প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বস্ত্রশিল্পের অবদানকে জাতীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রশংসা করেছেন এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে সংগঠনটির ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বস্ত্র খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যা প্রতিযোগী দেশগুলোর মতো বস্ত্র খাতকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। রাষ্ট্রপতি নেতৃবৃন্দকে এ বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার পরামর্শ দেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অন্যান্য কারণে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও দেশের অর্থনীতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ফলে অর্থনীতির খাতগুলোকে পুনর্নির্মাণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
বর্তমান সময়ে জ্বালানি সংকটকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিগত সময়ে দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধান ও আহরণে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, জ্বালানি সমস্যার সমাধানে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
সাক্ষাৎকালে বিটিএমএ- সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল দেশের অর্থনৈতিক খাতে বস্ত্রশিল্পের অবদান তুলে ধরেন। তিনি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে দেশের বস্ত্র খাতের বিকাশ ও উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগগুলো উল্লেখ করেন এবং রাষ্ট্রপতিকে বস্ত্রখাতের বর্তমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ দেশীয় বস্ত্রকলকে সুরক্ষা দিতে ১০-৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার ও ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানির সুযোগ প্রদানের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন