বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৩ পি.এম
প্রতি মাসে সরকারের তরফ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করা হলেও, খুচরা বিক্রেতারা সেই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ভোক্তাদের কাছে এলপিজি বিক্রি করছেন। তারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে উচ্চ মূল্যে কিনতে হয়, তাই সরকারের নির্ধারিত দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি সম্প্রতি আরও অবনতি ঘটেছে।
বর্তমানে সরকার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে, কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা সংকটের কথা বলে ভোক্তাদের কাছ থেকে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিচ্ছেন। এর মানে হলো, সরকার নির্ধারিত দামের তুলনায় ক্রেতাদের ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিষয়টি তদন্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত অনলাইন বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে কিছু এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে উচ্চ মূল্যে এলপিজি বিক্রি হতে পারে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কোথাও কেন সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে এবং কেন অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে ডিসিদের তথ্য ও প্রমাণসহ প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব এলাকায় সরবরাহ কম পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ সতর্ক করে বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে কিংবা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশও দেন জ্বালানিমন্ত্রী।
এর আগে, ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে আশ্বস্ত করেন যে, দেশের বাজারে এলপিজি সরবরাহ ও মজুদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে; কোনো সংকট নেই।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত ওই সভায় দেশের এলপিজি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন।
সোমবারের ওই সভায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আশ্বাস দেন, এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের বাধা দূর করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সন্ধ্যার সময় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ১৪ বছরের এক গৃহপরিচারিকাকে সিএনজিচালিত রিকশায় তুলে নেওয়া হয়। এরপর তিন যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তাকে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করা হয়েছে।
পরদিন সকালে, অভিযুক্তরা তাকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে তার স্বজনরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ঘটে যাওয়া এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ার পর শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছবপুর এলাকার দুলাল মিয়া (৩১), শহরের মিশন রোড এলাকার মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং সোনার বাংলা রোড এলাকার আল আমিন ইসলাম (২০)।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ি রোডের একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ শেষ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয় ওই কিশোরী। কিছুদূর যাওয়ার পর অভিযুক্তরা একটি সিএনজিচালিত রিকশায় করে এসে তার পথরোধ করে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, পরে জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কিশোরীকে উপজেলার ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত তাকে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা।
ঘটনার পর ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্তরা কিশোরীকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে সেখান থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে সে সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা বিলম্বের পর ৩০ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৯(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলার নম্বর ৪১/২৭৭।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আবদুর রাজ্জাককে। বুধবার অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ এবং আক্রান্ত রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ অডিটোরিয়ামে, যেখানে বিশেষ আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্বাসনে ফিজিওথেরাপি ও শারীরিক কার্যকলাপের ভূমিকা।
ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের চিফ মেডিকেল অফিসার, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক ড. সাহাদত হোসেন।
সেমিনারে নিউরো ডিস্যাবিলিটি রিহ্যাব অ্যান্ড স্পোর্টস ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওথেরাপিস্ট মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বিষয়ভিত্তিক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
তিনি তার মূল প্রবন্ধে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের মতো জটিল রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এছাড়া, এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা, শারীরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে আধুনিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিক তথ্যের আলোকে উপস্থাপন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব উল্লেখ করেন, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব অপরিসীম। স্ট্রোক বা হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত শরীরচর্চা ও সক্রিয় জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা জনসচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং চিকিৎসা কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলাকালীন অজানা রোগে আক্রান্ত হয়েছে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে, গুরুতর অবস্থায় ২০ জন শিক্ষার্থীকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এছাড়া, বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে আয়া মোর্শেদা (৪০) বেগমও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালীন প্রথমে সানজিদা নামের এক শিক্ষার্থীর হাত-পা ঝি ঝি, পেট ব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর একের পর এক একইভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী। আহতদের মধ্যে অধিকাংশই মেয়ে শিক্ষার্থী।
এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইরফান মিয়া বলেন, একের পর এক অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার পর আমরা তাদের কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাই। অনেক শিক্ষার্থীকে আমতলী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলাপাড়া হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ফারুক মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তারা সবাই মাক্স সাইকোজেনিক হাইপারভেন্টিলেশন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে সবাই বিপদমুক্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সাঁথিয়ায় একটি ‘পাগলা’ শিয়াল লোকালয়ে ঢুকে শিশু ও নারীসহ মোট ১১ জনকে কামড়ে আহত করেছে।
এটি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে সাঁথিয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের শালঘর মহল্লা এবং সাতবিলা এলাকায় ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, শালঘর মহল্লার মো. রফিকের বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বেঁধে রাখা একটি ছাগল প্রথমে শিয়ালের হামলার শিকার হয়। এরপর শিয়ালটি একের পর এক গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে আরও কয়েকজনকে কামড়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে শালঘর এলাকার বাদশার মেয়ে জুবাইদা (৪), মংলা খাতুন (৭০), আলেয়া (২৫), ওয়াজ কুরুনি (৭), শাহিদা (৫০), সোনিয়া (১৪) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া, গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের সাতবিলা গ্রামের সাব্বিরের মেয়ে সিনহা (৩), লাকি (৩০), বায়জিদ (০৬), রেহেনা (৪২), সামসুর (২২)ও পাগলা শিয়ালের আক্রমণের শিকার হন।
পরে স্থানীয়রা শিয়ালটিকে একটি ঝোপ থেকে সাড়ে পাঁচটার দিকে ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলে।
সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহফুজ আহমেদ জানান, আহতদের জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ