প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশি চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। নারী রোগীকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে এবং আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি পালিয়ে গেছেন, এই কারণে মার্কিন তদন্ত সংস্থাটি তাকে খুঁজছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) এফবিআইয়ের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদুল ইসলামের বিষয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়ার একটি হাসপাতালে জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক নারী রোগীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। চিকিৎসা দেওয়ার সময় ওই নারীকে অচেতন করার জন্য ওষুধ প্রয়োগ করে তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়, এই অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এই ঘটনার পর রাজ্য পর্যায়ে মামলা হওয়ার পর জাহিদুল আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় জেলা আদালত তার বিরুদ্ধে ফেডারেল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তখন থেকেই এফবিআই তাকে খুঁজছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাহিদুল ইসলামের জন্মতারিখ আনুমানিক ১৯৫৫ সালের ১ অক্টোবর। তার জাতীয়তা বাংলাদেশি। এফবিআইয়ের দেওয়া শারীরিক বর্ণনা অনুযায়ী, তার উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি, ওজন প্রায় ১৬০ পাউন্ড। তার চুল কালো, চোখ বাদামি এবং তিনি চশমা ব্যবহার করতে পারেন।
এফবিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী, যিনি একজন চিকিৎসক, তার সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন। কানাডার মন্ট্রিল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে তার যোগাযোগ ও যাতায়াতের তথ্যও রয়েছে।
এফবিআই জাহিদুল ইসলামকে ‘সশস্ত্র ও বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত করে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ এফবিআই কার্যালয় অথবা মার্কিন দূতাবাস কিংবা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন