মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৬ পি.এম
বিশ্বের ১০৯টি দেশে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গত ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২১ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা বিদেশে গেছেন। একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা সৌদি আরবে গেছেন। সেখানে ২ লাখ ১৮ হাজার ৫০৮ জন বাংলাদেশি কর্মী গেছেন। এছাড়া সিঙ্গাপুরে ৫৩ হাজার ২৯৭ জন, কাতারে ৪২ হাজার ৫১৬ জন, মালদ্বীপে ২৪ হাজার ৭০ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০ হাজার ৬৬১ জন এবং কুয়েতে ২০ হাজার ২৫৪ জন কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গেছেন।
এছাড়া, জর্ডানে ১০ হাজার ১০ জন, ইতালিতে ৭ হাজার ৭৭ জন, পর্তুগালে ৫ হাজার ৩৮৬ জন এবং ইরাকে ২ হাজার ৮৭৮ জন বাংলাদেশি কর্মী গেছেন। মরিশাসে ২ হাজার ৭১৪ জন, সার্বিয়ায় ২ হাজার ৫৫০ জন, ফিজিতে ২ হাজার ৪৪৩ জন, বেলারুশে ২ হাজার ২২২ জন এবং রাশিয়ায় ২ হাজার ২০৬ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা গেছেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক জানিয়েছেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যেসব বাংলাদেশি কর্মী অবৈধ হয়ে পড়েছিলেন, তাদের বৈধতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কর্মী গেছেন।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান শ্রমবাজারে যুদ্ধের কারণে সংকট সৃষ্টি হওয়ায় সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান শুরু করেছে। বর্তমানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশে সফর করে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করছেন।
রেমিট্যান্সে জোয়ার
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৫৭৩ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
ফেব্রুয়ারিতে ৩০১ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার, এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার, মে মাসে ৩৪৪ কোটি ২৫ লাখ ৮০ হাজার, জুনে ২৮১ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার, জুলাইয়ে ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার, আগস্টে ২৯৬ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার এবং সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে এসেছে ৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।
নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া, কলিং ভিসায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতাও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রমবাজার-সংক্রান্ত পাঁচ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। এরপর নতুন চুক্তির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় আরও বেশি কর্মী পাঠানোর আশা করছে বাংলাদেশ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে ১০ হাজার কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান। ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার বাংলাদেশি নাগরিককে পরিবারসহ ইতালিতে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
গত মে মাসে প্রবাসী ভবনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডিং, এসি টেকনিশিয়ান ও প্লাম্বিং— এই চারটি খাতে দক্ষ কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার। দেশটির শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে ওই বৈঠকে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। এই আগ্রহের ভিত্তিতে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। তারা সে সেক্টরগুলোতে প্রশিক্ষণ দিয়ে উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ করবে। বাংলাদেশ কাতারের কাছে টিটিসির তালিকা দিয়েছে। এখন কাতার তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত ভিত্তিতে কর্মী নেবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এছাড়া দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি ৬ হাজার দক্ষ চালক নিয়োগের কথা জানিয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিদল। এ সময় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বাংলাদেশি কর্মীদের দুবাই যাওয়ার খরচ কমানোর কথা বলেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমরা একটি জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। এ পরিস্থিতিতেও প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। একইসঙ্গে নতুন করে কর্মী পাঠানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বিদেশে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়বে।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কার্ড দ্রুত তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি করতে মন্ত্রণালয় ও সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন জানিয়েছেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবের নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য ঢাকা জেলা পুলিশ সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এই বছর মাঠে বিশেষ ‘কুইক রেসপন্স টিম’ সক্রিয় থাকবে। প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং মোটরসাইকেলের বিশৃঙ্খলা রোধে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ধামরাই থানা প্রাঙ্গণে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভার পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব তথ্য জানান।
শামীমা পারভীন বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমাদের কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং এবং হেলমেট ও কাগজপত্রবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোরভাবে কাজ করছে।
পূজায় যানজট নিরসনে ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত ফোর্সের পাশাপাশি তিন প্লাটুন এপিবিএন (আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি জানান, উৎসব নির্বিঘ্ন করতে নিয়মিত পেট্রোলিং ও চেকপোস্ট জোরদার করা হয়েছে।
ধামরাইয়ে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তমিজ উদ্দিন বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে সনাতন ধর্মের মানুষ নিজেদের সবচেয়ে নিরাপদ মনে করেন। ‘হিন্দু মানেই নৌকা’—এই ধারণা এখন আর খাটে না।
ধামরাইয়ে পূজার পরিধি বাড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগে এখানে ১২০ থেকে ১৩০টি মন্ডপে পূজা হতো, আর এবার তা বেড়ে ২৩৪টিতে দাঁড়িয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে, যার যার এলাকায় সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়ে পূজাকে নির্বিঘ্ন করতে হবে। তিনি বলেন, বিশেষ করে নারী দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকব।
এ সময় ২৩৫টি মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ, রাজনৈতিক নেতা, ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা সহজ ও দ্রুততর করার লক্ষ্যে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চাকসুর সপ্তম ক্যাবিনেটের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সফিকুল ইসলাম, চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিবসহ চাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিরা।
চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি অনুষ্ঠানে বলেন, "শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসাসেবার কথা বিবেচনা করেই আধুনিক এই অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন করা হয়েছে। এটি শুধু একটি অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আবাসন ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে দীর্ঘ ছয় দশকের পুঞ্জীভূত সমস্যা রয়েছে। এসব সংকট একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে চাকসু কাজ করে যাচ্ছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আরও জানান, "উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন পেলে ক্যাম্পাসে পাঁচটি ছাত্র হল, পাঁচটি ছাত্রী হল এবং একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও চিকিৎসাসেবায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।"
এ সময় চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কখনো চাকসুকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখেনি, বরং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করেছে। গত এক বছরে শিক্ষার্থীদের খাবার, আবাসন, যাতায়াত ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করেছে।"
তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক মতভেদ ও মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে মাদক ও ইভটিজিং নিয়ন্ত্রণ, খাবারের মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান উপাচার্য। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সফট স্কিল প্রশিক্ষণ, বিদেশি ভাষা শিক্ষা ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
চাকসুর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করছে চাকসু। যাতায়াতব্যবস্থার উন্নয়ন, খাবারের মান বৃদ্ধি, মাদক ও যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধসহ বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার।
তিনি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট তার সন্ত্রাসীদের সুদূর যুক্তরাষ্ট্রেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য উসকানি দিয়ে যাচ্ছে।" তিনি আরও জানান, "প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনারই।" তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যে, এ ব্যাপারে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, "এরা যে ফ্যাসিস্ট, দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েও তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ অব্যাহত রেখে তা বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিচ্ছে। শেইম...।"
এর আগে, নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে ‘টেররিস্ট’ ও ‘ট্রেইটর’ বলে মন্তব্য করার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে এ ঘটনার সমালোচনা করেন এবং বিশ্বজুড়ে ইউনূসের অবদানের কথা তুলে ধরেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে। এনসিপির তিনজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন যে, পরিবর্তনের বিষয়টি দুয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব পদে আখতার হোসেন থাকবেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসতে পারেন।
বর্তমানে হাসনাত আবদুল্লাহ দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন। নতুন কমিটিতে তাদের দায়িত্বে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদেও পরিবর্তন আসতে পারে।
সারজিস আলমকে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করার জন্য দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব ও আলী আহসান জুনায়েদ থাকতে পারেন।
কমিটিতে পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেন, ‘এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ