ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস


আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস, মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এই দিবসটি দেশজুড়ে উদযাপন করা হচ্ছে।

সড়ক নিরাপত্তাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, চালক, পথচারী এবং সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকারের বড় উদ্যোগ গ্রহণ

মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা, নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সড়ক নিরাপত্তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ পেশাদার গাড়িচালকদের স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা, মাদক পরীক্ষা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া সড়কের সাইন-সিগন্যাল ও রোড মার্কিং সংস্কার এবং দক্ষতার ভিত্তিতে পেশাদার চালকদের পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রচার-প্রচারণা ও ম্যারাথন আয়োজনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ অনুসরণ করে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই স্তম্ভগুলো হলো নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ যানবাহন, নিরাপদ গতি, নিরাপদ সড়ক ব্যবহারকারী এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা।

আরও পড়ুন: এসএএফএনের সিনিয়র ফেলো হলেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী

সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব ক্ষেত্রে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানো সম্ভব।

বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা একযোগে কাজ করছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জাতীয় মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষামূলকভাবে ১৪০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়কে সেফটি ইমপ্রুভমেন্ট কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং প্রায় ৬০০ কিলোমিটার মহাসড়কে বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে, পেশাদার মোটরযানচালকদের দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল

চালকদের দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন চালানোর প্রবণতা কমানোর লক্ষ্য এই প্রশিক্ষণের অন্যতম উদ্দেশ্য।

দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও সড়ক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতে ৪০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স ও ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করা হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এসব যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং যান চলাচল পর্যবেক্ষণে সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও দুর্ঘটনা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগও রয়েছে।

সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রম এবং একটি জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতকে ছাড়িয়ে গিয়ে চমক দেখাল বাংলাদেশ

প্রস্তাবিত কাঠামোর মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়, নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং কার্যক্রমের তদারকি জোরদার করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে স্ট্যান্ডার্ড হেলমেট এনফোর্সমেন্ট গাইডলাইন এবং যানবাহনের গতিসীমা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে স্পিড ম্যানেজমেন্ট ম্যানুয়াল প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা এবং ট্রাফিক আইন অনুসরণের বিষয়গুলো এখানে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন বা আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। চালকের বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন অমান্য, অদক্ষতা, যানবাহনের ত্রুটি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং পথচারীদের অসচেতনতা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আরও পড়ুন: এনসিপির নতুন দায়িত্ব পেলেন নাসীরুদ্দীন-পাটোয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ

সড়কের নকশাগত ত্রুটি, পর্যাপ্ত সাইন-সিগন্যালের অভাব, ফুটপাত দখল এবং সড়ক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাও নিরাপদ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।

এ পরিস্থিতিতে সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রম বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগে ধারাবাহিকতা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি।

চালকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা, পথচারীদের জন্য নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সড়ক নিরাপত্তাকে কেবল একটি দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সারা বছর ধরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, দুর্ঘটনার কারণ বিশ্লেষণ, ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক চিহ্নিতকরণ এবং গৃহীত পদক্ষেপের ফলাফল মূল্যায়ন করতে হবে।

আরও পড়ুন: দাম্মাম-রিয়াদগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের সব ফ্লাইট নিরাপত্তার কারণে স্থগিত

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক-শ্রমিক, চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সবার দায়িত্ব। চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, যাত্রীদের চলন্ত গাড়িতে ওঠানামা থেকে বিরত থাকা, মোটরসাইকেলে চালক ও আরোহী উভয়ের হেলমেট ব্যবহার এবং পথচারীদের নির্ধারিত স্থান দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রত্যাশা, সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর আইন প্রয়োগ, উন্নত সড়ক অবকাঠামো এবং জনসচেতনতার মাধ্যমে এমন একটি সড়কব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যেখানে মানুষের নিরাপদে চলাচলের অধিকার নিশ্চিত হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারকে যেন প্রিয়জন হারানোর বেদনা বহন করতে না হয়, সে লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলনও জোরদার করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর জন্য ২৫ অক্টোবরের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর জন্য ২৫ অক্টোবরের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০২৬ : এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে। প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এই নতুন কাঠামো কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর জারি করা চিঠিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) বিভিন্ন অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রেরণ করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু করা হচ্ছে। গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অর্থবছরের মেয়াদ ১২ মাসের পরিবর্তে ৯ মাস নির্ধারণ করে জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছর কাঠামো কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজ ২০২৭-২৮ অর্থবছর শুরুর আগেই সম্পন্ন করতে হবে। অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম, জাতীয় উৎপাদন ও পরিসংখ্যানগত কাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে।

আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক এবং পরিসংখ্যানগত ও তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।

পর্যালোচনার ভিত্তিতে কোথায় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন ও সমন্বয় প্রয়োজন তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন অর্থবছর ব্যবস্থায় সরকারি কার্যক্রমের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ নির্দেশনার আওতায় রাজউক, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাকে এ নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, অডিট, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আইসিটি শাখাসহ বিভিন্ন শাখাকেও এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ এখতিয়ারভুক্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর মাধ্যমে নতুন অর্থবছর কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়াই এ নির্দেশনার উদ্দেশ্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোমোর কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লজ্জাজনক হার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


কোমোর কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লজ্জাজনক হার

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে বুধবার কোমোর কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দলের এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে কোচ মাইকেল ক্যারিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

কোমোর ঐতিহাসিক জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন নিকো পাজ। আর্জেন্টাইন এই ফুটবলার জোড়া গোল করেছেন। ইতালির ক্লাবটির হয়ে বাকি দুটি গোল করেন তাসোস দুভিকাস ও হাকোবো রামন।

ম্যাচের শেষ পর্যায়ে জশুয়া জির্কজির একটি গোল ইউনাইটেডকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা থেকে রক্ষা করে। তবে সব প্রতিযোগিতায় টানা সাত ম্যাচে জয়হীন থাকার হতাশা কাটেনি সংকটে থাকা দলটির।

সব প্রতিযোগিতায় টানা তিন ড্র ও তিন হারের বাজে ধারায় ইউনাইটেডের কোচ ক্যারিকের ওপর চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে গত ৪০ বছরের মধ্যে ঘরোয়া লিগে নিজেদের সবচেয়ে বাজে শুরুর রেকর্ড গড়েছে দলটি।

উত্তর ইতালির ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টির মধ্যে খেলতে নেমে রেড ডেভিলসরা নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। কোমোর সামনে তারা কার্যত অসহায় আত্মসমর্পণ করে। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বে ইউনাইটেড তিন পয়েন্টেই আটকে রয়েছে।

গত তিন বছরে সিরি-বি থেকে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় উঠে আসার অবিশ্বাস্য গল্প লিখেছে সেস ফ্যাব্রেগাসের কোমো। তবে তিনবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইউনাইটেডকে এমনভাবে বিধ্বস্ত করার ঘটনা ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হয়ে থাকবে।

স্তাদিও জিউসেপ্পে সিনিগাগ্লিয়ায় আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের খেলোয়াড় পাজ অসাধারণ দুটি ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় গোল করেন। মাঝখানে দুভিকাসও দারুণ দক্ষতায় গোল করেন। পরে রামনের হেডে ব্যবধান ৪-১ করেন তিনি। এই জয়ে লিগ পর্বে কোমোর পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়ে।

দুই দলেরই একাধিক খেলোয়াড় চোটে থাকলেও ক্যারিকের একাদশে বড় চমক ছিল ডিফেন্ডার ম্যাথিয়াস ডি লিটের প্রত্যাবর্তন। ১১ মাস মাঠের বাইরে থাকার পর প্রথমবার খেলতে নামেন তিনি। নিষেধাজ্ঞায় থাকা লেনি ইয়োরোর পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান ডি লিট।

শুরুর দিকে দিয়োগো ডালোটের শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা আক্রমণে উঠে নিজেদের আক্রমণাত্মক দক্ষতার পরিচয় দেয় কোমো।

বক্সের প্রান্তে বল পেয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচের মাত্র দুই মিনিটের মাথায় স্বাগতিকদের স্বপ্নের সূচনা এনে দেন পাজ।

ইউনাইটেডের রক্ষণভাগের পুরোনো দুর্বলতাগুলো আবারও প্রকাশ্যে চলে আসে। গত সপ্তাহে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারের ম্যাচেও প্রথম মিনিটের মধ্যে গোল হজম করেছিল দলটি। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ১১ ম্যাচে মাত্র একবার গোল হজম না করার কৃতিত্ব দেখাতে পেরেছে তারা।

গোল পাওয়ার পর কোমোর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। বলের দখল ধরে রেখে তারা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে দিশাহীন ইউনাইটেড প্রথমার্ধে টার্গেটে কোনো শট নিতে পারেনি। এ সময় দুভিকাস ও মার্টিন বাতুরিনার মাধ্যমে নিজেদের বেশ কয়েকটি আক্রমণ তৈরি করে কোমো।

দলের নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সে গতি ফেরাতে বিরতির পর একসঙ্গে দুজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন ক্যারিক। আন্দ্রে সান্তোস ও মাতেউস কুনিয়ার পরিবর্তে মাঠে নামেন আমাদ দিয়ালো ও কার্লোস বালেবা।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও অসতর্ক হয়ে পড়ে ইউনাইটেড। পাজের বাড়ানো থ্রু বল ধরে গ্রিসের ফরোয়ার্ড দুভিকাস দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র তিন মিনিটে প্রথম স্পর্শেই বল জালে পাঠান। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।

কোমোর অধিনায়ক লুকাস দা কুনহা দুর্দান্ত একটি সুযোগ পেয়েও বাইরে মেরে ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হন।

তবে গোলের জন্য স্বাগতিক সমর্থকদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। মাঝমাঠে দ্বিধাগ্রস্থ বালেবার কাছ থেকে বল কেড়ে নেন পাজ। এরপর দ্রুত এগিয়ে গিয়ে ৫৭ মিনিটে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান তিনি।

বিধ্বস্ত ইউনাইটেডের রক্ষণভাগ এরপর প্রায় চতুর্থ গোল হজম করেই ফেলেছিল। হ্যাটট্রিকের আশায় থাকা পাজের বাঁকানো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন সেন্নে লামেন্স।

ম্যাচ শেষের ১৪ মিনিট আগে আসে কোমোর চতুর্থ গোল। অরক্ষিত অবস্থায় সামনে এগিয়ে এসে সতীর্থের চমৎকার ক্রস থেকে হেডে গোল করেন সেন্টার-ব্যাক রামন।

এই গোলের পর সফরকারী দলের সমর্থকদের অনেকে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। ফলে ম্যাচের যোগ করা সময়ে বদলি খেলোয়াড় জির্কজির করা গোলটি অনেকেই দেখতে পারেননি।

ইউনাইটেডের জন্য হতাশার সন্ধ্যায় সেটিই ছিল তাদের একমাত্র উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক মুহূর্ত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৪ জন গ্রেফতার, ৩৭ মামলা দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৪ জন গ্রেফতার, ৩৭ মামলা দায়ের

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫৩৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই সময়ে ৩৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মিরপুর বিভাগে ১৫২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৯৫ জন, ওয়ারী বিভাগে ৮০ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৬ জন, লালবাগ বিভাগে ৫৩ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৩ জন, গুলশান বিভাগে ৩০ জন, রমনা বিভাগে ২৩ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে দু’জন রয়েছেন।

অভিযান চলাকালীন গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা, ১ হাজার ৫০৬ পিস ইয়াবা, ৪টি মোবাইল ফোন, ৪টি চাকু এবং একজন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোমোর কাছে হতাশাজনক হারের পরও চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন নন ক্যারিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


কোমোর কাছে হতাশাজনক হারের পরও চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন নন ক্যারিক

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর কাছে ৪-১ গোলে পরাজয়ের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সকল সদস্য হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন কোচ মাইকেল ক্যারিক। তবে চাকরি হারানোর বিষয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন বলে মন্তব্য করেছেন।

ইতালির ক্লাব কোমোর কাছে স্তাদিও জিউসেপ্পে সিনিগালিয়ায় খেলার সময় তিনবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। এই লজ্জাজনক পরাজয়ের ফলে, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়হীন থাকল দলটি।

ইউনাইটেডের এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের মধ্যে ক্যারিকের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চলতি মৌসুমে লিগে ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে শুরুর রেকর্ড গড়েছে তারা। তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিক বলেন, চাকরি হারানোর ভয় তিনি করছেন না।

ক্যারিক বলেন, “নিজের অবস্থান নিয়ে আমি একবারও ভাবিনি।”

ম্যাচ শেষে সফরকারী সমর্থকদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তার ওপর বাড়তে থাকা চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত, এমন ধারণাও তিনি নাকচ করেছেন। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের কোচ বলেন, “আমি সব সময়ই সমর্থকদের কাছে যাই। কেন গিয়েছি, তার পেছনে বিশেষ কোনো ভিন্ন কারণ ছিল না। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, বিশেষ করে আজ রাতে, তাদের যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, সেটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও স্বীকৃতি জানাতেই গিয়েছিলাম।”

ম্যাচের দুই মিনিট পূর্ণ হওয়ার আগেই নিকো পাজের গোলে পিছিয়ে পড়ে ইউনাইটেড। এর ফলে, বড় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় টানা দুই ম্যাচের প্রথম দুই মিনিটের মধ্যে গোল হজম করা প্রথম ইংলিশ দল হয়ে ওঠে তারা। গত সপ্তাহে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারের ম্যাচেও এক মিনিটের মাথায় গোল হজম করেছিল ইউনাইটেড।

সেস ফাব্রেগাসের দল উত্তর ইতালিতে দুর্দান্ত খেলতে খেলতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরে বদলি হিসেবে নামা জশুয়া জির্কজির যোগ করা সময়ে করা গোলে ব্যবধান কিছুটা কমে। তবে ইউনাইটেড যেভাবে প্রতিপক্ষের কাছে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ক্যারিক।

তিনি বলেন, “আমাদের এভাবে খেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পারফরম্যান্স মোটেও ভালো ছিল না। লিডসের বিপক্ষে (১-১ গোলে ড্র) আমরা যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলাম, সেটির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চেয়েছিলাম।”

“সেখানে আমাদের মধ্যে যে তীব্রতা, মানসিকতা, আগ্রাসন এবং সবকিছু উজাড় করে দেওয়ার প্রকৃত মানসিকতা ছিল, আজকের পারফরম্যান্স ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। সত্যি বলতে, খেলাটি দেখা ছিল কষ্টকর।”

ক্যারিক আরও বলেন, “খেলা দেখার সময় আমার মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিল। লিডসের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের সঙ্গে আজকের পারফরম্যান্স এতটা আলাদা কীভাবে হতে পারে, তা সত্যিই বোঝা কঠিন।”

“এমনটা হওয়া উচিত নয়। আমরা সবাই ভালো খেলতে পারি, আবার খারাপও খেলতে পারি। কিন্তু এভাবে খেলা একেবারেই ঠিক নয়।”

ক্যারিকের দলের পরবর্তী ম্যাচ রোববার, নিজেদের মাঠে প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

ক্যারিক বলেন, “আমি হতাশ, শুধু হতাশই নই, সত্যি বলতে ভীষণ রাগান্বিত।”

“এখন সামনে এগোতে হবে, পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে হবে এবং সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা দেখতে হবে। পরবর্তী ম্যাচের আগে দলকে প্রস্তুত করতে অনেক কিছু করতে হবে। আজকের রাতটি সবার জন্যই কঠিন ছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%