বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:১০ এম
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে ১০৮ অভিবাসীকে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) কর্তৃক। আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস।
তিনি উল্লেখ করেন, সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের অভিবাসন আইন মেনে বিদেশিদের অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাস ও অন্যান্য অভিবাসন-সংক্রান্ত সুবিধার অপব্যবহার রোধ করা।
অভিযান চলাকালীন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়েছে।
আটকদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের, তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুজন ইন্দোনেশিয়ার নারী এবং দুজন নেপালের নারী রয়েছেন।
জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের পরবর্তী তদন্ত ও আইনি কার্যক্রমের জন্য সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেছেন, সাধারণ জনগণের কাছে আহ্বান জানাচ্ছেন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার জন্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায় হঠাৎ করেই রাজধানীতে গ্যাসের জন্য হাহাকার বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দিনের একটি বড় সময় গ্যাস সংগ্রহ করতে ব্যয় হচ্ছে। চরম ভোগান্তি ভোগ করছেন সাধারণ চালক ও গণপরিবহন খাতের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে নগরবাসী জীবন-জীবিকার সংকটে পড়েছে।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে রাজধানীতে গ্যাসের জন্য হাহাকার বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এই অবস্থায় দিনের একটি বড় সময় গ্যাস সংগ্রহের জন্য তাঁদের ব্যয়িত হচ্ছে। সাধারণ চালক থেকে শুরু করে গণপরিবহন খাতের কর্মীরা চরম ভোগান্তি ভোগ করছেন। পাশাপাশি নগরবাসী জীবন-জীবিকার সংকটের মধ্যে রয়েছে।
সিএনজি চালিত গাড়ির কয়েকজন চালক জানাচ্ছেন, পাম্পগুলোতে রাতভর গাড়ির দীর্ঘ সারি থাকে। তারা সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও গ্যাস পাচ্ছেন না।
গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকরা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড শেয়ারিং অ্যাপের চালকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
তারা জানাচ্ছেন, গ্যাস নিতে না পারায় তাঁদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সারাদিন গ্যাসের জন্য পাম্পে লম্বা লাইনে কাটাতে হচ্ছে।
কিছু চালক অভিযোগ করছেন, পর্দার আড়ালে আবারো কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। তারা বলছেন, এর আগে স্বল্পমূল্যের জ্বালানি তেলের সময়েও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো হয়েছিল। এবার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্যও একই নাটক চলছে।
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরাও লোকসানের মধ্যে রয়েছেন। তারা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে চান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসন আইন মেনে বিদেশিদের অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাস ও অন্যান্য অভিবাসন-সংক্রান্ত সুবিধার অপব্যবহার রোধ করা।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের, তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুজন নেপালের নারী রয়েছেন।
জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি সাধারণ জনগণকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আলোচিত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এই দিন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এই ধারাবাহিকতায় তাকে বৃহস্পতিবার হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।
উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ওয়ারুক মুরাদবাড়ি জামে মসজিদের ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তছরুপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মুতাওয়াল্লি মো. নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় মুসল্লি এবং এলাকাবাসী।
এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে শাহরাস্তি উপজেলার ওয়ারুক বাজারে।
এ সময় মসজিদ কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন যে, ১৯৫৮ সালে মসজিদের নামে প্রায় ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিবন্ধিত হয়। এটি দলিলের শর্ত মোতাবেক, ওই সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় মসজিদের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যয় হওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ কথার পাশাপাশি তিনি বলেন যে, আয় বৃদ্ধি পেলে সেই অনুযায়ী একটি অংশ দাতার ওয়ারিশদের এবং বাকি অংশ মসজিদের উন্নয়নে ব্যয় করার বিধান রয়েছে।
কিন্তু দীর্ঘকাল ধরে ওয়াক্ফ সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব দেওয়া হয়নি। এটি মসজিদের জন্য আর্থিক সংকট সৃষ্টি করেছে বলে তিনি জানান। বর্তমানে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনের সম্মানী, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য ব্যয়সহ প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। তবে আয় হচ্ছে মাত্র ১৪ হাজার ২০০ টাকা। ফলে, প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার ৮০০ টাকার ঘাটতি স্পষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বিগত বছরগুলোতে এ বিষয়ে একাধিকবার জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে মুতাওয়াল্লি অঙ্গীকার করেছেন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে করা হবে এবং মসজিদের স্থায়ী-অস্থায়ী সম্পত্তির আয়-ব্যয় কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হবে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি কোনো হিসাব না দিয়ে দোকানের ভাড়া তুলে নিয়ে যাচ্ছেন এবং সামান্য পরিমাণ অর্থ মসজিদে দান করেছেন। ফলে মসজিদের কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না হওয়ার কারণে মসজিদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা দাবি করেন, বিষয়টি তদন্ত করে সম্পত্তি রক্ষা, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
যখন অভিযুক্ত মুতাওয়াল্লি মো. নুরুন্নবী থেকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়, তিনি জানান, নিয়ম মেনেই ওয়াক্ফ সম্পত্তি পরিচালনা করা হচ্ছে এবং কোনো অনিয়ম হয়নি। তবে, মসজিদের ওয়াকফকৃত জায়গায় ভাড়া দেওয়া দোকানদারদেরকে রসিদ ছাড়া কেন ভাড়া তোলা হয়, তা জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এরপর তিনি জানান, প্রতি মাসে ৪টি দোকান থেকে ১৫ হাজার টাকা ভাড়া তুলে নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেন এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে মসজিদ কমিটিকে প্রদান করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন, সম্পাদক মো. হারুন পাটোয়ারি, মোহাম্মদ রফিক মিয়া, সদস্য মোশারফ হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া, সহসভাপতি মোশাররফ পাটোয়ারী, সদস্য হুমায়ুন কবির মজুমদার, সদস্য বিল্লাল হোসেন, থানার বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকসহ আরও অনেক নেতা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ