সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৮ পি.এম
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্দেশ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য এককালীন ১শ’ ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতের বিশেষ বরাদ্দ উপখাত থেকে এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি করা হয়।
এই আদেশে স্বাক্ষর করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখার উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল।
সরকারি আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য মোট ১শ’ ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অবমুক্তির সরকারি মঞ্জুরি প্রদান করা হয়েছে।
বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ট্রেজারি রুলস (টিআর) ফরম-৩২ অনুযায়ী বিল প্রস্তুত করতে হবে। ওই বিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।
এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিলের বিপরীতে অ্যাকাউন্ট পে চেক বা অ্যাডভাইস ইস্যু করা হবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা কার্যালয় থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হবে। উপজেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো অ্যাডভাইসের ভিত্তিতে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করবে।
এই ব্যয় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের নির্ধারিত মঞ্জুরি ও সংশ্লিষ্ট হিসাব খাতের বরাদ্দ থেকে মেটানো হবে।
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০২১ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কোনো কাজে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম ঘটলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।
এছাড়া, বরাদ্দ থেকে অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের এ অর্থ অবমুক্তির বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতিও রয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে সম্মতি দেয়। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের প্রথম দিনটি বাংলাদেশের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। তবে দ্বিতীয় দিনের সকালে একটি স্বস্তিদায়ক খবর এসেছে। কাবাডি পুরুষ দলের সদস্যরা দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে জয়লাভ করে তাদের প্রতিযোগিতা শুরু করেছে।
আজ সকালে নাগোয়ার টোকাই সিটিজেন জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-এ'র প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৩৯-৩৫ পয়েন্টে দক্ষিণ কোরিয়াকে পরাজিত করে।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ১৭-১৬ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল।
বাংলাদেশ ৪টি লোনা অর্জন করেছে, যেখানে দক্ষিণ কোরিয়া ২টি লোনা পেয়েছে। তবে প্রতিপক্ষের ৮টি বোনাস পয়েন্টের বিপরীতে বাংলাদেশ ৬টি বোনাস পয়েন্ট আদায় করেছে।
আজ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের বাবা ডি.এম. আব্দুল মতিনের মৃত্যুতে এনসিপি গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছে।
এনসিপি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক শোকবার্তায় এই তথ্য জানায়।
শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ডি.এম. আব্দুল মতিনের মৃত্যুতে জাতীয় নাগরিক পার্টি অত্যন্ত শোকাহত। তার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি দলটি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, প্রিয়জনকে হারানোর এই কঠিন সময়ে মহান আল্লাহ যেন মনিরা শারমিন এবং তার পরিবারের সদস্যদের অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য প্রদান করেন।
এনসিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তার জীবনের সব গুনাহ-ত্রুটি ক্ষমা এবং কবরকে নূর ও রহমতে পরিপূর্ণ করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছে। একই সঙ্গে মরহুমের জন্য দলের নেতাকর্মী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাতজনসহ মোট নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে এক বাবা-মা এবং তাদের পাঁচ সন্তান।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রোববার, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-আহসা এলাকায় আল-উকাইর-আল-উয়ুন সড়কে, যেখানে দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় উভয় গাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি গাড়িতে থাকা একই পরিবারের সাতজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন বাবা, মা, তিন ছেলে এবং দুই মেয়ে।
অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের ট্রাফিক বিভাগের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হঠাৎ একটি গাড়ির গতিপথ পরিবর্তন করার কারণে সংঘর্ষটি ঘটতে পারে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং সৌদি রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র মসজিদুল হারামের পরিচিত মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি আর বেঁচে নেই।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের সময় মক্কা নগরীতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবর হারামাইন শরীফাইনের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
শায়খ ইবরাহিম মাদানি পবিত্র মসজিদুল হারামের ‘মুকাব্বিরিয়া’র অন্যতম জ্যেষ্ঠ সদস্য ছিলেন। এই মুকাব্বিরিয়ার মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি ইমামের তাকবির লাখ লাখ মুসল্লির কাছে সুরের মূর্ছনায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।
মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান এবং ফজরের প্রথম আজান দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবির দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন।
জানা যায়, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ডও রয়েছে।
১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করা শায়খ ইবরাহিম পারিবারিকভাবে পবিত্র কোরআন হিফজ করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে তার মুয়াজ্জিন জীবনের সূচনা ঘটে। পরে ১৪২৮ হিজরিতে মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে এবং ১৪৩৯ হিজরিতে আনুষ্ঠানিকভাবে কাবা প্রাঙ্গণের প্রধান মসজিদ—মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে তিনি নিয়োগ পান।
মদিনায় বেড়ে ওঠায় শায়খ ইবরাহিম আজানের ‘মাদানি’ রীতির সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। পরবর্তীতে মক্কায় গিয়ে বিখ্যাত মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সান্নিধ্য পেয়ে ‘মক্কি’ ধারার স্বকীয় সুরও রপ্ত করেন তিনি। মক্কি ও মাদানি—উভয় সুরের অসাধারণ মেলবন্ধনে গাওয়া তার আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরের অসংখ্য রেকর্ড বিশ্বব্যাপী ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ