ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাগরে মিলল বিশাল আকৃতির টুনা মাছ, দাম উঠল ৪০ হাজার টাকা


সাগরে মিলল বিশাল আকৃতির টুনা মাছ, দাম উঠল ৪০ হাজার টাকা

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে বিরল প্রজাতির ইয়েলোফিন টুনা (ণবষষড়ভিরহ ঞঁহধ) মাছ ধরা পড়েছে। জেলেদের কাছে এটি ‘হলুদ পাখনা টুনা’ নামে পরিচিত হলেও, এ অঞ্চলে এ ধরনের মাছ খুবই কম ধরা পড়ে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে, মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য বন্দরের মেসার্স মনি ফিশ আড়তে নিয়ে আসা হলে সেটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অনেক ভিড় জমে। মাছটির ওজন ২৮ কেজি ৯০০ গ্রাম, যা প্রায় ২৯ কেজির সমান। প্রতি কেজি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে, মাছটি মোট ৪০ হাজার ৪৬০ টাকায় বিক্রি হয়। মেসার্স মনি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে গেলে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন মাছটি নিলামে কিনে নেন। ক্রেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘এর আগে এ ধরনের মাছ আমি দেখিনি। মাছটি অত্যন্ত সুস্বাদু ও দামি।’ তিনি বলেন, বেশি দামে বিক্রির জন্য এটি ঢাকায় পাঠাবেন।

জানা গেছে, গত বুধবার বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দর সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে এফবি সজীব ট্রলারের জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারের জীবন মাঝি জানান, এ ধরনের দামী মাছ আমাদের জালে সচরাচর ধরা পড়ে না। মাছটি পেয়ে তারা খুবই খুশি। স্থানীয় জেলে হামিদুর রহমান বলেন, এত বড় টুনা মাছ আগে কখনও তারা দেখেননি। ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডঈঝ ও ওয়ার্ল্ডফিশ-এর ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ইয়েলোফিন টুনা (ঞযঁহহঁং ধষনধপধৎবং) একটি বৃহৎ সাইজের, উচ্চমাত্রায় পরিযায়ী সামুদ্রিক পেলাজিক মাছ। বিশ্বের উষ্ণ ও উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্রে বিস্তৃতভাবে এটির দেখা মেলে এবং বাংলাদেশে প্রধানত বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র, বিশেষ করে দেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (ঊঊত) ও সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এলাকায় এ মাছের বিচরণ রয়েছে। তিনি আরও জানান, এ মাছ বিশ্ববাজারে অত্যন্ত মূল্যবান।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ইয়েলোফিন টুনা বিশ্বের ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় মহাসাগরের গভীর জলে বসবাসকারী একটি দ্রুতগতির মাছ। পূর্ণবয়স্ক টুনা মাছ প্রায় ২ দশমিক ৪ মিটার লম্বা এবং ওজন ২০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এরা সাধারণত গভীর সমুদ্রে বিচরণ করে, তবে অনুকূল পরিবেশে কখনও উপকূলের কাছাকাছি চলে আসে। ঘণ্টায় প্রায় ৭৫ কিলোমিটার গতিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম এবং এ মাছ বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সামুদ্রিক মাছের মধ্যে একটি প্রজাতি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটে কাদা-বালুর ভোগান্তি, বিপাকে মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৪ পি.এম


মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটে কাদা-বালুর ভোগান্তি, বিপাকে মানুষ

সামান্য বৃষ্টিতে লক্ষ্ণীপুরের মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটে পড়ছেন যাত্রী এবং পরিবহন চালকরা। ফেরিঘাটসংলগ্ন বালুমহল থেকে সড়কে ছড়িয়ে পড়া বালু বৃষ্টির পানির কারণে কাদায় পরিণত হওয়ায় ফেরিতে যানবাহন ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটের ওপর প্রতিদিন দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কার, বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং ফেরিঘাট এলাকায় কার্যকর ব্যবস্থাপনা যদি নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে দক্ষিণাঞ্চলের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে দুর্ভোগ বেড়ে যাবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাটের প্রবেশমুখে বালু ও কাদার কারণে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফেরিতে উঠার সময় অনেক যাত্রী পা পিছলে পড়ে আহত হচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় বাসিন্দা এবং চালকরা নিজেদের উদ্যোগে নিচু স্থানে মাটি ফেলে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করছেন।

চট্টগ্রাম থেকে ভোলাগামী যাত্রী তাছলিমা আক্তার জানিয়েছেন, ফেরিতে উঠতে গিয়ে কাদায় পা পিছলে পড়ে পায়ে আঘাত পেয়েছেন। তার সঙ্গে থাকা মালামালও কাদায় নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই যদি এমন অবস্থা হয়, তখন সাধারণ মানুষের কষ্টের শেষ নেই।’ স্থানীয় চা দোকানদার স্বপন এবং তারেক জানান, বৃষ্টির সময় পুরো ফেরিঘাট এলাকা কাদায় একাকার হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, যাত্রীদের চলাচল যেমন কষ্টকর হয়ে পড়ে, তেমনি ব্যবসাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষা করা ট্রাকচালক মিরাজ মিয়া এবং সবুজ জানান, বালুবাহী গাড়ি থেকে সড়কে বালু পড়ে থাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায়। ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফেরিতে উঠতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়ে যেতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেরিঘাটসংলগ্ন এলাকায় বালু ব্যবসার কারণে এই সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বালু ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা সরকারি অনুমতি নিয়েই বালু ব্যবসা পরিচালনা করছি। নিয়ম মেনেই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।” তিনি বলেন, ‘আমিও আমার মতো আরও বালু ব্যবসায়ী আছি।’

লক্ষ্ণীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ পাঠান জানিয়েছেন, সড়কের পাশে এভাবে বালু সংরক্ষণ ও ব্যবসা পরিচালনার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই বিষয়টি তাদের নজরে থাকলেও জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন হওয়ায় তারা সরাসরি কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনৈতিক মন্তব্যের জেরে বিএনপি কর্মীকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


রাজনৈতিক মন্তব্যের জেরে বিএনপি কর্মীকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষির অভিযোগ

লক্ষ্ণীপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিএনপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পাশাপাশি ভুক্তভোগী মো. শরীফ জানিয়েছেন, তার মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোনও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যাবেলায় সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তার এলাকায়। শরীফ এরপর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মারধরের কারণে শরীফ বর্তমানে লক্ষ্ণীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের বিনোদধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত আইনজীবী আনিসুল ইসলামের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ চলছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে। ঘটনার সময় শরীফ মাছের খাবার কেনার জন্য মোটরসাইকেলে বের হলেন। তখন আনিসুল ইসলাম ও তার কিছু সহযোগী তাকে পথরোধ করেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আনিসুল শরীফকে 'তুই ফ্যাসিস্ট' বলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি দিতে শুরু করেন। শরীফ বলেন, এতে তিনি শারীরিকভাবে আঘাত পেয়েছেন এবং তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনেও ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে আইনজীবী আনিসুল ইসলাম বলেন, 'শরীফের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে, তবে মারধরের ঘটনা ঘটেনি। একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।' লক্ষ্ণীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন এবং লিখিত অভিযোগ পেলে এটি তদন্ত করা হবে। লক্ষ্ণীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানান, মারধরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং এটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবে টেকনাফে ১৮ জন উদ্ধার, চলছে তৎপরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৯ পি.এম


রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবে টেকনাফে ১৮ জন উদ্ধার, চলছে তৎপরতা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া উপকূলে একটি রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জেলেরা ১৮ জন রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন নৌকাটিতে থাকা আরও ১৩ জন, যার মধ্যে মাঝিমাল্লাও রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া নৌকাঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া ১৮ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেন, তিনি জানান, সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) মধ্যে চলমান সংঘর্ষের কারণে তারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় শাহপরীরদ্বীপ উপকূলে নৌকাটি ডুবে যায়। পরে স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে বিজিবির কাছে সোপর্দ করেন।

শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়ার জেলে মো. ইসমাইল জানান, আজ সকালে ৩১ জন আরোহী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়। আমরা ১৮ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এখনও ১৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো নারী বা শিশু নেই। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা মিয়ানমারে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন এবং বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা পূর্বে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবির থেকে মিয়ানমারে গিয়েছিলেন। তারা আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন।

টেকনাফ বিজিবি-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানিয়েছেন, শাহপরীরদ্বীপ এলাকায় একটি রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবির ঘটনায় ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা বিজিবির হেফাজতে রয়েছেন। কী কারণে তারা বাংলাদেশে এসেছেন তা যাচাই করে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১২ লাখ, এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার মুখে কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক এক ব্যবসায়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


দৌলতপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক এক ব্যবসায়ী

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক ইয়াবা সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে দৌলতপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে দৌলতপুর থানার পার্শ্ববর্তী এলাকার মাস্টারপাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়। 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে দৌলতপুর থানা সংলগ্ন মাস্টারপাড়া এলাকায় দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানের ভাড়া বাসায় তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে মেহেদী হাসানকেও আটক করা হয়। 

মেহেদী হাসান উপজেলার পূর্ব পাড়ার মৃত এসকেন আলীর ছেলে। সে বহুদিন ধরে মাস্টারপাড়ার সেই ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে এবং ঐ বাসা থেকেই তার মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

এছাড়া, বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে থানার আইনশৃঙ্খলা চোরাচালান ও মাদক নির্মূলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর থেকে নির্বাচিত বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির পক্ষে কঠোর হুঁশিয়ারী দেন। তিনি বলেন, যে কোন মূল্যে দৌলতপুর থেকে মাদক নির্মূল করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, যদি কোনো দলীয় নেতাকর্মী মাদকের সাথে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এমপি আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার বক্তব্যের আলোকে দৌলতপুর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মেহেদীকে আটক করা হয়। 

পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এমন অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%