ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্প, মেলোনি, ম্যাক্রোঁসহ ১৩ বিশ্বনেতার নাম ইরানের হত্যার তালিকায়!


ট্রাম্প, মেলোনি, ম্যাক্রোঁসহ ১৩ বিশ্বনেতার নাম ইরানের হত্যার তালিকায়!

সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে কাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ইরান। এ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতাদের নামও রয়েছে। যুদ্ধের আগ থেকেই ইরানের একটি রক্ষণশীল সংবাদপত্র, যা উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত, এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হন প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ। এরপর তার পুত্র মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন এবং প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেন।

‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং তা অবশ্যই কার্যকর করতে হবে,’ এই সপ্তাহে তার বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর শনিবার দেয়া প্রথম বার্তায় মোজতবা একথা বলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

‘এই অপরাধীরা, যাদের নাম একটি তালিকায় রয়েছে, তারা নিজেদের বিছানায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কবরে যাবেন,’ বলেন মোজতবা।

এদিকে, ইরানের রাজধানীতে কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হামশাহরি সংবাদপত্রটি শনিবার গভীর রাতে অনলাইনে একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করেছে। সেখানে মোজতবার বিবৃতির পাশাপাশি ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবিও রয়েছে।

সর্বোচ্চ নেতা তার বার্তায় বলেছেন, ইরান লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তবে তিনি কোনো নাম উল্লেখ করেননি এবং সংবাদপত্রটির তালিকাটি যে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত, এমন কোনো ইঙ্গিতও ছিল না।

এই ইনফোগ্রাফিকটিতে অন্যদের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তালিকায় আরও রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ।

যুদ্ধ চলাকালীন, ইরান ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে যে, তারা নিজেদের ভূখণ্ডে মার্কিন হামলার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন সামরিক বিমানকে উড়তে দিয়ে সহায়তা করেছে।

যুদ্ধের আগে থেকেই মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং জানা গেছে, যে হামলায় তার বাবা নিহত হন, সেই হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণ পাশে থাকলে দেশ পুনর্গঠনে সরকার কোনো বাধাই মানবে না: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


জনগণ পাশে থাকলে দেশ পুনর্গঠনে সরকার কোনো বাধাই মানবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান বিএনপি সরকারের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। তাই যতদিন জনগণের সমর্থন থাকবে এবং জনগণ যতক্ষণ পাশে থাকবে, বিএনপি কোনো বাধাই মানবে না।

সোমবার (১৩ জুলাই) গৌরনদীর বাটাজোরে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি এ সময় আরও বলেন, ‘আমরা এই দেশটাকে পুনর্গঠন করতে চাই, সামনে এগিয়ে নিতে চাই। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশটাকে একদিন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’

প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতার শুরুতে উপস্থিত নারীদের ডেকে জানতে চান, ‘আপনি ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন? এই কার্ড নিয়ে কী কী উপকার পেয়েছেন?’

এ সময় পারুল আখতার নামে এক নারী মঞ্চে গিয়ে বলেন, ‘এই কার্ড পেয়ে অনেক উপকার পেয়েছি। আমার সংসারের অভাব দূর হয়েছে। আমি আশা করি, আগামীতেও প্রধানমন্ত্রী আমাদের এরকম সহযোগিতা করে যাবেন। বিপদে-আপদে সবসময় আমাদের পাশে থাকবেন।’

প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন, ‘এখানে ৬০০-এর মতো পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। আমি জানি, আরও অনেক পরিবার আছে, যারা এখনও কার্ড পায়নি। তবে আগামীতে তারাও পাবে। সারাদেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ধীরে ধীরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে। আগামী পাঁচ বছরে সকল পরিবারের কাছে কার্ড পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ মা-বোনদের কাছে শুনলাম, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পরে সংসারের কাজগুলো গুছানোর জন্য একটু হলেও তাদের সুবিধা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্যই হলো, আমাদের মায়েরা যাতে ভালো থাকতে পারেন, দেশের মানুষ যাতে একটু হলেও ভালো থাকতে পারেন।’

তারেক রহমান মন্তব্য করেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দেশের প্রত্যেক মা ও প্রত্যেক নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে সকলের সাহায্য, সমর্থন ও সহযোগিতা বর্তমান সরকারের প্রয়োজন।’

বিএনপি সরকারের পাশে থাকার জন্য দেশের নারীসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা সকলে যদি সরকারকে সহযোগিতা করে পাশে থাকেন, তাহলে আমরা আস্তে আস্তে সারাদেশেই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পারব।’

তিনি পাশাপাশি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আমরা সমাজে বিরাট পরিবর্তন আনতে সক্ষম হব। ধীরে ধীরে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে আমাদের নারীরা। একই সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবেও তারা শক্তিশালী হবে।’

দেশের সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে ভালো থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের সকল নাগরিক এবং সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে শান্তিতে চলতে চাই। আমরা ধৈর্যশীল হলে এই বাংলাদেশকে আমাদের প্রত্যাশিত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান যে ধর্মের অনুসারীই হই, আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য সকল ধর্মের মানুষ মিলে শান্তিতে বসবাস করার। কাজেই বর্তমান ও ভবিষ্যতে ধর্মীয় ভেদাভেদ না করেই চলতে চাই। সবাইকে মানবিকতার ভিত্তিতে বিচার করে এই দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই আমরা।’

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি কথা বলে থাকি, "করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"। এবার আরেকটি কথা বলতে চাই, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ"। আগামী দিনে সবাই যাতে একটু ভালো থাকতে পারি, সবাই যাতে একটু ভালোভাবে চলতে পারি-সেটিই হচ্ছে বর্তমান সরকারের রাজনীতি এবং আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা।

এর পর প্রধানমন্ত্রী গৌরনদী থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি ত্রিশ গোডাউনের বধ্যভূমি-সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এ মাসেই দীপু মনিসহ সাবেক ১০ এমপির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


এ মাসেই দীপু মনিসহ সাবেক ১০ এমপির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

জুলাই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় আওয়ামী লীগের প্রায় ১০ জন এমপি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে, যারা হলেন আমির হোসেন আমু, দীপু মনি, শাহজাহান খান, কামাল আহমেদ মজুমদার, আবদুর রাজ্জাক, তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সোমবার (১৩ জুলাই) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদনগুলো যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি আরো জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চলতি মাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে সুপেরিয়র রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, জুলাই হত্যাযজ্ঞের ২৪ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং ৬ টি মামলার রায় হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

অপরদিকে, বহুল আলোচিত শাপলা চত্বর হত্যা মামলার তদন্তও শেষ হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আগামী ২১ জুলাই ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপের কামড়ের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত ওষুধের বরাদ্দ রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


সাপের কামড়ের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত ওষুধের বরাদ্দ রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় সাপের কামড়ের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য প্রদান করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে বন্যায় সাপে কামড়ের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে যদি কাউকে সাপে কামড় দেয় তবে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য সিভিল সার্জনদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দূষিত পানির কারণে যদি ডায়রিয়া বা কলেরা দেখা দেয় তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। স্যালাইনসহ পর্যাপ্ত ওষুধের মজুত রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বন্যাকবলিত ১১টি জেলায় সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ সকল স্থানে চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ও নার্স প্রস্তুত রয়েছেন। স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ওষুধ মজুত রয়েছে।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পরেই সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সরকার কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসেনি। হাসপাতালটি সংস্কারের জন্য যে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার, সেগুলো কার্যকর করার পর পরিদর্শন করেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাকে এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশে যান। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় তাকে।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার ভালো লাগে এবং শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলা ও তাদের সান্নিধ্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে তিনি যেন শৈশবে ফিরে যান।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%