শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪২ এম
পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা একাধিক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। রাওয়ালপিন্ডিতে দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মোট ৮৫৯ রান হয়েছে। হ্যারি ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরি, জো রুটের মাইলফলক এবং স্যাম কারানের হতাশাজনক বোলিং—এসবের মধ্যে দিয়ে শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটের জয় অর্জন করেছে। ম্যাচটিতে একাধিক ব্যক্তিগত ও দলীয় রেকর্ড গড়া হয়েছে।
ডাবল সেঞ্চুরির দ্রুততম রেকর্ড ব্রুকের
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৪২৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ১১৬ বলে ২০২ রানের ইনিংস খেলে। ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ওয়ানডেতে দ্রুততম দ্বিশতকের রেকর্ড গড়েন তিনি। এর আগে ১১৭ বলে এই কীর্তি ছিল শুভমান গিলের। ব্রুক ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।
রুটের ৮ হাজার রান
জো রুট ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে। ১৯৭তম ম্যাচে এসে তিনি এই কীর্তি অর্জন করেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৬ বলে ৬৯ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম ৪০০
পাকিস্তানের মাটিতে ইংল্যান্ডের ৪২৯ রান ওয়ানডেতে প্রথম ৪০০ ছাড়ানো দলীয় সংগ্রহ। এর আগে দেশের কোনো ভেন্যুতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ছিল ৩৭৫ রান, যা ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল।
রান তাড়ায় শ্রীলঙ্কার নতুন ইতিহাস
শ্রীলঙ্কা ৪৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়েছে। ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের তালিকায় তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
এক ম্যাচে ৮৫৯ রান
ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৮৫৯ রান হয়েছে। এটি ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে দুই দলের সর্বোচ্চ সম্মিলিত রানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে ৮৭৩ রান হয়েছিল।
কারানের বোলিংয়ে লজ্জার রেকর্ড
ইংল্যান্ডের হারের পেছনে বোলারদের ব্যর্থতা একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে। বিশেষ করে স্যাম কারান ৯ ওভারে ১০৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। এটি ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের কোনো বোলারের এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান দেয়ার রেকর্ড। এর আগে ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯.৫ ওভারে ৯৮ রান দিয়েছিলেন কারান। এবার তিনি নিজের সেই রেকর্ড ভেঙেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই বন্ধের কারণ হচ্ছে বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন এবং লাইনের ব্যাকবোন অংশে কাজ করা।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাইকিং করে এ তথ্য জানায়।
জোনাল অফিসের ঘোষণায় বলা হয়েছে, বারেশ্বর উপকেন্দ্রের বিপি১-৮ এইচ ফিডারের ব্যাকবোন লাইনে কাজ করা হবে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
এই কারণে ব্রাহ্মণপাড়া বাজার এবং আশপাশের এলাকা, সাহেবাবাদ, দীর্ঘভূমি, উপজেলা সদর, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কাজ শেষ হতে কিছুটা কম বেশি সময় লাগতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অনেক শহরের মতো, ঢাকাও দীর্ঘকাল ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। এই পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নগরায়নের বৃদ্ধি এবং যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার ফলে বাতাসের মানের বিষয়টি নিয়মিত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
চলতি মাসের অধিকাংশ সময় ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। তবে আজ দূষণের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ১২তম স্থানে রয়েছে। এ সময় শহরের বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৪৪, যা শুধুমাত্র সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৭৩। এই হিসাব অনুযায়ী, গতকালের তুলনায় আজ বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কম বলা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান ওঠানামা করতে পারে।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, যেখানে বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৮৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। ভারতের দিল্লিতেও বায়ুদূষণের পরিস্থিতি ভয়াবহ, শহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৪৩, ফলে সেখানে বাতাসও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
এদিকে, বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর এমন আটটি শহরের মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিশরের কায়রো, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কাতারের দোহার, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভারতের মুম্বাই ও কলকাতা এবং সেনেগালের ডাকার।
ঢাকার মতো বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এমন আরও ১২টি শহর রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কঙ্গোর কিনশাসা, ভিয়েতনামের হেনোয়, বাহারাইনের মানামা, আরব আমিরাতের দুবাই, উজবেকিস্তানের তাশকেন্ত, চীনের বেইজিং, সৌদি আরবের রিয়াদ, সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর, কুয়েতের কুয়েত সিটি, পাকিস্তানের করাচি, যুক্তরাষ্ট্রের হিউসটন এবং নেপালের কাঠমান্ডু অন্তর্ভুক্ত।
একটি শহরের বাতাসের মান কতটা নির্মল বা দূষিত, তা জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার।
প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হলে শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠানে সাধারণত ভাজাপোড়া, চর্বিযুক্ত খাবার ও মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ থাকে। তবে একবারে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশি খাবার হজম করার জন্য শরীরের পরিপাকতন্ত্রে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে হৃদযন্ত্রের কাজের চাপও বৃদ্ধি পেতে পারে। সুস্থ মানুষের শরীর সাধারণত এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম হলেও, যাদের হৃদযন্ত্রের ধমনিতে সংকোচন রয়েছে, তাদের জন্য ঝুঁকি বেশি হতে পারে।
তবে, একবার অতিরিক্ত খাওয়াই যে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হবে, এমন নয়। সাধারণত হৃদযন্ত্রের পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে হার্ট অ্যাটাক ঘটে। করোনারি ধমনিতে রোগের কারণে রক্ত জমাট বাঁধার ফলে এ ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে পারে। ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভারী খাবার অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করতে পারে।
অতিরিক্ত লবণ ও চর্বির প্রভাব
নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট, লবণ ও পরিশোধিত শর্করাযুক্ত খাবার গ্রহণ হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি জমার প্রবণতা বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ বাড়াতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বদহজমের লক্ষণ ভেবে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না। ভারী খাবারের পর বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব কিংবা পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণও বদহজমের মতো মনে হতে পারে। তাই বুক বা পেটের ওপরের অংশে অস্বস্তি হলে সেটিকে শুধু গ্যাসের সমস্যা ভেবে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক।
হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে পছন্দের খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং পরিমাণ ও খাওয়ার অভ্যাসে সংযম রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়া, ধীরে খাওয়া এবং অতিরিক্ত চর্বি ও লবণযুক্ত খাবার সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন চালিয়ে যেতে হবে। লবণ, পানি ও খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।
সূত্র: সামা টিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস রিয়াল মাদ্রিদের প্রচার কৌশলকে নাৎসি পার্টির পদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। তার মন্তব্যের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য স্পেনের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (সিএসডি) স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সিএসডি জানিয়েছে, তেবাসের মন্তব্য ক্রীড়াঙ্গনের মর্যাদা ও শালীনতা রক্ষার বিধি লঙ্ঘন করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য ট্রাইব্যুনালকে অনুরোধ করা হয়েছে। স্পেনের ক্রীড়া আইন অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে সতর্কবার্তা, জরিমানা অথবা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
গত শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে তেবাসের মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়। এর প্রতিবাদে রিয়াল মাদ্রিদ একই দিন একটি কড়া বিবৃতি দিয়ে লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করে।
তবে তেবাস দাবি করেছেন, তিনি রিয়ালের আদর্শ কিংবা সমর্থকদের সঙ্গে নাৎসি পার্টির তুলনা করেননি; বরং ক্লাবটির প্রচারণার কৌশল নিয়ে কথা বলেছেন।
সিএসডির পদক্ষেপের পর সামাজিক মাধ্যমে তেবাস মন্তব্য করেছেন, প্রতিযোগিতার সুনাম রক্ষা করা তার দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেছেন, যারা প্রতিনিয়ত এর সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করে, তাদের জবাব দেয়া তার সেই দায়িত্বের একটি অংশ।
রিয়ালের সঙ্গে তেবাসের বিরোধ নতুন নয়। রেফারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। তেবাস ২০১৩ সাল থেকে লা লিগার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ