০২:২০ পি.এম
সারাদেশে জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে শিশুরা ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকনগুনিয়া, সিজনাল কোভিড, রাইনো ভাইরাস এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। কখনও কখনও নিউমোনিয়ার মতো জটিলতায় দীর্ঘ চিকিৎসার প্রয়োজন হচ্ছে শিশুদের।
রাজধানীর শ্যামলী শিশু হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, বহির্বিভাগে অন্তত ৫০০ রোগী হাসপাতালে আসছেন। তীব্র জ্বর, সর্দি-কাশি এবং ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে শিশুরা ভর্তি হচ্ছে।
নিয়মিত রোগীদের পাশাপাশি সিজোনাল রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এক পরিবারের একাধিক সদস্য একই সময়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের ভিড়ে হাসপাতালের পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন
ভাইরোলজিস্টদের মতে, তীব্র গরমের পর বৃষ্টির সময় তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকনগুনিয়া, সিজোনাল কোভিড এবং রাইনো ভাইরাসের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। যদিও এসব ভাইরাসে তেমন বড় ক্ষতি হয় না, তবে দীর্ঘ সময় চিকিৎসার বাইরে থাকলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্করাও শিশুদের সঙ্গে ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
হাম-ডেঙ্গুর পাশাপাশি টাইফয়েড নিউমোনিয়ায় জটিলতা বেশি দেখা দিচ্ছে এবং আক্রান্তদের দীর্ঘ সময় ভোগাতে পারে। এই অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন।
শ্যামলী শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, "এই মৌসুমে দেখা যায়, বৃষ্টি হচ্ছে এবং আবার গরমও পড়ছে। তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে বিশেষ কিছু অগণিত ভাইরাসের কারণে ঠান্ডা-কাশি হচ্ছে। এর প্রভাব বাংলাদেশে প্রায় সব জায়গায় জ্বর, সর্দি-কাশি বা ডায়েরিয়া রোগ বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে কিছু রোগী ডেঙ্গু ও হামেও আক্রান্ত।"
আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা এবং যেকোনো অস্বাভাবিক উপসর্গে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন