শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৪ এম
উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠানে সাধারণত ভাজাপোড়া, চর্বিযুক্ত খাবার ও মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ থাকে। তবে একবারে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশি খাবার হজম করার জন্য শরীরের পরিপাকতন্ত্রে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে হৃদযন্ত্রের কাজের চাপও বৃদ্ধি পেতে পারে। সুস্থ মানুষের শরীর সাধারণত এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম হলেও, যাদের হৃদযন্ত্রের ধমনিতে সংকোচন রয়েছে, তাদের জন্য ঝুঁকি বেশি হতে পারে।
তবে, একবার অতিরিক্ত খাওয়াই যে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হবে, এমন নয়। সাধারণত হৃদযন্ত্রের পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে হার্ট অ্যাটাক ঘটে। করোনারি ধমনিতে রোগের কারণে রক্ত জমাট বাঁধার ফলে এ ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে পারে। ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভারী খাবার অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করতে পারে।
অতিরিক্ত লবণ ও চর্বির প্রভাব
নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট, লবণ ও পরিশোধিত শর্করাযুক্ত খাবার গ্রহণ হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি জমার প্রবণতা বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ বাড়াতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বদহজমের লক্ষণ ভেবে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না। ভারী খাবারের পর বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব কিংবা পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণও বদহজমের মতো মনে হতে পারে। তাই বুক বা পেটের ওপরের অংশে অস্বস্তি হলে সেটিকে শুধু গ্যাসের সমস্যা ভেবে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক।
হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে পছন্দের খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং পরিমাণ ও খাওয়ার অভ্যাসে সংযম রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়া, ধীরে খাওয়া এবং অতিরিক্ত চর্বি ও লবণযুক্ত খাবার সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন চালিয়ে যেতে হবে। লবণ, পানি ও খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।
সূত্র: সামা টিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস রিয়াল মাদ্রিদের প্রচার কৌশলকে নাৎসি পার্টির পদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। তার মন্তব্যের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য স্পেনের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (সিএসডি) স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সিএসডি জানিয়েছে, তেবাসের মন্তব্য ক্রীড়াঙ্গনের মর্যাদা ও শালীনতা রক্ষার বিধি লঙ্ঘন করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য ট্রাইব্যুনালকে অনুরোধ করা হয়েছে। স্পেনের ক্রীড়া আইন অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে সতর্কবার্তা, জরিমানা অথবা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
গত শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে তেবাসের মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়। এর প্রতিবাদে রিয়াল মাদ্রিদ একই দিন একটি কড়া বিবৃতি দিয়ে লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করে।
তবে তেবাস দাবি করেছেন, তিনি রিয়ালের আদর্শ কিংবা সমর্থকদের সঙ্গে নাৎসি পার্টির তুলনা করেননি; বরং ক্লাবটির প্রচারণার কৌশল নিয়ে কথা বলেছেন।
সিএসডির পদক্ষেপের পর সামাজিক মাধ্যমে তেবাস মন্তব্য করেছেন, প্রতিযোগিতার সুনাম রক্ষা করা তার দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেছেন, যারা প্রতিনিয়ত এর সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করে, তাদের জবাব দেয়া তার সেই দায়িত্বের একটি অংশ।
রিয়ালের সঙ্গে তেবাসের বিরোধ নতুন নয়। রেফারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। তেবাস ২০১৩ সাল থেকে লা লিগার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাওয়ালপিন্ডিতে ইংল্যান্ড একটি বিশাল সংগ্রহ গড়ে ৪২৯ রানের পাহাড় তৈরি করেছিল। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরির উপর ভিত্তি করে ইংলিশরা এই রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। তিনি দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা সেই রান তাড়া করে জয়লাভ করেছে। এই কারণেই ইংলিশ অধিনায়ক ব্রুক এই ইনিংসটিকে কোনো মূল্য দিতে রাজি নন, ম্যাচ শেষে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্রুক বলেছিলেন, ‘ইনিংসটা ভালো ছিল। কিন্তু দিনশেষে তো হেরে যাওয়া দলেই থাকতে হলো! সে কারণে আমার চোখে এই ইনিংসের কোনো মূল্যই নেই।’
ব্রুক এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। তিনি ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম ইংরেজ ক্রিকেটার। এছাড়া, ওয়ানডের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডও তার দখলে। টেস্টে ৩০০, ওয়ানডেতে ২০০ এবং টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা ইতিহাসের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
তবে, ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে শ্রীলঙ্কা পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম হয়। পাভন রত্নায়েকে সেঞ্চুরি করেন। আবিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা ও জানিথ লিয়ানাগে ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরি করেন। এর ফলে ইংল্যান্ড একটি অবিশ্বাস্য পরাজয়ের সম্মুখীন হয়।
ম্যাচ শেষে ব্রুক মন্তব্য করেন, ‘অবিশ্বাস্য একটি ক্রিকেট ম্যাচ। দুই দলই অসাধারণ খেলেছে। শ্রীলঙ্কা আমাদের পুরোপুরি হারিয়ে দিয়েছে। ৪০০ রান তুলে ফেলতে তারা অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। ইনিংসটা ভালো ছিল। কিন্তু দিনশেষে তো হেরে যাওয়া দলেই থাকতে হলো! সে কারণে আমার চোখে এই ইনিংসের কোনো মূল্যই নেই। আমাদের আবার ড্রয়িং বোর্ডে ফিরতে হবে। ফাইনালে জায়গা পাকা করার সুযোগ আমাদের সামনে আছে। পরের কয়েকটি ম্যাচেই সেটা করতে হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে নিহত সেনাদের মরদেহ বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। দেশটির সংবাদ সংস্থা বেলটা জানায়, বেলারুশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গোমেল অঞ্চলের নোভায়া গুতা চেকপয়েন্টে দুই দেশের মধ্যে মরদেহের বিনিময় কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই সময় রাশিয়া ইউক্রেনের কাছে ২৫২টি মরদেহ হস্তান্তর করে। এর বিপরীতে, ইউক্রেন রাশিয়ার কাছে ফেরত দেয় ২৫টি মরদেহ।
বেলটা আরও জানায়, বেলারুশের ভূখণ্ডে এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি মানবিক সহায়তা এবং মরদেহ বিনিময় সংক্রান্ত অভিযান সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনাস্থলের ভিডিওতে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির পর্যবেক্ষকদের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তদারকি করতে দেখা যায়। যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের ক্ষেত্রে সাধারণত সমানসংখ্যক বন্দি হস্তান্তর করা হয়, তবে মরদেহ ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে সংখ্যার এ ধরনের পার্থক্য স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয়।
তবে, রাশিয়া বা ইউক্রেন, কোন দেশই তাদের সামরিক বাহিনীর হতাহতের পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না। ইউক্রেনের নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি নিহত সেনাদের যে সংখ্যা উল্লেখ করেছেন, কিয়েভপন্থি বিশ্লেষকদের অনেকের কাছে তা অবাস্তবভাবে কম বলে মনে হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংক্রান্ত একটি মামলায় মো. নাঈম খান (২৮) নামের এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে কোটচাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।
কোটচাঁদপুর মডেল থানার ওসি মেহেদী হাসান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া নাঈম কোটচাঁদপুর পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার গাবতলা পাড়ার শওকত আলীর পুত্র।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, কোটচাঁদপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তদন্তের প্রেক্ষিতে নাঈম খানকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ