ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে খাল থেকে মাটি কাটার অভিযোগ, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায়


বরিশালে খাল থেকে মাটি কাটার অভিযোগ, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায়

বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরনজি (গোপেরহাট) এলাকায় সরকারি খাল এবং চরের মাটি অবৈধভাবে কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির নেতা মাহবুবুল আলম বাবুল খন্দকারের ছোট ভাই এনায়েত খন্দকারের নেতৃত্বে ভেক্যু (খননযন্ত্র) ব্যবহার করে দিনের পাশাপাশি রাতেও সরকারি খাল ও চরের মাটি কেটে স্থানীয় রুপা ব্রিকসে বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতিও হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে যে, খালের পাড় থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে ট্রলার দ্বারা বোঝাই করে ইটভাটার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও সেই আপত্তিগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি খাল ও চরের মাটি প্রকাশ্যে কেটে বিক্রি করা হলেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে বহাল রয়েছে। তারা অবিলম্বে মাটি কাটার এই কাজ বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম বলেছেন, "বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে অবহিত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে এনায়েত খন্দকার বলছেন, "সরকারি খাল কিংবা চরের মাটি নয়; ইটভাটা মালিকের ক্রয় করা জমির মাটি কাটা হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবলীগ নেতার জমি দখলের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর আইনি সহায়তা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


যুবলীগ নেতার জমি দখলের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর আইনি সহায়তা দাবি

বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি যুবলীগ নেতার জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে তার চাচার বিরুদ্ধে। দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগকারী, গৌরনদী উপজেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদ্দাম খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অস্থিতিশীল অবস্থায় না থাকার সুযোগে তার চাচাতো চাচা মুকুল খান নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিচ্ছে এবং তাদের নয় শতক জমি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার মধ্যে তার মাকে বাধা দিলে তাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ করেন। সাদ্দাম খান আরও জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও মুকুল খান সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর রহমানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিল এবং তাদের পরিবারের মধ্যে প্রভাব স্থাপন করেছিল। সে সময় তিনি জমি দখল করতে পারেননি, কিন্তু বিএনপি সরকার গঠন হওয়ার পর সে আবারও নিজেকে বিএনপি নেতা বলে দাবি করছে এবং জমি দখলের কাজ শুরু করেছে। জমি রক্ষার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযুক্ত মুকুল খানের ব্যবহৃত ০১৭১৬-৮৬৭৯০৮ নাম্বারে একাধিকবার ফোন করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য জানা যায়নি। গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দখলে থাকা সম্পত্তি ফিরে পেতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ চাইলেন বিএনপি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


দখলে থাকা সম্পত্তি ফিরে পেতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ চাইলেন বিএনপি নেতা

কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বারেক মোল্লার দখলে থাকা জমি নিজের দাবি করে আঃ আজিজ মুসুল্লী, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি, উদ্ধার করার জন্য প্রেস কনফারেন্স করেছেন। সংবাদ সম্মেলনটি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় আঃ আজিজ মুসুল্লী অভিযোগ করেন যে, ওই জমির দাবিদার পৌর বিএনপির সহসভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভূইয়া, পৌর যুবদলের সহসভাপতি মোঃ নুর আলম শেখ এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেলও উপস্থিত ছিলেন।

আঃ আজিজ মুসুল্লী বলেন, ‘আমাদের ভোগদখলীয় জমি, বিএনপির কার্যালয়, আওয়ামী সরকারের সময় দখল করে মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া নিয়ে আসছেন আঃ বারেক মোল্লা। গত ১৭ বছর আমাদের ভোগদখল করতে দেয়নি। জোরজবরদস্তি করে ভোগ করে আসছেন। হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টের পর কিংবা বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমাদের রেকর্ডীয় জমি উদ্ধার সম্ভব হতো। তবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আইনি ও সামাজিকভাবে সুরাহার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোন সুরাহা পায়নি। তাই গণমাধ্যমের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতার দখলে থাকা জমি উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা ১৭টি বছর ধরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছি। মামলার শিকার হয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এসএ জেএল নং-৩৪, লতাচাপলী মৌজার এসএ ১২২৭ নং খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত এসএ ৫১৭৮, ৫১৮০ ও ৫১৮৪ নং দাগে মোট ১৭ একর ৫০ শতক জমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন আরজ আলী শেখ। ১৯৬৫ সালে উক্ত আরজ আলী শেখের নিকট থেকে ১৮০৭ নং সাব-কবলা দলিলমূলে ১.৩৩ একর জমি ক্রয় করেন আঃ আলী শেখ। তিনি উক্ত জমির মালিক হিসেবে ভোগদখলে থাকেন। বিএস ৫৮৫ নং দলিলমূলে ২১ শতক জমি ক্রয় করেন আঃ আজিজ মুসুল্লী, আলী আহম্মেদ শেখ, আঃ মন্নান (ময়নুদ্দিন) ও নুর আলম শেখ গং যৌথভাবে। ২০০৯ সালের ১২ মার্চ ১২৯০ নং দলিল মূলে ৭৫ শতাংশ জমি নুর আলম শেখ মালিক হন। আমরা কুথাকাটা মহাসড়কের পাশ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে উক্ত জমি ভোগদখল করি এবং সেখানে কয়েকটি দোকান ঘর নির্মাণ করি। পাশাপাশি বিএনপির অফিস স্থাপন করি। কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক মোল্লা নেতৃত্বে আমাদের বিএনপির কার্যালয় দখল করে সেখানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় পরিচালনা করা হয়। আমাদের ভোগদখলীয় জমিতে অনুমতি ও আইনগত অধিকার ছাড়াই মাটি ভরাট করে জমির সামনের অংশে মার্কেট নির্মাণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভুইয়া নির্দিষ্ট করেন যে, তিনি ২০০৫ সালের ২২ জুন ৩৬০৫নং সাব-কবলা দলিলমূলে ০.৩৬০০ একর এবং ২০০৫ সালের ৩০ জুন ৩৯১৭নং সাব-কবলা দলিলমূলে ০.৩৮৫০ একর জমি ক্রয় করে মার্কেট নির্মাণ করেন এবং সেখানে দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করেন। ২০০৯ সালে আব্দুল বারেক মোল্লা ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী আলমগীর উক্ত জমি ও মার্কেট দখল করে তাদেরকে উচ্ছেদ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা কোন ধরনের সংঘাত কিংবা প্রতিশোধ নেওয়ার পক্ষে নই। আমরা আইন, ন্যায়বিচার এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে চলতে চাই। আমাদের একমাত্র দাবি সঠিকভাবে দলিল, রেকর্ড ও প্রকৃত তথ্য যাচাইপূর্বক আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হোক।

কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আঃ বারেক মোল্লা জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার কোন মার্কেট নেই। আমি কারোর জমি দখল করিনি। যে জমি বা মার্কেটের কথা বলা হয়েছে, ওই জমি বা মার্কেটের মালিক তার ভাইয়ের বেল্লাল মোল্লা। ১৯৯৯ সালে সেকান্দর আলী শেখ এর কাছ থেকে সাবেক পৌর কমিশনার মিলন মিয়ার স্ত্রী ক্রয় করেন। তার কাছ থেকে বেল্লাল মোল্লা ক্রয় করে মার্কেট নির্মাণ করেছে। এই জমি নিয়ে আদালতের ৫টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মামলা এখনও চলমান রয়েছে। বাবা না থাকায় ভাতিজার পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন মাত্র। তিনি দাবি করেন, কুয়াকাটায় বেড়িবাঁধের বাধের বাইরে বিএনপির কখনো কোন অফিস ছিল না। রাজনৈতিক হয়রানি এবং মার্কেট দখলে নিতে এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরে মিলল বিশাল আকৃতির টুনা মাছ, দাম উঠল ৪০ হাজার টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


সাগরে মিলল বিশাল আকৃতির টুনা মাছ, দাম উঠল ৪০ হাজার টাকা

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে বিরল প্রজাতির ইয়েলোফিন টুনা (ণবষষড়ভিরহ ঞঁহধ) মাছ ধরা পড়েছে। জেলেদের কাছে এটি ‘হলুদ পাখনা টুনা’ নামে পরিচিত হলেও, এ অঞ্চলে এ ধরনের মাছ খুবই কম ধরা পড়ে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে, মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য বন্দরের মেসার্স মনি ফিশ আড়তে নিয়ে আসা হলে সেটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অনেক ভিড় জমে। মাছটির ওজন ২৮ কেজি ৯০০ গ্রাম, যা প্রায় ২৯ কেজির সমান। প্রতি কেজি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে, মাছটি মোট ৪০ হাজার ৪৬০ টাকায় বিক্রি হয়। মেসার্স মনি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে গেলে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন মাছটি নিলামে কিনে নেন। ক্রেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘এর আগে এ ধরনের মাছ আমি দেখিনি। মাছটি অত্যন্ত সুস্বাদু ও দামি।’ তিনি বলেন, বেশি দামে বিক্রির জন্য এটি ঢাকায় পাঠাবেন।

জানা গেছে, গত বুধবার বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দর সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে এফবি সজীব ট্রলারের জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারের জীবন মাঝি জানান, এ ধরনের দামী মাছ আমাদের জালে সচরাচর ধরা পড়ে না। মাছটি পেয়ে তারা খুবই খুশি। স্থানীয় জেলে হামিদুর রহমান বলেন, এত বড় টুনা মাছ আগে কখনও তারা দেখেননি। ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডঈঝ ও ওয়ার্ল্ডফিশ-এর ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ইয়েলোফিন টুনা (ঞযঁহহঁং ধষনধপধৎবং) একটি বৃহৎ সাইজের, উচ্চমাত্রায় পরিযায়ী সামুদ্রিক পেলাজিক মাছ। বিশ্বের উষ্ণ ও উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্রে বিস্তৃতভাবে এটির দেখা মেলে এবং বাংলাদেশে প্রধানত বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র, বিশেষ করে দেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (ঊঊত) ও সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এলাকায় এ মাছের বিচরণ রয়েছে। তিনি আরও জানান, এ মাছ বিশ্ববাজারে অত্যন্ত মূল্যবান।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ইয়েলোফিন টুনা বিশ্বের ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় মহাসাগরের গভীর জলে বসবাসকারী একটি দ্রুতগতির মাছ। পূর্ণবয়স্ক টুনা মাছ প্রায় ২ দশমিক ৪ মিটার লম্বা এবং ওজন ২০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এরা সাধারণত গভীর সমুদ্রে বিচরণ করে, তবে অনুকূল পরিবেশে কখনও উপকূলের কাছাকাছি চলে আসে। ঘণ্টায় প্রায় ৭৫ কিলোমিটার গতিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম এবং এ মাছ বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সামুদ্রিক মাছের মধ্যে একটি প্রজাতি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটে কাদা-বালুর ভোগান্তি, বিপাকে মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৪ পি.এম


মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটে কাদা-বালুর ভোগান্তি, বিপাকে মানুষ

সামান্য বৃষ্টিতে লক্ষ্ণীপুরের মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটে পড়ছেন যাত্রী এবং পরিবহন চালকরা। ফেরিঘাটসংলগ্ন বালুমহল থেকে সড়কে ছড়িয়ে পড়া বালু বৃষ্টির পানির কারণে কাদায় পরিণত হওয়ায় ফেরিতে যানবাহন ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটের ওপর প্রতিদিন দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কার, বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং ফেরিঘাট এলাকায় কার্যকর ব্যবস্থাপনা যদি নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে দক্ষিণাঞ্চলের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে দুর্ভোগ বেড়ে যাবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটের প্রবেশমুখে বালু ও কাদার কারণে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফেরিতে উঠার সময় অনেক যাত্রী পা পিছলে পড়ে আহত হচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় বাসিন্দা এবং চালকরা নিজেদের উদ্যোগে নিচু স্থানে মাটি ফেলে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করছেন।

চট্টগ্রাম থেকে ভোলাগামী যাত্রী তাছলিমা আক্তার জানিয়েছেন, ফেরিতে উঠতে গিয়ে কাদায় পা পিছলে পড়ে পায়ে আঘাত পেয়েছেন। তার সঙ্গে থাকা মালামালও কাদায় নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই যদি এমন অবস্থা হয়, তখন সাধারণ মানুষের কষ্টের শেষ নেই।’ স্থানীয় চা দোকানদার স্বপন এবং তারেক জানান, বৃষ্টির সময় পুরো ফেরিঘাট এলাকা কাদায় একাকার হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, যাত্রীদের চলাচল যেমন কষ্টকর হয়ে পড়ে, তেমনি ব্যবসাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষা করা ট্রাকচালক মিরাজ মিয়া এবং সবুজ জানান, বালুবাহী গাড়ি থেকে সড়কে বালু পড়ে থাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায়। ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফেরিতে উঠতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়ে যেতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেরিঘাটসংলগ্ন এলাকায় বালু ব্যবসার কারণে এই সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বালু ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা সরকারি অনুমতি নিয়েই বালু ব্যবসা পরিচালনা করছি। নিয়ম মেনেই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।” তিনি বলেন, ‘আমিও আমার মতো আরও বালু ব্যবসায়ী আছি।’

লক্ষ্ণীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ পাঠান জানিয়েছেন, সড়কের পাশে এভাবে বালু সংরক্ষণ ও ব্যবসা পরিচালনার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই বিষয়টি তাদের নজরে থাকলেও জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন হওয়ায় তারা সরাসরি কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%