ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী


বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাকে এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশে যান। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় তাকে।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার ভালো লাগে এবং শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলা ও তাদের সান্নিধ্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে তিনি যেন শৈশবে ফিরে যান।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে বন্ধ করা হলো ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ভারতে বন্ধ করা হলো ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী একটি মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মসজিদটি শহরের নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকার ভেতরে অবস্থিত। সেখানে মুসল্লিদের এন্ট্রি পাস দিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দিয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জাতীয় নিরাপত্তা ও রানওয়ে সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে মসজিদ কমিটি বলছে, আলোচনা চলমান থাকাবস্থায় মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ করার কোনও প্রয়োজন ছিল না।

কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরোনো এই গৌরীপুর জামে মসজিদটি ‘বাঁকড়া মসজিদ’ নামেও পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই মসজিদটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। মূলত, দমদম বিমানবন্দরে দুটি রানওয়ে রয়েছে, এর মধ্যে প্রধান রানওয়েটি বড় উড়োজাহাজের ওঠানামায় ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয় রানওয়েটি তুলনামূলক ছোট এবং মসজিদটি সেটির কাছেই অবস্থান করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধান রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ থাকলে বড় উড়োজাহাজ দ্বিতীয় রানওয়ে ব্যবহার করতে সমস্যায় পড়বে। বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মসজিদটি উড়োজাহাজের ওঠানামার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। এছাড়া, দ্বিতীয় রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজও আটকে আছে।

এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার থেকে মসজিদে প্রবেশের জন্য নতুন করে এন্ট্রি পাস দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। এর ফলে, মসজিদে নামাজ আদায়ও বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যেকোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে।

এ বিষয়ে রোববার (১২ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়।’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি জানিয়েছেন যে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করবেন না। কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চীন ও বাংলাদেশের নিকটেই এটি রয়েছে। তাই বাইরের লোকজনের জন্য বিমানবন্দরের প্রবেশপথ খোলা রাখা যায় না।

তিনি আরও বলেছেন, ‘বিরোধীরা যা বলছে, তার বিপরীতে আমরা কারও ধর্ম পালনে বাধা দিইনি। ঈদে পশু জবাই-সংক্রান্ত আইন মেনে উৎসব হয়েছে, মহররমেও অস্ত্র প্রদর্শন ছাড়াই অনুষ্ঠান হয়েছে। আইন মেনে চলুন, ভালো নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করুন। ধর্মকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে পালন করুন এবং অন্যের ওপর তা চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করবেন না। তাহলে সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলবে।’

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই সংবাদপত্রে পড়ে এসেছি, কলকাতা বিমানবন্দরের একটি মসজিদের কারণে রানওয়ে নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। তোষণের রাজনীতির কারণে আগের কোনও সরকার এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি। এখন আমাদের সরকার ক্ষমতায়। আমরা তোষণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। মসজিদটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে।’

দমদম উত্তর আসনের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের বিধানসভা এলাকার মধ্যেই বিমানবন্দরটি অবস্থিত। তিনি দাবি করেছেন, বিমানবন্দরের ভেতরে মসজিদটি থাকায় দুটি রানওয়ের পূর্ণ ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তার দাবি, নামাজ পড়তে আসা লোকজনের বিমানবন্দরের পাস বা পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজন হয় না। তিনি বলেছেন, ‘বিমানবন্দর একটি উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন এলাকা। এখানে প্রবেশ করতে হলে ছবি-সংবলিত বায়োমেট্রিক পাস নিতে হয়। অথচ, মসজিদটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ‘লেভেল-৩’ এলাকায় অবস্থিত।’

সৌরভ শিকদার আরও বলেছেন, প্রতি মাসে লাখো যাত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীসহ ভিভিআইপিরাও এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেন। তিনি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি উল্লেখ করে তার দল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছে।

পশ্চিমবঙ্গের আরেক মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবেই মসজিদটিকে রানওয়ের এলাকায় থাকতে দেওয়া হয়েছিল। তার মতে, মসজিদটি ওই স্থানে থাকার কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। এখন সেখানে নামাজও বন্ধ হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করছেন, জায়গাটি খালি করে দেওয়া হবে যাতে রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ নির্বিঘ্নে এগিয়ে নেওয়া যায়।

এদিকে, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগের মন্ত্রিসভার সাবেক মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী নামাজ বন্ধের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেছেন, মসজিদটি ১৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনার মধ্যেই মসজিদটিতে মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ করার প্রয়োজন ছিল না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যা করলো স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যা করলো স্বামী

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদকসেবী স্বামীর ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক স্ত্রী নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর স্বামী পালিয়ে গেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) মধ্য রাত ২টা ৪৫ নাগাদ শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি (লিচু বাগান) মজনুর বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত পোশাক শ্রমিক নাসিমা আক্তার (২৭) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার খৈলাসপুর (বনপাড়া) গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। অপরদিকে, ঘাতক স্বামী সাইদুল ইসলাম ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার গিদাপাড়া (বাদরাকান্দা) গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র।

নিহতের গ্রামের বাড়ির প্রতিবেশী শামীম মিয়া জানান, নাসিমা আক্তারের স্বামী মাদকসেবী। প্রতিনিয়তই নেশার টাকার জন্য তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়ে আসছিল। প্রায় মাস খানেক আগে নাসিমা তার দুই সন্তান, আটটি বছরের এক মেয়ে এবং পাঁচ বছরের এক ছেলেকে নিয়ে শ্রীপুরে চলে আসেন। শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি (লিচু বাগান) মজনুর বাড়িতে ভাড়া থেকে তিনি স্থানীয় ওয়ানটেক্স পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। রোববার (১২ জুলাই) নাসিমা প্রথম মাসের বেতন পেয়ে বাসায় ফেরেন। খবর পেয়ে ওই রাতেই তার স্বামী সাইদুল ইসলাম বাসায় চলে আসেন। রাতে নাসিমার কাছে টাকা চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে স্বামী তার দুই সন্তানের সামনে স্ত্রী নাসিমা আক্তারকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবরিনা তাহসিন জানান, পোশাক শ্রমিক নাসিমা আক্তারকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরের উপর্যুপরি একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাদী মোহাম্মদ বলেন, নিহত পোশাক শ্রমিক নাসিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘাতক সাইদুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুপিয়ে হত্যা করা হলো যুবদল নেতাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


কুপিয়ে হত্যা করা হলো যুবদল নেতাকে

যশোরে রুবেল হোসেন (৩৬) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ১১টার দিকে, বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা বাজারের তেল পাম্পের পাশেই। নিহতের স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক বিরোধের ফলস্বরূপ এমন একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নিহত রুবেল খাজুরা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি তেলি ধান্যপাড়া গ্রামের মোনতাজ সরদারের ছেলে ছিলেন।

নিহতের ভাই রাজিব হোসেনসহ অন্যান্য স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা জানান, রুবেল একটি কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি চালক ছিলেন। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি বাড়ি ফিরে খাজুরা বাজারের সেলুনে যান। সেলুন থেকে বের হওয়ার পর একই গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে রাব্বি হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়েই রুবেলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাস্থলে রাব্বির সাথে আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিল।

নিহতের ভাই দাবি করেন, পূর্বের রাজনৈতিক বিরোধের কারণে রাব্বি হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রুবেলের বুকে, পিঠে এবং মুখে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। রুবেলকে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কিসমোতারা বেগম বলেন, 'রুবেলের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু ঘটে গেছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'

যশোর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, 'হ্যান্ডক্যাপের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। একইসাথে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে তৎপর রয়েছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানিতে ব্যথিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


বাংলাদেশে বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানিতে ব্যথিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

রোববার (১২ জুলাই) তিনি এক শোকবার্তায় এই সমবেদনা জানান। তার শোকবার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় আমি গভীরভাবে ব্যথিত।’

পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে, তিনি এই সংকটকালীন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি পাকিস্তানের অবিচল সংহতি প্রকাশ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সবার নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করছি।’

উল্লেখ্য, টানা ভারী বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।

সূত্র: ইউএনবি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%