বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০২ পি.এম
স্কয়ার টেক্সটাইলস পিএলসি, যা স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সুইং টেকনিক্যাল ম্যানেজার (ওভেন গার্মেন্ট)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, স্পিনিংয়ে কাজের দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর
কর্মস্থল: ময়মনসিংহ (ভালুকা)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আবেদন করতে আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে একটি বিল আটকে দেওয়া হয়েছে, যা ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ খরচের বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর না দেওয়ার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রিপাবলিকানদের উদ্যোগে প্রস্তাবটি এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে ৫৭ জন ভোট দিলেও ৪৩ জন বিপক্ষে ভোট দেন। ফলে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি আর এগোয়নি।
‘দরদাতা সুরক্ষা আইন’ নামক বিলটির উদ্দেশ্য ছিল ডাটা সেন্টারের জন্য নতুন বিদ্যুৎ অবকাঠামোর খরচ সাধারণ গ্রাহকের ওপর চাপানো না হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপানোর ব্যবস্থা করা। তবে এতে অঙ্গরাজ্যের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রকদের শুধুমাত্র এ ধরনের খরচ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপানোর নিয়ম বিবেচনা করতে বলা হয়েছে, বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করার কথা বলা হয়নি।
ডেমোক্র্যাটরা এই বিষয়টিকে বিলটির বিরোধিতার প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার মন্তব্য করেন, সাধারণ মানুষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ও ডাটা সেন্টার নিয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ চাইছেন। কিন্তু রিপাবলিকানদের আনা বিলটি তার ভাষায় কেবল একটি বার্তামূলক উদ্যোগ, যেখানে সুরক্ষার বিষয়টি ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে।
শুমার আরও বলেন, বিলটিতে কোনো প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করা হয়নি। ডেমোক্র্যাটদের দাবি, ডাটা সেন্টারের কারণে বিদ্যুতের অতিরিক্ত খরচ হলে সেই ব্যয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেই বহন করতে হবে।
এর আগে চলতি মাসে প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি ব্যাপক দ্বিদলীয় সমর্থন পায়। ৪২০ ভোটের মধ্যে ৪১৭ জন এর পক্ষে এবং মাত্র তিনজন বিপক্ষে ভোট দেন। এরপর বিলটি সিনেটে পাঠানো হয়।
সিনেটর জন হাস্টেড বিলটি এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। এর আগে তিনি সর্বসম্মত সম্মতির মাধ্যমে বিলটি পাস করানোর চেষ্টা করেছিলেন। ওই পদ্ধতিতে একজন সদস্য আপত্তি জানালেই প্রস্তাব আটকে দেওয়া যায়। নিউ মেক্সিকোর ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্টিন হাইনরিশ তখন বিলটির পরিবর্তে নিজের একটি প্রস্তাব পাসের আহ্বান জানান। তার দাবি ছিল, ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ খরচ কমাতে আরও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
হাইনরিশ বলেন, কেবল বার্তা দেওয়ার জন্য নয়, কংগ্রেসকে কার্যকর আইন করতে হবে। তার মতে, ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ খরচের পাশাপাশি পানি ব্যবহার, বায়ুদূষণ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাবের বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া দরকার।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডাটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বিতর্কও বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য এসব কেন্দ্রের বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হওয়ায় সেগুলোর কারণে সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিল বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
বুধবারের (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোটটি অনুষ্ঠিত হয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে। এ সময় সিনেট সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একই দিনে কংগ্রেস সদস্যদের শেয়ার কেনাবেচা সীমিত করার আরেকটি প্রস্তাবও ডেমোক্র্যাটরা আটকে দেন।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সরবরাহ করা বনরুটি খেয়ে ১২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার লহালামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বনরুটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। রুটি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকজন শিক্ষার্থী পেটব্যথা ও বমিবমি ভাবের অভিযোগ করে। এরপর একে একে ১২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
প্রথমে বিদ্যালয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দুপুর ২টার দিকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
অসুস্থ চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আম্বিয়া খাতুন জানায়, বনরুটি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর তার বমিবমি ভাব শুরু হয়। পরে পেটব্যথা শুরু হলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
চতুর্থ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী সাদিয়া খাতুন জানায়, বনরুটি খাওয়ার সময় তেলাপোকার মতো গন্ধ ও তেতোভাব অনুভূত হচ্ছিল। খাওয়ার পর প্রথমে মাথাব্যথা শুরু হয়। পরে পেটব্যথা হলে শিক্ষকরা তাকে ওষুধ দেন। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্যালাইন ও ওষুধ দেওয়ার পর বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে।
সাদিয়ার বাবা মো. দুলাল বলেন, বনরুটি খাওয়ার পরই তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয় থেকে খবর পেয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে সে অনেকটাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণের আগে খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারি একটি ভালো উদ্যোগ খাবারের মান নিয়ে প্রশ্নের কারণে যেন বিতর্কিত না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া প্রয়োজন।
শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. আবুল হায়াত জানান, পেটব্যথা ও বমিবমি ভাব নিয়ে ১২ শিক্ষার্থী হাসপাতালে আসে। প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিকিৎসা দেওয়ার পর সন্ধ্যার দিকে তাদের অবস্থার উন্নতি হলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
লহালামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, এনজিও গাকের মাধ্যমে রেদোয়ান ফ্রুটস সরবরাহ করা ২৯ সেপ্টেম্বরের বনরুটি বুধবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। রুটি খাওয়ার পর ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে যারা রুটি খায়নি, তাদের কাছ থেকে অবশিষ্ট বনরুটি নিয়ে নেওয়া হয়। সেগুলো আর শিক্ষার্থীদের খেতে দেওয়া হয়নি।
প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ওই দিনের বনরুটি খাওয়া অন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর কোনো সমস্যা হয়নি।
এ বিষয়ে গাক এনজিওর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমন্বয়কারী কবির উদ্দিন বলেন, তাদের এনজিও যেসব প্রতিষ্ঠানে খাবার সরবরাহ করে, সেখানে খাবার পরীক্ষা নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পর শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। তাই খাবারে ত্রুটি থাকার কথা নয়। তবে ২৯ সেপ্টেম্বরের তারিখের বনরুটি ৩০ সেপ্টেম্বর কেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হলো, এ বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারের মান, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, মেয়াদ এবং সরবরাহ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
অভিভাবকদের অভিযোগ, শিশুদের জন্য সরবরাহ করা খাবার বিতরণের আগে যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হলে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব। তাই ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্ক হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগেও গাক এনজিওর সরবরাহ করা খাবার খেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিজ্ঞান জাদুঘরের সামনে একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
নিহত জিসান (৪) ভোলার লালমোহন উপজেলার গুদিরপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আলী আকবরের পুত্র। সে দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিল।
নিহতের বাবা আলী আকবর জানিয়েছেন, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পশ্চিম আগারগাঁওয়ে বাসার পাশে বিজ্ঞান জাদুঘরের সামনে খেলা করার সময় আইল্যান্ড থেকে রাস্তায় নামার সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রাইভেটকার তাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় সে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।
তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিউরো সায়েন্স ইনস্টিটিউট এবং পরে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তার মৃত্যু ঘটে।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির উপপরিদর্শক এসআই মো. সেলিম হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, শিশুর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি শেরে বাংলা নগর থানাকে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রুপসা বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আব্দুস সামাদ (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেলচালক।
নিহত আব্দুস সামাদ বুজরুকমুন্দিয়া গ্রামের মৃত আবু বক্কর বিশ্বাসের পুত্র এবং কালীগঞ্জ পৌরসভার কসাইখানা পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়াগামী রুপসা বাসটি দ্রুতগতিতে চলছিল। বাসটি কালীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে পৌরসভার কসাইখানা পরিদর্শক আব্দুস সামাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। এ সময় আরেকজন আহত হন, তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক রেজওনা নাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার পৌরসভায় কর্মরত আব্দুস সামাদ মারা গেছেন। আহত ব্যক্তিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। পরে জানতে পেরেছি আহত ব্যক্তি আশংকামুক্ত। তবে তার পরিচয় আমার জানা নেই।"
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, বাসটি আটক করা হয়েছে এবং মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ