রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৯ পি.এম
ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে নয় বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষাপটে দেশটির চিকিৎসা পর্যটন খাতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধার এবং চিকিৎসা খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কলকাতার শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলো বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রতিনিধিদল রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এবং হোটেল বুকিংয়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। পাশাপাশি, রোগীরা যাতে নিরাপত্তা অনুমোদনপ্রাপ্ত আবাসনে অবস্থান করতে পারেন, সে বিষয়েও সহায়তা করবে।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপহাইকমিশন সম্প্রতি একটি ভ্রমণ পরামর্শ (অ্যাডভাইজরি) জারি করেছে, যার প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত পরামর্শে বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীদের ভারতে যাওয়ার আগে নিরাপদ হোটেলে কক্ষ বুক করার জন্য আইনগত অনুমোদন থাকা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানে অনেক কম খরচের হোটেল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে স্বল্প বাজেটে চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশিরা আবাসনের সংকটে পড়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ হোটেলে যাচাই-বাছাই ছাড়া ওঠা বন্ধ করার জন্য হাসপাতালগুলো এখন অগ্রিম ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
রোগীদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে হাসপাতালগুলো নিজেদের উদ্যোগে নিরাপদ থাকার পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। আলিপুরভিত্তিক উডল্যান্ডস মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল বাংলাদেশি রোগীদের ভ্রমণের পূর্বেই আশপাশের নিবন্ধিত নিরাপদ হোটেলের তালিকা প্রদান করছে। হাসপাতালটির প্রধান নির্বাহী রূপক বড়ুয়া জানিয়েছেন, উপহাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী রোগীরা যাতে আগে থেকেই নির্ভরযোগ্য আবাসন নিশ্চিত করতে পারেন, সে বিষয়ে তারা সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করছেন।
অন্যদিকে, বিপি পোদ্দার হাসপাতাল বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানোর পাশাপাশি হাসপাতালের নিকটবর্তী বাংলাদেশি রোগীদের জন্য নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রুবি জেনারেল হাসপাতাল বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র চালু করেছে এবং দেশুন হাসপাতালও রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য আগাম আবাসনের সুযোগ প্রদান করছে।
সাধারণত বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের কয়েক দিন হোটেলে অবস্থান করতে হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আশা করছে, তাদের এই যৌথ পদক্ষেপ ও আগাম আবাসন সুবিধার মাধ্যমে চিকিৎসাপ্রার্থীদের ভয় দূর হবে এবং কলকাতার চিকিৎসা পর্যটন খাত দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভারের আমিন বাজারে পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের (এসবি) সদস্য এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ঘটনার মূল হোতা প্রাইভেটকার চালক ও মালিক জহিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সাভার মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হত্যার ঘটনার পর থেকে আমিনবাজারে পুলিশের একাধিক টীম অভিযান চালায়। আজ ভোররাতে তাকে আমিনবাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত জহিরুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি বেগম বাদী হয়ে রোববার সকালে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামী করে সাভার মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে সাভারের আমিনবাজার বরদেশি এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এসবির এসআই আলতাফ হোসেন (৫৮) ও তার ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৬) পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই প্রাইভেট চালক সহ তার সহযোগিরা। পরে স্থানীয়রা তাদের রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আলতাফ এসবির ঢাকার মালিবাগ জোনে কর্মরত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে পুলিশ জানায়, সাভার থানাধীন আমিনবাজার বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকায় নিজ গেঞ্জি ফ্যাক্টরির সামনে থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন আলতাফ। এ সময় তার ছেলে আরিফুল ছিলো ফ্যাক্টরিতে। পথে অটোরিকশা ও একটি প্রাইভেট কার রাখাকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি শুরু হলে তিনি এগিয়ে যান বিরোধ মিমাংসার জন্য।
পরে তার সাথেও জামেলায় জড়িয়ে পড়েন প্রাইভেটকার চালক জহিরুল ও তার সঙ্গীরা। এক পর্যায়ে তাকে পেটানো শুরু করে। এসবি এসআই আলতাফ দৌড়ে ফ্যাক্টরীতে গেলে আরো অন্তত ১৫/২০ জন নিয়ে জহিরুল ফ্যাক্টরিতে হামলা করে আলতাফ ও তার ছেলেকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
পরে স্থানীয়রা তাদের রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, গাড়ি পার্কিং নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হন পুলিশের ওই এসআই ও তার ছেলে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
নিহত আলতাফ সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা সিটি এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তার ৫ শতাংশ জায়গার উপর টিনসেডের একটি কারখানা রয়েছে।
এদিকে ঘটনার ছায়া তদন্ত কাজ করছেন জানিয়ে পিবিআই ঢাকা জেলা ওসি সোলেমান গাজী বলেন, সাভারের আমিনবাজার বরদেশী এলাকায় পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের এসআই আলতাফ হোসেন গতকাল রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আহত হন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি জানবার পর আমরা ঢাকা জেলা পিবিআই ছায়া তদন্তে কাজ শুরু করেছি। তদন্ত করে পরে আমরা জানাতে পারব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পেপারবিহীন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক করেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ এবং এ বি এম মোশাররফ হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষার সংস্করণ থাকবে। এর মাধ্যমে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদান আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন। এই কমিটি প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে প্রস্তাবিত সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।
এ সময় উল্লেখ করা হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এই ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। ফলে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়বে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে। পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এসিআই মোটরস লিমিটেড জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: অফিসার
বিভাগ: করপোরেট সেলস
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে বিক্রয় কার্যক্রম, মূল্য উদ্ধৃতি, অর্ডার এবং গ্রাহক নথিপত্রের সঠিক রেকর্ড বজায় রাখার দক্ষতা।
অভিজ্ঞতার জন্য প্রার্থীদের কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আগ্রহীরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা (তেজগাঁও)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে টি/এ, চিকিৎসা ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পারফরম্যান্স বোনাস, বিমা, মুনাফার অংশ, গ্র্যাচুইটি, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, দুপুরের খাবার সুবিধা, এবং বছরে ২টি উৎসব বোনাস।
আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি হাইস্কুলে কর্মরত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা রেমন্ড কার্নারকে একাধিক নারীর দ্বারা করা অনৈতিক ও যৌন আচরণের অভিযোগের কারণে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কোরাল স্প্রিংস পুলিশ ডিপার্টমেন্টের দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
রেমন্ড কার্নার ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কোরাল স্প্রিংসের জে পি তারাভেলা হাইস্কুলে প্রায় আট বছর ‘স্কুল রিসোর্স অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালে পুলিশ বিভাগ থেকে স্বাভাবিক অবসরে যাওয়ার পর, তিনি একই বছর পার্টটাইম মৌসুমি কর্মকর্তা হিসেবে আবার কাজে ফিরে আসেন। পরে ঈগল রিজ এলিমেন্টারি স্কুলেও তার দায়িত্ব ছিল।
সম্প্রতি, কয়েকজন নারী তার বিরুদ্ধে অনভিপ্রেত ও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার সাথে সাথে তাকে তৎক্ষণাৎ তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কার্নারের বিরুদ্ধে বেশ কিছু স্পর্শকাতর অভিযোগ রয়েছে। এক সাবেক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তিনি দেখেছেন যে কার্নার তার পোশাকের ভেতর হাত দিয়ে জোরপূর্বক টাকা রাখার চেষ্টা করেছিলেন। অন্য একজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, স্কুলে পড়ার সময় কার্নার ফেসটাইমে তাকে পর্নোগ্রাফি দেখাতেন এবং অশালীন আচরণ করতেন। অভ্যন্তরীণ তদন্তে তার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন, অশ্লীল প্রদর্শন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের অশালীন উপকরণ দেখানোর মতো একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
যদিও তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে, রেমন্ড কার্নারের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের হচ্ছে না। প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোর বেশিরভাগ ঘটনাই আইনে নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়সীমা (স্ট্যাটিউট অব লিমিটেশনস) পার হয়ে গেছে, ফলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই প্রশাসনিকভাবে বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও আদালতে তিনি ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হননি।
কোরাল স্প্রিংসের পুলিশ প্রধান ব্র্যাড মক পুরো ঘটনাকে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ওপর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের ঘটনার শিকার যদি আর কোনো ভুক্তভোগী থাকে, তাহলে তাদের সংকোচ না করে তথ্য দিতে পুলিশ বিভাগে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ