বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৪৯ পি.এম
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিচালিত এইচএসসি প্রোগ্রাম-২০২৬ এর পরীক্ষাগুলি পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে।
সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ২১৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষে মোট ৪৭ হাজার ৪১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ২৭ হাজার ৭৯৬ জন পুরুষ এবং ১৯ হাজার ২৩৮ জন নারী।
প্রতি বছরের মতো এবছরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া, বাউবি থেকে ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে উপস্থিত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের জন্য স্থগিত হওয়া বাংলা ১ম পত্র এবং বাংলা ২য় পত্র বিষয়ক পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। বাউবির ওয়েবসাইট www.bou.ac.bd থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান চীনের প্রতি বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, তিনি দেশের প্রযুক্তিনির্ভর এবং শিল্প খাতে আরো বেশি চীনা বিনিয়োগের আহ্বানও জানান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে গভর্নর এই আহ্বান জানান। এ সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীনের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে গভর্নর বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়ানোর ওপর আরও গুরুত্বারোপ করতে হবে। এ সময় তিনি দেশে বাংলা কিউআর (বাংলা কিউআর) ব্যবস্থা বাস্তবায়নে চীনের ‘সিঙ্গেল কিউআর’ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা এবং কারিগরি সহায়তা কামনা করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত যখন বিদেশি বিনিয়োগ আরও সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, গভর্নর জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব একাধিক নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সহজেই তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ ও মুনাফা নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করতে পারছেন।
তিনি এসময় বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও উন্নত হচ্ছে এবং এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর এবং শিল্প খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো যেতে পারে।
বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কাউন্সেলর সং ইয়াং ও অ্যাটাশে ওয়েন জিনহুয়া উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান এবং ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক এবং আন্দোলনকে সফল করার ক্ষেত্রে এটি রূপান্তরের একটি পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় অতীশ দীপংকর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আয়োজিত ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান 'জুলাই-২০২৪'-এ তিনি উল্লেখ করেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গৌরবোজ্জ্বল অবদান এবং সকল শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভায় এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আন্দোলনের সময় কিছু অংশের সরকার চেয়েছিল আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করতে, কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে নিজেরাই রাজপথে নেমে আসেন।
তিনি আরও বলেন, ১৮ জুলাই রামপুরা এলাকায় ছয়জন শিক্ষার্থীর শহীদ হওয়া ঘটনা আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যুক্ত হয়ে, ঐক্যবদ্ধভাবে দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটাতে সক্ষম হন।
তিনি বলেন, আমরা কোনো দিনই অন্য কোনো দেশের দাস হয়ে থাকব না। আমাদের আত্মমর্যাদা নিয়ে, বাংলাদেশি পরিচয় নিয়ে, আগামী দিনে রাষ্ট্র গড়ে তুলব এবং সামরিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক-ทุก দিক থেকে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো গড়ে তুলতে চাই।
ইশরাক হোসেন বলেন, জুলাইয়ের পুরো সময় আমি কারাগারে বন্দি ছিলাম। বাইরে থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে জানতে পারি, ১৬ ও ১৭ জুলাই আন্দোলন দমনে তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস দখলে নিয়েছিল। ঠিক সেই সময়ে, ১৮ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
কারাবন্দি জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইশরাক হোসেন বলেন, ২০ জুলাইয়ের পর বহু শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে নেওয়া হয় এবং তাদের অমানবিক পরিবেশে রাখা হয়েছিল। একটি ছোট কক্ষে পাঁচ-ছয়জনকে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে, কয়েক দিন পর্যন্ত পরিবারের সাথে যোগাযোগের সুযোগ কিংবা প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা মনোবল হারাননি।
তিনি বলেন, উত্তরা, রামপুরা, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতার ভূমিকা জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। যতবার জুলাই আসবে, ততবারই তাদের আত্মত্যাগ ও অবদান স্মরণ করা হবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই চেতনায় যেকোনো আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সব সময় রুখে দাঁড়াবে। আয়তনে ছোট হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ, এটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কখনো অন্য কোনো দেশের দাস হয়ে থাকবে না।
ইশরাক হোসেন উল্লেখ করেন, তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং জানান, তার নিজের রাজনৈতিক উত্থানের পেছনেও তারেক রহমানের অবদান রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানে তারেক রহমানের নির্দেশনা ও নেতৃত্বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অংশ নেন এবং আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে ভূমিকা পালন করেন। ভবিষ্যতেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে তরুণদের সঙ্গে নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে যাওয়া হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাজিবুল ইসলাম তালুকদারের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন– বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং জুলাই যোদ্ধা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : ইউক্রেনের পাভলোগ্রাদ শহরে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার হামলায় তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে, রাশিয়া ও রাশিয়ার অধীনে থাকা ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একটি তিন বছর বয়সী শিশু সন্তানের নামও রয়েছে।
কিয়েভ থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থা এই তথ্য জানায়।
চার বছরেরও অধিক সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে চলতি গ্রীষ্মে বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘ জানায়, ২০২২ সালে রাশিয়ার হামলার প্রথম বছরের পর গত মাসটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী।
এদিকে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য কূটনৈতিক আলোচনা এখনও অবরুদ্ধ হয়ে আছে।
ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা বলেন, ‘তিনজন নিহত হয়েছেন।’
পরে তিনি জানান, এর পাশাপাশি ‘১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি দুই বছর বয়সী মেয়েশিশুও রয়েছে।’ তিনি জানান, সকল আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পাভলোগ্রাদের যুদ্ধ শুরু আগে জনসংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। যুদ্ধ চলাকালীন শহরটি রাশিয়ার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।
রাশিয়ায় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোরোনেজ শহরের উপকণ্ঠে ইউক্রেনের একটি ড্রোন একটি বাড়িতে আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায় এবং আহত হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়।
মস্কো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ভোরোনেজে ইউক্রেন নিয়মিত ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে কিয়েভ রাশিয়ার অভ্যন্তরে আরও গভীরে আঘাত হানছে।
আঞ্চলিক গভর্নর আলেক্সান্ডার গুসেভ জানান, শিশুটির বাবা-মা ‘বিভিন্ন ধরণের আঘাত’ পেয়েছেন।
এদিকে, ক্রেমলিন-নিযুক্ত কর্মকর্তারা জানান, রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় রাতে ইউক্রেনের হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অপরদিকে রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন। ইউক্রেন সীমান্তের এই অঞ্চলে প্রায়ই হামলার ঘটনা ঘটে।
ক্রেমলিন পূর্ব ইউক্রেনের পুরো অঞ্চল দখলের সর্বোচ্চ দাবির অবস্থান থেকে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সংঘাত নিরসনের আলোচনা স্থবির হয়ে রয়েছে।
জাতিসংঘ বুধবার জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ৩৭ শতাংশ বেড়ে গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে আগামীকাল শুক্রবার শেষ হতে চলেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় পর্ব শ্রী-শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব। এর পূর্বে গত ১৬ জুলাই ৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসবের সূচনা হয়েছিল।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে যে, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগতের অর্থ হচ্ছে বিশ্ব এবং নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন জগতের ঈশ্বর। তার অশেষ অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ সম্ভব হয়। জীব রূপে তাকেও আর জন্ম নিতে হয় না। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমা রেখে রথযাত্রা পালন করেন।
উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দিরে একাধিক মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে নানা মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালা শুরু হবে। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, ভাগবত আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ।
রাজধানী ঢাকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষ্যে আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের করতে যাচ্ছে। উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনী উপলক্ষ্যে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মেলা প্রাঙ্গণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আলোচনা সভা শেষে উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন স্বামীবাগ আশ্রমের অধ্যক্ষ ও ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নিতাই স্বামী মহারাজ।
পরে এখান থেকে দৃষ্টিনন্দন সাজে তিনটি বিশাল রথে জগন্নাথ দেব, শুভদ্রা ও বলরামের প্রতিকৃতিসহ শোভাযাত্রা বের হবে। শোভাযাত্রা বিভিন্ন স্থান অতিক্রম করে যেমন পলাশীমোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, জাতীয় প্রেসক্লাব, মতিঝিল, শাপলা চত্বর, ইত্তেফাক মোড়, টিকাটুলি, রাজধানী সুপার মার্কেট এবং জয়কালী মন্দির হয়ে স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে।
সনাতনী রীতিতে প্রতিটি বছরে চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সূচনা হয়। এটি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির থেকে শুরু হয়। বাংলাদেশেও রথযাত্রা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি পবিত্র উৎসব হিসেবে পরিচিত। সাভারের ধামরাইয়ে এটি যশোমাধবের রথযাত্রা নামে পরিচিত। ভারতের ঊড়িষ্যা রাজ্যের যশোমাধবের রথযাত্রা এবং মহেশের জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাও উপমহাদেশে বিখ্যাত। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে রথযাত্রার প্রচলন ব্যাপকভাবে বিদ্যমান।
এছাড়া বাংলাদেশের পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির এবং শাঁখারীবাজার কমিটিসহ রাজধানীর অন্যান্য মন্দির ও দেশের বিভিন্ন মন্দিরে উল্টো রথ টানার উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ