ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলে ক্যানসারের ঝুঁকি নেই, বলছে বিজ্ঞান


ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলে ক্যানসারের ঝুঁকি নেই, বলছে বিজ্ঞান

বাইরে যাওয়ার আগে পারফিউম ব্যবহার করা এখন অনেকের প্রতিদিনের সাজগোজের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিছু মানুষ কবজিতে, কিছু কানের পেছনে আবার কেউ সরাসরি ঘাড়ে সুগন্ধি স্প্রে করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়শই দাবি করা হয় যে, ঘাড়ের মতো নির্দিষ্ট স্থানে নিয়মিত পারফিউম ব্যবহার করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

এমন দাবিতে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। মূলত পারফিউমে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান নিয়ে এই প্রশ্ন উঠেছে। তবে বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলেই ক্যানসার হয়—এমন কোনো প্রমাণ নেই।

আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে স্বাভাবিক ব্যবহারে এসব পণ্য ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়—এমন শক্ত প্রমাণ খুবই সীমিত।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

পারফিউম নিয়ে এত আলোচনা কেন?

পারফিউমে বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি উপাদান, দ্রাবক ও অন্যান্য রাসায়নিক থাকতে পারে। এসব উপাদানের কিছু মানুষের ত্বকে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সুগন্ধি উপাদান কিছু মানুষের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা ত্বকের সংবেদনশীলতার কারণ হতে পারে। পারফিউম ব্যবহারের পর ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।

তবে ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হওয়া এবং ক্যানসারের ঝুঁকি এক বিষয় নয়। কোনো পণ্য ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করলেই সেটি ক্যানসার সৃষ্টি করে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

ঘাড়ে পারফিউম দিলেই কি ক্যানসার হতে পারে? বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করার সঙ্গে ক্যানসারের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি। প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যে ব্যবহৃত অনেক উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনও পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি। কিছু রাসায়নিক নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রশ্ন থাকলেও বাস্তব জীবনে মানুষ যে মাত্রায় এসব উপাদানের সংস্পর্শে আসে, তা পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত বেশি মাত্রার সংস্পর্শের সঙ্গে এক নয়।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

তাহলে ঘাড়ে পারফিউম ব্যবহারকে সরাসরি ক্যানসারের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা বৈজ্ঞানিকভাবে ঠিক নয়।

ত্বকের অ্যালার্জির বিষয়টি মাথায় রাখুন। পারফিউম ব্যবহারে ক্যানসারের প্রমাণ না থাকলেও ত্বকের অ্যালার্জির বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে পারফিউম ব্যবহারের পর লালচে দাগ, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। নতুন কোনো পারফিউম ব্যবহারের পর এমন সমস্যা হলে সেটি নিয়মিত ব্যবহার না করাই ভালো।

সব উপাদান কি বোঝা যায়?

পারফিউমে থাকা সব উপাদানের নাম সবসময় আলাদাভাবে লেখা নাও থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনেক প্রসাধনীতে সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত একাধিক উপাদান আলাদাভাবে উল্লেখ না করে সামগ্রিকভাবে ‘সুগন্ধি’ হিসেবে লেখা হতে পারে। ফলে শুধু পণ্যের গায়ে লেখা তথ্য দেখে সুগন্ধি মিশ্রণের প্রতিটি উপাদান জানা সবসময় সম্ভব হয় না। যাদের নির্দিষ্ট কোনো সুগন্ধি উপাদানে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফথালেট নিয়ে কী জানা যায়?

পারফিউম নিয়ে ক্যানসারের আলোচনা হলে ফথালেটের নামও প্রায়ই আসে। বিভিন্ন প্রসাধনী ও সুগন্ধি পণ্যে ফথালেট ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডাইইথাইল ফথালেট অন্যতম। তবে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, প্রসাধনী ও সুগন্ধিতে বর্তমানে যেভাবে ডাইইথাইল ফথালেট ব্যবহার করা হয়, তা নিয়ে তাদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ নেই। তাই শুধু পারফিউমে ফথালেটের উপস্থিতির কথা শুনেই ক্যানসারের ঝুঁকি নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

সূর্যের আলোতেও হতে পারে সমস্যা

পারফিউমের কিছু উপাদান ত্বকে সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে। আবার কিছু অপরিহার্য তেল সূর্যের আলোতে ত্বকের সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, কিছু সাইট্রাসজাতীয় অপরিহার্য তেল ত্বকে লাগিয়ে সূর্যের আলোতে গেলে সূর্যালোকজনিত সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। তাই কোনো পারফিউম বা সুগন্ধি পণ্যের গায়ে ব্যবহারের বিশেষ সতর্কতা লেখা থাকলে তা মেনে চলা উচিত।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পারফিউম ব্যবহারে কী কী সতর্কতা নেবেন? পারফিউম পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো। ১. নতুন পারফিউম ব্যবহারের আগে পণ্যের গায়ে থাকা উপাদানের তালিকা দেখে নিন। ২. ত্বক সংবেদনশীল হলে সুগন্ধিবিহীন পণ্য বেছে নিতে পারেন। ৩. পারফিউম ব্যবহারের পর চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ফুসকুড়ি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। ৪. চোখ, কাটা বা ক্ষতস্থান এবং জ্বালাপোড়া করা ত্বকে পারফিউম ব্যবহার করবেন না। ৫. কোনো নির্দিষ্ট উপাদানে আগে থেকেই অ্যালার্জি থাকলে সেটি এড়িয়ে চলুন। ৬. পারফিউম ব্যবহারের পর ত্বকের সমস্যা বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তাহলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবিটি কতটা সত্য? ঘাড়ে পারফিউম স্প্রে করলেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এমন দাবির পক্ষে বর্তমানে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে এর অর্থ এই নয় যে পারফিউমের প্রতিটি উপাদান নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। প্রসাধনী উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

তাহলে পারফিউম নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আবার ত্বকে কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সেটিকেও অবহেলা করা উচিত নয়। পণ্যের মান, উপাদানের তালিকা এবং নিজের ত্বকের সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে পারফিউম ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিনামূল্যে অনলাইন কোর্সে আবেদন করার পদ্ধতি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনলাইনে ওষুধ কিনছেন? বিপদ এড়াতে আগে দেখুন ৫ বিষয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


অনলাইনে ওষুধ কিনছেন? বিপদ এড়াতে আগে দেখুন ৫ বিষয়

বর্তমানে স্মার্টফোনের সাহায্যে কয়েকটি আঙুলের ছোঁয়াতেই ঘরে বসে ওষুধ কেনা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ নির্বাচন, দাম পরিশোধ এবং বাড়িতে বসেই তা পাওয়ার সুবিধা অনেকের জন্য সময় ও পরিশ্রম সাশ্রয় করেছে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন বা বাইরে গিয়ে ওষুধ কেনা তাদের জন্য অনলাইনে ওষুধ কেনার সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ওষুধ সাধারণ পণ্যের মতো নয়। ভুল ওষুধ, ভুল মাত্রা, নকল ওষুধ কিংবা সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা ওষুধ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অনলাইনে ওষুধ কেনার সময় শুধুমাত্র দাম বা ছাড় দেখলেই হবে না। ওষুধের নাম, মাত্রা, প্রস্তুতকারক, মেয়াদ, মোড়ক এবং সংরক্ষণের বিষয়গুলোও ভালোভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অননুমোদিত অনলাইন উৎস থেকে নিম্নমানের বা নকল চিকিৎসা পণ্য পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনলাইনে ব্যবসার বিস্তারের ফলে এসব পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হয়ে গেছে।

সুতরাং, অনলাইনে ওষুধ কেনার আগে অন্তত এই পাঁচটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করা উচিত।

ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে ওষুধের নাম ও মাত্রা মিলিয়ে নিন।

অনলাইনে ওষুধ কেনার সময় প্রথমে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রটি সামনে রাখুন। এরপর কেনাকাটার তালিকায় যোগ করা ওষুধের নাম, মাত্রা এবং পরিমাণ ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

বিশেষ করে ওষুধের প্রধান সক্রিয় উপাদান এবং তার মাত্রা সঠিক কি না, তা খেয়াল করা জরুরি। অনলাইন ওষুধালয় যদি কোনো বিকল্প ওষুধ দেখায়, তবে নিজের সিদ্ধান্তে সেটি নেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসক বা ঔষধবিজ্ঞানীর পরামর্শ নিয়ে তবেই পরিবর্তন করা নিরাপদ।

ব্যবস্থাপত্র জমা দেওয়ার পর কেনাকাটার তালিকায় ওষুধের তথ্য পরিবর্তন হয়েছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের নাম বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়। নিরাপদ অনলাইন ওষুধালয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ব্যবস্থাপত্র চাওয়া।

বেশি ছাড় দেখেই ওষুধ কিনবেন না

অনলাইনে কোনো ওষুধের দাম বাজারের তুলনায় অনেক কম দেখলে সহজেই আকর্ষণ তৈরি হয়। তবে অস্বাভাবিক কম দাম দেখলে সতর্ক হওয়া জরুরি।

কম দাম মানেই ওষুধ নকল—এমন নয়। বৈধ ওষুধালয়ও বিভিন্ন সময় ছাড় দিতে পারে। তবে খুব বেশি ছাড়ের সঙ্গে যদি বিক্রেতার পরিচয়, ওষুধের উৎস বা অনুমোদন নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে সেই ওষুধ না কেনাই ভালো।

কেনার আগে দেখে নিন—

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অনলাইনে ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে সন্দেহজনকভাবে কম দামকে সতর্ক হওয়ার একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রি হওয়া ওষুধ নকল, মেয়াদোত্তীর্ণ বা অননুমোদিত হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

ওষুধ কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, জানুন

ওষুধের ক্ষেত্রে শুধু উৎপাদন ও মেয়াদ গুরুত্বপূর্ণ নয়, কীভাবে সেটি সংরক্ষণ করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু ওষুধ তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল। যেমন ইনসুলিন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় না থাকলে ওষুধের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সুতরাং, তাপমাত্রা সংবেদনশীল ওষুধ কেনার আগে বিক্রেতা কীভাবে তা সংরক্ষণ করছে এবং বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখছে কি না, তা জেনে নেওয়া উচিত।

অননুমোদিত অনলাইন উৎস থেকে ওষুধ কিনলে সেটি কোথায় তৈরি হয়েছে বা কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

সংকেত থাকলে যাচাই করে নিন

অনেক ওষুধের মোড়কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া সংকেত বা রেখা সংকেত থাকতে পারে। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যদি এমন কোনো যাচাই ব্যবস্থা দিয়ে থাকে, তাহলে সেটি ব্যবহার করে ওষুধের তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে।

এর মাধ্যমে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, দলীয় নম্বর, উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদের তারিখ যাচাই করার সুযোগ থাকতে পারে।

তবে মোড়কে সংকেত থাকলেই ওষুধ আসল—এমন নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। সংকেতের পাশাপাশি মোড়কের অন্যান্য তথ্যও মিলিয়ে দেখতে হবে।

ওষুধ হাতে পাওয়ার পর মোড়কের অবস্থা, বানান, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদের তারিখ, ওষুধের চেহারা এবং নিরাপত্তা ছাপও পরীক্ষা করা উচিত।

ওষুধ হাতে পাওয়ার পরও সতর্ক থাকুন

অনলাইনে ওষুধের বায়না দেওয়ার পর কাজ শেষ নয়। ওষুধ হাতে পাওয়ার পরও কয়েকটি বিষয় পরীক্ষা করতে হবে।

প্রথমে অনলাইনের চালান বা বিলটি সামনে রাখুন। এরপর ওষুধের মোড়কের সঙ্গে চালানের তথ্য মিলিয়ে দেখুন।

বিশেষ করে খেয়াল করুন—

শুধু বাইরের বাক্স দেখে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। ভেতরের পাতায় থাকা তথ্যও ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে। বাইরের ও ভেতরের মোড়কে দলীয় নম্বর ও মেয়াদের তারিখ মিলছে কি না, সেটিও দেখা জরুরি।

নিরাপদ অনলাইন ওষুধালয় চিনবেন যেভাবে

শুধু সুন্দরভাবে তৈরি করা জালক্ষেত্র বা বড় ছাড় দেখে কোনো অনলাইন ওষুধালয়কে বিশ্বাস করা উচিত নয়।

নিরাপদ অনলাইন ওষুধালয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধের জন্য ব্যবস্থাপত্র চাওয়া, বিক্রেতার বাস্তব ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য থাকা এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য ঔষধবিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকা—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে কিছু সতর্কসংকেতও রয়েছে। যেমন—

যেসব অনলাইন ওষুধালয় নিজেদের বাস্তব ঠিকানা বা দূরভাষ নম্বর প্রকাশ করে না কিংবা ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধ বিক্রি করে, সেসব উৎস থেকেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

মোড়ক অস্বাভাবিক হলে ওষুধ খাবেন না

ওষুধ হাতে পাওয়ার পর যদি মনে হয় মোড়কটি আগের পরিচিত মোড়কের মতো নয়, তাহলে সেটিকে স্বাভাবিক ধরে নিয়ে খাওয়া উচিত নয়।

যেমন—

এ ধরনের কোনো বিষয় চোখে পড়লে ওষুধটি না খেয়ে চিকিৎসক বা ঔষধবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।

নকল ও নিম্নমানের ওষুধ কেন বিপজ্জনক

নকল বা নিম্নমানের ওষুধের ক্ষতি শুধু ওষুধ কাজ না করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এতে প্রয়োজনীয় সক্রিয় উপাদান কম বা বেশি থাকতে পারে। আবার ভুল সক্রিয় উপাদান কিংবা ক্ষতিকর কোনো উপাদানও থাকতে পারে।

ফলে রোগের চিকিৎসা ঠিকভাবে নাও হতে পারে। ভুল উপাদান থাকলে শরীরে ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা অন্য ওষুধের সঙ্গে ক্ষতিকর বিক্রিয়াও হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে অন্তত প্রতি ১০টি ওষুধের মধ্যে একটি নিম্নমানের বা নকল হতে পারে বলে অনুমান করা হয়। এসব চিকিৎসা পণ্য অনলাইন ও অনানুষ্ঠানিক বাজারেও পাওয়া যেতে পারে।

অনলাইনে ওষুধ কেনার আগে মনে রাখুন ৫ কথা।

অনলাইনে ওষুধ কেনার সময় দ্রুত একবার দেখে নিন—

প্রথমত: ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে ওষুধের নাম, মূল উপাদান, মাত্রা ও পরিমাণ মিলছে কি না।

দ্বিতীয়ত: শুধু ছাড় দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিক্রেতার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করেছেন কি না।

তৃতীয়ত: তাপমাত্রা সংবেদনশীল ওষুধ হলে সংরক্ষণ ও পৌঁছে দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখা হয়েছে কি না।

চতুর্থত: মোড়কে থাকা যাচাই সংকেত থাকলে প্রস্তুতকারকের দেওয়া ব্যবস্থা ব্যবহার করে দলীয় নম্বর ও মেয়াদের তথ্য পরীক্ষা করেছেন কি না।

পঞ্চমত: ওষুধ হাতে পাওয়ার পর চালান, মোড়ক, ভেতরের পাতা, দলীয় নম্বর ও মেয়াদের তারিখ মিলিয়ে নিয়েছেন কি না।

অনলাইনে ওষুধ কেনা সময় ও পরিশ্রম বাঁচায়। তবে সামান্য অসতর্কতাও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই ওষুধ কেনার সময় শুধুমাত্র দাম বা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি না দেখে বিক্রেতার নির্ভরযোগ্যতা এবং ওষুধের গুণমানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশেষ করে ব্যবস্থাপত্রনির্ভর ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়। ওষুধ হাতে পাওয়ার পর মোড়ক, দলীয় নম্বর, মেয়াদের তারিখ এবং চালান মিলিয়ে নিতে হবে। কোনো অস্বাভাবিকতা চোখে পড়লে বা ওষুধটি নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা ঔষধবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন প্রদান করেছে। এই চুক্তির মূল্য প্রায় ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, যার আওতায় বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো সৌদির হাতে তুলে দেওয়া হবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিক্রি উপসাগরীয় অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির শক্তি হিসেবে কাজ করবে, যা ন্যাটোর বাইরের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্যও অগ্রসর হবে।

ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, সৌদির কাছে এফ-৩৫ হস্তান্তর হলেও অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতি অনুসারে, ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতার শ্রেষ্ঠত্ব (কপিউএমএ) বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রিয়াদ ও বেইজিংয়ের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুযোগে এফ-৩৫ বিমানের অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রযুক্তি চীনের হাতে চলে যেতে পারে, যা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকেরা গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধি রাজা কৃষ্ণমূর্তি এই চুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে চুক্তিটি অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এছাড়া, ইসরায়েলও রিয়াদের কাছে এফ-৩৫ আসার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কারণ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে কেবল তেল আবিবই এই প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে। তবে ওয়াশিংটন সৌদির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চাপ বৃদ্ধি করছে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায়। সম্প্রতি সৌদি আরব ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতা কমাতে পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে ‘মক্কা চুক্তি’ নামে ত্রিদেশীয় পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে।

এমন এক সময়ে ওয়াশিংটনের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ঘোষণা এসেছে, যখন ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মারিবের আকাশে একটি সৌদি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে স্থানীয় প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ভূপাতিত করার দাবি করেছে। ওয়াশিংটন এই সংঘাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত জানালেও, সাম্প্রতিক এই অস্ত্র চুক্তি রিয়াদ-ওয়াশিংটন সামরিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে প্রথমবার জিম্বাবুইয়ান তাভেঙ্গা মুকুহলানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে প্রথমবার জিম্বাবুইয়ান তাভেঙ্গা মুকুহলানি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান তাভেঙ্গা মুকুহলানি। তিনি ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন।

বর্তমানে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মুকুহলানি আইসিসি বোর্ডে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করছেন। ইমরান খাজা দায়িত্ব ছাড়ার পর মুকুহলানি তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

মুকুহলানি আইসিসির ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স (এফঅ্যান্ডসিএ) ও নমিনেশনস কমিটির সদস্য। পাশাপাশি তিনি আইসিসির এইচআর অ্যান্ড রেমুনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের জন্য মুকুহলানির নিয়োগ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তিনি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পাওয়া প্রথম জিম্বাবুইয়ান।

এটি আফ্রিকার ক্রিকেটের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।

২৪ বছর পর আবারও আফ্রিকার মাটিতে ফিরতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই ওয়ানডে আসর। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং আঞ্চলিক ক্রিকেট সম্পর্কে তার জ্ঞান বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মুকুহলানিকে অভিনন্দন জানিয়ে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেন, "আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে তাভেঙ্গা মুকুহলানির নিয়োগে আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ক্রিকেট প্রশাসনে তার অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক ক্রিকেট সম্পর্কে জ্ঞান এবং ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অঙ্গীকার আইসিসি বোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।"

তিনি আরও বলেন, "মুকুহলানি তার সহকর্মী পরিচালকদের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটকে শক্তিশালী করতে এবং খেলাটির বিকাশের আরও সুযোগ তৈরি করতে তার সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। তার নিয়োগ জিম্বাবুয়ের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ, তিনিই প্রথম জিম্বাবুইয়ান যিনি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান হলেন।"

দায়িত্ব পেয়ে মুকুহলানি বলেন, "আইসিসি বোর্ডের সহকর্মী পরিচালকদের আমার ওপর আস্থায় আমি গভীরভাবে সম্মানিত এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞ।"

তিনি বলেন, "আমাদের চেয়ারম্যান জয় শাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। ক্রিকেটের বিকাশ, সদস্য দেশগুলোর জন্য সুযোগ তৈরি এবং নতুন দর্শক ও বাজারে পৌঁছানোর বিষয়ে তার নেতৃত্ব, উদ্যম ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা আইসিসিতে স্পষ্ট লক্ষ্য তৈরি করেছে।"

ক্রিকেটের সামনে থাকা নতুন সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন মুকুহলানি। তার ভাষায়, "ক্রিকেট এখন রোমাঞ্চকর এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন এবং বিশ্বজুড়ে খেলাটির সম্প্রসারণের কারণে। বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের স্বার্থে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে চেয়ারম্যান জয় শাহ ও বোর্ডের অন্য পরিচালকদের সহযোগিতা করার অপেক্ষায় আছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশিগানে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিরাপদে বের হন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


মিশিগানে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিরাপদে বের হন

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য মিশিগানের ট্রাভার্সি শহরে মার্কিন বিমানবাহিনীর এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিভাগের একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের টেক্সাস ইউনিটের বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানটি ছিল এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন সিরিজের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে টেক্সাস ইউনিট জানায়, বিমানটি মিশিগানের ট্রাভার্সি শহরে বিধ্বস্ত হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পূর্বে জরুরি ইজেকশন ব্যবস্থার মাধ্যমে পাইলট নিরাপদে বের হয়ে যেতে সক্ষম হন। যদিও যুদ্ধবিমানটি শহরের জনবহুল এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিমানটি কেন বিধ্বস্ত হলো, তা খতিয়ে দেখতে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

এয়ার ন্যাশনাল গার্ড মূলত মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ রিজার্ভ বিভাগ, যার প্রধান কাজ দেশের অভ্যন্তরীণ আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মিশিগান থেকে নির্বাচিত মার্কিন সিনেটর গ্রে পিটার্স সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%