মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৭ পি.এম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার।
তিনি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট তার সন্ত্রাসীদের সুদূর যুক্তরাষ্ট্রেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য উসকানি দিয়ে যাচ্ছে।" তিনি আরও জানান, "প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনারই।" তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যে, এ ব্যাপারে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, "এরা যে ফ্যাসিস্ট, দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েও তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ অব্যাহত রেখে তা বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিচ্ছে। শেইম...।"
এর আগে, নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে ‘টেররিস্ট’ ও ‘ট্রেইটর’ বলে মন্তব্য করার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে এ ঘটনার সমালোচনা করেন এবং বিশ্বজুড়ে ইউনূসের অবদানের কথা তুলে ধরেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে। এনসিপির তিনজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন যে, পরিবর্তনের বিষয়টি দুয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব পদে আখতার হোসেন থাকবেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসতে পারেন।
বর্তমানে হাসনাত আবদুল্লাহ দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন। নতুন কমিটিতে তাদের দায়িত্বে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদেও পরিবর্তন আসতে পারে।
সারজিস আলমকে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করার জন্য দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব ও আলী আহসান জুনায়েদ থাকতে পারেন।
কমিটিতে পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেন, ‘এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ নাজনীন সুলতানার একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতবিনিময় সভাটি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান, সজীব কান্তি রুদ্র, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আক্তার সেতু, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সহসভাপতি মো. নাছিরুল আলম, নির্বাহী সদস্য আবুল বশর সিদ্দিকীসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় মিজ নাজনীন সুলতানা মন্তব্য করেন যে, জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।" বান্দরবানকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন নগরী হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, "এখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে। এই বৈচিত্র্যই জেলার অন্যতম শক্তি।"
নবাগত জেলা প্রশাসক আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বান্দরবানকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাংবাদিকেরা জেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসন থেকে দ্রুত যেকোন সংবাদের তথ্য পেতে এবং প্রশাসনের সাথে সাংবাদিকদের যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ।" তাদের লেখনীর মাধ্যমে মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার চিত্র উঠে আসে। জেলার উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি তুলে ধরা এবং জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে তাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের কথা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ইয়ংস্টাউনে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আসা চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করতে গিয়ে ওয়াশিংটন সম্ভবত ‘মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে’ বলে মনে হচ্ছে।
ট্রাম্প এই সময় স্বীকার করেন যে, ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যা করার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ইয়ংস্টাউনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘নেতাদের (ইরানের) লক্ষ্যবস্তু করতে গিয়ে আমরা হয়ত মাত্রা ছাড়িয়ে গেছি। কারণ, এখন আর আমরা জানি না, কার সঙ্গে আলোচনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের প্রেসিডেন্ট হতে কেউ চায় না।’ সম্ভাব্য প্রার্থীরা এই পদ গ্রহণে রাজি নন বলেও তিনি দাবি করেন।
সমাবেশে ট্রাম্প আরও জানান, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এক নম্বর দেশ’ ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া হবে না।
ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযানের ফলে আলোচনা জটিল হয়ে পড়েছে বলে তিনি স্বীকার করলেও ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান দেশটির বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের ১৫৯টি নৌযান সবগুলোই ধ্বংস হয়েছে। এগুলো ‘সমুদ্রের তলদেশে সুন্দরভাবে বিশ্রাম নিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উদ্বেগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওয়াশিংটন এখনো নিশ্চিত নয়।
ভ্যান্স জোর দিয়ে বলেন, সংঘাতের সমাপ্তি ঘটাতে যেকোনো চুক্তির জন্য তেহরানকে তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাছের বেঁচে থাকার জন্য সাধারণত পানি অপরিহার্য। তবে প্রকৃতিতে এমন কিছু মাছ বিদ্যমান, যারা ডাঙায় উঠে চলাফেরা করতে পারে, বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে সক্ষম এবং মাসের পর মাস কাদার নিচে টিকে থাকতে পারে। এই মাছগুলো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য বিজ্ঞানীদের কাছে বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলায় প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে, ‘পানির মাছ ডাঙায় উঠলে যেমন হয়’। এই কথাটি সাধারণত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে না পারার অর্থে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রকৃতির কিছু মাছের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও অভিযোজন ক্ষমতার কারণে এসব মাছ পানির বাইরেও বেঁচে থাকতে সক্ষম।
কানাডার ইউনিভার্সিটি অব গুয়েলফের গবেষক অ্যান্ডি টার্কো এই ধরনের মাছ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু মাছ পানি ও ডাঙা দুই পরিবেশেই টিকে থাকার জন্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে।
এমন একটি মাছ হলো ম্যানগ্রোভ রিভুলাস। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এই মাছটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাফ দিয়ে ডাঙায় উঠে আসে। এর ত্বকের নিচে থাকা ঘন রক্তনালির মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করা সম্ভব হয়। তাছাড়া, ত্বক শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ভূমিকা রাখে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ওয়াকিং ক্যাটফিশও পানির বাইরে চলাফেরা করতে সক্ষম। এই মাছের বিশেষ শ্বাসযন্ত্র বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে সাহায্য করে। শরীর বাঁকিয়ে ডানে-বাঁয়ে দোলানোর পাশাপাশি শক্ত বুকের পাখনার সাহায্যে এটি ডাঙায় এগিয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এই মাছটি আগ্রাসী বহিরাগত প্রজাতি হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে, মাডস্কিপার দিনের একটি বড় অংশ পানির বাইরে কাদামাটিতে কাটায়। কাদার ওপর চলাফেরা, খাবার সংগ্রহ এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মাছটি বেশ দক্ষ। এদের বিশেষ অভিযোজন পানির বাইরে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
ফ্লোরিডা মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির মৎস্যবিজ্ঞানী জর্জ বার্গেসের মতে, ভারী বৃষ্টির পর ক্যাটফিশ ও বাইনজাতীয় কিছু মাছকে রাস্তা পার হতে দেখা অস্বাভাবিক নয়। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এসব মাছ এক জলাশয় থেকে অন্য জলাশয়ে যাওয়ার জন্যও ডাঙা ব্যবহার করতে পারে।
ব্রাজিলের কিছু চার চোখা মাছ পানির ওপর ভেসে থাকার পাশাপাশি কাদামাটিতে উঠে পোকামাকড় শিকার করে। আবার ইলজাতীয় কিছু মাছ স্যাঁতসেঁতে কাদার ওপর দিয়ে চলাচল করতে পারে। তাদের ত্বকও অক্সিজেন গ্রহণে ভূমিকা রাখে।
কিলিফিশের কিছু প্রজাতিও পানির বাইরে লাফিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। বিজ্ঞানীদের মতে, এদের লাফালাফি নিছক এলোমেলো চলাচল নয়; বরং পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কৌশল।
মামিচগ নামে পরিচিত একধরনের কিলিফিশ পানির বাইরে এসে চোখ দিয়ে আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে। লাফ দেওয়ার সময় চারপাশের দৃশ্য দেখে পানির অবস্থান নির্ণয় করতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পানির বাইরে টিকে থাকার সবচেয়ে বিস্ময়কর উদাহরণগুলোর একটি হলো পশ্চিম আফ্রিকার লাংফিশ। এদের ফুলকার পাশাপাশি ফুসফুসের মতো বিশেষ শ্বাসযন্ত্র রয়েছে, যার সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে।
শুষ্ক মৌসুমে জলাশয় শুকিয়ে গেলে লাংফিশ শরীর থেকে শ্লেষ্মাজাতীয় পদার্থ নিঃসরণ করে কোকুন তৈরি করে। এরপর কাদার নিচে আশ্রয় নিয়ে বিপাকক্রিয়া কমিয়ে দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় কাটাতে পারে। অনুকূল পরিবেশ ফিরে এলে বৃষ্টির পানিতে কাদা ভিজে গেলে তারা আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে।
পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, শিকারির হাত থেকে বাঁচা কিংবা খাবারের সন্ধান—বিভিন্ন কারণে মাছ পানি থেকে বাইরে আসে। কিছু প্রজাতি সঙ্গী খুঁজতে বা নতুন জলাশয়ে পৌঁছাতেও ডাঙা পাড়ি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে গ্রুনিয়ন নামের ছোট মাছ প্রজননের জন্য বসন্তকালে দল বেঁধে বালুচরে উঠে আসে। সেখানে তারা ডিম পাড়ে। অন্যদিকে, চার চোখা মাছ কাদামাটিতে উঠে পোকামাকড় শিকার করে।
প্রকৃতির এসব মাছ প্রমাণ করে, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে প্রাণীরা কত বিচিত্র উপায়ে নিজেদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। সাধারণভাবে মাছকে শুধু পানির প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কিছু প্রজাতির জীবনযাপন সেই ধারণাকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ