মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৭ পি.এম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা সহজ ও দ্রুততর করার লক্ষ্যে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চাকসুর সপ্তম ক্যাবিনেটের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সফিকুল ইসলাম, চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিবসহ চাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিরা।
চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি অনুষ্ঠানে বলেন, "শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসাসেবার কথা বিবেচনা করেই আধুনিক এই অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন করা হয়েছে। এটি শুধু একটি অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আবাসন ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে দীর্ঘ ছয় দশকের পুঞ্জীভূত সমস্যা রয়েছে। এসব সংকট একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে চাকসু কাজ করে যাচ্ছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আরও জানান, "উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন পেলে ক্যাম্পাসে পাঁচটি ছাত্র হল, পাঁচটি ছাত্রী হল এবং একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও চিকিৎসাসেবায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।"
এ সময় চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কখনো চাকসুকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখেনি, বরং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করেছে। গত এক বছরে শিক্ষার্থীদের খাবার, আবাসন, যাতায়াত ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করেছে।"
তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক মতভেদ ও মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে মাদক ও ইভটিজিং নিয়ন্ত্রণ, খাবারের মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান উপাচার্য। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সফট স্কিল প্রশিক্ষণ, বিদেশি ভাষা শিক্ষা ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
চাকসুর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করছে চাকসু। যাতায়াতব্যবস্থার উন্নয়ন, খাবারের মান বৃদ্ধি, মাদক ও যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধসহ বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংযোজন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার।
তিনি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট তার সন্ত্রাসীদের সুদূর যুক্তরাষ্ট্রেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য উসকানি দিয়ে যাচ্ছে।" তিনি আরও জানান, "প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনারই।" তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যে, এ ব্যাপারে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, "এরা যে ফ্যাসিস্ট, দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েও তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ অব্যাহত রেখে তা বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিচ্ছে। শেইম...।"
এর আগে, নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে ‘টেররিস্ট’ ও ‘ট্রেইটর’ বলে মন্তব্য করার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে এ ঘটনার সমালোচনা করেন এবং বিশ্বজুড়ে ইউনূসের অবদানের কথা তুলে ধরেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে। এনসিপির তিনজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন যে, পরিবর্তনের বিষয়টি দুয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব পদে আখতার হোসেন থাকবেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসতে পারেন।
বর্তমানে হাসনাত আবদুল্লাহ দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন। নতুন কমিটিতে তাদের দায়িত্বে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদেও পরিবর্তন আসতে পারে।
সারজিস আলমকে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করার জন্য দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব ও আলী আহসান জুনায়েদ থাকতে পারেন।
কমিটিতে পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেন, ‘এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ নাজনীন সুলতানার একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতবিনিময় সভাটি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান, সজীব কান্তি রুদ্র, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আক্তার সেতু, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সহসভাপতি মো. নাছিরুল আলম, নির্বাহী সদস্য আবুল বশর সিদ্দিকীসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় মিজ নাজনীন সুলতানা মন্তব্য করেন যে, জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।" বান্দরবানকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন নগরী হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, "এখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে। এই বৈচিত্র্যই জেলার অন্যতম শক্তি।"
নবাগত জেলা প্রশাসক আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বান্দরবানকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাংবাদিকেরা জেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসন থেকে দ্রুত যেকোন সংবাদের তথ্য পেতে এবং প্রশাসনের সাথে সাংবাদিকদের যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ।" তাদের লেখনীর মাধ্যমে মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার চিত্র উঠে আসে। জেলার উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি তুলে ধরা এবং জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে তাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের কথা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ইয়ংস্টাউনে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আসা চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করতে গিয়ে ওয়াশিংটন সম্ভবত ‘মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে’ বলে মনে হচ্ছে।
ট্রাম্প এই সময় স্বীকার করেন যে, ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যা করার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ইয়ংস্টাউনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘নেতাদের (ইরানের) লক্ষ্যবস্তু করতে গিয়ে আমরা হয়ত মাত্রা ছাড়িয়ে গেছি। কারণ, এখন আর আমরা জানি না, কার সঙ্গে আলোচনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের প্রেসিডেন্ট হতে কেউ চায় না।’ সম্ভাব্য প্রার্থীরা এই পদ গ্রহণে রাজি নন বলেও তিনি দাবি করেন।
সমাবেশে ট্রাম্প আরও জানান, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এক নম্বর দেশ’ ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া হবে না।
ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযানের ফলে আলোচনা জটিল হয়ে পড়েছে বলে তিনি স্বীকার করলেও ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান দেশটির বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের ১৫৯টি নৌযান সবগুলোই ধ্বংস হয়েছে। এগুলো ‘সমুদ্রের তলদেশে সুন্দরভাবে বিশ্রাম নিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উদ্বেগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওয়াশিংটন এখনো নিশ্চিত নয়।
ভ্যান্স জোর দিয়ে বলেন, সংঘাতের সমাপ্তি ঘটাতে যেকোনো চুক্তির জন্য তেহরানকে তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ