বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৪ পি.এম
রংপুর, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা প্রচণ্ড গরম ও বৃষ্টির অভাবে আমন ধানের খেত নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ধানের জমিতে সেচের অভাব দেখা দিয়েছে। কিছু জায়গায় জমির মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। কৃষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, এতে ধান গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।
সরেজমিনে রায়পুর, বড় দরগা ও পৌর এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আমন ধানের মৌসুমে নিয়মিত বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীলতা রয়েছে। কিন্তু এবারের মৌসুমে বৃষ্টিপাতের অভাবে জমির আর্দ্রতা কমে গেছে। তীব্র রোদ ও গরমের কারণে মাটি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে, ফলে ধান গাছ সতেজ রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক কৃষক সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে অতিরিক্ত সেচের কারণে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সময়মতো বৃষ্টি না হলে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ৩২ হাজার ৮শ’ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ করেছেন কৃষকরা।
বড় দরগা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বাসস’কে জানিয়েছেন, ‘ধানের জমিতে পানি নেই। বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে খরচ অনেক বেড়ে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টি না হলে ফলন নিয়ে বিপদে পড়ব। এসময় জমিতে পানি না হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে ধানের।’
রায়পুরের কৃষক মজনু মিয়া বলেছেন, ‘জমির মাটি ফেটে গেছে। ধান গাছের বৃদ্ধি আগের মতো নেই। এখন আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি ছাড়া কোনো উপায় দেখছি না। আমন ধান আমাদের সারা বছরের খাদ্য ও আয়ের অন্যতম উৎস। তাই দ্রুত বৃষ্টি দরকার।’
আলমপুরের কৃষক মাহামুদুল হাসান বাসস’কে জানিয়েছেন, এসময় আমন ধানের জমিতে প্রচুর পানির প্রয়োজন। ধান গাছে শীষ বের হওয়ার সময় পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ছে।
কাবিলপুরের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বর্ষা মৌসুমে সাধারণত বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করেই আমরা আমন ধানের চাষ করি। কিন্তু সময়মতো বৃষ্টি না হলে জমিতে পানির সঙ্কট দেখা দেয়। তখন বিকল্প উপায়ে সেচের ব্যবস্থা করতে হয়। এতে বাড়তি টাকা খরচ হয়। পাশাপাশি সময় এবং শ্রম দুটোই বেশি লাগে। তাই স্বল্প খরচে সেচের পানির ব্যবস্থা করা গেলে অনেক উপকার হতো।’
পৌরসভার কৃষক রানু মিয়া বলেছেন, এখন ধানের শীষ বের হওয়ার সময় জমিতে পানির প্রয়োজন। কৃষকরা অনেক আশা নিয়ে ধান চাষ করেন, কিন্তু আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে সেই আশা পূরণ নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বাসস’কে জানিয়েছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিতে হবে এবং জমির আর্দ্রতা ধরে রাখতে হবে। আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। আশা করছি, আগামী দিনে বৃষ্টিপাত হলে ধানের ক্ষতি অনেকটাই কমে আসবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : রাশিয়া গতরাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে দেশের কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করে। হামলায় ছয়জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলার পর আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। হামলার কিছুক্ষণ আগে রাশিয়া ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেন, যুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে তারা ‘এতটা কাছাকাছি আগে কখনো আসেননি।’
এএফপি থেকে কিয়েভের খবর অনুযায়ী, হামলার পর শহরের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ছয়জন আহত হয়েছেন এবং চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্কবার্তা দেয় যে কিয়েভের দিকে ‘আরও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে’। বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রুশ কর্তৃপক্ষ জানায়, রাতের হামলায় তারা বেশ কয়েকটি ড্রোন প্রতিহত করেছে, এর মধ্যে মস্কোর দিকে উড়ে আসা ১৬০টিরও বেশি ড্রোন রয়েছে।
মঙ্গলবার অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শেষে উইটকফ রাশিয়ায় যান। ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে তিক্ত বিরোধ প্রশমিত করা।
পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় দূর থেকে অংশ নেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের জানান, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করতে রাশিয়া ‘নীতিগতভাবে প্রস্তুত’। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এ আলোচনা শুরু হতে পারে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলা শুরুর নির্দেশ দেন পুতিন। এরপর থেকে তিনি জেলেনস্কির সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। পূর্ব ইউক্রেনের বাকি অংশ দখলে নেওয়ার বিষয়ে মস্কোর অভিপ্রায়ও প্রকাশ করেছেন।
‘এখনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি’-
উশাকভ বলেন, অসলো বৈঠকে ইউরোপীয় দেশগুলো ও কিয়েভের অবস্থানে নতুন দিক উঠে এসেছে, সে বিষয়ে উইটকফ পুতিনকে অবহিত করেছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, এসব প্রস্তাবে ‘আসলে তেমন কোনো সারবস্তু ছিল না।’
তিনি জানান, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে পুতিন, ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের মধ্যে একটি শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। তিনি একে ‘ইতিহাসে এ ধরণের প্রথম বৈঠক’ বলে অভিহিত করেন।
বৈঠকে ট্রাম্পের অনুরোধে হাবার্ডকে মুক্তি দেওয়ায় পুতিনের প্রশংসা করেন উইটকফ। সত্তরের কোঠায় থাকা অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজি শিক্ষক হাবার্ড বরাবরই ইউক্রেনের হয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।
উইটকফ পুতিনকে বলেন, ‘আপনি আমার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে মানবতাবাদী হিসেবে উল্লেখ করতে শুনেছেন। আপনিও একজন মানবতাবাদী, মহোদয়। এ জন্য আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে উইটকফ বলেন, পুতিনের সঙ্গে আলোচনা ‘গঠনমূলক’ ছিল। তবে ‘এখনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে’।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এক বছরের বেশি সময় ধরে আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
এ যুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইউক্রেনের প্রতি হতাশা প্রকাশ করে ট্রাম্প আবারও দেশটি থেকে মনোযোগ সরিয়ে পুতিনের দিকে ঝুঁকেছেন।
তিনি দাবি করেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বেড়ে যাওয়া জ্বালানির দাম কমাতে রাশিয়ার ডিজেল বিক্রির বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে।
এদিকে, রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দুর্বল করতে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তও পিছিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। বুধবার তিনি এ সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, হাবার্ডের মুক্তি নিশ্চিত করতে এটি প্রয়োজন ছিল।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যদি ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতেন, তাহলে তাকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিতে হতো। তাকে আর কখনো দেখতে পেতেন না।’
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভও ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে সম্মত। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব এ বৈঠকের আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা এতে সম্মত।’
পুতিনের সঙ্গে উইটকফের নবম বৈঠকের সময় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার হামলা অব্যাহত ছিল। শীতকাল সামনে রেখে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে চারজন নিহত
ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাশিয়ার হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রাজধানী কিয়েভে দুজন এবং পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলে এক বয়স্ক দম্পতি রয়েছেন।
অন্যদিকে, রুশ দখলাধীন লুহানস্ক অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি টেলিফোন কোম্পানিতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার উইটকফ ও জেলেনস্কির বৈঠকের আগে কয়েক দিন ধরে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এ সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান ট্রাম্প।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে উইটকফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান আলোচনায় ‘কিছুটা অগ্রগতির গতি’ দেখা যাচ্ছে।
রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল বিক্রির চুক্তির জন্যও পুতিনকে ধন্যবাদ জানান মার্কিন দূত। এ চুক্তি কিয়েভ ও ইউরোপজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির ভোক্তাদের জ্বালানির দাম কমানোর প্রচেষ্টা হিসেবে এ চুক্তিকে দেখা হচ্ছে। ওই নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও পঙ্গুত্বের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে ট্রাফিক আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ, চালকদের দক্ষতা নিশ্চিত করা, ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক চিহ্নিত করে সংস্কার করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে এই আহ্বান করা হয়। নিসচার উদ্যোগে সকাল ১১টায় কাকরাইলে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে নিসচার উপদেষ্টা, আজীবন সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শাখার নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে সবার জন্য বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সাইকেল লেন এবং নিসচার মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, ধামরাই, পলাশ, নারায়ণগঞ্জ, লৌহজং, শিবপুর, সাভার ও ঠাকুরগাঁও শাখার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, আইন মেনে চলা, চালক ও যাত্রীর নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডে নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরা হয়।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নিসচার নেতৃবৃন্দ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো অনিবার্য ঘটনা নয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ, বিদ্যমান আইন ও বিধির যথাযথ প্রয়োগ, দক্ষ চালক তৈরি এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতন আচরণের মাধ্যমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এজন্য সড়ক নিরাপত্তাকে বিচ্ছিন্ন কোনো কর্মসূচি হিসেবে না দেখে নিয়মিত ও সমন্বিত জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
নিসচার পক্ষ থেকে সড়ক নিরাপত্তা আইন ও বিধির কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বিপজ্জনক গতিতে গাড়ি চালানো, ভুল পথে চলা, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন এবং যানবাহনের কাগজপত্র ও ফিটনেসসংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
চালকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষার মান এবং লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার সুপারিশ করেন নেতৃবৃন্দ। চালকদের শারীরিক সক্ষমতা, বিশ্রাম ও কর্মঘণ্টার বিষয়েও নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ক্লান্তি ও অদক্ষতার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী সব ধরনের গাড়ির নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা এবং ত্রুটিপূর্ণ ও অনুপযোগী যান চলাচল বন্ধে ধারাবাহিক নজরদারির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে নিসচা দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সড়ক আইন মেনে চলা, নিরাপদ গতিতে যানবাহন চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার এবং সড়কে অন্যের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : নওগাঁ সদর উপজেলার গয়ের পাড়া গ্রামের উদ্যোক্তা শাহিন উন্মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালন করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি মাসে সব খরচ বাদ দিয়ে দৈনিক ৫ হাজার ৪শ’ টাকা আয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। এর ফলে সংসারে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা এসেছে।
গয়ের পাড়া গ্রামের লেজু মন্ডলের পুত্র শাহিন কিছুদিন আগে পর্যন্ত বেকার ছিলেন। তিনি অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব ছিলেন এবং সংসারের খরচ নির্বাহে চোখে অন্ধকার দেখতেন। টেলিভিশন এবং ইউটিউবে হাঁস পালন করে সাফল্যের সংবাদ দেখে উৎসাহিত হয়ে তিনি হাঁস পালন শুরু করেন। মাত্র ৪ মাসের মধ্যে তার এই সাফল্যের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
শাহিন বাসস’কে জানিয়েছেন, ৪ মাস আগে তিনি ৬ মাস বয়সের ৭শ’ হাঁস কিনে আনেন। প্রতিটি হাঁস ৩শ’ টাকা করে কিনে এনে বাড়ির পাশে বিল মনছুর নামের এক উন্মুক্ত জলাশয়ে পালন শুরু করেন। সে হিসেবে হাঁসগুলোর ক্রয় মূল্য ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
সারাদিন হাঁসগুলো বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে চড়ে বেড়ায়। বিলে তারা শামুক, মাছ, পোকা-মাকড় ইত্যাদি খেয়ে থাকে। রাতে খামারে ধান ও হাঁসের ফিড খাওয়ানো হয়।
জয়পুরহাট জেলার আমজাদ হোসেনের পুত্র রাকিব এই খামারে হাঁসগুলোর দেখাশোনা ও পরিচর্যা করে থাকে। রাকিব বাসস’কে জানিয়েছেন, দিনের বেলা বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে খাদ্য সংগ্রহ করে খেলেও রাতের বেলায় দৈনিক দেড় মণ ধান ও ১০ কেজি করে ফিড খাবার দেয়া হয়। খাবার বাবদ দৈনিক খরচ হয় দেড় মণ ধান ১ হাজার টাকা এবং ১০ কেজি ফিড ৭৫০ টাকা। খাদ্য বাবদ মোট খরচ হয় ১৭৫০ টাকা। রাকিবকে মজুরি বাবদ দৈনিক ৫শ’ টাকা করে দেয়া হয়। খামারের সর্বমোট খরচ ২২৫০ টাকা।
রাকিব আরও জানায়, শাহিনের এই খামারে এখন দৈনিক কমপক্ষে ৫শ’টি করে ডিম উৎপাদন হচ্ছে। বাজারে পাইকারি মূল্যে প্রতিটি ডিম ১৫ টাকা করে বিক্রি করছেন। সে হিসেবে দৈনিক ডিম বিক্রি করছেন ৭ হাজার ৫শ’ টাকা।
এরমধ্যে ২২৫০ টাকা খরচ বাদ দিলে দৈনিক নীট লাভ থাকে ৫,২৫০ টাকা। সে হিসেবে এক মাসে এই খামার থেকে নীট মুনাফা করেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ’ টাকা।
নওগাঁ প্রকৃতি ও জীবন কর্নারের সাধারণ সম্পাদক মো. মহিদুর রহমান, গয়ের পাড়া গ্রামের নান্টু এবং জাহিদ বাসস’কে জানিয়েছেন, এই এলাকা মূলত: বিল অঞ্চল। এসব এলাকায় পারিবারিকভাবে স্বল্প পরিসরে হাঁস পালন করা হয়ে থাকে। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে বৃহৎ পরিসরে এর আগে কেউ হাঁস পালন করেনি। শাহিন সে ক্ষেত্রে হাঁসের খামার গড়ে তুলে লাভবান হয়েছেন। তার এই হাঁসের খামার এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জহুরুল ইসলাম বাসস’কে জানিয়েছেন, বিলে উন্মুক্ত জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে পর্যাপ্ত খাদ্য পাওয়া যায়। হাঁসের প্রচুর খাদ্যের প্রয়োজন হয়। উন্মুক্ত জলাশয়ে যেহেতু পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের সংস্থান হয়, সেহেতু এই পদ্ধতিতে হাঁস পালনে খরচ কম হয় এবং সেই কারণে লাভজনক।
এছাড়াও হাঁসে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি থাকে। মুরগির তুলনায় অপ্রচলিত হলেও হাঁসের মাংস ও ডিমের চাহিদা পর্যাপ্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংক মালদ্বীপে একটি বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা এবং বিকল্প মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশটিতে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য প্রবাসী আয় বৈধ চ্যানেলে দেশে পাঠানো সহজ হবে এবং ব্যাংকিং সেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসসকে জানান, "প্রবাসী আয় যাতে বৈধ পথে দেশে আসে, সে জন্য মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খোলার চেষ্টা করছি।"
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির (এমএমএ) গভর্নর আহমেদ মুনাওয়ারকে সহযোগিতা চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তারা এমএমএ থেকে জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা স্থাপন এবং প্রবাসীদের আয় বৈধ চ্যানেলে দেশে পাঠানোর সুযোগ আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বিভিন্ন বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যেমন ব্র্যাক ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক, মালদ্বীপে শাখা স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করেছে বলেও ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।
বর্তমানে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারতের কিছু ব্যাংক মালদ্বীপে শাখা পরিচালনা করছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে, মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে প্রবাসীরা সহজে ব্যাংকিং সেবা পাবেন এবং অনুমোদিত চ্যানেলে দেশে অর্থ পাঠানো আরও সুবিধাজনক হবে। তবে এর জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশভিত্তিক প্রবাসী আয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশে ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছে। আগের অর্থবছরে এই পরিমাণ ছিল ১৪ কোটি ১১ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে প্রবাসী আয়।
তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মালদ্বীপ থেকে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার ডলার দেশে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার পেছনে বাংলাদেশি কর্মীদের বিভিন্ন জটিলতা রয়েছে, যা বৈধ রেমিট্যান্স সেবা আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যাংক শাখা স্থাপনের পাশাপাশি মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক তিনটি নতুন ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছে।
গত ৮ অক্টোবর এমএমএ গভর্নরের কাছে পাঠানো চিঠিতে গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান দুই দেশের মুদ্রা কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিরাপদ, দক্ষ, স্বচ্ছ ও কম ব্যয়ের রেমিট্যান্স ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহযোগিতা চান।
প্রথম প্রস্তাবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) আওতায় উপযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে মালদ্বীপের স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশে উপকারভোগীরা অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে টাকায় সমপরিমাণ অর্থ পাবেন।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে মালদ্বীপের লাইসেন্সধারী ব্যাংক ও অর্থ স্থানান্তর প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভ্রমণসংক্রান্ত যোগ্য পরিশোধ রুফিয়ায় করার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো টাকাভিত্তিক কার্ড ইস্যু করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মাধ্যমে এর নিষ্পত্তি হবে।
তৃতীয় প্রস্তাবে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় কারেন্সি সোয়াপ ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশি কর্মীদের উপার্জন দেশে ফিরিয়ে আনা আরও সহজ হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এসব ব্যবস্থা বাস্তবায়ন দুই দেশের আইন ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও মালদ্বীপে বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি যৌথ প্রতিনিধিদল গঠনের মাধ্যমে এমএমএ’র সঙ্গে বৈঠক করতেও প্রস্তুতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। সম্ভাব্য ওই বৈঠকে নিয়ন্ত্রক শর্ত, পরিচালনাগত ব্যবস্থা এবং নিষ্পত্তি কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে।
বর্তমানে মালদ্বীপে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে দুই লাখের বেশি বিদেশি কর্মী রয়েছেন, যার মধ্যে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি।
এত বড় বাংলাদেশি কর্মীসমাজ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া সরাসরি গ্রহণে ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোর অনীহার কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে সমস্যায় পড়ছেন।
ফলে অনেককে অনানুষ্ঠানিক বাজার থেকে আগে মার্কিন ডলার কিনে পরে ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে হয়। এর সঙ্গে উচ্চ কমিশন যোগ হওয়ায় বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ব্যয় আরও বেড়ে যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এসব জটিলতা বৈধ চ্যানেলের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করে এবং হুন্ডিসহ অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বাড়ায়, যার ফলে দেশের আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সীমিত হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করে, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা চালু এবং প্রস্তাবিত মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থাগুলো একসঙ্গে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক মুদ্রাবাজারের ওপর নির্ভরতা কমবে, লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং প্রবাসীরা আরও সহজে পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের লক্ষ্য প্রবাসী আয় স্থানান্তরকে আরও নিরাপদ, দ্রুত ও কম ব্যয়বহুল করা এবং বৈধ চ্যানেলে দেশে আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বাড়ানো। তবে পুরো উদ্যোগের বাস্তবায়ন মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির সাড়া, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং দুই দেশের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ