশি, ১১. সাকিব হাওলাদার, ১২. এ কে এম জাহাঙ্গীর, ১৩. কাজী মশিউর রহমান মুরাদ, ১৪. মুন্না, ১৫. রাহিম, ১৬. মোঃ ওসমান হাওলাদার, ১৭. সুমিত, ১৮. সমর দাস, ১৯. মাইনুল ইসলাম, ২০. মোঃ মজিবুর রহমান বাচ্চু, ২১. আমিনুল ইসলাম ফয়েজ, ২২. সীমান্ত, ২৩. ডাঃ রাহাত আনোয়ার, ২৪. মোঃ ইমরান চৌধুরী, ২৫. উজ্জ্বল হাওলাদার, ২৬. আশিকুর রহমান ফাহাদ, ২৭. ফারহান, ২৮. হামিদুর রহমান অস্ত্র, ২৯. মোঃ প্রাণ আলম, ৩০. অমর দাস, ৩১. হাবিবুর রহমান শাকিল, ৩২. আখতার হোসেন বাবু, ৩৩. মোঃ দুলাল আকন, ৩৪. ফারদিন, ৩৫. আরিফুর রহমান শাকিল, ৩৬. অয়ন রহমান, ৩৭. নাহিদ, ৩৮. মোঃ তারেক শাহ, ৩৯. লিয়ন, ৪০. তুহিন, ৪১. ইমরান মোল্লা, ৪২. পাভেল, ৪৩. মাহিন রহমান, ৪৪. রিপন সরদার, ৪৫. হাবিব মোল্লা, ৪৬. মনিরুল ইসলাম ছবি, ৪৭. গোলাম মোস্তফা, ৪৮. মো. রুমান বাবু, ৪৯. শফিকুল ইসলাম বাবু, ৫০. জিয়াউল হক বাপ্পি, ৫১. কাজী আফরোজা, ৫২. শরীফ খান, ৫৩. মোঃ মিজানুর রহমান, ৫৪. ইমরান মোল্লা, ৫৫. খায়রুল মামুন শাহিন হাওলাদার, ৫৬. এস এম জাকিরুল ইসলাম, ৫৭. ফারহানা হক ইভা, ৫৮. আব্দুল খালেক মিয়া, ৫৯. মোস্তাফিজুর রহমান অয়ন, ৬০. শেখ মোঃ কামাল হোসেন, ৬১. ইব্রাহিম খান, ৬২. বিপ্লব চৌহান মনা, ৬৩. ইউসুফ ওরফে ট্রাক ইউসুফ, ৬৪. মাজারুল ইসলাম সোহান, ৬৫. মহিউদ্দিন সিকদার, ৬৬. এনামুল হক লোটাস, ৬৭. মোঃ শাহাবুদ্দিন সিকদার, ৬৮. সজিব সিকদার অন্তর, ৬৯. আলফাজ হাসান সিয়াম, ৭০. শেখর দাস, ৭১. মো. নাজমুল হুদা, ৭২. অন্তর, ৭৩. উজ্জল, ৭৪. শফিউল আজম, ৭৫. মোঃ রাকিব, ৭৬. মেহেরুন্নেছা সুমি, ৭৭. সেলিনা বেগম, ৭৮. কামাল শরীফ, ৭৯. কালাম মিরা, ৮০. আসম ফিরোজ আলম খান, ৮১. রাজ্জাক চৌকিদার, ৮২. মোঃ তারেক শাহ, ৮৩. রফিক হাওলাদার, ৮৪. আবুজাফর শিকদার, ৮৫. হোসনেয়ারা সুমি, ৮৬. মোঃ জহিরুল ইসলাম, ৮৭. মাইনুল ইসলাম, ৮৮. মোঃ আল আমিন, ৮৯. মাহামুদুল হাসান আসলাম তালুকদার, ৯০. মিসেল আল সাদিক, ৯১. সাইদুর রহমান রিন্টু, ৯২. আশরাফুল কবির ইমন, ৯৩. এইচ এম রশিদ মাহমুদ, ৯৪. মোঃ আলাউদ্দিন আলো, ৯৫. লিটন কুন্ড, ৯৬. সবুজ আকন, ৯৭. মোঃ ফেরদৌস কাজী, ৯৮. মোঃ শামীম কাজী, ৯৯. বাবুল হোসেন, ১০০. আলো গাজী, ১০১. এনায়েত হোসেন মঞ্জু, ১০২. কামাল মাঝি, ১০৩. মোঃ নুরুল ইসলাম হাওলাদার, ১০৪. নাদিম হাওলাদার, ১০৫. রুবেল, ১০৬. মামুন মিয়া, ১০৭. বিঘ্ন, ১০৮. মোঃ শাকিল ফকির, ১০৯. মোঃ ভুলুকাজী, ১১০. মোঃ মামুন অর রশিদ সরদার, ১১১. মুন্না হাওলাদার, ১১২. বাহাদুর খান, ১১৩. মোঃ শাকিল ফকির, ১১৪. আল-আমিন হোসেন, ১১৫. কামাল হোসেন লিটন মোল্লা, ১১৬. আজাদ হোসেন কামাল মোল্লা, ১১৭. মোঃ রাহাত হোসেন, ১১৮. মোঃ এনায়েত হোসেন হাওলাদার, ১১৯. মোঃ ফারুক হাওলাদার, ১২০. পপি তালুকদার, ১২১. মোঃ নাছির হাওলাদার, ১২২. মোঃ আল মামুন, ১২৩. তাহারাত, ১২৪. আনিচ হাওলাদার, ১২৫. মইন খান ওরফে মইনউদ্দিন, ১২৬. এমদাদুল হক সুরুজ মোল্লা, ১২৭. আমজাদ হোসেন আজাদ মিয়া, ১২৮. সম্রাট, ১২৯. সোহাগ মোল্লা, ১৩০. সজল কুমার চক্রবর্তী, ১৩১. মোঃ মধুমোল্লা, ১৩২. চন্দ্র নাথ মুখার্জি, ১৩৩. আবুল কালাম, ১৩৪. মোঃ নুরুজ্জামান, ১৩৫. মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম সাগর, ১৩৬. নজরুল ইসলাম আকন, ১৩৭. মোঃ সাব্বির হোসেন শাওন, ১৩৮. মোঃ রফিকুল ইসলাম রানা, ১৩৯. মোঃ আক্কাস আলী ভূঁইয়া, ১৪০. মোঃ জাহিদ, ১৪১. মোহাম্মদ সেলিম গাজী, ১৪২. রায়হান হোসেন রিফাত, ১৪৩. নাসির মৃধা, ১৪৪. মোহাম্মদ স্বপন মোল্লা, ১৪৫. মোঃ জাকির হোসেন, ১৪৬. মোঃ আউয়াল মোল্লা, ১৪৭. মুন্না হাওলাদার, ১৪৮. সৈয়দ শামসুদ্দোহা আবিদ, ১৪৯. ইউনুস মিঞা, ১৫০. খান মোহাম্মদ জামাল হোসেন, ১৫১. রফিকুল ইসলাম খোকন, ১৫২. জয়নাল আবেদিন, ১৫৩. চাদনী বেগম, ১৫৪. চিন্ময় মুখার্জি, ১৫৫. সামজিদুল কবির বাবু, ১৫৬. শাহিন সিকদার, ১৫৭. আলী হায়দার, ১৫৮. জিয়াউল হক মাসুম, ১৫৯. জিয়াউর রহমান বিপ্লব, ১৬০. সাজিদ আহমেদ মান্না, ১৬১. শাহান সিকদার, ১৬২. সুলতান মাহমুদ, ১৬৩. হুমায়ুন কবির, ১৬৪. মোয় মনিরুজ্জামান তালুকদার, ১৬৫. রাশিদা পারভিন, ১৬৬. ডালিয়া পারভীন, ১৬৭. আলম তাজ বেগম, ১৬৮. কোহিনুর বেগম, ১৬৯. আয়েশা তৌহিদ লুনা, ১৭০. মোঃ নিজাম উদ্দিন, ১৭১. সেলিনা আক্তার, ১৭২. মজিদা বোরহান, ১৭৩. শীলা আক্তার, ১৭৪. মোঃ সাদ্দাম শাহ, ১৭৫. সাজ্জদুর রহমান রিন্টু, ১৭৬. জহিরুল ইসলাম মিলন, ১৭৭. মো: কামাল হোসেন মোল্লা, ১৭৮. আফজালুল করিম, ১৭৯. জসিম হাওলাদার, ১৮০. গোলাম সরোয়ার রাজিব, ১৮১. মোঃ বশির চেয়ারম্যান, ১৮২. মাওলানা সাইদুর রহমান কাশেমী, ১৮৩. আনিচ উদ্দিন শহিদ, ১৮৪. রফিকুল ইসলাম খোকন, ১৮৫. কামরুল মৃধা, ১৮৬. আফতাব হোসেন, ১৮৭. রতন কুমার চাকলাদার, ১৮৮. আরিফুর রহমান শাকিল, ১৮৯. আবুল বাসার সুমন, ১৯০. মো. মজিবর রহমান মৃধা, ১৯১. হাজী জাহাঙ্গীর হোসাইন, ১৯২. মো. মজিবুর রহমান পনু, ১৯৩. মুরাদ হোসেন রিন্টু, ১৯৪. মো. চান মিয়া, ১৯৫. মোহাম্মদ আলী হাওলাদার, ১৯৬. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ১৯৭. লিটন ঘোষ, ১৯৮. আবুল ফারুক হুমায়ুন, ১৯৯. মো. আসলাম, ২০০. মো. জনি হোসেন, ২০১. ফাহিম হাসনাইন খান অর্ক, ২০২. মো. সাইফুল আহমেদ, ২০৩. শেখর চন্দ্র দাস, ২০৪. আতিকুর রহমান মুন্না, ২০৫. একেএম মোস্তফা সেলিম, ২০৬. শেখ মিজানুর রহমান দিপু, ২০৭. মো. হুমায়ুন কবির, ২০৮. কাউন্সিলর তৌহিদুর রহমান সাবিদ, ২০৯. মো. শাকিল হোসেন পলাশ, ২১০. শেখ রিয়াজ উদ্দিন কবির, ২১১. সাইদুর রহমান সোহেল, ২১২. খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা, ২১৩. সঞ্জীব কুমার রায় পিংকু, ২১৪. সৈয়দ মাসুদ করিম, ২১৫. সাঈদ মাহমুদ, ২১৬. মো. কামরুজ্জামান সানা মিয়া, ২১৭. সৈয়দ বশির আহমেদ, ২১৮. মনির উদ্দীন আহমেদ রুবেল, ২১৯. মো. মজিবুর রহমান বাচ্চু, ২২০. মোস্তফা কামাল, ২২১. রাকিবুল হক রনি, ২২২. মো. রুস্তম আলী হাওলাদার, ২২৩. রাসেল হাওলাদার, ২২৪. মো. মঞ্জুর মোর্শেদ মঞ্জু, ২২৫. এইচ.এম. হাফিজুর রশিদ শিবলী, ২২৬. মো. মনিরুল ইসলাম, ২২৭. মোঃ আলাউদ্দিন সিফদার, ২২৮. মো. সিদ্দিকুর রহমান মাসুম, ২২৯. মীর শহিদুল ইসলাম রনি, ২৩১. মো. হুমায়ুন হাওলাদার, ২৩২. মো. সোলায়মান হাওলাদার বাঙ্গী, ২৩৩. মো. আব্দুল আলীম বাবুল, ২৩৪. মো. শফিকুল আলম বাবু সরদার, ২৩৫. রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, ২৩৬. রাসেল, ২৩৭. জগদীশ বাড়ৈ, ২৩৮. মোঃ নরুল ইসলাম, ২৩৯. সিরাজুল ইসলাম রাকিব, ২৪০. মোঃ ফাহিম, ২৪১. মোঃ জুম্মান সিকদার, ২৪২. মনির হাওলাদার, ২৪৩. জুবায়ের হাসান, ২৪৪. জায়েদ হাসান সানী, ২৪৫. মোঃ রাইসুল ইসলাম ফাহিম, ২৪৬. সুর্বনা, ২৪৭. মোঃ মোকলেছুর রহমান, ২৪৮. মোঃ মেহেদী হাসান বাপন। সন্ত্রাস বিরোধী ও অস্ত্র আইনে মামলার আবেদন অভিযোগে গড়িয়ারপাড় ও ভাঙ্গারপোল এলাকায় মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে। দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক উপাদান আইনের বিভিন্ন ধারায় শাস্তির আবেদন জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুলাদীতে নদীতে গোসলে নেমে বড় বোন নিখোঁজ, ছোট বোন উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ এম


মুলাদীতে নদীতে গোসলে নেমে বড় বোন নিখোঁজ, ছোট বোন উদ্ধার

বরিশালের মুলাদীতে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে দুই বোন জামিলা (১৪) ও জান্নাত (১২) জয়ন্তী নদীতে গোসল করতে নেমেছিল। জান্নাতকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও তারা গোসল করতে গিয়ে স্রোতের টানে জামিলা তলিয়ে যায়। শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১টার দিকে উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর অলিল মেম্বার লঞ্চঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়। নিখোঁজ জামিলা মুন্সীগঞ্জের শাহাবুদ্দিন দেওয়ানের মেয়ে। স্থানীয় বাসিন্দা রাসেদ খান জানান, শুক্রবার দুপুরে জামিলা ও জান্নাত নদীতে গোসল করতে যায়। তারা সাঁতার না জানায় নদীর পাড়ের অল্প পানিতে নেমেছিল। হঠাৎ পা পিছলে জামিলা নদীতে ডুবে যায়। জান্নাতকে নদী থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও জামিলা নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং মুলাদী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। মুলাদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক মো. সজিবুর রহমান জানান, দুপুরের পর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এই উদ্ধার অভিযান চলছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%