ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে সরকার: জাহেদ উর রহমান


কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে সরকার: জাহেদ উর রহমান

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে বলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, 'খুব বিস্তারিত বলছি না, এটা সরকার কগনিজেন্সে (আমলে নেওয়া) নিয়েছে, সরকার এটা দেখেছে। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকার কোনো কারণ নেই। বরং এটা সরকার খতিয়ে দেখছে। কারণ এটি নিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা (আশঙ্কা) আছে গ্লোবালি, এ ব্যাপারে আমরা সচেতন আছি।'

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি জানান, 'আমরা এটা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবেও এই ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা আশা করি এই জিনিসটা এভাবে কন্টিনিউ করবে না।'

এগুলো কারা করছে—জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, 'এগুলো তো বুঝতেই পারছেন, এটা কারা করছে, কেন করছে। কিছু মানুষকে আপনি দেখবেন সোশ্যাল মিডিয়াতে বলছে, কিন্তু তারাই তো আসলে হয়তো সবসময় মূল ব্যক্তি না।'

তিনি যোগ করেন, 'সো, এটা একটু খতিয়ে দেখার প্রশ্ন আছে। এটা যেহেতু এত ওয়াইডস্প্রেড (বিস্তৃতভাবে) হয়েছে, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে, সেটাই আমরা খতিয়ে দেখছি এবং আমরা ইনশাআল্লাহ এটা বের করতে পারব।'

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্সেনিকের ঝুঁকিতে দেশের ১১ শতাংশ মানুষ: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


আর্সেনিকের ঝুঁকিতে দেশের ১১ শতাংশ মানুষ: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য আর্সেনিক ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দানে তাঁর সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেছেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হচ্ছে। এই সব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হবে। তিনি আশা করেন, এর ফলে চলতি বছরে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ৫ থেকে ৬ শতাংশ কমে আসবে।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোর জন্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া, পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। আরও রয়েছে পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) ৮৮ হাজার ২৩৫টি এবং অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) ১ হাজার ৩৮ হাজার ৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে, বলে জানান মন্ত্রী মির্জা ফখরুল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হাত কেটে ফেলব’ সিন্ধু নদীর পানি নিয়ে ভারতকে পাক মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


‘হাত কেটে ফেলব’ সিন্ধু নদীর পানি নিয়ে ভারতকে পাক মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

ভারতের সঙ্গে সিন্ধু নদীর পানি বণ্টন চুক্তি (ইন্ডাস ওয়াটারস ট্রিটি) ঘিরে উত্তেজনার মাঝে, এবার কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মুসাদিক মালিক। তিনি আরও বলেছেন, পাকিস্তারের ন্যায্য পানির অংশে কেউ হাত দিতে চাইলে, ‘সেই হাত কেটে দেওয়া হবে’ বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুসাদিক মালিক অভিযোগ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তারের পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। তাঁর ভাষায়, ‘পাশের দেশের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, তিনি পাকিস্তারে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেবেন না।’

মালিক জানান, পাকিস্তারের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার অবস্থাটি শুধুমাত্র পানি আটকে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং অর্থনীতিকে মারাত্মক সংকটের মুখে ফেলবে।

মালিক আরও বলেন, পাকিস্তার আগেই ঘোষণা করেছে, কেউ যদি দেশটিকে তার পানির ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করে, তাহলে তাকে অবশ্যই কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

মালিক বলেন, ‘আমরা শুধুমাত্র ঘোষণা করিনি, প্রয়োজনে নিজেরাও নিজেদের রক্ষা করতে পারি। কেউ যদি আমাদের পানির অংশে হাত দেয়, তাহলে সেই হাত কেটে দেওয়া হবে।’

ভারত ও পাকিস্তানের পানি চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বহু অঞ্চলে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না থাকলেও আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী উজানের দেশ ভাটির দেশের পানির প্রবাহ বন্ধ করে না। সেখানে ভারত ও পাকিস্তারের মধ্যে তো একটি বৈধ চুক্তি বিদ্যমান রয়েছে।

মুসাদিক মালিক বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তার এই বিষয়টি উত্থাপন করবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার ও ভাটির দেশটির মানুষের পানির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানাবে।

একই সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, ইন্ডাস ওয়াটারস ট্রিটি তথা সিন্ধু পানি চুক্তি এখনও আইনগতভাবে কার্যকর রয়েছে এবং এটি একতরফাভাবে স্থগিত, বাতিল বা সংশোধন করা সম্ভব নয়।

তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইন পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করে। তাঁর ভাষায়, ‘এই চুক্তি একতরফাভাবে বাতিল বা পরিবর্তন করা যায় না।’ আতাউল্লাহ তারার আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির একাধিকবার বলেছেন, ‘পানি আমাদের জীবনরেখা এবং এটি আমাদের লাল রেখা (রেড লাইন)।’

কয়েক সপ্তাহ আগে ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদমন্ত্রী সি আর পাটিল এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারত সিন্ধু নদীর পানিতে নিজেদের প্রাপ্য অংশ পুরোপুরি ব্যবহার করবে এবং ভারতের প্রাপ্য এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তারে যেতে দেওয়া হবে না।

গত বছরের এপ্রিলে জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পরে ভারত সিন্ধু পানি চুক্তির কার্যকারিতা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। নয়াদিল্লির দাবি, পাকিস্তান সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদে রাষ্ট্রীয় মদদ পুরোপুরি বন্ধের বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তারের মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় সিন্ধু নদ এবং এর শাখা নদীগুলোর পানি বণ্টন ও ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টনের প্রধান ভিত্তি হিসেবে কার্যকর রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন নিয়ম চালু: ভারতীয় ভিসা আবেদন স্লট বরাদ্দ হবে ভিন্নভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


নতুন নিয়ম চালু: ভারতীয় ভিসা আবেদন স্লট বরাদ্দ হবে ভিন্নভাবে

নতুন ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ হবে ভারতীয় ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট। বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

নতুন ব্যবস্থাপনায় আবেদনকারীদের নিজেদের পছন্দমতো অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় (টাইম স্লট) নির্বাচন করার সুযোগ থাকবে না। এর পরিবর্তে, আবেদন জমা দেয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে খালি থাকা একটি সময় আবেদনকারীর জন্য বরাদ্দ করা হবে।

 

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে বাংলাদেশের সব আইভ্যাক থেকে সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রে টাইম-স্লটভিত্তিক আবেদন জমা দেয়ার ব্যবস্থা চালু করছে। প্রতিটি আইভ্যাকের দৈনিক আবেদন গ্রহণের সক্ষমতার ভিত্তিতে সিস্টেম ক্রমানুসারে আবেদনকারীদের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। ফলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের সময় আবেদনকারীদের আলাদাভাবে টাইম স্লট নির্বাচন করতে হবে না।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পথে, তীব্র হচ্ছে চিকিৎসা সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পথে, তীব্র হচ্ছে চিকিৎসা সংকট

গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট, হাসপাতালগুলোর ওপর ধারাবাহিক হামলা এবং রোগী সরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে হাজারের বেশি মানুষের জীবন। এর মধ্যে নতুন করে হামলায় অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পশ্চিম তীরেও ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের অভিযানের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

বর্তমানে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতাল পুরো গাজার স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে। উত্তর গাজার অধিকাংশ হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় আল-মাওয়াসি সহ হাজার হাজার রোগীর চিকিৎসার চাপ সামলাতে হচ্ছে এই হাসপাতালে। তবে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সীমিত সহায়তার মধ্যেও প্রয়োজনীয় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিশেষায়িত যন্ত্রপাতির তীব্র সংকটের কারণে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।

গাজায় বর্তমানে মাত্র একটি বিশেষায়িত কার্ডিয়াক মেশিন সচল রয়েছে, যার কারণে হৃদরোগীদের চিকিৎসা পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

চিকিৎসা সংকট আরও গভীর করেছে চলমান সামরিক অভিযান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবী, ইসরাইলি বাহিনী দুই দফা নাসের হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে। হাসপাতালে আটকে পড়া অনেক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে গণকবর দেয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। উদ্ধারকারী দল মরদেহগুলো উদ্ধার করলেও, অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের মরদেহ শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

এছাড়াও, অ্যাম্বুলেন্সে গুলিবর্ষণ, আগুন ও যন্ত্রাংশ ধ্বংসের কারণে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতার ফলে প্রায় ২১ হাজার মানুষকে চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে নিতে হবে। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জরুরি চিকিৎসার জন্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৫শ’রও কম মানুষ গাজা ছাড়তে সক্ষম হয়েছে, যা প্রতিশ্রুতির মাত্র ৩৬ শতাংশ।

জরুরি চিকিৎসার অনুমোদন পাওয়া হাজারো রোগী এখনও গাজায় অবরুদ্ধ আছেন, যাদের অনেকের সময়মতো চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) গাজায় একটি ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খান ইউনিসে একটি তাঁবুতে হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

একই সময়ে, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এল-বিরেহ শহরে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ১৫ বছর বয়সি এক কিশোর নিহত হয়েছে। নাবলুসের দক্ষিণে বেইতা শহরে এক ফিলিস্তিনি নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করেছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা। একই সঙ্গে নতুন বসতি স্থাপনের উদ্যোগ, হেবরনের ইব্রাহিমি মসজিদে নতুন পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন এলাকায় সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনাগুলো ঘটছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%