প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে কাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ইরান। এ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতাদের নামও রয়েছে। যুদ্ধের আগ থেকেই ইরানের একটি রক্ষণশীল সংবাদপত্র, যা উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত, এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হন প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ। এরপর তার পুত্র মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন এবং প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেন।
‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং তা অবশ্যই কার্যকর করতে হবে,’ এই সপ্তাহে তার বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর শনিবার দেয়া প্রথম বার্তায় মোজতবা একথা বলেন।
‘এই অপরাধীরা, যাদের নাম একটি তালিকায় রয়েছে, তারা নিজেদের বিছানায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কবরে যাবেন,’ বলেন মোজতবা।
এদিকে, ইরানের রাজধানীতে কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হামশাহরি সংবাদপত্রটি শনিবার গভীর রাতে অনলাইনে একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করেছে। সেখানে মোজতবার বিবৃতির পাশাপাশি ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবিও রয়েছে।
সর্বোচ্চ নেতা তার বার্তায় বলেছেন, ইরান লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তবে তিনি কোনো নাম উল্লেখ করেননি এবং সংবাদপত্রটির তালিকাটি যে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত, এমন কোনো ইঙ্গিতও ছিল না।
এই ইনফোগ্রাফিকটিতে অন্যদের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
তালিকায় আরও রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ।
যুদ্ধ চলাকালীন, ইরান ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে যে, তারা নিজেদের ভূখণ্ডে মার্কিন হামলার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন সামরিক বিমানকে উড়তে দিয়ে সহায়তা করেছে।
যুদ্ধের আগে থেকেই মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং জানা গেছে, যে হামলায় তার বাবা নিহত হন, সেই হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন