বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০০ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী মন্তব্য করেছেন যে, ভালো শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে জীবনে ভালো কিছু করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানিয়ে নাজমুন নাহার বেবী বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কচুয়ার শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে সুনাম অর্জন করবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল খায়ের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কলেজ গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মো. ইউসুফ মিয়াজী, ডা. মো. আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ইউসুফ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদার লিটন প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান মোল্লা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন খন্দকার, কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইকবাল উদ্দিন মিঠু, ইউনুস মোল্লা, জসিম উদ্দিন মোল্লাসহ কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কলেজের শিক্ষক ও নতুন শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথি নাজমুন নাহার বেবীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় পুরো কলেজ প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিভাগের সাইনবোর্ড, ক্লাসরুম, শিক্ষক, কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীদের মধ্যে নানা রাগ, দ্বন্দ্ব, আনন্দ, হাসি তামাশা এমনকি ৪/৫ বছরের জমানো ক্লান্তির ইতি টেনে একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নেয়। শেষ সময়ের স্মৃতিকে সম্মিলিতভাবে স্বযত্নে ধরে রাখতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ হাতে ধরিয়ে দেয় পরবর্তী চালিকাশক্তি হিসেবে সাময়িক সার্টিফিকেট (প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট)।
একাডেমিক মূল সনদপত্র বিতরণ সাধারণত সমাবর্তনে করা হয়ে থাকে। সেই সমাবর্তনের জন্য প্রাক্তনদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। ৩ বছর থেকে শুরু করে ২০ বছরও অপেক্ষায় থাকার নজির রয়েছে। এতক্ষণে কেউ চাকরিজীবী, কেউ বুদ্ধিজীবী, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ বা প্রবাসী হয়ে যায়। স্বাভাবিক রেওয়াজে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির হাত থেকে মূল সনদ গ্রহণ করেন বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। শুধু সার্টিফিকেট নয়; বরং কালো ‘গাউন আর টুপি’ পরিধানের বাসনা শিক্ষার্থীদের মনে আরও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২১ আগস্ট তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও সময়সূচির সঙ্গে সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়টি সরাসরি যুক্ত থাকায় নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাবর্তন নিয়ে তৈরি হয়েছে নানান প্রত্যাশা। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সৌজন্যে সাক্ষাতে সমাবর্তনের প্রসঙ্গও ওঠে এসেছে। আগামী বছরের শুরুতে একযোগে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন। একদিকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ অন্যদিকে ধারাবাহিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।
কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে সমাবর্তন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে এক সাক্ষাতকারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন আয়োজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি আগামী ১৮ জানুয়ারি সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।
এ সময় সুন্দরবন, উপকূল, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উৎকর্ষতার বিষয়টি তুলে ধরেন উপাচার্য। একই সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা এবং মাঠ গবেষণাগারের সীমাবদ্ধতার কথাও উপস্থাপন করেন তিনি।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
দীর্ঘ ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পঞ্চম সমাবর্তন। রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির ১, ২ ও ৩ তারিখের মধ্যে সুবিধাজনক কোনো একদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর (আচার্য) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
এদিকে ৫ম সমাবর্তন আয়োজন উপলক্ষে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
কমিটিতে সভাপতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং সদস্য সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান রয়েছেন। জনসংযোগ দপ্তর বলছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সর্বশেষ অর্থাৎ চতুর্থ সমাবর্তন ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান ও একাডেমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সফল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে কমিটি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সৌজন্যে সাক্ষাৎ হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য। সম্ভাব্য আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে সাক্ষাতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষক নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে আগামী বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠেয় জাবির ৭ম সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার সম্মতি দিয়েছেন তিনি।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর আমন্ত্রণে তিনি এ সম্মতি জানান। ৩১ আগস্ট বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য নোবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা ও সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এসময় দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিতব্য নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানান।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ২৩ আগস্ট গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জবির ২য় সমাবর্তন উপলক্ষ্যে একটি খসড়া তারিখ করা হয়েছে। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জানুয়ারি সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয় এবং ভেন্যু হিসেবে জবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ (ধূপখোলা মাঠ) প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম, সার্বিক উন্নয়ন, গবেষণার অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হয়েছে।
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম আবদুর রাজ্জাক। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে রুয়েটের উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেছে। সাক্ষাৎকালে রুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামগ্রিক একাডেমিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমাবর্তন আয়োজনের সম্মতি পাওয়া গেলেও চূড়ান্ত তারিখ পাওয়া যায়নি। পরে রাষ্ট্রপতির সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণ, নতুন বিভাগ চালু, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাবিপ্রবি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
২২ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীমের সাক্ষাতে পাবিপ্রবির প্রথম সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আলোচনার ভিত্তিতে আগামী বছরের ১৫ অথবা ১৬ মার্চ সমাবর্তন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। গণমাধ্যমে দেওয়া তথ্য মতে, সমাবর্তন উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করেছেন। এর আগে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ২৫ বছর পর ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারিতে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ এবং নাশকতার ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ চক্রের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ককটেল বা হাতবোমা বিস্ফোরণের ভিডিও পাঠালে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হচ্ছে। এই কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা ভারতীয় নম্বর ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থেকে আসছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি, ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতার নির্দেশনায় নাশকতার পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ডিবি জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ে নাশকতায় মাদকাসক্ত এবং ভাসমান মানুষদের পাশাপাশি দলীয় পদ-পদবির প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদেরও যুক্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় ককটেল তৈরির গোপন কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক অভিযানে যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর এবং সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রায়হান উদ্দিন, রাসেল খান, আলা উদ্দিন এবং আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে দক্ষিণ দুনিয়া কাঁচাবাজার এলাকা থেকে ১০টি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়।
পরদিন, ১৯ সেপ্টেম্বর কমলাপুর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সাখাওয়াত হোসেন রায়হান এবং মোহাম্মদ সানমুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে বোমাবাজির ঘটনায় সন্দেহভাজন সালমান ইসলাম সাকিব ওরফে আসিফকে মোটরসাইকেল এবং ককটেলসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে রায়হান দাবি করেছেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেনের নির্দেশে তারা যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের পর ঘটনাটির ভিডিও নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠানো হলে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হতো।
তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হলেও ব্যবহারকারী যে ভারতে অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। রোমিং সুবিধা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে এসব অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা সম্ভব।
এদিকে, নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার সন্দেহে উত্তরা থেকে রবিউল ইসলাম নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির রমনা জোনাল টিম। পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্যে গরমিল পাওয়ায় তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, কক্সবাজার থেকে বাস পোড়ানো এবং বোমাবাজির সমন্বয়ের অভিযোগে ডেমরা থানা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার থাকায় নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে। নাশকতার মূল নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও ভেঙে দিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম ৬ দফা দাবিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শহরের দিনাজপুর রোডে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সৈয়দপুর শাখার সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ব্যাংকের বিনিয়োগকারী ও সাধারণ গ্রাহকরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান, সদস্য রেজওয়ান হাসান, আবুল কালাম, আব্দুস সালামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের মানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বক্তারা এ সময় ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেন।
ফোরামের নেতারা আরও উল্লেখ করেন, এস আলম শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে। মূল উদ্যোক্তাদের কাছে ব্যাংকের মালিকানা হস্তান্তর এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর পরিচালনা পর্ষদ গঠনের জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের আমানত ও আর্থিক নিরাপত্তা জড়িত। তাই ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
তাদের দাবিগুলো হলো:
১. চেয়ারম্যানের অপসারণ: অপেশাদার, ব্যর্থ ও এস আলম চক্রের সুবিধাভোগী বর্তমান চেয়ারম্যান জহির হোসেনকে অনতিবিলম্বে পদত্যাগ/অপসারণ করতে হবে।
২. স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন: ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ে দক্ষ, যোগ্য, সৎ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে অবিলম্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ (Board of Directors) গঠন করতে হবে।
৩. প্রকৃত মালিকানা ও শেয়ার বাজেয়াপ্তকরণ: এস আলমের অবৈধভাবে অর্জিত ৮২শতাংশ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দায় শোধ করতে হবে এবং মূল উদ্যোক্তা/আদি মালিকদের কাছে ব্যাংকের মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. চুক্তি নবায়ন ও স্থায়িত্ব: ব্যাংকের পরিচালনা বজায় রাখতে আগামী দুই বছর কোনো ঊর্ধ্বতন নির্বাহীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদান করা যাবে না এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ নবায়ন করতে হবে।
৫. দালাল চক্রের বহিষ্কার: ব্যাংকের অভ্যন্তরে সক্রিয় এস আলমের চিহ্নিত দালাল ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের অবিলম্বে শনাক্ত করে ব্যাংক থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
৬. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ও আইনি ব্যবস্থা: ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এডিস মশাবাহিত এই রোগটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহীন দিনের সংখ্যা অত্যন্ত কম। এই অবস্থায় ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে কার্যকরী এবং টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো উল্লেখ করে একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে।
বার্তায় জানানো হয়েছে, যদি কেউ ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটি লক্ষণ অনুভব করেন, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
ডব্লিউএইচও’র উল্লেখিত ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তীব্র মাথা ব্যথা; চোখের পেছনের দিকে ব্যথা; হাড়ের জোড়া এবং মাংসপেশিতে ব্যথা; বমি বমি ভাব; বমি করা এবং চামড়ায় লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি ওঠা।
এসব লক্ষণের যেকোনোটি দেখা দিলে সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এদিকে, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানির সংখ্যা ইতোমধ্যে ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ২২ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ ডেঙ্গু রোগীর। সর্বশেষ বুধবারের (২৩ সেপ্টেম্বর) আপডেট অনুযায়ী, এডিস মশাবাহিত রোগটি ৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। একই দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ বছরে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু পরবর্তী ৭ বছর ৯ মাসে মশাবাহিত রোগটিতে ৩ হাজার ৪৬৬ জন মারা গেছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯১ জন; আগের দেড় যুগে যা ছিল ৫০ হাজার ২০৮।
অর্থাৎ, শেষ ৭ বছর ৯ মাসে আগের দেড় যুগের তুলনায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েছে ১১ দশমিক ৭১ গুণ এবং আক্রান্ত বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৬ গুণ।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এডিস মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, আক্রান্তের সংখ্যা কম নথিভুক্ত হওয়া, হাসপাতালে ভর্তিতে দেরি করা এবং একই ব্যক্তি বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী।
তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের পরিবেশের সঙ্গে এডিস মশা বেশ ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। তাই ডেঙ্গুকে এখন আর শুধুমাত্র মৌসুমি রোগ হিসেবে দেখা সম্ভব নয়। অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিতেও এই মশা বংশবিস্তার করতে সক্ষম। এমনকি ফেলে দেওয়া ছোট পাত্রের ভেতরেও এডিস মশার প্রজনন ঘটে। এর বিস্তার এখন আর কেবল শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি ক্রমেই গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বারবার সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। যেসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কম বা শূন্যের কোটায় ছিল, তারাও এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বল্পমেয়াদি অভিযানের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত এবং জনকেন্দ্রিক জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ