০৯:০৯ পি.এম
রাজধানী ঢাকার মিরপুরে পল্লবী এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার পর তাকে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মো. আনোয়ার হোসেন সাঈদ (৫০) কে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ভুক্তভোগী কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্র থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে মিলে তাদের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করেন। এক বছর আগে তাদের মা মারা গেছেন। প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করছিলেন এবং কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে ভুক্তভোগী কিশোরী শৌচাগার থেকে ঘরে ফিরছিলেন। এই সময় আনোয়ার তাকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।
সেখানে আনোয়ার কিশোরীকে মারধর করেন এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। এরপর অভিযুক্ত আনোয়ার ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র ও অচেতন অবস্থায় বাসার কাছে সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে ফেলে দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
শনিবার ভোরে এক প্রতিবেশী যখন ওজু করার জন্য কলপাড়ে গিয়ে সেপটিক ট্যাংকে ওই কিশোরীকে পড়ে থাকতে দেখেন তখন তিনি চিৎকার করেন। পরে তার স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
ঘটনাটি যখন জানাজানি হয় তখন স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন সাঈদকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পল্লবী থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির জানান, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন