রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩০ পি.এম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মের নামে রাজনীতি করে এবং জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। কিন্তু তারা এলাকায় দোজখের আগুন জ্বালাচ্ছে। ইসলামের প্রকৃত উদ্দেশ্য মানবতার সেবা করা হলেও তাদের সেই লক্ষ্য নেই। তারা শুধুমাত্র রাজনৈতিক লাভের পিছনে ছুটছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মাসকরা গ্রামে দুর্বৃত্তদের দ্বারা আগুনে পুড়ে যাওয়া বিএনপি নেতা মিলনের পরিবারের জন্য নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রিজভী আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামী বারবার মানুষের সঙ্গে মোনাফেকি করছে। বর্তমানে তারা ত্রাসের রাজনীতি এবং সন্ত্রাসের রাজনীতি করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির জন্য এই ঘরটি উপহার দেওয়া হয়েছে। বিএনপি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।
অনুষ্ঠানে মাসকরা গ্রামের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মিলন পরিবারের পাঁচ সদস্যের হাতে নবনির্মিত ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরিবারটিকে একটি ছাগলও উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সংসদ সদস্য আলহাজ রাশেদা বেগম হিরা, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল হুদাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, দুর্নীতির দুর্গন্ধ থামানো কঠিন এবং এটি বের হয়ে আসবেই।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিয়োগ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ওই নিয়োগটি দুঃখজনক ছিল, কারণ তার উচ্চপর্যায়ের পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিশ্বাসযোগ্য যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ছিল না। তিনি তার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিষয়ে ভুল তথ্য প্রদান করেছেন।
এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগ্যতা ও দক্ষতার ঘাটতির বিষয়গুলো সামনে আসবে। দুর্নীতির দুর্গন্ধ থামানো কঠিন, এটি বের হয়ে আসবেই।
এ সময় শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।
হুমায়ুন কবির যোগ করেন, সায়মা ওয়াজেদকে শুধুমাত্র একটি পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নিয়োগপ্রক্রিয়া আরও কঠোর করা প্রয়োজন। কোনো পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে কাউকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া উচিত নয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মালদ্বীপের একজন প্রার্থীকে সমর্থন করছে, যার ভালো যোগ্যতা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অদূর ভবিষ্যতে ডব্লিউএইচও উপযুক্ত নেতৃত্বের হাতে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে আসছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। জাতীয় দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছা তিনি বিভিন্ন সময় প্রকাশ করলেও, সেই দায়িত্ব কখনোই পাননি। তবে, সাবেক এই ক্রিকেটার জাতীয় দলের কোচ হওয়ার জন্য নিজেকে যোগ্য বলে দাবি করেছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন।
সুজন মন্তব্য করেন, ‘আমার ব্রেড অ্যান্ড বাটার কোচিং। যদি বোর্ড মনে করে, আমি সামর্থবান, তারা যদি অফার করে, আমি অবশ্যই দায়িত্ব নেব।’
বর্তমানে তিনি ক্রিকেট বোর্ডে পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। এ প্রসঙ্গে সুজন বলেন, ‘এখন তো প্রেসিডেন্টের দেওয়া একটি দায়িত্ব রয়েছে- গেম ডেভেলপমেন্টের কনসালটেন্ট। উনি হয়ত ভেবেছেন, আমি এখানে অবদান রাখতে পারব।’
তিনি আরও জানান, তাকে যোগ্য মনে করার জন্য প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সুজন বলেন, ‘আমি যতটা সম্ভব অবদান রাখার চেষ্টা করব। ফাহিম এখানে চেয়ারম্যান, তার সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।’
মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঙ্গে সুজনের সম্পর্ক ভালো নয় বলে শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এটা তো মানুষ বলে। কী ঝামেলা? আমি আর সালাউদ্দিন তো এটা মনে করি না। ছোটবেলা থেকে আমরা দুজন একে অপরকে ভালোভাবে চিনি, একসঙ্গে খেলেছি। পরে দুজনেই কোচিংয়ে এসেছি। তার সঙ্গে সবসময় আমার সুসম্পর্ক।”
তিনি আরও বলেন, “সালাউদ্দিন কোচ হিসেবে অনেক পরিণত হয়েছে, বড় পরিসরে কোচিং করছে। আমি মনে করি না তার সঙ্গে কখনো কোনো সমস্যা ছিল। সালাউদ্দিনই এটা বলবে। আমাদের সবসময় কথা হয়, ফোনেও কথা হয়। কোচিংয়ে আমরা দুজন দুই দলকে কোচিং করেছি। কখনও সে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কখনও আমি। এটার জন্য তো সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কথা নয়। বরং সে ভালো করলে আমি খুশি হই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় স্ত্রী রিনা বেগমকে (৩২) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে পুলিশ মো. সুমন সরকারকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের ভাটেরচর নতুন রাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন, চর বাউশিয়া মধ্যমকান্দি এলাকার মো. সুমন সরকারের বসতঘরে তার স্ত্রী রিনা বেগমের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় গজারিয়া থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে।
নিহত রিনা বেগম উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বৈদ্যারগাঁও গ্রামের মো. ইব্রাহিমের কন্যা। প্রায় ১৭ বছর আগে সুমন সরকারের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সুমন পেশায় রং মিস্ত্রি।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুমন ও রিনার মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো। এর আগে সুমন তার স্ত্রীকে একাধিকবার মারধর করেছেন বলেও জানা যায়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সুমন বাড়িতে এসে স্ত্রীকে খাবার দিতে বলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে সুমন স্ত্রীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন। পরে রাত ১০টার দিকে রিনা তার মেয়েকে নিয়ে একটি ছোট কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। সুমন পাশের কক্ষে ঘুমান। রাত আনুমানিক ১টার দিকে সুমন স্ত্রী যে কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন সেখানে গিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এরপর তিনি বাড়িতে অবস্থান করেন এবং ফজরের নামাজের সময় পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করে কুমিল্লার দিকে চলে যান।
এরপর তিনি কুমিল্লার বুড়িচং, চান্দিনা, দাউদকান্দি, তিতাস ও মেঘনা এলাকায় অবস্থান করেন বলে জানা যায়। গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল তাকে অনুসরণ করতে থাকে। পরে তিনি ঢাকার দিকে রওনা হলে গজারিয়া থানা পুলিশের অপর একটি দল টেংগারচর ইউনিয়নের ভাটেরচর নতুন রাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই সাফায়েত হোসেন (২৩) বাদী হয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর গজারিয়া থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার মো. সুমন সরকার (৪০) গজারিয়া থানার চর বাউশিয়া মধ্যমকান্দি এলাকার বাছেদ সরকারের ছেলে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) জাতীয় পর্যায়ের ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে তারা বিকল্প জ্বালানি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে গবেষণালব্ধ পাঁচটি উদ্ভাবন প্রদর্শন করছে। এই মেলা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মাধ্যমে তৈরি প্রযুক্তি ও পণ্যগুলো তুলে ধরা হচ্ছে।
যবিপ্রবির প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ন্যানো-ইউরিয়া, স্মার্ট সেন্সর যা কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় ব্যবহৃত হবে, ন্যানো-ক্যারিয়ার ড্রাগ, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য প্রিবায়োটিক এবং সরাসরি পানি থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদনের প্রযুক্তি। এসব উদ্ভাবন দর্শনার্থী ও বিভিন্ন স্তরের গবেষকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
১২ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর নভোথিয়েটারে শুরু হওয়া এই আয়োজনে যবিপ্রবির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।
মেলায় যবিপ্রবির অন্যতম আলোচিত উদ্ভাবন হলো ন্যানো-ইউরিয়া। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খানের উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়ার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং কৃষকের জন্য কার্যকর সার ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এটি প্রদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুমতি পাওয়া তিনটি পণ্যের মধ্যে একটি।
যবিপ্রবির অন্যান্য গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবনগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি। এছাড়া, ওষুধের কার্যকারিতা ও সরবরাহব্যবস্থাকে উন্নত করার লক্ষ্যে ন্যানো-ক্যারিয়ার ড্রাগ এবং ভবিষ্যৎ খাদ্য ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সম্ভাবনা নিয়ে প্রিবায়োটিক প্রযুক্তি প্রদর্শিত হচ্ছে।
বিকল্প ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্রে যবিপ্রবির একটি উদ্ভাবনও মেলায় স্থান পেয়েছে। সরাসরি পানি থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদনের প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নতুন সম্ভাবনার দিক তুলে ধরছে।
যবিপ্রবির স্টলে এসব উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার জন্য বিভিন্ন স্তরের গবেষক ও দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে তৈরি প্রযুক্তিগুলোকে বাস্তব প্রয়োগ ও বাণিজ্যিক উৎপাদনের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও এবারের অংশগ্রহণে গুরুত্ব পেয়েছে।
যবিপ্রবির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. কিশোর মজুমদার, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিনা আক্তার, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাফিউল হাসান এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরাও মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ