শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
যেকোনো সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস ও ভরসা। যখন সন্দেহ প্রবেশ করে, তখন ধীরে ধীরে সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরতে শুরু করে। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে একে অপরের ওপর আস্থা হারিয়ে গেলে একসঙ্গে পথ চলা কঠিন হয়ে যায়।
বিশ্বাসের অভাব হলে ছোটখাটো বিষয় নিয়েও ঝগড়া ও অশান্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে। সম্পর্কের মধ্যে জমে থাকা তিক্ততা তৈরি হয়। কিন্তু একবার বিশ্বাসে আঘাত লাগলেই যে সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে, এমন নয়। কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকলে ধীরে ধীরে সঙ্গীর আস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।
খোলাখুলি কথা বলুন
যখন সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়, তখন চুপ থাকা কোনো সমাধান নয়। সঙ্গীর কোন কথায় বা কাজে আপনি আঘাত পেয়েছেন, এবং কী কারণে বিশ্বাসে চিড় ধরেছে—এসব নিয়ে সরাসরি আলোচনা করা অত্যন্ত জরুরি।
একইভাবে, যদি আপনার কোনো ভুলের কারণে সঙ্গীর বিশ্বাস নষ্ট হয়ে থাকে, তবে তার মনের কথা জানার চেষ্টা করুন। যদি তার মনে কোনো ভুল ধারণা তৈরি হয়ে থাকে, তবে সেটিও খোলাখুলি আলোচনা করে দূর করতে হবে।
একসঙ্গে সময় কাটান
বিশ্বাসে আঘাত লাগার পর দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে সেই দূরত্ব যদি বাড়তে থাকে, তাহলে সম্পর্ক আরও দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সুতরাং, সঙ্গীর কাছ থেকে দূরে সরে না গিয়ে যতটা সম্ভব একসঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। ভালোবাসা ও যত্নের মাধ্যমে সম্পর্কের পুরোনো মধুরতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।
সবকিছুতে স্বচ্ছ থাকুন
একবার বিশ্বাস ভেঙে গেলে সঙ্গীর কাছে সত্যি কথাও অনেক সময় সন্দেহজনক মনে হতে পারে। তাই এই সময়ে আরও বেশি স্বচ্ছ থাকা প্রয়োজন।
সঙ্গীর কাছ থেকে কোনো বিষয় লুকানোর চেষ্টা করবেন না। মিথ্যা বলাও এড়িয়ে চলুন। বরং স্বাভাবিকভাবে কথা বলুন এবং নিজের আচরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখুন। এতে ধীরে ধীরে সঙ্গীর আস্থা ফিরে আসতে পারে।
পরিস্থিতি শান্ত রাখুন
বিশ্বাসে আঘাত লাগলে সঙ্গী রেগে যেতে পারেন, কষ্ট পেতে পারেন কিংবা বারবার একই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে তর্কে জড়িয়ে পড়লে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
সুতরাং, নিজেকে প্রমাণ করার জন্য অতিরিক্ত কথা না বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। সঙ্গী যখন কিছুটা শান্ত হবেন, তখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন। প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান ও সত্যিটা ধীরে-সুস্থে বুঝিয়ে বলুন।
যা এড়িয়ে চলবেন
বিশ্বাস ফেরানোর পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করতে পারে মিথ্যা বলা, বিষয় লুকানো এবং অযথা তর্কে জড়িয়ে পড়া। তাই এসব থেকে দূরে থাকাই ভালো।
সম্পর্কে আবার আস্থা তৈরি হতে সময় লাগে। একদিনে সবকিছু আগের মতো হয়ে যাবে—এমন আশা না করে ধৈর্য ধরে সঙ্গীর পাশে থাকা, খোলাখুলি কথা বলা এবং নিজের আচরণে ধারাবাহিকতা রাখা জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আদনান মেন্ড্রেসকে স্মরণ করা হচ্ছে সামরিক অভ্যুত্থানের পর ৬৫ বছর পেরিয়ে। ১৯৬১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এর একদিন আগে তার দুই মন্ত্রী ফাতিন রুশতু জোরলু এবং হাসান পোলাতকানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ইস্তাম্বুলে মেন্ড্রেস ও তার দুই মন্ত্রীর স্মরণে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এক বিবৃতিতে তিন নেতার মৃত্যুদণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়াকে অন্যায্য বলে উল্লেখ করেছেন।
নির্বাচনে জয়, এক দশক প্রধানমন্ত্রী
১৯৫০ সালের নির্বাচনে আদনান মেন্ড্রেসের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক পার্টি ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করে। তিনি প্রায় এক দশক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সরকারের অধীনে অর্থনীতিতে বিভিন্ন পরিবর্তন আনা হয় এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের ওপর থাকা কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। এর মধ্যে আরবি ভাষায় আজান দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৫২ সালে তুরস্ক ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সময়ও তার সরকার ক্ষমতায় ছিল।
মেন্ড্রেসের রাজনৈতিক স্লোগান ছিল—‘যথেষ্ট, এবার কথা বলবে জনগণ’। এই কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত হন।
সামরিক অভ্যুত্থান ও গ্রেপ্তার
১৯৬০ সালের ২৭ মে একদল সামরিক কর্মকর্তা ক্ষমতা দখল করে। নিজেদের ‘ন্যাশনাল ইউনিটি কমিটি’ হিসেবে পরিচিত ওই গোষ্ঠী তুরস্কের সংসদ ভেঙে দেয় এবং প্রেসিডেন্ট জেলাল বায়ার ও প্রধানমন্ত্রী মেন্ড্রেসসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আটক করে।
পরে মেন্ড্রেস ও অন্যান্য নেতাদের বিচার ইয়াসিয়াদা দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়। ১৯৬১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিশেষ আদালত ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। শেষ পর্যন্ত মেন্ড্রেস, জোরলু ও পোলাতকানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দেওয়া হয়।
জোরলু ও পোলাতকানকে ১৬ সেপ্টেম্বর ফাঁসি দেওয়া হয়। পরদিন ইস্তাম্বুলের কাছে ইমরালি দ্বীপে মেন্ড্রেসকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। প্রেসিডেন্ট জেলাল বায়ারের বয়স বেশি হওয়ায় তার মৃত্যুদণ্ড পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা হয়।
তিন নেতার সম্মান পুনর্বহাল
মেন্ড্রেস, জোরলু ও পোলাতকানের মৃত্যুদণ্ড তুরস্কে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ১৯৯০ সালে তুরস্কের সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সম্মান পুনর্বহাল করে। পরে তাদের মরদেহ ইস্তাম্বুলের একটি রাষ্ট্রীয় স্মৃতিসৌধে স্থানান্তর করা হয়। যে ইয়াসিয়াদা দ্বীপে তাদের বিচার হয়েছিল, সেটির নাম পরে ‘গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা দ্বীপ’ রাখা হয়।
স্মরণ অনুষ্ঠানে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতি জানান, তার পূর্বসূরি ইসমাইল নামিক গেদিকের মরদেহও ওই স্মৃতিসৌধে স্থানান্তর করা হবে। ১৯৬০ সালের অভ্যুত্থানের পর আটক গেদিক কারাগারে মারা যান। সামরিক কর্তৃপক্ষ তখন দাবি করেছিল, তিনি আটক থাকা সামরিক বিদ্যালয়ের জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে তার পরিবার ওই ব্যাখ্যার বিরোধিতা করে।
চিফতি বলেন, গেদিকের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানো হয়েছিল, কিন্তু তারা সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেন না। তিনি গেদিককে ১৯৬০ সালের দমন-পীড়নের ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে চিফতি মেন্ড্রেস, জোরলু, পোলাতকান ও গেদিককে জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্বকারী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ১৯৬০ সালে জনগণের সেই ইচ্ছা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
তুরস্কের ইতিহাসে ১৯৬০ সালের পর ১৯৭১, ১৯৮০ ও ১৯৯৭ সালে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং ২০০৭ সালে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে নির্বাচিত সরকারের প্রতি সতর্কবার্তার ঘটনা ঘটে। ২০১৬ সালের ১৫ জুলাইও তুরস্কে একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপের ইতিহাস নিয়ে এখনো আলোচনা রয়েছে।
মেন্ড্রেসের মৃত্যুর ৬৫ বছর পরও প্রতি বছর তার স্মরণে অনুষ্ঠান হয়। তুরস্কের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার প্রধানমন্ত্রীত্ব, ১৯৬০ সালের সামরিক অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী মৃত্যুদণ্ড দেশটির বহুদলীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি সাবাহ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকের উদ্দেশ্য দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দলের পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা।
এছাড়াও, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং এর প্রস্তুতিমূলক বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাইরে যাওয়ার আগে পারফিউম ব্যবহার করা এখন অনেকের প্রতিদিনের সাজগোজের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিছু মানুষ কবজিতে, কিছু কানের পেছনে আবার কেউ সরাসরি ঘাড়ে সুগন্ধি স্প্রে করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়শই দাবি করা হয় যে, ঘাড়ের মতো নির্দিষ্ট স্থানে নিয়মিত পারফিউম ব্যবহার করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
এমন দাবিতে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। মূলত পারফিউমে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান নিয়ে এই প্রশ্ন উঠেছে। তবে বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলেই ক্যানসার হয়—এমন কোনো প্রমাণ নেই।
আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে স্বাভাবিক ব্যবহারে এসব পণ্য ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়—এমন শক্ত প্রমাণ খুবই সীমিত।
পারফিউম নিয়ে এত আলোচনা কেন?
পারফিউমে বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি উপাদান, দ্রাবক ও অন্যান্য রাসায়নিক থাকতে পারে। এসব উপাদানের কিছু মানুষের ত্বকে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সুগন্ধি উপাদান কিছু মানুষের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা ত্বকের সংবেদনশীলতার কারণ হতে পারে। পারফিউম ব্যবহারের পর ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।
তবে ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হওয়া এবং ক্যানসারের ঝুঁকি এক বিষয় নয়। কোনো পণ্য ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করলেই সেটি ক্যানসার সৃষ্টি করে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।
ঘাড়ে পারফিউম দিলেই কি ক্যানসার হতে পারে? বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করার সঙ্গে ক্যানসারের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি। প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যে ব্যবহৃত অনেক উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনও পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি। কিছু রাসায়নিক নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রশ্ন থাকলেও বাস্তব জীবনে মানুষ যে মাত্রায় এসব উপাদানের সংস্পর্শে আসে, তা পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত বেশি মাত্রার সংস্পর্শের সঙ্গে এক নয়।
তাহলে ঘাড়ে পারফিউম ব্যবহারকে সরাসরি ক্যানসারের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা বৈজ্ঞানিকভাবে ঠিক নয়।
ত্বকের অ্যালার্জির বিষয়টি মাথায় রাখুন। পারফিউম ব্যবহারে ক্যানসারের প্রমাণ না থাকলেও ত্বকের অ্যালার্জির বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে পারফিউম ব্যবহারের পর লালচে দাগ, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। নতুন কোনো পারফিউম ব্যবহারের পর এমন সমস্যা হলে সেটি নিয়মিত ব্যবহার না করাই ভালো।
সব উপাদান কি বোঝা যায়?
পারফিউমে থাকা সব উপাদানের নাম সবসময় আলাদাভাবে লেখা নাও থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনেক প্রসাধনীতে সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত একাধিক উপাদান আলাদাভাবে উল্লেখ না করে সামগ্রিকভাবে ‘সুগন্ধি’ হিসেবে লেখা হতে পারে। ফলে শুধু পণ্যের গায়ে লেখা তথ্য দেখে সুগন্ধি মিশ্রণের প্রতিটি উপাদান জানা সবসময় সম্ভব হয় না। যাদের নির্দিষ্ট কোনো সুগন্ধি উপাদানে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ফথালেট নিয়ে কী জানা যায়?
পারফিউম নিয়ে ক্যানসারের আলোচনা হলে ফথালেটের নামও প্রায়ই আসে। বিভিন্ন প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যে ফথালেট ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডাইইথাইল ফথালেট অন্যতম। তবে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, প্রসাধনী ও সুগন্ধিতে বর্তমানে যেভাবে ডাইইথাইল ফথালেট ব্যবহার করা হয়, তা নিয়ে তাদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ নেই। তাই শুধু পারফিউমে ফথালেটের উপস্থিতির কথা শুনেই ক্যানসারের ঝুঁকি নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
সূর্যের আলোতেও হতে পারে সমস্যা
পারফিউমের কিছু উপাদান ত্বকে সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে। আবার কিছু অপরিহার্য তেল সূর্যের আলোতে ত্বকের সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, কিছু সাইট্রাসজাতীয় অপরিহার্য তেল ত্বকে লাগিয়ে সূর্যের আলোতে গেলে সূর্যালোকজনিত সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। তাই কোনো পারফিউম বা সুগন্ধি পণ্যের গায়ে ব্যবহারের বিশেষ সতর্কতা লেখা থাকলে তা মেনে চলা উচিত।
পারফিউম ব্যবহারে কী কী সতর্কতা নেবেন? পারফিউম পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো। ১. নতুন পারফিউম ব্যবহারের আগে পণ্যের গায়ে থাকা উপাদানের তালিকা দেখে নিন। ২. ত্বক সংবেদনশীল হলে সুগন্ধিবিহীন পণ্য বেছে নিতে পারেন। ৩. পারফিউম ব্যবহারের পর চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ফুসকুড়ি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। ৪. চোখ, কাটা বা ক্ষতস্থান এবং জ্বালাপোড়া করা ত্বকে পারফিউম ব্যবহার করবেন না। ৫. কোনো নির্দিষ্ট উপাদানে আগে থেকেই অ্যালার্জি থাকলে সেটি এড়িয়ে চলুন। ৬. পারফিউম ব্যবহারের পর ত্বকের সমস্যা বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
তাহলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবিটি কতটা সত্য? ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এমন দাবির পক্ষে বর্তমানে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে এর অর্থ এই নয় যে পারফিউমের প্রতিটি উপাদান নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। প্রসাধনী উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
তাহলে পারফিউম নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আবার ত্বকে কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সেটিকেও অবহেলা করা উচিত নয়। পণ্যের মান, উপাদানের তালিকা এবং নিজের ত্বকের সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে পারফিউম ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে স্মার্টফোনের সাহায্যে কয়েকটি আঙুলের ছোঁয়াতেই ঘরে বসে ওষুধ কেনা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ নির্বাচন, দাম পরিশোধ এবং বাড়িতে বসেই তা পাওয়ার সুবিধা অনেকের জন্য সময় ও পরিশ্রম সাশ্রয় করেছে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন বা বাইরে গিয়ে ওষুধ কেনা তাদের জন্য অনলাইনে ওষুধ কেনার সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ওষুধ সাধারণ পণ্যের মতো নয়। ভুল ওষুধ, ভুল মাত্রা, নকল ওষুধ কিংবা সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা ওষুধ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অনলাইনে ওষুধ কেনার সময় শুধুমাত্র দাম বা ছাড় দেখলেই হবে না। ওষুধের নাম, মাত্রা, প্রস্তুতকারক, মেয়াদ, মোড়ক এবং সংরক্ষণের বিষয়গুলোও ভালোভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অননুমোদিত অনলাইন উৎস থেকে নিম্নমানের বা নকল চিকিৎসা পণ্য পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনলাইনে ব্যবসার বিস্তারের ফলে এসব পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হয়ে গেছে।
সুতরাং, অনলাইনে ওষুধ কেনার আগে অন্তত এই পাঁচটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করা উচিত।
ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে ওষুধের নাম ও মাত্রা মিলিয়ে নিন।
অনলাইনে ওষুধ কেনার সময় প্রথমে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রটি সামনে রাখুন। এরপর কেনাকাটার তালিকায় যোগ করা ওষুধের নাম, মাত্রা এবং পরিমাণ ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
বিশেষ করে ওষুধের প্রধান সক্রিয় উপাদান এবং তার মাত্রা সঠিক কি না, তা খেয়াল করা জরুরি। অনলাইন ওষুধালয় যদি কোনো বিকল্প ওষুধ দেখায়, তবে নিজের সিদ্ধান্তে সেটি নেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসক বা ঔষধবিজ্ঞানীর পরামর্শ নিয়ে তবেই পরিবর্তন করা নিরাপদ।
ব্যবস্থাপত্র জমা দেওয়ার পর কেনাকাটার তালিকায় ওষুধের তথ্য পরিবর্তন হয়েছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের নাম বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়। নিরাপদ অনলাইন ওষুধালয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ব্যবস্থাপত্র চাওয়া।
বেশি ছাড় দেখেই ওষুধ কিনবেন না
অনলাইনে কোনো ওষুধের দাম বাজারের তুলনায় অনেক কম দেখলে সহজেই আকর্ষণ তৈরি হয়। তবে অস্বাভাবিক কম দাম দেখলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
কম দাম মানেই ওষুধ নকল—এমন নয়। বৈধ ওষুধালয়ও বিভিন্ন সময় ছাড় দিতে পারে। তবে খুব বেশি ছাড়ের সঙ্গে যদি বিক্রেতার পরিচয়, ওষুধের উৎস বা অনুমোদন নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে সেই ওষুধ না কেনাই ভালো।
কেনার আগে দেখে নিন—
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অনলাইনে ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে সন্দেহজনকভাবে কম দামকে সতর্ক হওয়ার একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রি হওয়া ওষুধ নকল, মেয়াদোত্তীর্ণ বা অননুমোদিত হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
ওষুধ কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, জানুন
ওষুধের ক্ষেত্রে শুধু উৎপাদন ও মেয়াদ গুরুত্বপূর্ণ নয়, কীভাবে সেটি সংরক্ষণ করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
কিছু ওষুধ তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল। যেমন ইনসুলিন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় না থাকলে ওষুধের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সুতরাং, তাপমাত্রা সংবেদনশীল ওষুধ কেনার আগে বিক্রেতা কীভাবে তা সংরক্ষণ করছে এবং বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখছে কি না, তা জেনে নেওয়া উচিত।
অননুমোদিত অনলাইন উৎস থেকে ওষুধ কিনলে সেটি কোথায় তৈরি হয়েছে বা কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।
সংকেত থাকলে যাচাই করে নিন
অনেক ওষুধের মোড়কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া সংকেত বা রেখা সংকেত থাকতে পারে। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যদি এমন কোনো যাচাই ব্যবস্থা দিয়ে থাকে, তাহলে সেটি ব্যবহার করে ওষুধের তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে।
এর মাধ্যমে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, দলীয় নম্বর, উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদের তারিখ যাচাই করার সুযোগ থাকতে পারে।
তবে মোড়কে সংকেত থাকলেই ওষুধ আসল—এমন নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। সংকেতের পাশাপাশি মোড়কের অন্যান্য তথ্যও মিলিয়ে দেখতে হবে।
ওষুধ হাতে পাওয়ার পর মোড়কের অবস্থা, বানান, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদের তারিখ, ওষুধের চেহারা এবং নিরাপত্তা ছাপও পরীক্ষা করা উচিত।
ওষুধ হাতে পাওয়ার পরও সতর্ক থাকুন
অনলাইনে ওষুধের বায়না দেওয়ার পর কাজ শেষ নয়। ওষুধ হাতে পাওয়ার পরও কয়েকটি বিষয় পরীক্ষা করতে হবে।
প্রথমে অনলাইনের চালান বা বিলটি সামনে রাখুন। এরপর ওষুধের মোড়কের সঙ্গে চালানের তথ্য মিলিয়ে দেখুন।
বিশেষ করে খেয়াল করুন—
শুধু বাইরের বাক্স দেখে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। ভেতরের পাতায় থাকা তথ্যও ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে। বাইরের ও ভেতরের মোড়কে দলীয় নম্বর ও মেয়াদের তারিখ মিলছে কি না, সেটিও দেখা জরুরি।
নিরাপদ অনলাইন ওষুধালয় চিনবেন যেভাবে
শুধু সুন্দরভাবে তৈরি করা জালক্ষেত্র বা বড় ছাড় দেখে কোনো অনলাইন ওষুধালয়কে বিশ্বাস করা উচিত নয়।
নিরাপদ অনলাইন ওষুধালয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধের জন্য ব্যবস্থাপত্র চাওয়া, বিক্রেতার বাস্তব ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য থাকা এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য ঔষধবিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকা—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে কিছু সতর্কসংকেতও রয়েছে। যেমন—
যেসব অনলাইন ওষুধালয় নিজেদের বাস্তব ঠিকানা বা দূরভাষ নম্বর প্রকাশ করে না কিংবা ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধ বিক্রি করে, সেসব উৎস থেকেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
মোড়ক অস্বাভাবিক হলে ওষুধ খাবেন না
ওষুধ হাতে পাওয়ার পর যদি মনে হয় মোড়কটি আগের পরিচিত মোড়কের মতো নয়, তাহলে সেটিকে স্বাভাবিক ধরে নিয়ে খাওয়া উচিত নয়।
যেমন—
এ ধরনের কোনো বিষয় চোখে পড়লে ওষুধটি না খেয়ে চিকিৎসক বা ঔষধবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।
নকল ও নিম্নমানের ওষুধ কেন বিপজ্জনক
নকল বা নিম্নমানের ওষুধের ক্ষতি শুধু ওষুধ কাজ না করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এতে প্রয়োজনীয় সক্রিয় উপাদান কম বা বেশি থাকতে পারে। আবার ভুল সক্রিয় উপাদান কিংবা ক্ষতিকর কোনো উপাদানও থাকতে পারে।
ফলে রোগের চিকিৎসা ঠিকভাবে নাও হতে পারে। ভুল উপাদান থাকলে শরীরে ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা অন্য ওষুধের সঙ্গে ক্ষতিকর বিক্রিয়াও হতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে অন্তত প্রতি ১০টি ওষুধের মধ্যে একটি নিম্নমানের বা নকল হতে পারে বলে অনুমান করা হয়। এসব চিকিৎসা পণ্য অনলাইন ও অনানুষ্ঠানিক বাজারেও পাওয়া যেতে পারে।
অনলাইনে ওষুধ কেনার আগে মনে রাখুন ৫ কথা।
অনলাইনে ওষুধ কেনার সময় দ্রুত একবার দেখে নিন—
প্রথমত: ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে ওষুধের নাম, মূল উপাদান, মাত্রা ও পরিমাণ মিলছে কি না।
দ্বিতীয়ত: শুধু ছাড় দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিক্রেতার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করেছেন কি না।
তৃতীয়ত: তাপমাত্রা সংবেদনশীল ওষুধ হলে সংরক্ষণ ও পৌঁছে দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখা হয়েছে কি না।
চতুর্থত: মোড়কে থাকা যাচাই সংকেত থাকলে প্রস্তুতকারকের দেওয়া ব্যবস্থা ব্যবহার করে দলীয় নম্বর ও মেয়াদের তথ্য পরীক্ষা করেছেন কি না।
পঞ্চমত: ওষুধ হাতে পাওয়ার পর চালান, মোড়ক, ভেতরের পাতা, দলীয় নম্বর ও মেয়াদের তারিখ মিলিয়ে নিয়েছেন কি না।
অনলাইনে ওষুধ কেনা সময় ও পরিশ্রম বাঁচায়। তবে সামান্য অসতর্কতাও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই ওষুধ কেনার সময় শুধুমাত্র দাম বা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি না দেখে বিক্রেতার নির্ভরযোগ্যতা এবং ওষুধের গুণমানকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশেষ করে ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়। ওষুধ হাতে পাওয়ার পর মোড়ক, দলীয় নম্বর, মেয়াদের তারিখ এবং চালান মিলিয়ে নিতে হবে। কোনো অস্বাভাবিকতা চোখে পড়লে বা ওষুধটি নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা ঔষধবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ