সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৯ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের বাবা ডি.এম. আব্দুল মতিনের মৃত্যুতে এনসিপি গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছে।
এনসিপি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক শোকবার্তায় এই তথ্য জানায়।
শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ডি.এম. আব্দুল মতিনের মৃত্যুতে জাতীয় নাগরিক পার্টি অত্যন্ত শোকাহত। তার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি দলটি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, প্রিয়জনকে হারানোর এই কঠিন সময়ে মহান আল্লাহ যেন মনিরা শারমিন এবং তার পরিবারের সদস্যদের অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য প্রদান করেন।
এনসিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তার জীবনের সব গুনাহ-ত্রুটি ক্ষমা এবং কবরকে নূর ও রহমতে পরিপূর্ণ করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছে। একই সঙ্গে মরহুমের জন্য দলের নেতাকর্মী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাতজনসহ মোট নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে এক বাবা-মা এবং তাদের পাঁচ সন্তান।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রোববার, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-আহসা এলাকায় আল-উকাইর-আল-উয়ুন সড়কে, যেখানে দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় উভয় গাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি গাড়িতে থাকা একই পরিবারের সাতজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন বাবা, মা, তিন ছেলে এবং দুই মেয়ে।
অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের ট্রাফিক বিভাগের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হঠাৎ একটি গাড়ির গতিপথ পরিবর্তন করার কারণে সংঘর্ষটি ঘটতে পারে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং সৌদি রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র মসজিদুল হারামের পরিচিত মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি আর বেঁচে নেই।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের সময় মক্কা নগরীতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবর হারামাইন শরীফাইনের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
শায়খ ইবরাহিম মাদানি পবিত্র মসজিদুল হারামের ‘মুকাব্বিরিয়া’র অন্যতম জ্যেষ্ঠ সদস্য ছিলেন। এই মুকাব্বিরিয়ার মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি ইমামের তাকবির লাখ লাখ মুসল্লির কাছে সুরের মূর্ছনায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।
মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান এবং ফজরের প্রথম আজান দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবির দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন।
জানা যায়, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ডও রয়েছে।
১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করা শায়খ ইবরাহিম পারিবারিকভাবে পবিত্র কোরআন হিফজ করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে তার মুয়াজ্জিন জীবনের সূচনা ঘটে। পরে ১৪২৮ হিজরিতে মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে এবং ১৪৩৯ হিজরিতে আনুষ্ঠানিকভাবে কাবা প্রাঙ্গণের প্রধান মসজিদ—মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে তিনি নিয়োগ পান।
মদিনায় বেড়ে ওঠায় শায়খ ইবরাহিম আজানের ‘মাদানি’ রীতির সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। পরবর্তীতে মক্কায় গিয়ে বিখ্যাত মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সান্নিধ্য পেয়ে ‘মক্কি’ ধারার স্বকীয় সুরও রপ্ত করেন তিনি। মক্কি ও মাদানি—উভয় সুরের অসাধারণ মেলবন্ধনে গাওয়া তার আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরের অসংখ্য রেকর্ড বিশ্বব্যাপী ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে গাংনী উপজেলার গাঁড়াডোব এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া জুয়েল হোসেন (১৯) গাংনী পৌর এলাকার চৌগাছা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার হাশেম আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটিও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুটি চৌগাছা এলাকার একটি পুকুরে মাছ ধরা দেখতে যায়। সেখানে জুয়েল হোসেন ছিপ দিয়ে মাছ ধরছিলেন। শিশুটিকে দেখে তিনি তাকে ডাকেন এবং পাশের আমবাগানে গেলে সেদিন যত মাছ ধরবেন, সব মাছ তাকে দিয়ে দেবেন বলে জানান।
অভিযোগ অনুযায়ী, সরল বিশ্বাসে শিশুটি তার সঙ্গে আমবাগানে যায়। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আমবাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে জুয়েল তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। সেই সঙ্গে এই ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তার কাছে বিষয়টি জানতে চান। একপর্যায়ে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা গাংনী থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়েল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে গাঁড়াডোব এলাকা থেকে জুয়েল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে একটি বিরল বাছুর সাত পা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। এই বাছুরটির শরীরের স্বাভাবিক চার পায়ের পাশাপাশি পিঠ ও পেছনের অংশে তিনটি অতিরিক্ত পা রয়েছে। এই বিরল ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী পৌরসভার দুদু মিয়ার পাহাড় এলাকায় খামারি মো. মাসুদ একটি গাভীর মাধ্যমে বাছুরটির জন্ম দেন। মাসুদ স্থানীয় বাসিন্দা আবু তাহেরের পুত্র।
বাছুরটির অস্বাভাবিক শারীরিক গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সেটি দেখার জন্য ভিড় করতে শুরু করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত বাছুরটি জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হাটহাজারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যায়। তবে খামারি বাছুরটি তাদের দেখাতে সম্মতি দেননি।
হাটহাজারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাবিল ফারাবী জানিয়েছেন, মালিকপক্ষকে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, বাছুরটির চিকিৎসাসেবা বা প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য তারা সহযোগিতা করবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কী ধরনের জিনগত ত্রুটি বা শারীরিক কারণে বাছুরটির এই অস্বাভাবিক গঠন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি পরবর্তীতে গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ