ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মীরগঞ্জ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৯ মাস পরও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি


মীরগঞ্জ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৯ মাস পরও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি

বরিশালের মুলাদী ও বাবুগঞ্জের মাঝখানে আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর বহুল প্রতীক্ষিত মীরগঞ্জ সেতুর নির্মাণকাজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৯ মাস পরেও শুরু হয়নি। যদিও মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) সম্পন্ন হয়েছে, প্রকল্পের মূল কাজ নকশা অনুমোদন ও ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতায় থমকে আছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নকশা জমা দিলেও সেতুর নির্মাণস্থলে এখনও দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু হয়নি।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে সেতু, সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনের কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় বছর আগে পর্যন্ত মূল নির্মাণকাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তখন জানানো হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নির্মাণকাজ শুরু হবে। কিন্তু জানুয়ারি পেরিয়ে গেলেও সেতুর কোনো দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।

আরও পড়ুন: যে ভাইকে পড়ালেন, সেই ভাইয়ের বিরুদ্ধেই জমি দখলের অভিযোগ!

মুলাদীর বাসিন্দা আক্কাস শিকদার গণমাধ্যমকে জানান, ‘৯ বছর ধরে শুনছি আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সেতু হবে। ৯ মাস ধরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাথর দেখছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।’

হিজলার বাসিন্দা রব মিয়া বলেন, ‘মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের বাসিন্দারা মীরগঞ্জ সেতুর অপেক্ষায় রয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে সেতুর প্রতিশ্রুতি শুনলেও বাস্তবে কাজের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এখন আমরা সেতুর বাস্তব নির্মাণকাজ দেখতে চাই।’

সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর একনেক সভায় মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রায় ১ হাজার ৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৪৮৪ মিটার। এর মধ্যে মূল সেতু ৫৪৪ মিটার এবং ভায়াডাক্ট ৯৪০ মিটার।

প্রকল্পের আওতায় দুই প্রান্তে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি নদীর তীর রক্ষা, ভূমি অধিগ্রহণ, টোলপ্লাজা, সড়কবাতি, ড্রেন, ফুটপাত ও কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বামী-শ্বশুড়বাড়ির নির্যাতন সইতে পারলেন না মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর

পায়রা সেতুর আদলে কেবল-এক্সট্রাডোজড ধরনের এই সেতু নির্মাণে চীনের চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সয়েল টেস্ট শেষ করে গত আগস্টে নকশা অনুমোদনের জন্য জমা দিয়েছে। বর্তমানে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নকশাটি যাচাই-বাছাই করছে। পরবর্তীতে নকশা প্রণয়ন কমিটির অনুমোদন পেলেই মাঠপর্যায়ে নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তবে শুধু নকশা নয়, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য মুলাদী ও বাবুগঞ্জ অংশে প্রায় ২১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে সওজ। জমির মালিকানা নিয়ে কিছু আপত্তি ও অভিযোগ থাকায় বিষয়টি তদন্ত করছে জেলা প্রশাসন।

বরিশাল জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ শাফিনুর রহমান আকন্দ গণমাধ্যমকে জানান, মুলাদী ও বাবুগঞ্জ অংশে প্রায় ২১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এর যাচাই-বাছাই চলছে। কিছু জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে এবং কিছু জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। এসব সমস্যা সমাধানের পর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। তবে তা কতদিন লাগবে, এখনই বলা যাচ্ছে না।

বরিশাল সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, নকশার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে নকশা অনুমোদনের আশা করা হচ্ছে। এরপর ডিসেম্বরেই সেতুর নির্মাণকাজ দৃশ্যমান হবে।

আরও পড়ুন: বরিশালে সাবেক স্বামীর ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে শিক্ষিকা রওনক বিনতে নূর রিপা গ্রেপ্তার

প্রকল্প পরিচালক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারহানা হুসনা গণমাধ্যমকে জানান, নকশা যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াগুলো শেষ হলে কাজ শুরু হবে। নকশার অনুমোদন পাওয়ার পর মূল সেতু নির্মাণে সমস্যা নেই। জমির প্রয়োজন অ্যাপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের জন্য। আশা করা হচ্ছে, জমি অধিগ্রহণের কাজ সময়মতো শেষ হবে।

এদিকে আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও মীরগঞ্জ সেতুর গুরুত্ব বাড়ছে। ভোলাকে বরিশালের সঙ্গে যুক্ত করার নতুন পরিকল্পনায় এই সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টি রয়েছে। ফলে সেতুটিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা থাকলেও নির্মাণকাজের ধীরগতিতে স্থানীয়দের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতার আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতার আশ্বাস

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বস্ত্রশিল্পের অবদানকে জাতীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রশংসা করেছেন এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে সংগঠনটির ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বস্ত্র খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যা প্রতিযোগী দেশগুলোর মতো বস্ত্র খাতকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। রাষ্ট্রপতি নেতৃবৃন্দকে এ বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অন্যান্য কারণে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও দেশের অর্থনীতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ফলে অর্থনীতির খাতগুলোকে পুনর্নির্মাণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

বর্তমান সময়ে জ্বালানি সংকটকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিগত সময়ে দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধান ও আহরণে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, জ্বালানি সমস্যার সমাধানে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

সাক্ষাৎকালে বিটিএমএ- সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল দেশের অর্থনৈতিক খাতে বস্ত্রশিল্পের অবদান তুলে ধরেন। তিনি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে দেশের বস্ত্র খাতের বিকাশ ও উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগগুলো উল্লেখ করেন এবং রাষ্ট্রপতিকে বস্ত্রখাতের বর্তমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ দেশীয় বস্ত্রকলকে সুরক্ষা দিতে ১০-৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার ও ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানির সুযোগ প্রদানের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে ১৫ বস্তা ইউরিয়া সার অবৈধভাবে পাচারকালে জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


জামালপুরে ১৫ বস্তা ইউরিয়া সার অবৈধভাবে পাচারকালে জব্দ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে সার পাচারকালে উপজেলা প্রশাসন ১৫ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করেছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে, বকশীগঞ্জ পৌর শহরের উত্তর বাজার আল রেজা হাসপাতালের সামনে অটোরিকশায় থাকা এই সারগুলো জব্দ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য অনুযায়ী, অটোরিকশায় ১৫ বস্তা ইউরিয়া সার বকশীগঞ্জ শহর অতিক্রম করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা অটোরিকশাটি থামান। তিনি নিশ্চিত হন যে, অটোরিকশায় থাকা ১৫ বস্তা সার অবৈধভাবে নেওয়া হচ্ছে এবং সেগুলো জব্দ করেন। পরে, জব্দ করা সারগুলো উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হেফাজতে রাখা হয়।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা জানান, সারগুলো জব্দ করে কৃষি কর্মকর্তার হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সেগুলো ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের কর্মচারীদের ঝুঁকিভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


দুদকের কর্মচারীদের ঝুঁকিভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গ্রেড-১০ থেকে গ্রেড-২০ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য মাসিক ঝুঁকিভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত এই কর্মচারীদের জন্য নতুন ঝুঁকিভাতার হার ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখে এই প্রজ্ঞাপন ইস্যু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট নির্ধারিত ঝুঁকি ভাতার হার সংশোধন করে নতুন হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেড-১০-এর কর্মচারীরা যদি চাকরির বয়স ৫ বছর বা এর কম হয়, তবে তারা মাসে ৩ হাজার ২৪০ টাকা ঝুঁকি ভাতা পাবেন। পূর্বে এই হার ছিল ২ হাজার ৭০০ টাকা।

গ্রেড-১১ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য নতুন ভাতা হবে ২ হাজার ৬৪০ টাকা। গ্রেড-১২ পর্যায়ের কর্মচারীদের চাকরির বয়স অনুযায়ী নতুন ভাতার হার ২ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেড-১৩ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য ৫ বছর বা এর কম চাকরির বয়সে ২ হাজার ২৮০ টাকা ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেড-১৪ থেকে গ্রেড-১৮ পর্যন্ত কর্মচারীদের জন্যও চাকরির বয়সভিত্তিক নতুন হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রেড-১৪তে ভাতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ২ হাজার ১৬০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৫৬০ টাকা, গ্রেড-১৫তে ২ হাজার ৪০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৮০ টাকা, গ্রেড-১৬তে ১ হাজার ৯২০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৮৪০ টাকা, গ্রেড-১৭তে ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং গ্রেড-১৮তে ১ হাজার ৬৮০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৬০ টাকা পর্যন্ত ভাতা প্রদান করা হবে।

অন্যদিকে, গ্রেড-১৯ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য চাকরির বয়সভেদে নতুন ভাতা ১ হাজার ৫৬০ টাকা থেকে ৩ হাজার ২৪০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, গ্রেড-২০ পর্যায়ের কর্মচারীরা ১ হাজার ৪৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ১২০ টাকা পর্যন্ত ঝুঁকি ভাতা পাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবির আইবিএস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবীনবরণে ৬ পিএইচডি ও ২৬ এমফিল গবেষককে বরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


রাবির আইবিএস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবীনবরণে ৬ পিএইচডি ও ২৬ এমফিল গবেষককে বরণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ৬ জন পিএইচডি ও ২৬ জন এমফিল নবীন গবেষককে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আইবিএস) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বরণ করে নিয়েছে।

এই নবীনবরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএস সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম।

আইবিএস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদও উপস্থিত ছিলেন।

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা নবীন গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রাখবেন।

নবীন গবেষক মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘একজন গবেষক হিসেবে আজকের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রথমবারের মতো আইবিএসের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আইবিএস বাংলাদেশ সম্পর্কে জানার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আইবিএসের অবস্থান কিছুটা স্বতন্ত্র। আগামী বাজেটে আইবিএসের জন্য বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

সভাপতির বক্তব্যে আইবিএস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক বলেন, ‘গবেষণার মান কেমন হবে, সেই দায়িত্ব মূলত গবেষকদের। আর গবেষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আইবিএস কর্তৃপক্ষের। এই দুইয়ের মাঝামাঝি একজন সেবক হিসেবে কাজ করার দায়িত্ব অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের। আমরা সেই কাজটিই করে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই, আইবিএস একটি সুন্দর পরিসরে আরও ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান ও মর্যাদা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও উচ্চতর অবস্থান তৈরি করুক। এখান থেকে ভালো গবেষক ও মানসম্মত গবেষণা তৈরি হলে প্রশাসনও আইবিএসের প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।’

এসময় অনুষ্ঠানে আইবিএস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, আইবিএস অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ড. মোহাম্মদ নাজিমুল ও অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামানও উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%