ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যা ও ভূমিধস মোকাবিলায় সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত


বন্যা ও ভূমিধস মোকাবিলায় সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত

ঢাকা, ২২ জুলাই, ২০২৬ : দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, ও পাহাড়ধসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থিত রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক তথ্য অফিস এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিসসমূহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মহড়া কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিস এবং জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জেলা তথ্য অফিস বন্যাবিষয়ক জরুরি বার্তা প্রচার করছে, রাস্তার পাশেই পথসভা আয়োজন করছেন এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না থাকতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনেও চলতে, সাপের কামড় থেকে সতর্ক থাকার, শিশু, মহিলা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার, ত্রাণ গ্রহণের সময় যে কোনো আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার, বিদ্যুতের সংস্পর্শে না আসার জন্য বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকার এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি জেলায় ২১ জুলাই বিকেল থেকে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে। বেশিরভাগ এলাকায় বন্যার পানি অবস্থান নিঃশেষ হয়েছে। তবে ঠিকমতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা হয়নি। খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির শুরুর পর থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা, এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করে আসছে।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, কক্সবাজার জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। যদিও পেকুয়া উপজেলার কিছু জায়গায় এখনও কিছু পরিবার পানিবন্দি রয়ে গেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং নতুন করে পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকে পাহাড়ধস, বন্যা, ডেঙ্গু এবং চিকনগুনিয়া প্রতিরোধের পাশাপাশি বন্যা পরে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার এবং মাইকিং অব্যাহত রেখেছে।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, রাঙামাটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভারী বর্ষণের শুরু থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহত ভাবে চলছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বান্দরবানে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে এবং আশ্রয়কেন্দ্র থেকে লোকজন তাদের ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। জেলা তথ্য অফিস ভারী বৃষ্টির শুরু থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতার প্রচার ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন অব্যাহত রেখেছে।

সিলেট আঞ্চলিক তথ্য অফিস এবং সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত) কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া সত্ত্বেও ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে বর্ষণের কারণে সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, পিয়াইনসহ প্রধান নদ-নদীর পানি কিছুটা বেড়ে গেছে। কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমা নদী এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হওয়ার বা বড় ও দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই। যদিও নদীর পাশে কিছু নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলায় সার্বিক বন্যার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। ছাতক পয়েন্টে সুরমা এবং মারকুলি পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপরে রয়েছে। হবিগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে। নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হওয়ার বা বড় বা দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই। জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অবশেষে, প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। মনু নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলায় নদীরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুধকুমার নদীতে অভিযান, আড়াই হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


দুধকুমার নদীতে অভিযান, আড়াই হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদী থেকে ২ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে প্রশাসন।

বুধবার (২২ জুলাই) দিনব্যাপী দুধকুমার নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা মৎস্য অফিস ও ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। অভিযানের সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদা মোহতামিম এবং ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মোট ৫০টি জাল জব্দ করা হয়। যার দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াই হাজার মিটার হতে দেখা যায়।

মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদা মোহতামিম মন্তব্য করে বলেন, চায়না দুয়ারি ও ম্যাজিক জাল ব্যবহারের কারণে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ এবং জলজ প্রাণী ধরা পড়ে যাচ্ছে। এর ফলে নদীর জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, এ ধরনের অভিযানে মৎস্য অফিসসহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে উত্তপ্ত দিল্লি, চাপে নরেন্দ্র মোদি সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে উত্তপ্ত দিল্লি, চাপে নরেন্দ্র মোদি সরকার

দিল্লি পুলিশের ভাবনা ছিল, হয়তো আন্দোলনে মাত্র কয়েক শ মানুষ অংশ নেবে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই ধারণা ভেঙে যায়। দিল্লীর যন্তর মন্তরের ছোট্ট প্রতিবাদমঞ্চ দ্রুত জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে যায়। এরপর যা ঘটেছে, তা অনেকের মনে করিয়ে দিয়েছে ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারির কথা। এখন প্রশ্ন উঠছে, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রকৃত শক্তি কি একেবারেই বুঝতে পারেনি দিল্লি পুলিশ?

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ একাধিক দাবিতে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি সিজেপি। প্রথমদিকে আন্দোলনটি একেবারেই গতি হারিয়েছিল। যন্তর মন্তরে প্রতিদিন এক থেকে পাঁচ শ মানুষের উপস্থিতিই ছিল একটি স্বাভাবিক ঘটনা। তবে গত ১৮ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ সোনম ওয়াংচুককে সফদারজং হাসপাতালে নিতে যাওয়ার পর পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে বদলে যেতে শুরু করে। এ বিষয়ে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যার মধ্যে দিল্লি এবং ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ জড়ো হন যন্তর মন্তরে। দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ধারণা ছিল, সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপস্থিতি সাত থেকে আট হাজারে পৌঁছাতে পারে। প্রশাসনের সেই হিসাবের আলোকে প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য এবং প্যারামিলিটারি বাহিনীর ৩২টি কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছিল। তৈরি করা হয়েছিল বহুস্তরের ব্যারিকেড। সংসদ ভবনের দিকে যাওয়া সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কিন্তু সোমবার সকালেই পুলিশের সেই হিসাব ভুলে পরিণত হয়। শুধু যন্তর মন্তরে উপস্থিত হন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। আর দিল্লির বিভিন্ন এলাকার আন্দোলনকারীদের হিসাব করলে সেই সংখ্যা পঞ্চাশ হাজার বা তারও বেশি হওয়া সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি আন্দোলনকারীদের একটি অংশ সংসদ ভবনের খুব নিকটবর্তী ভেন্যুতে পৌঁছে যায়।

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দিল্লি পুলিশ জরুরি ভিত্তিতে শহরের ১৪টি এলাকা থেকে অতিরিক্ত বাহিনী তলব করে নেয়। প্রতিটি এলাকা থেকে একজন সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং একশ পুলিশ সদস্যকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনের আয়োজকদের সঙ্গে আপসের চেষ্টা চালান শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তারা। সীমিত পরিসরে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রস্তাবও করেছিল বলে জানা যায়। তবে তিন দফা আলোচনা ব্যর্থ হয়।

আয়োজকরা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ রাখার আবেদন জানালেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের প্রধান লক্ষ্য ছিল, আন্দোলনকারীরা যেন কোনোভাবে সংসদ ভবনের দিকে এগোতে না পারেন। শুরুতে তারা কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং সীমিত বলপ্রয়োগ করে। তবে তা কার্যকর হয়নি। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ পুলিশের দিকে বোতল, জুতা, পাথর ও গাছের ডাল ছুড়ে মারেন। পাল্টা জবাবে পুলিশ লাঠিপেটা এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। কিছু স্থানে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর আবার সংগঠিত হয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে চরফ্যাশনে চালু হলো ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে চরফ্যাশনে চালু হলো ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্প

উপকূলীয় সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ভোলার চরফ্যাশনের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর কুকরি-মুকরিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম। এর জন্য প্রারম্ভিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি প্রোফাইলিং, তথ্য যাচাইকরণ ও গ্রামে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়নের বাবুগঞ্জ ও নবীনগর গ্রামে এ সভার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ডফিশ ও ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটি (ডব্লিউসিএস)। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ওয়ার্ল্ডফিশের ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. সোহেল রানা, প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী, নারী-পুরুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সভায় কমিউনিটি প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত গ্রামের সামাজিক, অর্থনৈতিক, প্রাকৃতিক সম্পদ, জীবিকা ও পরিবেশ-সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এরপর উন্মুক্ত আলোচনায় স্থানীয় বাসিন্দারা তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি নিজেদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করলে প্রকল্পের কার্যকারিতা ও দীর্ঘমেয়াদি সুফল আরও বাড়বে।

প্রধান অতিথি জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, উপকূলীয় মৎস্যসম্পদ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্প বাস্তবায়নে মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ল্ডফিশ, ডব্লিউসিএস এবং ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের সহযোগিতায় পরিচালিত এ উদ্যোগ চর কুকরি-মুকরির সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদ সংরক্ষণ, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে ইতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে।

সভার শেষে প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মান্দায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ রাসেলের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


মান্দায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ রাসেলের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ রাসেলের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাকে স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) বাদ আসর উপজেলার কশব ইউনিয়নের ভোলাগাড়ি গ্রামে অবস্থিত শহীদ রাসেলের কবরে আগে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর সেখানে একটি বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

কবর জিয়ারত করার পর শহীদ রাসেলের বাসভবনের নিকটে অবস্থিত স্থানীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাবিল নওরোজ বৈশাখ।

এ সময় কশব ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশাসক আব্দুর রশিদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আহম্মদসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এই দোয়া মাহফিলে শহীদ রাসেলের শোকসন্তপ্ত বাবা, পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয়, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্থানীয় মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শহীদ রাসেলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তার পরিবারের জন্য এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক সইবার ধৈর্য দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%